ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

পাকিস্তান জইশ-ই নেতা আজহারকে ধরতে পুরস্কারের অর্থ বাড়াল


পাকিস্তান জইশ-ই নেতা আজহারকে ধরতে পুরস্কারের অর্থ বাড়াল

পাকিস্তানের সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের নেতা মাসুদ আজহারের গ্রেপ্তারে সহায়ক তথ্যের জন্য পুরস্কারের অর্থ ৭০ লাখ পাকিস্তানি রুপি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। এই ঘোষণা পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) দ্বারা করা হয়েছে। ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য ফিন্যানশিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) পূর্ণাঙ্গ বৈঠকের কয়েক সপ্তাহ আগে এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থাটির বৈঠকগুলোতে অর্থ পাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং বিশেষ নজরদারিতে থাকা দেশগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের আগে মাসুদ আজহারের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পাকিস্তানের ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে বিশ্লেষকদের দ্বারা।

আরও পড়ুন: জানাজা থেকে ফেরার পথে গ্রেপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান, অসন্তোষ জানালেন প্রতিমন্ত্রী

তবে মাসুদ আজহারকে নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান বরাবরই বিতর্কিত। ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, আজহার পাকিস্তানে নেই এবং তিনি আফগানিস্তানে আত্মগোপন করে আছেন।

এছাড়াও, পাকিস্তানের ২০২৬ সালের আপডেটেড ‘রেড বুক’-এ মাসুদ আজহারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কারের মূল্য ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লাখ পাকিস্তানি রুপি করা হয়েছে। অর্থাৎ, পুরস্কারের অঙ্ক এক ধাক্কায় সাড়ে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানের সরকারি নথিতে তিনি এখন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছেন।

ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, আজাহার পাকিস্তানেই সক্রিয় রয়েছেন। ফলে পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি থাকা জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে সত্যিই কোনো অভিযান চালানো হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

 

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হলো যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ‘থিওডোর রুজভেল্ট’

ভারতের বুকে ঘটে যাওয়া একাধিক ভয়াবহ জঙ্গি হামলার মূল চক্রী হিসেবে মাসুদ আজহারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সংসদ ভবনে হামলা, পাঠানকোট হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার মতো ঘটনাগুলোর সঙ্গে সংগঠনটির নাম যুক্ত হয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদও তাকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ভারত সরকারের সন্ত্রাসবাদীদের তালিকাতেও তার নাম রয়েছে।

১৯৯৯ সালে আই-৮১৪ বিমান অপহরণকাণ্ডের পর যাত্রীদের মুক্তির বিনিময়ে ভারত তিন জঙ্গিকে জেল থেকে মুক্তি দিয়েছিল, তাদের মধ্যে ছিলেন মাসুদ আজহার। মুক্তির পরেই তিনি জইশ-ই-মোহাম্মদ প্রতিষ্ঠা করেন।

অতএব, এফএটিএফ বৈঠকের ঠিক আগে পাকিস্তানের এই ‘পুরস্কার ঘোষণা’ কতটা বাস্তব পদক্ষেপ এবং কতটা আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল— সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড় হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: ডেমোক্র্যাটদের নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, চাক শুমারের চাপে বৃদ্ধি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় পেসার ক্রান্তি গৌড়কে শাস্তি আইসিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


ভারতীয় পেসার ক্রান্তি গৌড়কে শাস্তি আইসিসির

শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে নারী এশিয়া কাপে ভারত রেকর্ড ৮মবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রাতেই ক্রান্তি গৌড় অপ্রীতিকর এক ঘটনার জন্য শাস্তি পেয়েছেন।

ক্রান্তি উইকেট নেওয়ার পর অশোভন অঙ্গভঙ্গি করে উদযাপন করায় শাস্তির সম্মুখীন হন। ভারতীয় পেসারের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া, তার নামের পাশে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ করা হয়েছে আইসিসির পক্ষ থেকে।

ঘটনাটি ঘটে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং ইনিংসের প্রথম ওভারে। ওপেনার ইমেশা দুলানিকে আউট করার পর ক্রান্তি লঙ্কান ওপেনারকে প্যাভিলিয়নের দিকে ইঙ্গিত করেন। এই ঘটনার জন্য আইসিসির আচরণবিধির লেভেল-১ ভঙ্গ করার কারণে তিনি শাস্তি পান।

ক্রান্তি নিজের অপরাধ স্বীকার করে ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানি দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন। তাই শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। এটি তার ২৪ মাসের মধ্যে প্রথম অপরাধ।

গতকাল ভারত প্রথমে ব্যাট করে দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা (৫৯) ও শেফালি ভার্মার (৬৮) জোড়া ফিফটিতে ১৮৪ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায়। রান তাড়ায় শ্রীলঙ্কা ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায়। এর ফলে ভারত ৭২ রানে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাইস মিল ব্যবসায়ী ওসমান গনিকে আদালত দেউলিয়া ঘোষণা করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


রাইস মিল ব্যবসায়ী ওসমান গনিকে আদালত দেউলিয়া ঘোষণা করেছে

অটোমেটিক রাইস মিল ব্যবসায়ী মো. ওসমান গনি আদালতের মাধ্যমে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছেন, কারণ পাওনাদারদের সঙ্গে আর্থিক দাবি নিষ্পত্তির কোনো সম্ভাব্য উপায় খুঁজে পাননি। মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের মোট ২৫২ কোটি ২৪ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।

ঢাকার দেউলিয়াবিষয়ক আদালতের বিচারক মো. শহীদুল ইসলাম সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ওসমান গনিকে দেউলিয়া ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন। এই রায় তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া হয়।

মামলায় ২৬৭ জনকে বিবাদী করা হয়েছিল। আইনজীবী মো. রুহুল আমিন ৭২ জন বিবাদীর পক্ষে বলেন, ওসমান গনি ঋণ ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগের জন্য অর্থ গ্রহণ করেছিলেন বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। কিন্তু পরবর্তীতে সেই অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি দেউলিয়া ঘোষণা করার আবেদন করেন।

রায়ের পর মো. রুহুল আমিন মন্তব্য করেন, ‘এই রায়ের ফলে বিবাদীরা মারাত্মকভাবে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আমরা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।’ তিনি জানান, এ ধরনের রায় ভবিষ্যতে অনেক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করার সুযোগ দিতে পারে, যা সমাজে নেতিবাচক নজির সৃষ্টি করবে।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ওসমান গনি দেউলিয়াবিষয়ক আইনের ১০ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৬৭ জনকে বিবাদী করা হয়।

মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাওনাদারদের সঙ্গে সমঝোতা বা অন্য কোনো সম্ভাব্য সমাধানের পথ খুঁজে না পেয়ে বাধ্য হয়ে তিনি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন করেছেন।

মামলায় ১ থেকে ৭ নম্বর বিবাদী হিসেবে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন বলে আরজিতে উল্লেখ করা হয়। আর ৮ থেকে ২৬৭ নম্বর বিবাদী হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রোপ্রাইটরশিপ প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। তাদের সঙ্গে ওসমান গনির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল।

আরজিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা নিয়ে ওসমান গনি তার মালিকানাধীন তিনটি অটোমেটিক রাইস মিল স্থাপন ও পরিচালনা করেন। ব্যবসা শুরু করার পর নিয়মিত ঋণের কিস্তি ও অন্যান্য অর্থ পরিশোধ করতেন বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে পরবর্তী সময়ে একই এলাকায় আরো একাধিক অটোমেটিক রাইস মিল গড়ে ওঠার কারণে শিল্পটি ধীরে ধীরে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। চাল উৎপাদনের সার্বিক ব্যয় চালের বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় চালকল মালিকরা বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হন।

এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ওসমান গনি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পাওনা অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে স্ত্রী হত্যায় স্বামীকে যাবজ্জীবন, হোটেল ম্যানেজারকে ৫ বছর কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


বরিশালে স্ত্রী হত্যায় স্বামীকে যাবজ্জীবন, হোটেল ম্যানেজারকে ৫ বছর কারাদণ্ড

বরিশালে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। হত্যাকাণ্ডের ১৬ বছর পর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসতাক আহমেদ এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় জহিরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মহসিন মন্টু তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নগরীর সদর রোডে অবস্থিত হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালের একটি কক্ষে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাসিন্দা প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম তার স্ত্রী নাজমা জহির শোভাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। এ ঘটনার পর নিহতের বোন নিলুফা আইরিন একই দিন কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় নিহতের স্বামী জহিরুল ইসলাম এবং হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। আদালত ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার এই রায় ঘোষণা করে।

 

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন মিজান বলেন, নিহত নাজমা জহির শোভার ছোট বোন রুমা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়া প্রেম ছিল জহিরুল ইসলামের। সেই সময় তিনি বরিশাল এলজিইডির প্রকৌশলী ছিলেন।

পরকীয়ার বিষয়টি জানার পর ঘটনার দিন স্ত্রী শোভাকে বরিশাল নগরীর সদর রোডে হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে ছুরি দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে জহিরুল। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

অপরদিকে হোটেল কার্যক্রম পরিচালনায় ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যার কারণে তাকেও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের জন্য আ. লীগ নেতা আব্দুর রইচ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


বরিশালে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের জন্য আ. লীগ নেতা আব্দুর রইচ গ্রেপ্তার

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একজন নেতা।

পুলিশ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সেরাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় একটি মামলায় আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%