০৮:১৮ এম
রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ইউক্রেনের জাপোরিজিয়া অঞ্চলের রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় একটি হলিডে ক্যাম্পে রাতের হামলায় চার শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন।
শনিবার মস্কো অভিযোগ করেছে, কিইভ ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিকদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। তবে উক্ত বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে ইউক্রেন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার আক্রমণের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়ই বেসামরিকদের লক্ষ্যস্থল করার কথা অস্বীকার করে আসছে। জাপোরিজিয়া অঞ্চলের রাশিয়া নিয়োজিত গভর্নর ইয়েভগেনি বালিতস্কি টেলিগ্রাম অ্যাপে জানিয়েছেন, আজভ সাগরের উপকূলীয় পর্যটন শহর কিরিলিওকায় এ হামলায় আরও ১৬ জন আহত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প: ইউক্রেনকে বিপুল সহায়তা দিয়েও কিছু পায়নি যুক্তরাষ্ট্র
তিনি বলেছেন, “শত্রু দেখেছে আর বুঝেছে কাকে তারা লক্ষ্যস্থল করছে।”
ইউক্রেন শনিবার জানিয়েছে, তাদের ড্রোনগুলো রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে একটি তেল শোধনাগার ও ক্যাস্পিয়ান সাগরে একটি তেল প্লাটফর্মে আঘাত হেনেছে। উভয় দেশই দাবি করেছে তারা একে অপরের জাহাজে আঘাত হেনেছে, যেগুলো সামরিক রসদ বহন করছিল।
রাশিয়ার যে দুই লক্ষ্যস্থলে ইউক্রেন আঘাত হানার দাবি করেছে, সেগুলো তাদের সীমান্ত থেকে যথাক্রমে ২০০০ কিলোমিটার ও ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এতে ইউক্রেনের ড্রোনের পাল্লা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের দীর্ঘ পাল্লার হামলাগুলো রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে ম্লান করবে এবং ক্রেমলিনের ওপর শান্তি প্রতিষ্ঠার চাপ তৈরি করবে।
ইউক্রেনের এসবিইউ নিরাপত্তা পরিষেবা জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার লুকোয়েল কোম্পানির ফিলানভস্কি তেল প্লাটফর্মে আঘাত হেনেছে। এই প্লাটফর্মটি কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়ার বৃহত্তম তেল খনির একটি অংশ হিসেবে পরিচিত।
আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী
এ সম্পর্কে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে লুকোয়েল তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
সাইবেরিয়া অঞ্চলের তুমেয়েন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে একটি ড্রোন তাদের অঞ্চলের তেল শোধনাগারটিতে আঘাত হেনেছে এবং এর ফলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে শোধনাগারের কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়েছে কি না, তা পরিষ্কার হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন