০৫:১৫ পি.এম
আগামী বছর (২০২৭) থেকেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে, এমনই আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি মন্তব্য করেন, এ লক্ষ্যে দ্রুতই প্রস্তাবিত এই মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
আজ রোববার সকালে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক ও স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতালে নেপাল সরকারের সহযোগিতায় আই ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ
তিনি উল্লেখ করেন, ‘দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় স্তরে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির পথ সুগম হবে এবং স্বাস্থ্য খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।’
উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রোগীদের ঢাকা শহরের প্রতি নির্ভরতা কমাতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, এমনটাই তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, এলাকার স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধিতে ইতোমধ্যে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি কিভাবে তা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়া যায় সেই চেষ্টায় অবিচল রয়েছি।
স্বাস্থ্যসেবাকে সহজলভ্য করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার নেপাল সরকারের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা মাধ্যমে চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসায় ‘আই ক্যাম্প’ আয়োজন করেছে, যা এলাকায় চক্ষু রোগীদের উন্নত সেবা প্রদানে ভূমিকা রাখবে।
আরও পড়ুন: মিরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হোতা তিন ভাই গ্রেফতার
তিনি জানালেন, পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি উপজেলায় কীভাবে এ ধরনের আই ক্যাম্পের পরিধি বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, এম্বাসি অব নেপাল বাংলাদেশের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতীক কার্কি, পদ্ম নারায়ন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনসহ আরও অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন