০২:৫৯ এম
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত বন্ধের বিষয়ে একটি সম্মতিতে পৌঁছানোর দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার দেওয়া একাধিক বক্তব্যে তিনি জানান, দুই পক্ষই হামলা বন্ধ করার ব্যাপারে রাজি হয়েছে এবং এই পরিস্থিতি শন্ত হতে পারে। একই সময়ে তিনি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনাও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার মাঝে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ’ ফোনালাপ হয়েছে। সেখানে নেতানিয়াহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে আর কোনো সেনা পাঠানো হবে না। আগে ওই এলাকায় অভিযান চালানোর ইচ্ছা প্রকাশিত হলেও এখন তা থেকে ফিরে এসেছে ইসরায়েল। এমনকি যেসব সেনা ওই এলাকায় যাওয়ার পথে ছিল, তাদেরও ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন ট্রাম্প।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন। তারা ‘সব ধরনের গুলি ও হামলা বন্ধ’ করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ একে অপরকে নতুন করে আক্রমণ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
এদিকে, ওয়াশিংটনের লেবাননের দূতাবাস একটি বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
পরিকল্পনাসমূহ অনুযায়ী, প্রথম দিকে বৈরুতের দক্ষিণে হামলা বন্ধ হবে, পরবর্তী সময়ে তা পুরো লেবাননজুড়ে যুদ্ধবিরতিতে পরিণত হতে পারে।
তবে এর আগে ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছিল, লেবাননে ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে তেহরান মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা স্থগিত করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?
একই দিনে ট্রাম্প ভিন্ন এক সুরে বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভেঙে গেলেও তার তেমন উদ্বেগ নেই। তবে পরে তিনি জানান, আলাপ-আলোচনা এখনো চলছে এবং দ্রুত অগ্রগতি ঘটছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন