শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৮ পি.এম
সাবেক ওপেনার ইমরুল কায়েস, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দল নির্বাচন ও ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এবার দেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক চিত্র, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতি এবং নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের নানা দিক নিয়ে কথা বলেছেন সাবেক এই ব্যাটার।
নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বাংলাদেশের খেলা দেখে হতাশার কথা তুলে ধরেন ইমরুল। তিনি মন্তব্য করেন, ‘সত্যি বলতে, বাংলাদেশের খেলা দেখে আমি ভীষণ মর্মাহত হয়েছি। ব্যস্ততার কারণে সব সময় খেলা দেখার সুযোগ হয় না। কিন্তু গতকাল অনেক আশা নিয়ে বাংলাদেশের ম্যাচটি দেখতে বসেছিলাম।’
জাতীয় দলের পারফরম্যান্সের উন্নতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক এই ওপেনার। তার মতে, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোতে পারেনি। বরং দলের বর্তমান অবস্থায় অতীতের দুর্বলতার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন তিনি।
ইমরুলের ভাষায়, ‘দলের পারফরম্যান্স দেখে আমার মনে হয়েছে, আমরা যেন আবার সেই ২০০৬-২০০৮ সালের বাংলাদেশ ক্রিকেটের জায়গাতেই ফিরে গেছি। এত বছর পরও যদি আমাদের একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তাহলে আমাদের উন্নতির পথটা আসলে কোথায়?’
নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়েও আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন ইমরুল। বড় কোনো অর্জন কিংবা তারকা পরিচিতি না পেলেও দেশের হয়ে নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে মনে করেন তিনি। তবে বর্তমান প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মতো সুযোগ-সুবিধা, স্বাধীনতা এবং নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের অনুকূল পরিবেশ পেলে তার ক্যারিয়ারের চিত্র হয়ত অন্য রকম হতে পারত।
এ প্রসঙ্গে ইমরুল বলেন, ‘অনেক বাধা, প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশের জন্য নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। মাঝেমধ্যে মনে হয়, বর্তমান প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মতো যদি আমরাও আরও বেশি স্বাধীনতা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিজেদের মেলে ধরার পরিবেশ পেতাম, তাহলে হয়ত আমার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারও অন্য রকম হতে পারত।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ইমরুলের এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ত্রিদেশীয় সিরিজে দলের ব্যর্থতার পর তার বক্তব্যে উঠে এসেছে জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা এবং সাবেক ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পুরোনো আক্ষেপও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকী জানিয়েছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেতে পারে।
তিনি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) কুয়াকাটায় দুই দিনব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটাসহ দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এ সময় তিনি বরিশাল-কুয়াকাটা সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, বর্তমান সরকার সব কর্মকাণ্ড মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় গ্রহণ করছে। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমে যাবে।
মতবিনিময় সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতালির দক্ষিণ উপকূলে একের পর এক অন্তত ১২টি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর পরপরই সেখানকার এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আকস্মিক এই দুর্যোগের কারণে লোকজনকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং জরুরি ভিত্তিতে সেখানকার সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ইতালির জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানায়, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে সিসিলি অঞ্চলের তিরেনিয়ান সাগরে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.০। এই ভূমিকম্পের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে মেসিনা ও পালেরমো এলাকায়। এছাড়া বাকি ১১টি কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.০-এর উপরে।
ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিসিলির সিভিল প্রোটেকশন প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে অরেঞ্জ বা কমলা রঙের ‘সুনামি সতর্কতা’ জারি করে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পালেরমো ও মেসিনা অঞ্চলের সব স্কুল খালি করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ট্রাপানির একটি আদালত থেকেও বিচারক ও কর্মকর্তাদের দ্রুত বের করে আনা হয়। হঠাৎ এমন দুর্যোগে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
গত বছরও ইতালির নেপলস শহরে গত চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, যাতে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে নতুন করে একের পর এক এই ভূকম্পন ও সুনামির পূর্বাভাসে পুরো ইতালীয় উপকূলে এখন চরম সতর্ক অবস্থা বিরাজ করছে।
সূত্র: দ্য সান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের স্বাধীনতা, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে বিএনপির অবদান রয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপির ঘরে দেশের সেরা তিনটি অর্জনের ট্রফি রয়েছে। তিনি বলেন, "তাই তিনটি ট্রফি জয় করা দলকে পতনের হুমকি দিয়ে লাভ নেই।"
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা এলাকার নির্বাচিত ১৬১ জন প্রতিভাবান শিক্ষকের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আগে শিক্ষকদের পরীক্ষা নিয়ে তাদের মধ্য থেকে ১৬১ জনকে নির্বাচিত করা হয়। পরে জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে নির্বাচিত শিক্ষকদের জাইমা রহমানের ছবিসংবলিত মগ উপহার দেন প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, ১৯৭১ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের অবদান ছিল। জুলাইয়ের আন্দোলনে বিএনপি ও জামায়াতের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
শিক্ষকদের অবহেলিত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সব পেশার মানুষকে গড়ে তোলেন শিক্ষকেরা। অথচ বাংলাদেশের শিক্ষকসমাজ যথাযথ মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।" তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন দেশপ্রেমিক সরকার ক্ষমতায় না থাকায় এ অবহেলা বেড়েছে। শিক্ষকদের মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্বাধীনতার ইতিহাস প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার আগে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি বলে তিনি মনে করেন। তার দাবি, তাজউদ্দীন আহমদসহ অনেকে অনুরোধ করলেও শেখ মুজিব ঘোষণা দিতে রাজি হননি। পরে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারও জিয়াউর রহমানের ঘোষণাকে স্বীকৃতি দিয়ে ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করে। এখন ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি হাস্যকর।
জিয়াউর রহমানের শাসনামলের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান দেশকে স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পেছনে ঠেলে দেওয়া হয়। পরে খালেদা জিয়া দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি চাঙা করার চেষ্টা করেন। ওয়ান-ইলেভেনের সরকার দেশের রাজনীতিতে স্বৈরাচারের ধারার সূচনা করে এবং পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণ শুরু করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, "দীর্ঘ সংকট থেকে দেশকে উত্তরণের দায়িত্ব এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর বর্তেছে।"
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম দাবি করেন, স্বৈরাচারের সময় দেশের রিজার্ভ ছিল ২০ বিলিয়ন ডলার। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময়ে তা বেড়ে ২৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। বর্তমান সরকার সাত মাসে রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে। তার ভাষ্য, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছেন। তবে দেশের চলমান সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
জ্বালানিসংকট প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তেল-গ্যাসের সংকটকে বড় করে দেখানোর জন্য আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলের একটি অংশ যোগসাজশ করে পরিকল্পিতভাবে পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইনের দৃশ্য সংবাদমাধ্যমে প্রচার করিয়েছে। তার দাবি, তেলের দাম কিছুটা বাড়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এ ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে শিক্ষকদের সামাজিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, "শিক্ষকদের শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সমাজের অনিয়ম, অসংগতি ও অপরিচ্ছন্নতার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।" পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠন, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের নেতৃত্বে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অনুমোদনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন কমিটি গঠনের অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত যাদেরকে পছন্দ করেনি, তারা এনসিপিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারেননি। তার মতে, দলটিকে এখন ‘প্রক্সি জামায়াত পার্টি’ বলার ক্ষেত্রে ভুল হবে না।
আজ শুক্রবার, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেন। এর আগে, দুপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পুনর্গঠিত কমিটির তালিকা প্রকাশ করে।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘অনেক আশা জাগিয়ে নতুন বন্দোবস্তের স্বপ্ন দেখানো এনসিপির কোনো ধরনের কাউন্সিল ছাড়াই নতুন কমিটি হয়েছে। যারা সারাদিন গণতন্ত্রের বুলি আউড়ায় ও বিএনপির রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তারা একটি কাউন্সিল পর্যন্ত করে কমিটি দিতে পারল না। এর থেকে বড় লজ্জা আর কি হতে পারে?’
তিনি অভিযোগ করেন, এর মাধ্যমে এনসিপির সাংগঠনিক দুর্বলতা ও নেতৃত্ব কুক্ষিগত করার চরিত্র প্রকাশ পেয়েছে। রাশেদ খান বলেন, ‘যতটুকু তথ্য পেয়েছি, জামায়াতের অনুমোদনে এনসিপির এই নতুন কমিটি হয়েছে। অর্থাৎ জামায়াত যাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদে চায়নি, কমিটিতে তাদেরকে অগুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে এনসিপির মধ্যে যারা স্বতন্ত্র রাজনীতির স্বপ্ন দেখে কিংবা জামায়াতবিরোধী, কমিটিতে তাদের পদাবনতি হয়েছে।’
এছাড়া, তিনি অভিযোগ করেন যে, এনসিপির নতুন কমিটির শীর্ষে ছাগলচোর, ল্যাপটপ চোর, নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বিতর্কিত ব্যক্তিদের পদে আসীন করা হয়েছে।
রাশেদ খান দাবি করেন, এনসিপির নতুন কমিটি জামায়াতের যুব শাখা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এনসিপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বারের বেশি কেউ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হতে পারবেন না। দেখা যাক, নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেনের এই মেয়াদই শেষ মেয়াদ হয় কি না। নাকি নতুন বন্দোবস্তের নামে নতুন ভণ্ডবস্তের পথেই এগোবে এনসিপি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এনসিপি গণ-অভ্যুত্থানের স্বপ্ন ধারণ করে নতুন ধারার রাজনীতি উপহার দিতে পারলে দলটিকে সবাই সাধুবাদ জানাত। নতুন কমিটির ফরমেট দেখে মনে হলো, কিছু আসন ও আসন প্রতি নির্বাচনী খরচের বিনিময়ে এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের কাছে বিক্রি হয়ে গেল। বাংলাদেশে এনসিপির আর কোনো স্বতন্ত্র রাজনীতি করার ন্যূনতম সুযোগ রইল না। এনসিপিকে বর্তমানে প্রক্সি জামায়াত পার্টি বললেও আর ভুল হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ