ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

৫৬ বয়সে দ্বিতীয় বিয়ে করলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ, পাত্রী নিধি রাজদান


৫৬ বয়সে দ্বিতীয় বিয়ে করলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ, পাত্রী নিধি রাজদান

ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ আবারও বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। ৫৬ বছর বয়সে তিনি সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে নতুন জীবনে প্রবেশ করেছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নবদম্পতি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন।

ওমর আবদুল্লাহ এক্সে তাদের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রার সূচনা হলো।’ একই পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগও করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: রাহুলের অভিযোগ, বিজেপির বিরুদ্ধে জোর করে দোকানপাট বন্ধের অভিযোগ

জবাবে ৪৯ বছর বয়সী সাংবাদিক নিধি রাজদান মন্তব্য করেছেন, ‘কাজ শেষ হয়েছে ব্রো।’

http://<blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">A new journey began yesterday 💍@Nidhi https://t.co/BXbdLq2d1H</p>&mdash; Omar Abdullah (@OmarAbdullah) <a href="https://x.com/OmarAbdullah/status/2116474133303431518?ref_src=twsrc%5Etfw">October 31, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.x.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের আগে শ্রীনগরে একটি ছোট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উভয় পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ওমর আবদুল্লাহর বাবা, ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লাহ এবং মা মলি আবদুল্লাহসহ তার তিন বোন ও অন্যান্য ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন। নিধি রাজদানের বাবা প্রবীণ সাংবাদিক এম কে রাজদান এবং মা সরলা রাজদানও অনুষ্ঠানে ছিলেন।

আরও পড়ুন: ইরান দুই বাহিনীকে সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করেছে

জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর পূর্ববর্তী বিয়েটি নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে আইনি লড়াই চলছিল। ওমর আবদুল্লাহর সাবেক স্ত্রী পায়েল আবদুল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে গত জুলাইয়ে। সুপ্রিম কোর্ট পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এই বিচ্ছেদ মঞ্জুর করেন। ওমরের আগের ঘরে দুই পুত্রসন্তান রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের এক-দুটি স্থাপনায় হামলা এখনো বাকি: ট্রাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


ইরানের এক-দুটি স্থাপনায় হামলা এখনো বাকি: ট্রাম

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরানের সামরিক সক্ষমতার একটি বড় অংশ ধ্বংস করা হয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, দেশটির আরও এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো এখনো বাকি রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এসব স্থাপনার মধ্যে ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামে পরিচিত একটি সন্দেহভাজন পারমাণবিক স্থাপনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এএফপি’র খবর অনুযায়ী, শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা যায় না।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি ও পারমাণবিক কর্মসূচির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে নতুন করে হামলা চালানোর বিষয়ে ওয়াশিংটন তাড়াহুড়ো করছে না।

ফ্লোরিডায় নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করেছি। তবে আমার হিসাবে এখনো এক বা দুটি স্থাপনার বিষয়টি বাকি রয়েছে। চাইলে মাত্র ১০ মিনিটেই সেগুলোতে হামলা চালাতে পারি।’

সন্দেহভাজন ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা সম্ভবত পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের কথা বলতে পারেন। ওই স্থাপনাটির বিষয়টিও আমাদের সামাল দিতে হবে। চাইলে খুব দ্রুতই এসব কাজ শেষ করতে পারি।’

তবে ইরান সরকার ওই স্থানে কোনো ধরনের পারমাণবিক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এর আগে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। একই সঙ্গে কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানের পথও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খোলা রয়েছে।

এদিকে শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে নতুন করে হামলা চালানোর বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের ওপর আবারও হামলা চালানোর হুমকির প্রেক্ষাপটে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এর আগে তিনি ইরানকে পুরোপুরি ধ্বংস করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলেও জানিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বর্ণের দাম ১ নভেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


স্বর্ণের দাম ১ নভেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করে। সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে। আজ রোববারও একই দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দরের অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৭ হাজার ৭৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এসব দামে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির ক্ষেত্রে ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে, মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে। এসব ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।

এর আগে, গত ৩০ অক্টোবর ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। এক দিনের ব্যবধানে আবারও মূল্যবান এই ধাতুর দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৩০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৬২ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, ৬৭ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতারবাড়ীতে ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ সরকারের, ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


মাতারবাড়ীতে ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ সরকারের, ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে অব্যবহৃত জমিতে ৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

কোল পাওয়ার জেনারেশন কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নজমুল হক জানান, ‘প্রস্তাবিত প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ইতোমধ্যে বিবেচনার জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, মাতারবাড়ীর ২৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আল্ট্রা সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সীমানার মধ্যে অব্যবহৃত ১৭১ একর জমিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার জন্য প্রস্তুত করা খসড়া ডিপিপি অনুযায়ী, প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ৬০৪ কোটি ৯৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৪২ কোটি ৮৭ লাখ ৬ হাজার টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫৩২ কোটি ৩৯ লাখ ১২ হাজার টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২৯ কোটি ৭১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সুবিধা কাঠামো ঋণের আওতায় প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করবে। এ কাঠামোর আওতায় ৩৫ কোটি ইউরো ঋণ এবং ৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো অনুদান সহায়তা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্পটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াবে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাবে এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা মিলবে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ শুরুতে ছাই সংরক্ষণের জন্য প্রায় ৬৩০ একর জমি বরাদ্দ করেছিল। তবে মাত্র ১০৫ একর জমিতে ছাইয়ের পুকুর নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে বাকি ৫২৫ একর জমি অব্যবহৃত রয়েছে।

প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি ছাই সংরক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা ওই অব্যবহৃত জমির একটি অংশে স্থাপন করা হবে। এতে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না।

প্রকল্পের বিবরণে বলা হয়েছে, ছাইয়ের পুকুরের চারপাশে বিদ্যমান ১৪ মিটার উঁচু বাঁধ থাকায় নতুন করে সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণেরও প্রয়োজন হবে না।

প্রকল্পের আওতায় সৌর ফটোভোলটাইক (পিভি) মডিউল, ইনভার্টার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে নিকটবর্তী মাতারবাড়ী ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করতে এক কিলোমিটার দীর্ঘ ১৩২ কেভি ওভারহেড সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়া মাতারবাড়ী ও চকরিয়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের মধ্যে ১৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় সার্কিটের ওভারহেড কন্ডাক্টর স্থাপন করা হবে। মাতারবাড়ীতে তিনটি এবং চকরিয়ায় একটিসহ মোট চারটি ১৩২ কেভি এয়ার ইনসুলেটেড সুইচগিয়ার (এআইএস) বে নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশা করছে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান আমদানি করা সরঞ্জাম দ্রুত খালাস ও পরিবহনে সহায়ক হবে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্পন্ন সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রাথমিকভাবে বিবেচিত ৫০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষমতা বাড়িয়ে ৭০ মেগাওয়াট করার সুপারিশ করা হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম প্রধান মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম জানান, প্রকল্পের খসড়া প্রস্তাব নিয়ে প্রাক-প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।’

সব মানুষের জন্য সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও আধুনিক জ্বালানির সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৭ নম্বর লক্ষ্যের সঙ্গে প্রকল্পটি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩২ হাজার ৬৮৮ মেগাওয়াট। এর মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৯৩৪ দশমিক ৫৪ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।

তবে প্রকল্পটি চূড়ান্ত করার আগে আলোচনার জন্য কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে পরিকল্পনা কমিশন।

এর মধ্যে রয়েছে একই ধরনের চলমান বা সম্পন্ন প্রকল্পের সঙ্গে তুলনা করে প্রধান সরঞ্জামের প্রস্তাবিত মূল্যের বিশ্লেষণ, প্রস্তাবিত অর্থায়ন কাঠামোর বিষয়ে অর্থ বিভাগের পূর্বানুমোদন গ্রহণ এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নের পরিমাণ বাড়ানো।

কমিশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি আর্থিকভাবে বাস্তবসম্মত বলে মনে হলেও সিপিজিসিবিএল মোট ব্যয়ের মাত্র ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ বা প্রায় ২৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা নিজস্ব অর্থায়নের প্রস্তাব করেছে।

পিইসি সভায় সৌর পিভি মডিউল ও ইনভার্টারের গুণগত মান এবং প্রচলিত বাজারদরও পর্যালোচনা করা হবে। এ ছাড়া যানবাহন, অফিস সরঞ্জাম ও আসবাবপত্রের জন্য ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের যৌক্তিকতা এবং মোটরসাইকেলের সংখ্যা ‘লট’ হিসেবে উল্লেখ না করে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা দেওয়ার বিষয়টিও পরীক্ষা করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন বাস্তবায়নকারী সংস্থার কাছে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা এবং বিদ্যমান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বিস্তারিত বিবরণ চেয়েছে। সংস্থা ও অবস্থানভিত্তিক তথ্যও দিতে বলা হয়েছে।

বিদেশি অর্থায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) নতুন ও অননুমোদিত প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে বিজেপি-ইন্ডিয়া জোটের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ, ব্যবসায়ীরা বিপাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


দিল্লিতে বিজেপি-ইন্ডিয়া জোটের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ, ব্যবসায়ীরা বিপাকে

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একই দিনে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। বিরোধীরা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করবে। অন্যদিকে, ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গায় নিহতদের স্মরণে বিজেপি পৃথক মিছিলের আয়োজন করেছে। দুই দলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) দিল্লির রামলীলা ময়দানে গিয়ে শেষ হবে বিরোধী জোটের ‘চলো দিল্লি’ কর্মসূচি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করার জন্য বিরোধী নেতারা বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করবেন।

আজ সকাল ১১টায় কনস্টিটিউশন ক্লাবে জড়ো হওয়ার কথা বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের। দুপুর ১২টায় মধ্য দিল্লির মিন্টো রোড- কনট প্লেস সংযোগস্থল থেকে মিছিল শুরু হবে।

এই কর্মসূচিতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডি, তেজস্বী যাদব এবং অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

বিক্ষোভের আগে শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ছয় দফা অভিযোগসংবলিত একটি প্রতীকী প্রস্তাব উত্থাপন করেন খাড়গে। এতে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের ষড়যন্ত্র, ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি ২০ লাখ নাম বাদ দেওয়া, সংসদের নজরদারি ছাড়াই ফরম-৬ পরিবর্তন এবং ইসিনেটের মাধ্যমে ভোটার তালিকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারকে বাইরে রাখার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

বিরোধী জোটের এই কর্মসূচিকে ‘নাটক’ বলে আখ্যা দিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি ভেনুগোপাল গত মাসে কর্মসূচি ঘোষণা করে এর নাম দিয়েছিলেন ‘চলো দিল্লি, ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’। তার অভিযোগ, বিভিন্ন রাজ্যে ভোটার তালিকা থেকে ব্যাপকভাবে নাম বাদ দিয়ে নির্বাচনী কারচুপি করা হচ্ছে।

ভেনুগোপাল বলেন, ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। রাহুল গান্ধী নির্ভয়ে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলছেন এবং ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির আওতায় আনার চেষ্টা করছেন।

এদিকে বিরোধীদের কর্মসূচির দিনেই পশ্চিম দিল্লিতে পৃথক মিছিল করবে বিজেপি। ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গায় নিহতদের স্মরণে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দাঙ্গার বার্ষিকীতে রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অভিযোগ তুলেছে দলটি।

বিজেপির মিছিল সকাল সাড়ে ১১টায় হরি নগর বাস ডিপো থেকে শুরু হয়ে তিলক নগর মেট্রো স্টেশনে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, প্রতিমন্ত্রী হর্ষ মালহোত্রা, এইচ এস ফুলকা, মনজিন্দর সিং সিরসা এবং বিজেপি সাংসদ বাঁসুরি স্বরাজের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

মিছিলের আগে গুরদুয়ারা শহীদগঞ্জ সাহিবে দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন বিজেপি সাংসদ বিক্রমজিৎ সিং সাহনি। দাঙ্গায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও কর্মসূচিতে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির ব্যবসায়ীরাও। তাদের আশঙ্কা, সড়ক বন্ধ ও যানজটের কারণে দীপাবলির আগে উৎসবকেন্দ্রিক কেনাকাটায় ভাটা পড়তে পারে। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন ব্যবসায়ীরা।

অটোমোটিভ পার্টস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিনয় নারাং বলেন, বিক্ষোভ করার গণতান্ত্রিক অধিকারকে তারা সমর্থন করেন। তবে কর্মসূচির সময় ও স্থান নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক কোনো দলের সঙ্গে তাদের বিরোধ নেই। কিন্তু দীপাবলির আগে এমন সময়ে এবং এমন স্থানে বিক্ষোভ আয়োজন করা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করবে।

নারাং জানান, বিক্ষোভস্থলের তিন কিলোমিটারের মধ্যে চাঁদনি চক, সদর বাজার, দরিয়াগঞ্জ, মোরি গেট ও কাশ্মীরি গেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা রয়েছে। এ ধরনের কর্মসূচির কারণে বাইরের ব্যবসায়ীরা সাধারণত তিন দিন আগে ও পরে দিল্লিতে আসা এড়িয়ে চলেন।

সংগঠনটির সহসভাপতি রবিন্দর সিং কোহলির আশঙ্কা, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দৈনিক মজুরিতে কাজ করা শ্রমিকেরা। তাদের মধ্যে কুলি, মালবাহী শ্রমিক এবং ঠেলাগাড়িচালকেরা রয়েছেন। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ রুপি আয় করে যাদের পরিবার চলে, তাদের জীবিকায় সরাসরি প্রভাব পড়বে।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ধরমপাল রাত্রার হিসাব অনুযায়ী, বিক্ষোভের কারণে ব্যবসায়ীদের দুই হাজার রুপির বেশি ক্ষতি হতে পারে।

তবে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। বরং বিক্ষোভে অংশ নিতে আসা মানুষকে দিল্লিতে কেনাকাটা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, মিছিলের কারণে ব্যবসায়ীদের কোনো ক্ষতি হবে না। বিজেপি ভয় পেয়েছে বলেই গুজব ছড়াচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%