ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের ফল, জানবেন যেভাবে


সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের ফল, জানবেন যেভাবে

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে সোমবার (১০ আগস্ট)। ফল প্রকাশ করা হবে সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে। শিক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্য প্রদান করেছেন।

তিনি বলেন, সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফলাফল উপলব্ধ হবে। সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে নিজেদের বোর্ডের ফল প্রকাশিত হবে। এছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট—eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd—থেকে ফলাফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন: যবিপ্রবির শিক্ষার্থী তানভীরুল হককে কান ফাটানোর ঘটনায় সাময়িক বহিষ্কার

এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানার প্রক্রিয়া

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আসনের জন্য যেকোনো সিমে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। প্রথমে মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখতে হবে। এরপর রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেয়া হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

প্রতিটি এসএমএসের জন্য চার্জ হবে ১ টাকা ৩৯ পয়সা। এই চার্জের মধ্যে সকল ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিজেপি অফিসের সামনে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি পশ্চিমবঙ্গের বিধায়কের

উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীন দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় বসে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

গত ২০ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বিধান থাকলেও, এ বছর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ

ঢাকা, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : মানবস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী নাগরিকদের প্রতি নির্ধারিত শব্দমাত্রা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিটি গত বৃহষ্পতিবার (৪ আগস্ট) প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে এলাকা ভিত্তিক শব্দের সর্বোচ্চ মানমাত্রা নির্ধারণ এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে, নিরব এলাকায় সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৪০ ডেসিবল এবং শিল্প এলাকায় সর্বোচ্চ ৭৫ ডেসিবল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসব সীমা অতিক্রম করে উচ্চ শব্দ সৃষ্টির অনুমতি নেই।

বিধিমালা অনুযায়ী, উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্রপাতি বা কর্মকাণ্ড নির্ধারিত শব্দমাত্রার বাইরে পরিচালনা করা যাবে না।

এছাড়া সরকারি অনুমতি ছাড়া পাবলিক প্লেসে উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না।

অনুমতি দেওয়া হলেও শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৯০ ডেসিবলে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং তা পাঁচ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করা যাবে না।

রাত ১১টার পর এসব যন্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি থাকবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সীমার বেশি শব্দ উৎপন্নকারী হর্ন প্রস্তুত, আমদানি, মজুদ, বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নিরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

এইসব এলাকায় পটকা, আতশবাজি বা অন্য কোনো উপায়ে শব্দদূষণ করা যাবে না।

আবাসিক এলাকায় শব্দ নিয়ন্ত্রণের জন্য রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করতে পারে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বনাঞ্চলে বনভোজনের আয়োজন এবং উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র ব্যবহারেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

নির্মাণকাজের ক্ষেত্রেও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

আবাসিক এলাকার শেষ সীমানা থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার বা পরিচালনা করা যাবে না।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, শব্দদূষণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনা স্থানে শব্দদূষণ প্রত্যক্ষ করলে বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জনসাধারণকে শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হয়ে নতুন বিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে ত্রুটিপূর্ণ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন রাজউক চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে ত্রুটিপূর্ণ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন রাজউক চেয়ারম্যান

ঢাকা, ৮ আগস্ট, ২০২৬: রাজধানীর ভবনগুলোর ত্রুটি চিহ্নিত করে ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এমনটি জানিয়েছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ভবন ধসের জন্য ভূমিকম্পের সময় শুধু ভবনের উচ্চতা দায়ী নয়; ত্রুটিপূর্ণ নকশা, মাটির অবস্থান এবং নির্মাণে অনিয়মও এর অন্যতম প্রধান কারণ। অতএব, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা, মাটি পরীক্ষা এবং প্রকৌশলগত মান নিশ্চিত করা জরুরি।

আজ শনিবার সকাল বেলা জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুরা) আয়োজিত ‘ভূমিকম্প ঝুঁকিতে দেশ: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী হাসান আনসারী।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, রাজধানীতে বিপুলসংখ্যক ভবন বিদ্যমান রয়েছে। এসব ভবনের ঝুঁকি একসঙ্গে নিরূপণ করা সম্ভব নয়। এজন্য ধাপে ধাপে র‌্যাপিড ভিজ্যুয়াল অ্যাসেসমেন্ট, প্রিলিমিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট এবং ডিটেইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ভূমিকম্প মোকাবিলায় রাজউকের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভূমিকম্পের আগেই ঝুঁকি নিরূপণ, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং ভবিষ্যৎ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর দায়িত্ব শুধু রাজউকের নয়। সিটি করপোরেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কার্যকর সিটি গভর্নমেন্ট ব্যবস্থা থাকলে নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কাজ আরও সহজ ও সমন্বিতভাবে করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন।

প্রসঙ্গে ভবন নির্মাণে অনিয়মের কথা বলেন, অনুমোদিত ছয়তলা ভবনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১০ তলা করা কিংবা অনুমোদিত নকশা পরিবর্তন করে নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না। এরূপ ভবনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আইনগত যাচাই ছাড়া অনুমোদন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ভবনের সংকলিত নকশা প্রণয়নকারী স্থপতি ও প্রকৌশলীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নকশায় স্বাক্ষর করার পাশাপাশি নির্মাণকাজের বাস্তবায়ন ও তদারকিতেও তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। অনিয়ম হলে তাদের আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তিনি ভবন মালিকদের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ এবং অকুপেন্সি সার্টিফিকেট নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকে অনিয়মের তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম থেকে পাওয়া অভিযোগ যাচাই করে রাজউক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।

রিয়াজুল ইসলাম বলেন, রাজউকের দুর্বল উপস্থিতিকে শক্তিশালী উপস্থিতিতে পরিণত করাই তার লক্ষ্য। এজন্য ভবন নির্মাণে অনিয়ম, ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ও নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই কাজ একদিনে সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট-১ মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ভবন নির্মাণের ঝুঁকি সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকে নিয়মিত ভূমিকা রাখতে হবে। প্রকৌশলী ও তদারকি সংস্থাগুলোকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ ও জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ডেভেলপারদের সহযোগিতা করতে হবে। অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের মাধ্যমে ভবনের নকশা ও নির্মাণ নিশ্চিত করা গেলে টেকসই ও নিরাপদ ভবন নির্মাণ সম্ভব।

ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি শুধু ভবনের নকশা বা নির্মাণমানের ওপর নির্ভর করে না; ভবনটি কোথায় এবং কী ধরনের মাটির ওপর নির্মিত হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। দুর্বল ও জলাভূমি এলাকায় অপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প ভূমিকম্পের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি দুর্বল মাটির ওপর ভবন নির্মাণ বন্ধে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, ঢাকায় অনুমোদিত ভবনের অতিরিক্ত তলা নির্মাণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ ধরনের ভবন চিহ্নিত করে দ্রুত পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ঢাকার প্রায় ৬ লাখ ভবনের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করা জরুরি। ভূমিকম্পের সময় সচেতনতার পাশাপাশি সারা বছর গণমাধ্যমে এ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সংবাদ প্রচার করতে হবে। আগাম প্রস্তুতি ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করা গেলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন বলেন, ভূমিকম্প মোকাবিলায় কোনো একক সংস্থার পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। সমন্বিতভাবে সব অংশীজনকে প্রস্তুতি নিতে হবে। এ জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত মহড়া ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, ভূমিকম্পের পর দ্রুত উদ্ধারের কার্যক্রম পরিচালনায় ফায়ার সার্ভিসের কিছু প্রস্তুতি রয়েছে। ঢাকার আশপাশের ৪১টি ফায়ার স্টেশনকে এয়ারমার্ক করা হয়েছে এবং বিশেষ রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে এসব প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়, উল্লেখ করে তিনি সরকারি-বেসরকারি সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সালেহ উদ্দিন বলেন, ভূমিকম্পে মানুষ সরাসরি মারা যায় না, বরং ভবন ও স্থাপনা ধসে পড়ার কারণে প্রাণহানি ঘটে। সেজন্য ভবন নির্মাণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ও সংশ্লিষ্ট আইন মেনে চলার পাশাপাশি ফায়ার সেফটি নিশ্চিত করতে হবে। পরিবার, কমিউনিটি ও জাতীয় পর্যায়েও আগাম প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

ডুরার সভাপতি শাহজাহান মোল্লা বলেন, ঢাকাসহ সারাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার ভূমিকম্পের ঝুঁকি ও প্রস্তুতিসংশ্লিষ্ট তথ্যের আলোকে কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়, সে বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। গণমাধ্যমের মাধ্যমে সঠিক তথ্য তুলে ধরে সরকার ও রাজউকের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমেও সহযোগিতা করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডুরার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম। এ সময় ডুরার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিরাজ মাহবুব ইফতি, সিনিয়র সাংবাদিক রিপন তালুকদারসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ন্যাটোভুক্ত দেশে সত্যিই কি হামলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


ন্যাটোভুক্ত দেশে সত্যিই কি হামলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া?

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ন্যাটোর ঐক্য ও প্রতিরোধক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য জোটটির একটি সদস্যদেশে সীমিত পরিসরে হামলা চালানোর চেষ্টা করার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করছেন বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

সম্প্রতি মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের সূত্রে বিষয়টি সম্পর্কে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।

অবগত তিনটি সূত্র জানাচ্ছে যে, রাশিয়া কীভাবে ন্যাটোর বিরুদ্ধে উত্তেজনা বাড়াতে পারে, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র একাধিক সম্ভাব্য পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেছে।

গোয়েন্দা বিশ্লেষণের সম্ভাব্য পরিস্থিতির মধ্যে সাইবার হামলা থেকে শুরু করে সীমিত সামরিক অনুপ্রবেশের বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো ন্যাটোর ঐক্য এবং জোটের আর্টিকেল ৫-এ সদস্যদেশগুলোর প্রতিশ্রুতি পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে করা হতে পারে।

ন্যাটোর আর্টিকেল ৫ অনুযায়ী, জোটের যে কোনো সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলাকে পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং আক্রান্ত দেশকে সহায়তায় অন্য সদস্যরা প্রতিশ্রুতি দেয়।

তবে গোয়েন্দা মূল্যায়ন অনুসারে, পুতিন এমন পদক্ষেপ নিতে পারেন, যা ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া কতটা কঠোর হবে তা যাচাই করবে, কিন্তু তা এমন পর্যায়ে যাবে না যাতে জোটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সম্পূর্ণ সামরিক প্রতিক্রিয়া অনিবার্য হয়ে পড়ে।

পুতিন কখন বা কীভাবে এমন পদক্ষেপ নিতে পারেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে একটি সূত্র জানাচ্ছে, রুশ প্রেসিডেন্ট যদি ন্যাটোর বিরুদ্ধে উত্তেজনা বাড়ান, তাহলে সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বাল্টিক দেশ বা পোল্যান্ড।

সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নের খবর প্রথম প্রকাশ করে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

মার্কিন ও ন্যাটো কর্মকর্তাদের ধারণা, ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে নির্গমন করার মতো কোনো সমাধান বা ‘ফেস-সেভিং অফ-র‌্যাম্প’ যদি পুতিন না পান, তাহলে তিনি ন্যাটোর বিরুদ্ধে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর পথ বেছে নিতে পারেন।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, পুতিনের সামনে পরবর্তী পদক্ষেপ বেছে নেওয়ার সম্ভাব্য সময়সীমা আজ থেকেই শুরু করে আগামী কয়েক বছর পর্যন্ত বিস্তৃত।

ন্যাটো তাদের সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ন্যাটোর জ্যেষ্ঠ সামরিক মুখপাত্র মার্টিন ও’ডনেল গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়ন নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

যাহোক, তিনি বলেন, ন্যাটো সর্বদা সম্ভাব্য বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

তিনি জানান, “ন্যাটো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।”

এ বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়ার পক্ষ থেকে ন্যাটোর ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ এবং জোটের সদস্যদের বিরুদ্ধে হাইব্রিড কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ন্যাটোর ভূখণ্ডে রুশ ড্রোনের অনুপ্রবেশের ঘটনা গত বছর থেকে ঘটে আসছে।

গত মে মাসে, রুশ বাহিনী ইউক্রেনের একটি বন্দর এলাকায় হামলার সময় বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন রোমানিয়ার একটি আবাসিক ভবনে আঘাত করেছে, যার ফলে অন্তত দু'জন আহত হন।

এর আগে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইউক্রেনে রুশ হামলার সময় একাধিক রুশ ড্রোন পোল্যান্ডের আকাশসীমার মধ্যে ঢুকে পড়ে, পরে ন্যাটোর যুদ্ধবিমান সেগুলো ভূপাতিত করে।

এসব ঘটনার কারণে রাশিয়া-ন্যটো সীমান্তে অনিচ্ছাকৃত সংঘর্ষ বা পরিকল্পিতভাবে সীমিত উসকানি দেওয়ার ঝুঁকি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমানে, রাশিয়ার সম্ভাব্য কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের মধ্যে, জার্মানিতে একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা সিএনএন-কে জানিয়েছেন, বুধবার রাতে জার্মানির একটি বিমানবন্দরে পাওয়া ড্রোনটির সঙ্গে রুশ গোয়েন্দা সংস্থার যোগসূত্র রয়েছে বলে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা এও জানান, ড্রোনটিতে সামরিক মানের বিস্ফোরক ছিল এবং নিরাপত্তাবেষ্টিত কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা এলাকার একজন কর্মী ড্রোনটি দেখতে পান।

সিএনএন এ বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের কাছে মন্তব্য চেয়েছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্ডার ডোব্রিন্ট বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ড্রোন দেখা বা ড্রোনের মাধ্যমে হুমকি তৈরি- বিশেষ করে হাইব্রিড যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে- আগেও দেখা গেছে। তবে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন বিমানবন্দরে পাওয়াকে তিনি নতুন ধরনের হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার ডোব্রিন্ট ইঙ্গিত দেন, ড্রোনটির সঙ্গে ‘বিদেশি শক্তির’ যোগসূত্র থাকতে পারে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা সংস্থার নাম বলেননি।

ঘটনাটি নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার বৈঠক করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়েও ন্যাটোর উদ্বেগ বাড়ছে।

এমন পরিস্থিতিতে যখন রাশিয়ার সম্ভাব্য ন্যাটো হামলার মূল্যায়ন সামনে এসেছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়েও উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

সিএনএন-এর আগের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার হয়ে গেছে। একই সময়ে, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরও ব্যবহৃত হয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের কাছে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ যুক্তরাষ্ট্রকে একই সাথে ইউরোপে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সংঘাত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতিও জোরদার রাখতে হচ্ছে।

ইউক্রেনে রুশ হামলায় বেসামরিক প্রাণহানি বাড়ছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত রাশিয়ার দূরপাল্লার অস্ত্রের হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

চলতি সপ্তাহে এক রাতের রুশ হামলায় ব্যালিস্টিক ও অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে অন্তত ১৭ জন নিহত হন এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই হামলায় ব্যবহৃত কোনো ক্ষেপণাস্ত্রই ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়নি।

ভবিষ্যৎ যুদ্ধের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলছে অস্ত্রের ঘাটতি।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টরের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি ভবিষ্যতে সংঘাতের পরিকল্পনাতেও প্রভাব ফেলছে।

সামরিক কমান্ডারদের এখন সম্ভাব্য একাধিক পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হচ্ছে- এর মধ্যে রাশিয়ার পক্ষ থেকে ন্যাটোর কোনো সদস্যদেশের বিরুদ্ধে সীমিত হামলা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধও রয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে মার্কিন অস্ত্রের মজুত কম হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ব্যক্তিগতভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে আগের এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানিয়েছিল।

বিষয়টি নিয়ে গত সপ্তাহে ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠকেও ট্রাম্প উদ্বেগ প্রকাশ করেন বলে বৈঠক সম্পর্কে অবগত ছয়টি সূত্র জানিয়েছিল।

তবে বৃহস্পতিবার রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে এবং নতুন করে বিপুল অস্ত্রও উৎপাদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, “বিশেষ করে কিছু ধরনের গোলাবারুদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল মজুত রয়েছে।”

একই সাথে তিনি দাবি করেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিসরে প্রতিরক্ষা কারখানা ও উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

পুতিনের সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নেতৃত্বে চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

মস্কোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অব্যাহত নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করেছে। তবে এসব নিষেধাজ্ঞা এখনও পর্যন্ত পুতিনকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য করতে পারেনি।

ফলে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার পাশাপাশি সংঘাতের পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক মূল্যায়নের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো- ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো গ্রহণযোগ্য পথ না পেলে পুতিন হয়তো ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া ও ঐক্য পরীক্ষা করতে সীমিত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন।

এ ধরনের পদক্ষেপ সাইবার হামলা বা হাইব্রিড যুদ্ধের মতো পরোক্ষ আক্রমণ থেকে শুরু করে ন্যাটোর কোনো সদস্যদেশের ভূখণ্ডে সীমিত সামরিক অনুপ্রবেশ পর্যন্ত হতে পারে।

তবে শেষ পর্যন্ত পুতিন এমন কোনো পদক্ষেপ নেবেন কি না, নিলে কখন এবং কী মাত্রায় নেবেন- তা এখনও অনিশ্চিত।

কিন্তু বাল্টিক অঞ্চল ও পোল্যান্ডের সম্ভাব্য ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছে মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক মহল।

তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কেবল কিয়েভ ও মস্কোর সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে, বরং ন্যাটো-রাশিয়া সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি কতটা বাড়তে তা ওয়াশিংটন ও ইউরোপের জন্য বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পতিত সরকার পরিকল্পিতভাবে তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


পতিত সরকার পরিকল্পিতভাবে তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দিয়েছে

 

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং যুবসমাজকে দুর্বল করতে পতিত সরকার পরিকল্পিতভাবে তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দিয়ে গেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের জন্য শিক্ষিত, সুস্থ এবং কর্মক্ষম যুবসমাজ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিগত সময়ে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতকে দুর্বল করার পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দেওয়ার ফলে সমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শিক্ষার মান-উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং তরুণদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্ব দিতে হবে।

এছাড়া, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত হবে না।

তাদের জ্ঞান, বিজ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং শারীরিক-মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মিয়া এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ।

এছাড়া, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি (বিশেষ) বরাদ্দের আওতায় পাংশা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কুুল বেঞ্চ, লাইট, ফ্যান, ক্রীড়া সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র এবং স্যানেটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%