ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

টেনিসের হল অব ফেমে রজার ফেদেরার


টেনিসের হল অব ফেমে রজার ফেদেরার

সুইজারল্যান্ডের কিংবদন্তি টেনিস তারকা রজার ফেদেরার আন্তর্জাতিক টেনিস হল অব ফেমে স্থান পেয়েছেন। এই অনুষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডের নিউপোর্টে ২৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়। ২০টি গ্র্যান্ড স্লাম জেতা ফেদেরার আবেগময় বক্তব্য প্রদান করেন এই অনুষ্ঠানে। বক্তব্যের সময় তার চোখে জল আসার ঘটনা ঘটে বেশ কয়েকবার।

চ্যানেল নিউজএশিয়ার প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফেদেরারের সঙ্গে হল অব ফেমে স্থান পেয়েছেন সাংবাদিক ও ধারাভাষ্যকার মেরি কারিলো। ফেদেরার জানান, এই সম্মান তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনের মধ্যে একটি। তিনি বলেন, ‘খ্যাতি কখনোই আমার লক্ষ্য ছিল না। আমি চেয়েছিলাম এমন কিছুর জন্য জীবন উৎসর্গ করতে, যা আমি ভালোবাসি। আর সেই ভালোবাসা যাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়, তাদের পাশে থাকতে চেয়েছিলাম।’

২০২২ সালে ফেদেরার অবসর গ্রহণ করেন। অবসরের সময় পর্যন্ত তিনি জিতেছেন ১০৩টি এটিপি ট্যুর শিরোপা। উইম্বলডন তিনি আটবার জিতেছেন, যা পুরুষদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ছয়বার, ইউএস ওপেন পাঁচবার এবং ফ্রেঞ্চ ওপেন একবার জিতেছেন তিনি। বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে তিনি মোট ৩১০ সপ্তাহ অবস্থান করেছেন।

আরও পড়ুন: মেট্রোরেল সম্প্রসারণে নতুন মাইলফলক, চার প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষরিত

৪৫ বছর বয়সী এই তারকা তার কোচ, চিকিৎসক এবং পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী মিরকা ফেদেরার ফেদেরারের সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি জানান, মাঠের বাইরে একজন স্বামী, বাবা এবং বন্ধু হিসেবে ফেদেরার কেমন মানুষ।

ফেদেরার নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ার নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ভিন্ন ভিন্ন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলার সুযোগ পাওয়া একটি বিশাল সৌভাগ্য। এই তালিকায় আছেন আন্দ্রে আগাসি, লেটন হিউইট, অ্যান্ডি রডিক, রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জোকোভিচ।’

খেলা থেকে অবসর নিলেও টেনিসের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভিন্নভাবে বজায় থাকবে। ফেদেরার বলেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে সময় শেষ হলেও টেনিসের সঙ্গে পরিবার, বন্ধুত্ব এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার যোগ থেকেই যাবে।’

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর জোট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল, কমিশন জালিয়াতির প্রমাণ পায়নি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন কার্যক্রম ছাত্রদলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৫ এম


বাগেরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন কার্যক্রম ছাত্রদলের

ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার বংশ বিস্তার নিয়ন্ত্রণে বাগেরহাটে জেলা ছাত্রদল গতকাল শনিবার থেকে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। এই কার্যক্রমের আওতায় শহরের বিভিন্ন স্থানে মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে।

শনিবার, বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আল মামুনের উদ্যোগে শহরের পুরাতন পুলিশ লাইন, নূর মসজিদ ও চালতেতলা এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করা হয়।

বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকার কারণে এডিস মশার বংশ বিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। এই অবস্থায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানোর জন্য নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা, বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেয়া এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

কার্যক্রম চলাকালে স্থানীয় জনগণের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শামিম মুন্সি, আজিজুল ইসলাম আশিক, তানভীর হাওলাদার, তানভীর ইসলাম জিসানসহ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।

উদ্যোক্তারা উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধুমাত্র মশা নিধন কার্যক্রম যথেষ্ট নয়, বরং ব্যক্তি, পরিবার এবং সামাজিক পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আশপাশের এলাকায় যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

তারা আরও বলেন, জনস্বার্থে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।

বাগেরহাটকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে স্থানীয় জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট জুড়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং লাগামহীন, অতিষ্ঠ জনজীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট প্রতিনিধি

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


সিলেট জুড়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং লাগামহীন, অতিষ্ঠ জনজীবন

গোঠা সিলেট সিলেট বিভাগ জুড়ে বিদ্যুতের লাগামহীন লোডশেডিং হচ্ছে, অতিষ্ঠ জনজীবন। শনিবার (২৯ আগষ্ট) সিলেট নগরী তথা উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ের কবলে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। সকাল থেকেই ধাপে ধাপে ছিলনা বিদ্যুৎ। একদিকে গরম অন্যদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং জনজীবন অতিষ্ঠ করে তোলো।  নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ব্যবসা বণিজ্যেও।
এদিকে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকায় শনিবার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে জানিয়েছিল পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি)।
পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট  লোডশেডিং হবে। তবে বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াট থেকে বিকেল ৩টায় ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াটে উঠতে পারে। বিকেল ৫টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এরপর সন্ধ্যায় কিছুটা কমলেও রাতে আবার বাড়তে পারে লোডশেডিং। সন্ধ্যা ৬টায় ২২১৬ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১৫২৮ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ২৭৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। রাত ৮টায় ২হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল তারা।
তথ্য বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, রাত ৯টায় দেশের বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট হতে পারে। এ সময় উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। রাত ১০টায় চাহিদা ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।
পিজিসিবি বলছে, সন্ধ্যার পিক সময়ে সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হতে পারে ঢাকা অঞ্চলে ৬৯৮ মেগাওয়াট। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৯০, কুমিল্লায় ৩১৫, ময়মনসিংহে ৩৫০, সিলেটে ১৫০, খুলনায় ৩৫০, বরিশালে ১০০, রাজশাহীতে ৩০০ এবং রংপুরে ২৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলে ৩৫০ মেগাওয়াট করে লোডশেডিং হতে পারে। এরপর ঢাকায় ৬৯৮, কুমিল্লায় ৩১৫ এবং রাজশাহীতে ৩০০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার তাণ্ডবে কাইলাস তীর্থযাত্রীদের অনেকে এখনও নিখোঁজ, যে কারণে এই পর্বত এত গুরুত্বপূর্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


বন্যার তাণ্ডবে কাইলাস তীর্থযাত্রীদের অনেকে এখনও নিখোঁজ, যে কারণে এই পর্বত এত গুরুত্বপূর্ণ

নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় নিখোঁজদের মধ্যে কৈলাস পর্বতে তীর্থযাত্রা করতে যাওয়া অনেক মানুষ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বুধবার হিমবাহ ধসের পর নেপাল এবং তিব্বতের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক বন্যা ও কাদার স্রোতে বহু মানুষ হতাহত এবং নিখোঁজ হন। এই ঘটনার পর কৈলাস পর্বতের গুরুত্ব আবার আলোচনায় এসেছে।

কৈলাস পর্বত তিব্বতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত, যার উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ হাজার ৪০০ মিটার ছাড়িয়ে যায়। এর নিকটে রয়েছে মানস সরোবর। হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন এবং তিব্বতি বন ধর্মীয় ঐতিহ্যে এই পর্বতকে পবিত্র হিসেবে গণ্য করা হয়।

হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুসারে, কৈলাস পর্বত শিব ও পার্বতীর আবাসস্থল। তিব্বতি বন ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি আধ্যাত্মিক শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। হিন্দু ও বৌদ্ধদের বিশ্বাস অনুযায়ী, কৈলাসের সঙ্গে পৌরাণিক মেরু পর্বতের সম্পর্ক রয়েছে।

প্রতিবছর কৈলাস মানস সরোবরকে কেন্দ্র করে তীর্থযাত্রার আয়োজন করা হয়। ভারত সরকার জুন থেকে আগস্ট বা সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় কৈলাস মানস সরোবর তীর্থযাত্রার আয়োজন করে। নেপালের পথ ব্যবহার করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও তীর্থযাত্রার আয়োজন করে থাকে।

তীর্থযাত্রীরা সাধারণত কৈলাস পর্বতে আরোহণ করেন না। বরং তারা পর্বতটিকে ঘিরে প্রায় ৫৩ কিলোমিটার পথ হেঁটে প্রদক্ষিণ করেন। এই যাত্রা সম্পন্ন করতে সাধারণত প্রায় তিন দিন সময় লাগে। হিন্দু ও বৌদ্ধরা সাধারণত ঘড়ির কাঁটার দিকে পর্বত প্রদক্ষিণ করেন, অপরদিকে বন ধর্মাবলম্বীরা বিপরীত দিকে প্রদক্ষিণ করেন।

বিশ্বাস অনুসারে, কৈলাস প্রদক্ষিণ করলে পাপ থেকে মুক্তি ও আধ্যাত্মিক শুদ্ধি অর্জন করা যায়। কাছের মানস সরোবরে কিছু হিন্দু তীর্থযাত্রী আধ্যাত্মিক শুদ্ধির অংশ হিসেবে স্নানও করেন।

এবারের আকস্মিক বন্যায় এই তীর্থযাত্রীদের মধ্যে অনেকেই নিখোঁজ হয়ে গেছেন। নিখোঁজদের মধ্যে ভারতের অন্তত ১৭৮ জন রয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই তীর্থযাত্রায় ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও কানাডার নাগরিকরাও নিখোঁজ রয়েছেন।

আধ্যাত্মিক গুরু জগ্গি বাসুদেব, যিনি সদগুরু নামেও পরিচিত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁর ইশা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কৈলাস থেকে ফেরার পথে ৭৭ জন তীর্থযাত্রী বন্যার সময় তিব্বতের গিরংয়ের একটি অভিবাসন কেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন।

নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী এলাকায় হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও কাদার স্রোতে ইতোমধ্যে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজ তীর্থযাত্রীসহ অন্যান্যদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলিম দেশগুলোর আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াতে নতুন আঞ্চলিক চুক্তির আহ্বান ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৮ এম


মুসলিম দেশগুলোর আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াতে নতুন আঞ্চলিক চুক্তির আহ্বান ইরানের

ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মুসলিম দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজেদের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নতুন আঞ্চলিক চুক্তি ও সহযোগিতার কাঠামো মুসলিম দেশগুলোর জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে সক্ষম হতে পারে।

ঐক্য সপ্তাহ উপলক্ষে শনিবার প্রকাশিত বার্তায় গালিবাফ বলেছেন, ইরানে সুন্নি ও শিয়া মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য জাতীয় শক্তি ও নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ঘটনাবলি প্রমাণ করে যে বিদেশি শক্তিগুলো মুসলিম দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অক্ষম। সুতরাং, মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক সদিচ্ছা, সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা গড়ে তোলা উচিত।

গালিবাফের মতে, নতুন আঞ্চলিক চুক্তি ও ব্যবস্থাগুলো মুসলিম প্রতিবেশী দেশগুলোকে বিদেশিদের পরিবর্তে নিজেদের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করার সুযোগ দেবে। একই সঙ্গে, দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের পথ বেছে নেয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি মুসলিম ঐক্যের সুফল তুলে ধরেছে। মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা প্রতিপক্ষের মোকাবিলা এবং আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সূত্র: তাসনিম নিউজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%