বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:২৯ পি.এম
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করার কথা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশিত হবে।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল জানতে পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে জানবেন। এছাড়াও, সকল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হবে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ প্রসঙ্গে বলেছেন, সকল বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফলাফল পাওয়া যাবে। পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পারবেন।
এছাড়াও, দুটি কমন ওয়েবসাইট eduboardresult.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd-এর মাধ্যমে ফল পাওয়া যাবে।
কোনো সিম ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস পাঠানো যাবে। এর জন্য, মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে রোল নম্বর দিতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে YEAR লিখে 16140 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারা যাবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষার্থী হয়, তবে তাকে SSC DHAROLLYEAR লিখে 16140 নম্বরে পাঠাতে হবে। আর মাদরাসা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য SSC MAD ROLL YEAR লিখতে হবে।
কারিগরি বোর্ডের জন্য এসএমএস পাঠানোর ক্ষেত্রে SSC TEC ROLL YEAR লিখে 16140 নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতিটি এসএমএস-এর জন্য ১.৩৯ টাকা চার্জ প্রযোজ্য (সব ট্যাক্স অন্তর্ভুক্ত)।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২১ এপ্রিল শুরু হয়। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা ২০ মে শেষ হয়। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ ২৪ মে সম্পন্ন হয়।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। তাই, গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের সময় ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পরে এবার এসএসসির ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে হাই কোর্ট রুল জারি করেছেন।
এই সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেছেন।
এর আগে উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু সালেহসহ ২৩৬ জন এই রিট করেছেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামুন মাহবুব। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. মেহেদী হাসান।
পরবর্তীতে আইনজীবী মামুন মাহবুব জানান, অন্তবর্তীকালীন সরকার ২০২৪ সালে উপজেলা পরিষদ আইনের ১৩ এর ঘ ধারা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যক বিবেচনা করলে বা জনস্বার্থে, যে কোনো বা সব উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বা অন্যান্য সদস্যগণকে সরকার অপসারণ করতে পারবে, এমন বিধান যুক্ত করে। এরপর এক আদেশে সব উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করা হয়। এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে আমরা রিট করেছি।
তিনি আরও বলেন, রিটে আমরা আইনের সংশোধন ও অপসারণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছি। শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট ওই আইনের সংশোধনী কেন অবৈধ ঘোষণা হবে না এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান-মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২৬ : স্টেডিয়াম এলাকার অবৈধ দখল, অনিয়ম, মাদক এবং ছিনতাই রোধ করতে শুক্রবার থেকেই মাঠে নামছে মোবাইল কোর্ট। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক চরম হতাশা প্রকাশ করে এই অভিযানের ঘোষণা দেন, যা ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের বর্তমান জরাজীর্ণ এবং নিরাপত্তাহীন পরিবেশ দেখে করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুরো স্টেডিয়াম পাড়াকে আধুনিক, নিরাপদ এবং ক্রীড়াবান্ধব স্পোর্টস হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি ভেতরের সার্বিক পরিবেশ পরিদর্শন করার পর সাংবাদিকদের জানান যে, ঐতিহ্যবাহী এই ক্রীড়া অবকাঠামোগুলো তাদের কাঙ্খিত পরিবেশ হারিয়ে ফেলেছে। সন্ধ্যার পর স্টেডিয়াম এলাকায় মাদকসেবী এবং ছিনতাইকারীদের উপদ্রব বাড়তে দেখা যাচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের বিভিন্ন গেটে পুলিশ বক্স স্থাপন এবং নিয়মিত পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হবে এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে।
পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি অবকাঠামোর উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় দ্রুত ময়লা অপসারণ, রাস্তা সংস্কার এবং জরাজীর্ণ ভবনগুলোর উন্নয়ন করা হবে। একই সঙ্গে স্টেডিয়ামের দোকানগুলোর লিজ, ভাড়া এবং চুক্তিপত্র পুনর্মূল্যায়ন করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি কোথাও সরকারি রাজস্ব ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকে, তবে তা সংশোধন করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) প্রাপ্য রাজস্ব নিশ্চিত করার বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়াবিদদের বকেয়া ভাতা প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তিনি জানান যে, আইবাস পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে ২৮ জন ক্রীড়াবিদের আটকে থাকা ভাতার মধ্যে ২৬ জনের সমস্যা ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। বাকি দুইজনের জটিলতাও শীঘ্রই নিষ্পত্তি হবে এবং কোনো ক্রীড়াবিদের ভাতার অর্থ নষ্ট হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ভাঙচুর করা ভাস্কর্য পরিদর্শন করে নাগরিক সমাজের একটি প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁরা একই সঙ্গে ভাস্কর্যটি পূর্বের স্থানে পুনর্নির্মাণ এবং ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে ঢাকার একটি ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল ঝিনাইদহ শহরের বাস টার্মিনালসংলগ্ন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরে পৌঁছায়। সেখানে তারা সংক্ষিপ্ত একটি সমাবেশ করেন, এরপর ভাঙচুর করা ভাস্কর্যে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
পরে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় তাঁরা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যটি পুনর্নির্মাণ এবং ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এর আগে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও লেখক আবু সাইদ খান। এছাড়া মানবাধিকার কমিশনের সাবেক কমিশনার ও গুম কমিশনের সাবেক সদস্য নূর খান লিটন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ফারাহ তানজীম তিতিল বক্তব্য দেন।
বক্তারা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের দাবি জানান। পাশাপাশি ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান তাঁরা। প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুলাই থেকে ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নির্মাণাধীন অসমাপ্ত চত্বর ও ভাস্কর্য অপসারণের কাজ শুরু হয়।
এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দেশজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ জুলাই থেকে অপসারণের কাজ স্থগিত করে জেলা প্রশাসন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সেনাবাহিনী মোসাদের ২১ গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করেছে। এর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা ইরানের সামরিক বাহিনী সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে মোসাদের কাছে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা মোসাদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই পটভূমিতে ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কেরমান প্রদেশ থেকে তাদের গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়।
একটি বিবৃতিতে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই 'ভাড়াটে এজেন্ট'রা ইরানের সেনাবাহিনী সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে মোসাদের কাছে পাঠাতেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ