প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ভাঙচুর করা ভাস্কর্য পরিদর্শন করে নাগরিক সমাজের একটি প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁরা একই সঙ্গে ভাস্কর্যটি পূর্বের স্থানে পুনর্নির্মাণ এবং ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে ঢাকার একটি ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল ঝিনাইদহ শহরের বাস টার্মিনালসংলগ্ন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরে পৌঁছায়। সেখানে তারা সংক্ষিপ্ত একটি সমাবেশ করেন, এরপর ভাঙচুর করা ভাস্কর্যে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
পরে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় তাঁরা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যটি পুনর্নির্মাণ এবং ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এর আগে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও লেখক আবু সাইদ খান। এছাড়া মানবাধিকার কমিশনের সাবেক কমিশনার ও গুম কমিশনের সাবেক সদস্য নূর খান লিটন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ফারাহ তানজীম তিতিল বক্তব্য দেন।
বক্তারা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের দাবি জানান। পাশাপাশি ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান তাঁরা। প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুলাই থেকে ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নির্মাণাধীন অসমাপ্ত চত্বর ও ভাস্কর্য অপসারণের কাজ শুরু হয়।
এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দেশজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ জুলাই থেকে অপসারণের কাজ স্থগিত করে জেলা প্রশাসন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন