ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেত্রকোণায় ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান


নেত্রকোণায় ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেঙ্গু সহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের প্রতিরোধে জেলার ভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে।

এর অংশ হিসেবে আজ শনিবার সকাল ১০ টায় জেলা শহরের প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এর আয়োজন করেছে এবং নেত্রকোণা পৌরসভা এই অভিযানকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে।

আরও পড়ুন: রংপুরের কাউনিয়ায় পূজামণ্ডপে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তরুণের মৃত্যু

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন ও তদারকি করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান।

এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোণা পৌরসভার প্রশাসক এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মো. আরিফুল ইসলাম সরদার।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল ইমরান, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ.এইচ.এম. ইজাজুল হক, মাসুম আহমদ, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ এবং পিটিআই-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

অভিযান চলাকালীন প্রধান অতিথি এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ পিটিআই প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রতীক থাকবে না, প্রার্থী পক্ষে কাজ করতে হবে

পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপচারিতা করেন। এ সময়ে তিনি শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পড়ালেখা সম্পর্কে মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

জেলাজুড়ে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে পিটিআই-এর কর্মকর্তা, প্রশিক্ষণার্থী, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


সব ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেছেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো সব ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। শনিবার (২৭ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী উল্লেখ করেন, 'প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতিতে সততা, দক্ষতা ও মেধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একটি দক্ষ ও সৎ প্রশাসন ছাড়া বাজেটের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বিগত ১৭ বছরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া প্রশাসন ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে।'

তিনি আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটটি জনবান্ধব, বাস্তবসম্মত ও বাস্তবায়নযোগ্য। এই বাজেট তৈরি করতে দীর্ঘ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

আব্দুল বারী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাজেট প্রণয়নের আগে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। অর্থমন্ত্রীও নিরলস পরিশ্রম করে একটি বাস্তবমুখী বাজেট উপস্থাপন করেছেন। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাজেটে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা দূর করা, আর্থিক খাতের সংস্কার, ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুনর্গঠন, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জন্য ভাতা, স্বাস্থ্য কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন এবং বাজারে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আঙুর, অ্যাভোকাডো ও স্ট্রবেরির মতো উচ্চমূল্যের ফল চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকার প্রতিটি টাকা যাতে সঠিকভাবে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে উন্নয়ন ব্যয় সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান, আয় ও বিনিয়োগ বাড়বে এবং এর মাধ্যমে দেশ ধাপে ধাপে একটি উন্নত অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে লেইসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


মুন্সীগঞ্জে লেইসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

জমির সিরাজদিখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং উপস্থিত বক্তৃতা বিতর্ক প্রতিযোগিতা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সিরাজদিখান উপজেলার কুসুমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘লানিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারী এডুকেশন (লেইস)’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী, এসটিএস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সৈয়দ টিপু সুলতান, সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আ. কুদ্দুস ধীরণ, বিদ্যালয়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মুনতাসির আলম চৌধুরী, আব্দুল হালিম, মোহাম্মদ আলী এবং নজরুল ইসলাম।

পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বের সঙ্গে আগামী বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


বিশ্বের সঙ্গে আগামী বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর যে মানদণ্ড স্থাপন করেছে, তা আগামী বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে- সেটিও নিশ্চিত করেছে।

প্রধামন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শনিবার সকালের অধিবেশনের শুরুতে সংসদে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

পরে স্পিকার প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর ছিল আমাদের পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করে। বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের সম্পর্ক হবে অন মিউচুয়াল রেস্পেক্ট, অন মিউচুয়াল ইন্টারেস্ট এবং ওয়ান অফ নন-ইন্টারফেয়ারেন্স। আর স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি হবে আমাদের নিজস্ব অটোনমির ভিত্তিতে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সেটিই প্রমাণ করেছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাজনীতিতে সবসময় বিএনপির যে বেঞ্চমার্ক ছিল, তারেক রহমান আবারও সেটি নিশ্চিত করেছেন। এটি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। প্রত্যেকটি দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক হবে সেই মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই।

তিনি বলেছেন, ‘মালয়েশিয়ায় আমাদের শ্রমবাজারের একটা বড় ইন্টারেস্ট রয়েছে। এনার্জি এবং অন্যান্য ট্রেড ইন্টারেস্টও রয়েছে। আছে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন্টারেস্টও। আমাদের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের সহযোগিতার ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বানিজ্য অংশীদার। তাই দেশটির সঙ্গে বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে কীভাবে আমরা রপ্তানি আরও বাড়াতে পারি সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

আমির খসরু আরও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন সংস্কৃতির সূচনা করেছেন। কারণ তিনি বিদেশ সফরে যাওয়ার সময় বা ফেরার পর এয়ারপোর্টে হাজার হাজার লোক সংবর্ধনা দিতে যায়নি। এটা বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্যও একটি বড় পরিবর্তন। আগামী বাংলাদেশের রাজনীতি কেমন হবে প্রধানমন্ত্রী সেটিরও মানদণ্ড স্থাপন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাহানারা ইমামকে নিয়ে মন্তব্যে সমালোচনার মুখে রাকসু সংস্কৃতি সম্পাদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


জাহানারা ইমামকে নিয়ে মন্তব্যে সমালোচনার মুখে রাকসু সংস্কৃতি সম্পাদক

বাংলাদেশে ‘শহীদ জননী’ হিসেবে সম্মানিত জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকীকে ‘জাহান্নামের ইমামের মরণ দিবস’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জায়িদ হাসান জোহা।

শনিবার (২৭ জুন) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট শেয়ার করে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশনে জোহা লেখেন, ‘জাহান্নামের ইমামের মরণদিবস আজ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বাস্তবায়ন করেছিল বিদেশি নকশা।’

পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে অনেকে এর সমালোচনা করেছেন।

জোহার পোস্টের সমালোচনা করে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কাফী এক পোস্টে লেখেন, ‘রাকসুর অপ!সংস্কৃতি সম্পাদক জোহা শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের ইমাম' বলে ফতোয়া দিয়েছে। কারণ জাহানারা ইমামই প্রথম ওদের জাতির পিতা রাজাকার কূলের শিরোমণি গোলাম আজমকে গণ আদালতে ফাঁসি দিয়েছিলো। এটাই আমাদের গত ৫৫ বছরের রাজনৈতিক খেসারত যে জোহার মতো যুদ্ধাপরাধীর উত্তরসূরীরা দেশের ২য় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়, শহীদের মাকে নিয়ে বাজে কথা বলার সাহস পায়।’

জুলাই আন্দোলনে চুপ থাকার কারণ জানালেন ডা. আবদুল্লাহ।

পপুলেশন ও সায়েন্স ও হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আমানউল্লাহ খান আমান সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘রাবিতে যারা ছাত্ররাজনীতি করে তারা খুবই আনস্মার্ট।

ক্যাম্পাসে এতক্ষণ প্রতিবাদমুখর হওয়া উচিত ছিল। রাকসুর অপসংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদকের পদ বাতিলের দাবিতে রাকসুর সভাপতিকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেওয়া উচিত। তারা বাংলাদেশে থেকে এদেশের ইতিহাস কটাক্ষ করবে এটা মেনে নেওয়া যায় না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জায়িদ হাসান জোহা বলেছেন, ‘বিগত সময়ে যেই তথাকথিত ‘যুদ্ধাপরাধীর’ নামে যেই হত্যাকাণ্ড হয়েছিল সেই গ্রাউন্ড টা জাহানারা ইমামের হাত ধরে তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশে মব কালচারের গোড়াপত্তনকারী জাহানারা ইমামকে জাহান্নামের ইমাম বলেছি।

আমি কোনো শহিদের মা'কে নিয়ে বাজে মন্তব্য করিনি। তবে এখানে কোনোভাবে মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় করা হয়নি।‘শহিদের মা’ পরিচয় কারো ‘খুনী’ পরিচয় মুছে দিতে পারে না।’

প্রসঙ্গত, জাহানারা ইমাম বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত লেখিকা, শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক কর্মী। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর বড় ছেলে শাফী ইমাম রুমি দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে গিয়ে শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর পরিবারের এই অসামান্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশে ‘শহীদ জননী’ হিসেবে পরিচিত ও সম্মানিত। ১৯৯২ সালে স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। তাঁর রচিত ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%