ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ ভবদহ, প্লাবিত দুই শতাধিক মাছের ঘের


টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ ভবদহ, প্লাবিত দুই শতাধিক মাছের ঘের

টানা বর্ষণ ও ভারী বৃষ্টিতে যশোরের ভবদহ অঞ্চল আবারও জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ১০ জুলাই রাতজুরী বৃষ্টির পরে জল দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় এই এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যেখানে দীর্ঘ দিন ধরে জলাবদ্ধতায় ভোগা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়ে গেছে মাছের ঘের এবং আবাদি জমি।

অভয়নগর উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে উপজেলার ৫০৩ হেক্টর আয়তনের মধ্যে ২২০টি মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ১৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা লিপটন সরদার বলেন, অতিবৃষ্টির ফলে অনেক ঘেরের পাড় পানির নিচে চলে গেছে। যদি পানি আরও বৃদ্ধি পায় তাহলে মাছ ভেসে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়াও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন জানান, টানা বৃষ্টিতে ভবদহ অঞ্চলের অন্তত ৩৭ হেক্টর আবাদি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পায়রা, চলিশিয়া, শ্রীধরপুর, সিদ্ধিপাশা ও প্রেমবাগ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাতে আমনের বীজতলা নষ্ট হয়েছে। এর ফলে চলতি মৌসুমে আমন চাষ এক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবদহ অঞ্চলের অধিকাংশ মাছের ঘেরের পাড় পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে। অনেক ঘেরে মাছের রক্ষা করার জন্য উঁচু করে নেট ও বাঁশের পাটা বসানো হয়েছে। মনিরামপুর উপজেলার সুজাতপুর গ্রামে বাড়ির উঠানে পানি উঠতে শুরু করছে। এ ছাড়াও ঘেরের পাড়ে চাষ করা বিভিন্ন ধরনের সবজি নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে বিল ও খাল পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। অনেক এলাকায় ঘেরের পাড় উপচে পানি প্রবেশ করছে। আবারও বৃষ্টি হলে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

মশিয়াহাটি গ্রামের মাছচাষি রনি মণ্ডল বলেন, আগাম প্রস্তুতি হিসেবে মাছ রক্ষার জন্য নেট কিনেছিলেন। কিন্তু আচমকা পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় সময়মতো নেট বসানো সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে ব্যবসায়ীরা নেটের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যয়বহুল শহরের শীর্ষ ১০ তালিকা থেকে ছিটকে গেল দুবাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ এম


ব্যয়বহুল শহরের শীর্ষ ১০ তালিকা থেকে ছিটকে গেল দুবাই

বিশ্বের ২৫টি বড় শহরের ধনী পরিবারগুলোর ব্যবহৃত ২০টি বিলাসবহুল পণ্য ও সেবার খরচ বিশ্লেষণ করে প্রতি বছর শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকা করা হয়। এবারের তালিকায় সিঙ্গাপুর টানা চতুর্থবারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ এসেছে দ্বিতীয় স্থানে এবং মোনাকো প্রথমবারের মতো শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছে। লন্ডন পঞ্চম স্থানে নেমে গেছে। পাশাপাশি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ছয় ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠেছে। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, শীর্ষ ১০ ব্যয়বহুল শহরের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে জনবহুল শহর দুবাই। বর্তমানে শহরটির অবস্থান দাঁড়িয়ে আছে ১৪ নম্বরে, যা আগের বছরের তুলনায় সাত ধাপ নিচে।

এ সম্পর্কে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংক জুলিয়াস বেয়ারের গ্লোবাল ওয়েলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী বলা হয়েছে, দুবাইয়ের র‍্যাংকিং কমেনি স্থানীয় বাজারে পণ্যের দাম কমায়, বরঞ্চ এর পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার। উল্লেখযোগ্য যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মুদ্রা দিরহাম সরাসরি ডলারের সঙ্গে যুক্ত (পেগড)। বিশ্ববাজারে ডলারের বিপরীতে যানি এ কারণে এখনও ইউরো বা সুইস ফ্রাঁর মতো বড় মুদ্রাগুলোর বিনিময়ের হার শক্তিশালী হয়েছে, ফলে সেসব অঞ্চলের শহরগুলো তালিকায় ওপরের দিকে উঠে এসেছে এবং এ কারণে দুবাই নিচে নেমেছে।

একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী বিলাসবহুল জীবনযাত্রার ব্যয় ডলারের হিসাবে ১০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে গহনার দাম ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে এবং ঘড়ির দাম ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। কাঁচামালের ঊর্ধ্বমুখী দাম এবং দক্ষ শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির ফলে ইউরোপের শহরগুলোর সামগ্রিকভাবে খরচ বেড়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই র‍্যাংকিংয়ের ফলে দুবাইয়ের সার্বিক আকর্ষণে কোনো ভাটা পড়েনি। যারা স্থানীয় মুদ্রা দিরহামে খরচ করেন, তাদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় আগের মতোই রয়েছে। বিশ্বজুড়ে ধনীদের কাছে দুবাই এখনো একটি অন্যতম জনপ্রিয় শহর। বহিরাগত ধনীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে দুবাইয়ের প্রধান সুবিধা হলো আবাসন খাতের তুলনামূলক কম দাম। লন্ডনের তুলনায় দুবাইয়ে বিলাসবহুল বাড়ি কিনতে খরচ হয় অর্ধেকেরও কম। একাধিক সুবিধা রয়েছে, যেমন অনুকূল কর ব্যবস্থা, উন্নত জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের দারুণ সুযোগ, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধনীদের আগমন ও বিনিয়োগ দুবাইয়ে অব্যাহত রেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনালে যে জার্সিতে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১০ এম


ফাইনালে যে জার্সিতে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণে স্পেনের বিপক্ষে নিজেদের পরিচিত রূপেই মাঠে নামতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা তাদের ঐতিহ্যবাহী সাদা-আকাশি ডোরাকাটা হোম জার্সি পরে মাঠে নামবে।

চলতি আসরে বিভিন্ন ম্যাচে ভিন্ন কিট ব্যবহার করলেও, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের জন্য পরিচিত সাজই বেছে নিয়েছেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যবৃন্দ। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফাইনালে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের শরীরে থাকবে সাদা-আকাশি জার্সি।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা এবার সকল ম্যাচে একই পোশাকে খেলেনি। জর্ডানের বিপক্ষে, এবং পরে ইংল্যান্ডের সাথে সেমিফাইনালেও দেখা যায় অ্যাওয়ে নীল জার্সি। তবে আলজেরিয়া, কেপ ভার্ডে, মিশর ও সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়া ম্যাচগুলোতে তারা ঐতিহ্যবাহী হোম কিটেই খেলেছে। সেই সফল কিটেই এবার বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে দলটি।

গোলবারের নিচে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকেও দেখা যাবে সম্পূর্ণ সবুজ পোশাকে। আর্জেন্টিনার এই তারকা গোলরক্ষক অতীতে বেশ কয়েকটি স্মরণীয় ম্যাচে একই রঙের কিট পরে মাঠে নেমেছিলেন। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকার ফাইনালেও তাকে একই রঙের পোশাকে দেখা গিয়েছিল। কাতার বিশ্বকাপের নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের বিপক্ষে নকআউট ম্যাচগুলোতেও আর্জেন্টিনা সাদা শর্টস ও সাদা মোজা ব্যবহার করেছিল।

অন্যদিকে, স্পেনও ফিরছে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী রূপে। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিকল্প কিট ব্যবহার করলেও, ফাইনালে তারা খেলবে লাল জার্সিতে। নীল রঙের হাতা ও হলুদ নকশায় সজ্জিত সেই জার্সির সঙ্গে থাকবে লাল শর্টস ও লাল মোজা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান অভিযানের প্রস্তুতি, ইসরায়েলে বাড়তি বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২০ এম


ইরান অভিযানের প্রস্তুতি, ইসরায়েলে বাড়তি বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের পরিসর আরো বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে। এই উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন ইসরায়েলে অতিরিক্ত কয়েক ডজন সামরিক জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’ মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সূত্রে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

অ্যাক্সিওস এর প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে যে, চলতি সপ্তাহের সূচনায় হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিক সামরিক বিকল্প বিষয়ে আলোচনা করার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে এ সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক নির্দেশ আসতে পারে। মার্কিন প্রশাসনের বিবেচনায় থাকা সামরিক পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো।

এই পরিকল্পনার পাশাপাশি ইউরেনিয়ামের মজুদ মাটির নিচে আরো পুঁতে ফেলার উদ্দেশ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে অতিরিক্ত আঘাত ও দেশটির নির্মাণাধীন ভূগর্ভস্থ পিকাক্স মাউন্টেন সাইটে সম্ভাব্য হামলার বিষয়টিও রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও এই অভিযান সম্প্রসারণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করেননি, তবে একটি বৃহত্তর আক্রমণের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবছে। সম্ভাব্য এই হামলার মূল লক্ষ্য হলো তেহরানকে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে বাধ্য করা এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির মার্কিন শর্তগুলো মেনে নিতে চাপ সৃষ্টি করা।

এই প্রতিবেদনটি সেই সময় এসেছে, যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী টানা বেশ কয়েক দিন ধরে হরমুজ প্রণালী ও দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রসদ, গোলাবারুদ ও অতিরিক্ত সৈন্য চলাচল ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এর একটি প্রধান সরবরাহ কেন্দ্রের নিকট বন্দর আব্বাসের অন্তত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধ্বংস করেছে। এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরানও জর্ডান, কাতার, বাহরাইন, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা জোরদার করেছে। এমনকি, সিরিয়ার একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে আইআরজিসি, যদিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মার্কিন সেনারা কয়েক মাস আগে ওই ঘাঁটি থেকে সরে গিয়েছেন।

বর্তমানে ইসরায়েলের তেল আবিবের নিকটবর্তী বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৩০টি এবং দক্ষিন ইসরায়েলের রামোন বিমানবন্দরে একই সংখ্যক মার্কিন সামরিক জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান মোতায়েন রয়েছে। ওয়াশিংটন আগামী কয়েক দিনে এ বিমানবহরকে সংঘাতের শুরুর দিকের পর্যায়ে ফিরিয়ে নিতে আরো কয়েক ডজন বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

আঞ্চলিক অন্যান্য ঘাঁটিগুলো ইরানি মিসাইল হামলার ঝুঁকিতে থাকায় মার্কিন বাহিনী বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করতে বেশি আগ্রহী। তবে, এই প্রস্তাবিত বিমান মোতায়েনটি বর্তমানে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে একটি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়ে পরিণত হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুমের কারণে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সামরিক বিমান সেখানে জায়গা দখল করে থাকায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

ইসরায়েলের পরিবহন মন্ত্রী মিরি রেগেভ ইতিমধ্যে সেখান থেকে মার্কিন বিমানের সংখ্যা কমানোর বা অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করছে। ট্রাম্প প্রশাসন অতিরিক্ত বিমানের ব্যবস্থার জন্য ইসরায়েলি সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছে এবং এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর হাতে থাকার আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে বহাল সতর্কসংকেত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ এম


সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে বহাল সতর্কসংকেত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৯:০১

উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় যে সুস্পষ্ট লঘুচাপ ছিল, সেটি দুর্বল হয়ে এক লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন বিহার এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ অঞ্চলে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এই লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজমান রয়েছে।

সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে।

আবহাওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি দিয়ে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%