মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৭ পি.এম
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় লোহারংক খাল দখল করে কাঁচা-পাকা বাড়ি-ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কিছু প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। প্রশাসন মাঠে নেমে দখলকৃত খাল শনাক্ত করলেও, দখলদারদের উচ্ছেদ করতে সক্ষম হয়নি। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, লোহারংক গ্রামের মনির বিশ্বাস, সেলিম বিশ্বাস, বাবুল মোল্লা, ইমারত মোল্লা, আমজাদ মোল্লা, মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া, সেকেন্দার দাড়িয়া, আউয়াল দাড়িয়া, মানির দাড়িয়া, কাসেম দাড়িয়া, ইব্রাহিম দাড়িয়া, কিবরিয়া বিশ্বাস, রতন দাসসহ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সরকারি খাল ভরাট করে দখল করে নিয়েছেন। দখলকৃত খালের ওপরে কাঁচা-পাকা বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে তারা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন।
সম্প্রতি, খালটি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে লোকারংক গ্রামের ফরিদ দাড়িয়াসহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করেছেন। আবেদনের পর জেলা ও উপজেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে খালটি উদ্ধারের জন্য।
গত কয়েক দিন ধরে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ সরেজমিনে গিয়ে খালটি শনাক্ত করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত খালটি দখলমুক্ত করতে পারেনি। কয়েক দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও খালটি দখলমুক্ত না হওয়ায় আবেদনকারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
এ বিষয়ে আবেদনকারী ফরিদ দাড়িয়া বলেন, ‘প্রায় ৩০ বছর ধরে লোহারংক খাল দখল করে এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘরবাড়ি তুলে ভোগদখল করে আসছে। খালটি দখল হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টি হলেই গ্রামটিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। তাই আমরা গ্রামবাসী মিলে খালটি দখলমুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করি। আমাদের আবেদনের পর জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের লোকজন মেপে খালটি শনাক্ত করে লাল নিশান দিয়েছে। এরপর কয়েক দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও প্রশাসন এখন পর্যন্ত খালটি দখলমুক্ত করতে পারেনি।’
দখলদার মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া বলেন, ‘আমার দলিলের জায়গার ওপর দিয়ে গ্রামের লোকজন সরকারি রাস্তা নিয়ে আমাকে খালের জায়গা দিয়েছে। এখন রাস্তার জায়গা আমাকে ছেড়ে দিলে আমি খালের জায়গা ছেড়ে দেব।’
অপর দখলদার মনির বিশ্বাস বলেন, ‘খালের জায়গা দখল করে আমি বাড়ি-ঘর নির্মাণ করেছি। প্রশাসন থেকে আমাকে যখন বলা হবে, আমি তখন খালের জায়গা ছেড়ে দেব।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীন জানান, খালটি মেপে জায়গা নির্ধারণের কাজ এখনো চলছে। পরবর্তী সময়ে উচ্ছেদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক কৌশল বর্তমানে একটি বড় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। বিরোধীদের দুর্বল করা, গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করা এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহারের কৌশল, যা তিনি এতদিন সুফল পেয়েছেন, ক্রমবর্ধমান জন-অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে কতটা কার্যকর থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের জনপ্রিয় নির্বাচিত নেতা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। বৈশ্বিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া একজন নেতা হিসেবেও তার ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তার সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্নমত দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘকাল ধরে রয়েছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, মোদির ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগীরা রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিচারব্যবস্থার প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিরোধীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন। এর ফলে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি বিভক্ত ও দুর্বল হয়ে পড়েছে, স্বাধীন গণমাধ্যমের কাজের পরিসর সংকুচিত হয়েছে এবং বিভিন্ন আন্দোলনের কর্মীরা কারাবন্দি হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী মোদি সরকারের এই রাজনৈতিক কৌশলের সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভের সহিংস পরিস্থিতির ছবি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সরকারের কঠোর শাসনপদ্ধতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
তরুণদের আন্দোলনে বাড়ছে চাপ
দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের নেতৃত্বে প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক অসন্তোষ নতুন মাত্রা পেয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের কারণে আন্দোলন জোরালো হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক নাম বাদ দেওয়ার ঘটনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তবে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিক্ষোভ ঠেকাতে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনা সরকারের সমালোচনা আরও বাড়িয়েছে। বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে নাগরিকদের প্রতিবাদ করার অধিকার সংকুচিত করা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে মোদি সরকারের সামনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে কতদিন জনঅসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব?
পুরোনো কৌশল কি আর যথেষ্ট নয়?
মোদির রাজনৈতিক সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি ছিল শক্তিশালী নেতৃত্বের ভাবমূর্তি, বিরোধী দলগুলোর দুর্বলতা এবং প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর সরকারের প্রভাব। কিন্তু নতুন প্রজন্মের আন্দোলন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিত প্রতিবাদ এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক সেই কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মোদির জন্য আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিরোধিতা মোকাবিলায় আরও কঠোর হওয়ার পরিবর্তে সরকারের সামনে জনঅসন্তোষের কারণগুলো সমাধান করার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসছে।
রাজধানীর সাম্প্রতিক সহিংসতা ও বিক্ষোভ শুধু আইনশৃঙ্খলার সংকট নয়; বরং মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনারও একটি পরীক্ষা। জনসমর্থন ধরে রাখা, বিরোধীদের মোকাবিলা করা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দেওয়া—এই তিনটি বিষয় এখন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর থাকা মোদির ক্ষমতা ধরে রাখার রাজনৈতিক ছক ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মুখে কতটা টিকে থাকবে, তা এখন ভারতের রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সূত্র: দ্য জাপান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৭ সালের এশিয়ান কাপের আয়োজক সৌদি আরবের পরিস্থিতি নিয়ে ‘গভীর নজর’ রাখছে ফুটবল অস্ট্রেলিয়া। এই তথ্যটি ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর হামলার পর প্রকাশিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার এএফপিকে এই বিষয়টি জানায়।
সোমবার, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আল নাসরের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়েছিল। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানায়, হুতিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে আসছিল এবং সেটি তারা ঠেকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে।
জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবে এশিয়ার মহাদেশীয় সেরা টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সম্প্রতি দেশটি হুতিদের একের পর এক হামলার শিকার হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রয়েছে তেলের স্থাপনা, ট্যাংকার এবং পরিবহন কেন্দ্র। রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এশিয়ান কাপ শুরু হতে এখন তিন মাসেরও কম সময় বাকি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফুটবল অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের পরিস্থিতির ওপর ‘গভীর নজর’ রাখছে।
সংস্থাটির একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়, কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অভিজ্ঞ নিরাপত্তা দল সক্রিয়ভাবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং তারা নিয়মিত খবর জানাচ্ছে। জাতীয় দলের প্রতিটি ক্যাম্পের পরিকল্পনায় আমরা ঝুঁকি যাচাই করি। জানুয়ারির প্রস্তুতিতেও এটি আমাদের প্রধান মনোযোগের বিষয় হবে।’
মুখপাত্র আরও জানান, অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল কর্তৃপক্ষ এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে। টুর্নামেন্ট নিয়ে এএফসির পরিকল্পনা জানতেই এই যোগাযোগ করা হচ্ছে।
এএফপি এ বিষয়ে এএফসির মন্তব্য জানতে চেয়েছে। এশিয়ান কাপ ৭ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা এবং খেলা অনুষ্ঠিত হবে রিয়াদ, জেদ্দা ও আল খোবারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিটি পূজামণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা পালাক্রমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পাহারা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির পর্যবেক্ষণ দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার পর তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
খায়রুল কবির খোকন উল্লেখ করেন, পূজা উপলক্ষ্যে প্রশাসন বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রতিহত করবে। বিএনপি এই কাজে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে। ষড়যন্ত্রের বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
পূজার সময় গুজব বা এআই কনটেন্ট নিয়ে সতর্ক থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান খায়রুল কবির খোকন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নেচার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সেমিনারটি মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়।
সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব। উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ নেচার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিএমএইচের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আলোচনা সভা আর সেমিনারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবে না; এর জন্য প্রয়োজন সরকারের দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ।’
তিনি উল্লেখ করেন, সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা এবং ডেঙ্গু দমনে এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব বলেন, ‘ইতোমধ্যে লাখেরও বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও এটি প্রতিরোধে সরকারের পর্যাপ্ত উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। রাজনীতি যদি কেবল ক্ষমতার জন্য হয়, তাহলে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে সরকারের চেয়ে বিরোধী দল ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে বেশি সক্রিয় দেখা যাচ্ছে। তবে ডেঙ্গু যেভাবে মহামারির দিকে যাচ্ছে, তা মোকাবিলায় রাজনৈতিক দল ও সরকারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি জরুরি।’ তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এখনই সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য।
সেমিনারে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, করোনার মতো ডেঙ্গুও দেশে মারাত্মক আকার ধারণ করছে। কিন্তু ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও আক্রান্তদের সুচিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অভাব রয়েছে, যার ফলে রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধ পর্যালোচনা করে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নেক্সাস ডিফেন্স অ্যান্ড জাস্টিসের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির, সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. খোরশেদ আলী মিয়া।
এছাড়া সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেনÑ সাবেক অতিরিক্ত সচিব আব্দুল হালিম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি ডা. মারুফ শাহরিয়ার এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুর উদ্দিন তালুকদার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ