মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:১২ পি.এম
মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী নাহিদ মিয়া (৪০)কে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের শ্রীরামপুর এলাকায় র্যাব একটি অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ মিয়া সদরের মাজারপাড়া এলাকার মৃত দুলাল মিয়ার পুত্র।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-১-এর একটি আভিযানিক দল শ্রীরামপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানের সময় সদর মডেল থানার ২০১৭ সালের একটি মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী নাহিদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, সদর মডেল থানার মামলা নম্বর-৪৭, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ এবং জিআর (সাজাপ্রাপ্ত) মামলা নম্বর-৬৪৫/১৭-এর আসামী নাহিদ। উল্লেখ্য, মামলাটি ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার টেবিল ৯(খ)-এর অধীনে দায়ের করা হয়েছিল।
র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাহিদ মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে আরও জানান যে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের যমজ বোন এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারা পৃথক দুটি বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়ে এই সাফল্য অর্জন করেছে।
যমজ দুই বোনের একজনের নাম নাহিয়ান এবং অপর বোনের নাম তাসনুবা। তাদের এই ফলাফলে পরিবারের সবাই খুশি। তাদের বাবা আবুল বারাকাত লিজন পাটোয়ারী ব্যবসায়ী এবং মা নিগার পিংকি গৃহিণী। নাহিয়ান তাসনিম চাঁদপুর শহরের কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে এবং তাসনুবা নুর শহরের মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
নাহিয়ান তাসনিম বলেন, "আমরা দুই বোন সবসময় মা-বাবার কথা মেনে চলেছি। পড়ালেখার প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা বাইরে যেতাম না।"
অপরদিকে এ সাফল্যের পেছনে পরিবারের সদস্যদের অবদানের বিষয়টি উল্লেখ করে তাসনুবা নুর বলেন, "বাবা-মা যেভাবে আমাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছে, জন্যই ভালো ফল করতে পেরেছি। বিশেষ করে মা এখনো আমাদের মোবাইল কিনে দেননি। ফুফু একটি ট্যাব দিয়েছিলেন, সেটিও আম্মু আলমারিতে রেখে দিয়েছেন। এতে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পেরেছি।"
দুই বোনের ইচ্ছা ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হওয়া। তাদের মা নিগার পিংকি জানান, তিনি সব সময় মেয়েদের পাশে থেকে সাহস ও উৎসাহ জুগিয়েছেন। দুজনকে নিয়ে সব সময় চিন্তায় থাকতেন, যেন দুজনই ভালো ফল করে। এ কারণে তাদের হাতে কখনো মোবাইল ফোন দেননি।
দুই মেয়ের সাফল্যের পেছনে প্রথমত শিক্ষকদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা বলে মন্তব্য করেন তাদের বাবা আবুল বারাকাত। এরপর তাদের মায়ের অবদান। দুজনকে পৃথক স্কুলে আনা-নেওয়া ও পড়াশোনায় কিছুটা কষ্ট হয়েছে। তবে ভালো ফলাফলে সেই কষ্ট সার্থক হয়েছে। তারা শহরের খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ মরহুম লুৎফর রহমান পাটওয়ারীর নাতনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলায় জেলা যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আইভি আকতার নূপুর (৪০) কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে বগুড়া সিটি করপোরেশন কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) আবদুল্লাহ আল সাদিক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, গ্রেপ্তারকৃত আইভি আকতার বগুড়া মহানগরীর শিববাটি শাহী মসজিদ লেনের মৃত নজমল হোসেন তোতার কন্যা। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। নূপুর বগুড়া সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মী। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশ তাকে কর্মস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তিনি জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার (এসআই) আবদুল্লাহ আল সাদিক জানান, রাজনৈতিক ওই মামলায় নূপুরের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে তদন্তে তার নাম এসেছে। এই কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বগুড়া মহানগরীর পশ্চিম বৃন্দাবনপাড়ার নূর হোসেন মন্ডলের ছেলে মো. আলিফ (২৫) গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর সদর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এ মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রধান আসামি করে ২০২ জনের নাম উল্লেখপূর্বক ৩০২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদী মো. আলিফ মামলায় উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিকেল তিনটার দিকে ছাত্র-জনতার মিছিল নিয়ে মহানগরীর চাঁদনীবাজার এলাকায় পৌঁছান। এ সময় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে তার মদদপুষ্ট আসামিরা ককটেল, হাতবোমা ও অন্যান্য আসামিরা লাঠি, কিরিচ, রামদা, চায়নিজ কুড়াল, বার্মিজ চাকু নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ গালি দিয়ে হত্যার হুমকি দেন। তখন প্রধান আসামির নির্দেশে অন্যান্য কয়েকজন আসামি মিছিলে ককটেল ও বোমা নিক্ষেপ করে বিস্ফোরণের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। আসামিরা গুলি চালালে তিনি (বাদী) কপাল, বুক ও উরুতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এছাড়াও অন্য আসামিরা তাকে ও ছাত্র-জনতাকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হয়ে মামলা দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে তিনি অর্জন করেছেন সহকর্মীদের অন্তরঙ্গ বিশ্বাস ও গভীর শ্রদ্ধা।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের(বিআইডব্লিউটিএ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো.সাইদুর রহমান দক্ষতা, চৌকস ও অভিজ্ঞতার এক উজ্জ্বল নাম। বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সূত্রে জানা যায়, পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার অনন্য নজির স্থাপন করে তিনি হয়ে উঠেছেন প্রতিষ্ঠানের একজন গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য কর্মকর্তা।সম্প্রতি তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।বিআইডব্লিউটিএর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়,প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সাইদুর রহমান। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর পেশাগত সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের কাছে ছড়িয়ে দিচ্ছে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ তথ্য।
দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি : মিলেছে পরিষ্কার রায়
উল্লেখ্য,বিআইডব্লিউটিএ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো. সাইদুর রহমান ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পরিসমাপ্তি করা হয়েছে।দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১) মো. কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের স্মারক নম্বর ০০.০১.০০০০.০০০.৫০১.০১.০০৩৭.১৭.১৫ পত্রে এ তথ্যের সত্যতা মিলেছে। উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপেক্ষিতে বর্ণিত অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রমাণিত না হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক চূড়ান্তভাবে অভিযোগটি পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সহকর্মীদের কণ্ঠে সমর্থনের সুর
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘ কর্মজীবনে একজন প্রকৌশলী হিসেবে সাইদুর রহমান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। তাঁর বিরল দক্ষতা ও কাজের অভিজ্ঞতার কারণেই তিনি আজ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। তবে তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সব নথি ও পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা গোপনে অপপ্রচার না করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হোক। প্রয়োজন হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ সত্য হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সংবাদমাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা ন্যায়সঙ্গত নয়। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যেসব প্রকল্প বা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, সেসব ক্ষেত্রে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর প্রকৃত দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কতটুকু ছিল, সেটিও সংবাদ প্রকাশের আগে খতিয়ে দেখা আবশ্যক।
সাইদুর রহমানের প্রতিক্রিয়া : সত্যের জয়ে অটল বিশ্বাস
বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান কে বলেন,কর্মজীবনে সবসময় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে অনিয়ম বা অনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি।তিনি প্রকাশিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন,সাংবাদিকতা সমাজের অনিয়ম তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা অনুসন্ধান করা অবশ্যই সাংবাদিকতার দায়িত্ব। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি।
সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,কোনো ব্যক্তি বা স্বার্থান্বেষী মহলের সরবরাহ করা তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট নথি,সরকারি সিদ্ধান্ত, প্রকল্পের কাগজপত্র ও প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা হোক। তিনি আরও বলেন,সত্য উদ্ঘাটনের জন্য সাংবাদিকদের অনুসন্ধানকে তিনি স্বাগত জানান। কিন্তু মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সংবাদ প্রকাশিত হলে তাতে শুধু একজন কর্মকর্তার ভাবমূর্তিই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না—পারিবারিক, সামাজিক ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সময়ই সব কিছুর নির্ণায়ক, এবং সত্য কখনো চাপা থাকে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ২৫টি কোম্পানির প্রতিনিধিরা।
আলোচনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষের অভিন্ন আগ্রহ জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকায় সফররত মার্কিন-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) প্রতিনিধিদলের সম্মানে শামা ওবায়েদ ইসলাম মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। সেখানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা ও মার্কিন প্রতিনিধিরা ব্যবসার ক্ষেত্রে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশের ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজেদের মতামত এবং অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
মধ্যাহ্নভোজে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মার্কিন কোম্পানির প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনার সময় বাংলাদেশের এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়। জ্বালানি ও প্রযুক্তির পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি এবং আর্থিক সেবার মতো খাতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে, আজ মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠক করে। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টারা उपस्थित ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র খুঁজে বের করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
৪৫ সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধিদলটি ১১ থেকে ১৩ আগস্ট ঢাকা সফর করছে। এই প্রতিনিধি দলে জ্বালানি, প্রযুক্তি, আর্থিক সেবা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিসহ বিভিন্ন খাতের ২৫টি শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কোম্পানির প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো গভীর করার সুযোগ খুঁজে বের করাই তাদের সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
মধ্যাহ্নভোজে এক্সিলারেট এনার্জির নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধিদলের মিশন লিড অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপসহ ইউএসবিবিসির অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বাংলাদেশের সরকারের জ্যেষ্ণর কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
মধ্যাহ্নভোজের শেষে এক্সিলারেট এনার্জির কৌশলগত উপদেষ্টা পিটার হাস এবং রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ বক্তব্য রাখেন এবং ধন্যবাদ জানান। তারা বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনার সুযোগ পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ