০৯:৫৯ পি.এম
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মন্তব্য করেছেন যে, উদীয়মান নতুন আঞ্চলিক চুক্তি ও সমঝোতা একটি ‘নতুন অধ্যায়ের’ সূচনা করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, এতে মুসলিম প্রতিবেশী দেশগুলো বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের সক্ষমতার ওপর আস্থা রাখবে।
এছাড়া, তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা
এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি।
গালিবাফ বিদেশি শক্তির বিষয়ে বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট হয়েছে যে, বিদেশি শক্তিগুলো এই অঞ্চলের জন্য দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম নয় এবং তারা এ বিষয়ে আগ্রহীও নয়।
তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক ভূখণ্ডের বাইরের শক্তিগুলোর উপস্থিতি ও হস্তক্ষেপের ওপর নির্ভরশীল নিরাপত্তাব্যবস্থা ‘ভঙ্গুর ও পরনির্ভরশীল’ হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বায়ুদূষণে মানুষের গড় আয়ু কমছে ৪ বছর
অন্যদিকে, গালিবাফ উল্লেখ করেন যে, আঞ্চলিক দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা নিরাপত্তাব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
তিনি ইরানের অভ্যন্তরীণ ঐক্যের প্রসঙ্গেও আলোচনা করেন। গালিবাফ বলেন, দেশটিতে ‘শিয়া-সুন্নি ঐক্য’ একটি আনুষ্ঠানিক স্লোগান নয়; বরং এটি জাতীয় শক্তির অন্যতম ভিত্তি এবং দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।
আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে আসা বেশিরভাগ ওষুধই পাকিস্তান থেকে পাচার হওয়া: তালেবান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন