শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৩ পি.এম
ঘুরতে গিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবপ্রবাসী স্বামী ইয়াছিন আহমেদের মৃত্যুর এক মাস পর মারা গেলেন তাঁর স্ত্রী তুলি বেগম (২১)। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এর আগে গত ১২ আগস্ট বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার তিতাস নদীর তীরবর্তী ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকা থেকে ঘুরে ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মালিহাতা এলাকায় একটি ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ইয়াছিন আহমেদ (২৭) ও তাঁর স্ত্রী তুলি বেগম গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই ইয়াছিন আহমেদের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত তুলি বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। প্রায় এক মাস বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন আহমেদ প্রায় ১৭ মাস আগে সৌদি আরব যান। ২৪শে জুলাই দেশে আসেন তিনি। সেখানে তিনি ফুড ডেলিভারির কাজ করতেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর আগে তুলি বেগমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের আলিফ নামে দুই বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
তুলির বোন মিতালি মিতু জানান, দুর্ঘটনার পর তুলি ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সর্বশেষ নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে তিনি মারা যান।
নিহত ইয়াছিন আহমেদ ভৈরব শহরের কমলপুর মুসলিমের মোড় এলাকার পূবালী ব্যাংক ভবনের মালিক প্রয়াত বাক্কী মিয়ার ছেলে। তাঁর স্ত্রী তুলি বেগম একই শহরের স্টেডিয়াম মোড় এলাকার আক্তার হোসেনের মেয়ে।
শুক্রবার বাদ এশা কমলপুর মাদরাসা মাঠে তুলি বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কমলপুর কবরস্থানে তাঁর স্বামী ইয়াছিন আহমেদের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
এক মাসের ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার সময় নদীতীর ধসে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মো. রাকিবের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় নিখোঁজ থাকা বিজিবি সদস্য মো. আমজাদ এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলার ইলিশা নৌথানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান। এর আগে, সকাল ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনা নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেলে রাকিবের পরিবারের সদস্যরা গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
রাকিব শিবপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজারসংলগ্ন সর্দার বাড়ির মো. বাবুলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলারখাল মাছঘাটসংলগ্ন মেঘনার তীরে রাকিব, আমজাদসহ পাঁচ বন্ধু আড্ডা দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে নদীতীর ধসে জিওব্যাগসহ একটি অংশ নদীতে তলিয়ে যায়। এ সময় পাঁচজনই খরস্রোতা মেঘনায় পড়ে যান। তাদের মধ্যে ফাহিম, সাগর ও শাওন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও রাকিব ও আমজাদ নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি চালান। খবর পেয়ে ভোলা সদর উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, সদর মডেল থানা পুলিশ ও নৌপুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে সেদিন তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ইলিশা নৌথানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় জেলেরা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়দের জানান। পরে নৌপুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
খবর পেয়ে রাকিবের স্বজনরা রামগতিতে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফি ক্লাবের (বিআরইউপিসি) প্রথম আনুষ্ঠানিক কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আবুল খায়ের জায়ীদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সিবগাতুল্লাহ মোহাইমিন নীলাদ্র
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) আগামী এক বছরের (২০২৬-২৭) জন্য ৩০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি প্রকাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো: ইলিয়াস প্রামানিক, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তুহিন ওয়াদুদ, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. খাইরুল ইসলাম এবং জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের ফটোগ্রাফার এস এন শাহ্ নেওয়াজ কবিরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি প্রকাশ করা হয়।
কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মেহরাব সিয়াম, আজিজুর রহমান, শাহনেওয়াজ সিয়াম, মো. মাহফুজুর রহমান, ইবতেশাম রহমান সায়নাভ, রাকিবুল হাসান, তাউসির আহমেদ, নাজমুল ইসলাম ও মো. নেজাজ আহমেদ।
এ ছাড়া সাজ্জাদুর রহমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মাসফিকুল হাসান ও মো. শৌরভ মিয়া সাংগঠনিক সম্পাদক, শেখ সাদ অর্ণব দপ্তর সম্পাদক এবং গোলদার কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে ইউনুচ রাতুল, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে আমিন প্রামাণিক ও মারুম্নফুজ্জামান রাতুল দায়িত্ব পেয়েছেন।
নারী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কামরুন নাহার রাতুল ও জাকিয়া সুলতানা মাওয়া, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা সম্পাদক হিসেবে প্রান্ত কুমার দাস ও মো. রেজাউল কবির এবং গবেষণা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মো. ওয়াসিম আকরাম খান ও মো. মেহেদী হাসান অনিক দায়িত্ব পেয়েছেন।
কমিটিতে নির্বাহী সদস্য হিসেবে রাকিবুল ইসলাম রিয়াদ, নিহাদুল ইসলাম রিমন, নীরব রায়, খালেদ মাহমুদ সালেহীন ও মো. হাসানুর রহমান রয়েছেন।
ক্লাবটির ২০২৪ সালে যাত্রা শুরু হলেও এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি প্রকাশ করা হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফটোগ্রাফি চর্চা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকাশে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
নবগঠিত ফটোগ্রাফি ক্লাবের সভাপতি মো. আবুল খায়ের জায়ীদ বলেন, “বেরোবি ফটোগ্রাফিক ক্লাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও ফটোগ্রাফি দক্ষতা বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, ফটোওয়াক ও বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে কাজ করব। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক কার্যক্রম ও সৌন্দর্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”
সাধারণ সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ মোহাইমিন নীলাদ্র বলেন, “নতুন কমিটির মাধ্যমে ক্লাবের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করার চেষ্টা থাকবে। ফটোগ্রাফিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য শেখার সুযোগ তৈরি করা, অভিজ্ঞদের সঙ্গে নবীনদের সংযোগ ঘটানো এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে আমরা কাজ করব। সবার অংশগ্রহণে ক্লাবটিকে একটি প্রাণবন্ত ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নিতে চাই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ১০ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে। এই তথ্যটি শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কাশিমপুর জোনাল অফিসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রাহকসেবার মান উন্নত করার জন্য ১১ কেভি ফিডারগুলো ছোট করা হবে এবং লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও লাইন আপগ্রেডেশনের কাজ শনিবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে। এই কারণে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়—কাশিমপুর (আংশিক), বিএডিসি গেটের সামনের এলাকা, রফিকুল স্কুলের আশপাশ, কাশিমপুর স্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশ, রিফুজি পাড়া, হাজিপাড়া, জিতার মোড়ের আশপাশ, আলিমের আশপাশ, কবরস্থানের আশপাশ, জামাল টাওয়ারের আশপাশ, মল্লিকা বাজারের আশপাশ, নয়াপাড়া, হাকের নল, লালদিঘি, খানকা শরিফের আশপাশ এবং রওশন মার্কেট এলাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, যদি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ সম্পন্ন হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।
কাশিমপুর জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ সাময়িক অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর ওপর বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে ব্যতিক্রমী পদযাত্রায় নেমেছেন গাইবান্ধার এক বাবা-ছেলে। ‘আলোকিত বাংলার স্বপ্নযাত্রা, আমরা করব জয়’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ১৯ দিনে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে একের পর এক জেলা পাড়ি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছেন তারা।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া দুজন হলেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাদেক চত্বর এলাকার বাসিন্দা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত প্যারা কমান্ডো অনারারি ক্যাপ্টেন সাদেক আলী সরদার এবং তার ছেলে উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান।
গত ১৬ আগস্ট গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী ঘাট থেকে তাদের এই ৭৫তম মিশন শুরু হয়। পদযাত্রাকালে তারা জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, বেনাপোল স্থলবন্দর, সাতক্ষীরা স্থলবন্দর, খুলনা, নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরসহ রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের ২০টি জেলা অতিক্রম করে ঢাকায় পৌঁছান।
দীর্ঘ পথ অতিক্রম শেষে শুক্রবার (১১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে অংশ নেন তারা। এতে রাজধানীতে বসবাসরত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন। মানববন্ধন শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সেতু ভবনে স্মারকলিপি প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
বাবা-ছেলের বলেন বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতু নির্মাণ কেবল গাইবান্ধাবাসীর নয়, পুরো উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। এ সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন দিগন্তের সূচনা ঘটবে।
উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিরসন ও সেতুর যৌক্তিক দাবিটি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছে দিতেই তাদের এই দীর্ঘ পদযাত্রা। বিভিন্ন জেলায় অবস্থানকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বাবা-ছেলের এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ