শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২০ পি.এম
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ১০ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে। এই তথ্যটি শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কাশিমপুর জোনাল অফিসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রাহকসেবার মান উন্নত করার জন্য ১১ কেভি ফিডারগুলো ছোট করা হবে এবং লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও লাইন আপগ্রেডেশনের কাজ শনিবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে। এই কারণে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়—কাশিমপুর (আংশিক), বিএডিসি গেটের সামনের এলাকা, রফিকুল স্কুলের আশপাশ, কাশিমপুর স্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশ, রিফুজি পাড়া, হাজিপাড়া, জিতার মোড়ের আশপাশ, আলিমের আশপাশ, কবরস্থানের আশপাশ, জামাল টাওয়ারের আশপাশ, মল্লিকা বাজারের আশপাশ, নয়াপাড়া, হাকের নল, লালদিঘি, খানকা শরিফের আশপাশ এবং রওশন মার্কেট এলাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, যদি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ সম্পন্ন হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।
কাশিমপুর জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ সাময়িক অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর ওপর বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে ব্যতিক্রমী পদযাত্রায় নেমেছেন গাইবান্ধার এক বাবা-ছেলে। ‘আলোকিত বাংলার স্বপ্নযাত্রা, আমরা করব জয়’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ১৯ দিনে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে একের পর এক জেলা পাড়ি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছেন তারা।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া দুজন হলেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাদেক চত্বর এলাকার বাসিন্দা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত প্যারা কমান্ডো অনারারি ক্যাপ্টেন সাদেক আলী সরদার এবং তার ছেলে উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান।
গত ১৬ আগস্ট গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী ঘাট থেকে তাদের এই ৭৫তম মিশন শুরু হয়। পদযাত্রাকালে তারা জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, বেনাপোল স্থলবন্দর, সাতক্ষীরা স্থলবন্দর, খুলনা, নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরসহ রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের ২০টি জেলা অতিক্রম করে ঢাকায় পৌঁছান।
দীর্ঘ পথ অতিক্রম শেষে শুক্রবার (১১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে অংশ নেন তারা। এতে রাজধানীতে বসবাসরত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন। মানববন্ধন শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সেতু ভবনে স্মারকলিপি প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
বাবা-ছেলের বলেন বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতু নির্মাণ কেবল গাইবান্ধাবাসীর নয়, পুরো উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। এ সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন দিগন্তের সূচনা ঘটবে।
উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিরসন ও সেতুর যৌক্তিক দাবিটি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছে দিতেই তাদের এই দীর্ঘ পদযাত্রা। বিভিন্ন জেলায় অবস্থানকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বাবা-ছেলের এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফুলগাজী উপজেলা সফরকে সামনে রেখে পূর্ব প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে কাল শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ফেনী আসছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. খোরশেদ আলম স্বাক্ষরিত এক সফরসূচিতে এ তথ্য জানা গেছে।
সফর সূচি অনুযায়ী, কাল সকাল সাড়ে ৯টায় মন্ত্রী কুমিল্লার নিজ বাড়ি থেকে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত ও সেবায়েতদের জন্য নির্ধারিত কর্মসূচির প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।
এরপর দুপুর ১২টায় ফেনী সার্কিট হাউসে প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর উপলক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন মন্ত্রী। এদিন বিকেল ৫টায় তিনি ফেনী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।
সফরকালে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন বলে সরকারি সফরসূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে প্রধানমন্ত্রীর ফুলগাজী সফরের প্রস্তুতি ও অগ্রগতি সরেজমিনে দেখতে ফুলগাজী পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচির বিষয়ে বিস্তারিত জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কুড়িগ্রাম সফরে আসছেন। সফরকালে জেলার রাজারহাট, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারীতে পৃথক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার দুপুরে রাজারহাট উপজেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম।
এরপর বিকেলে নাগেশ্বরীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি। পথসভা শেষে ভূরুঙ্গামারীতে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে বয়ান পেশ করার কথা রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীরের।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এসব কর্মসূচির তথ্য জানা গেছে। চরমোনাই পীরের কুড়িগ্রাম সফরকে ঘিরে রাজারহাট, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সীমান্তবর্তী ও দুর্গম নারায়ণপুর ইউনিয়নে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার দিয়েছেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলাম।
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দেওয়া ওই ডিও লেটারে নারায়ণপুর ইউনিয়নের ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিও লেটারে বলা হয়, নারায়ণপুর ইউনিয়নটি একটি বিস্তীর্ণ ও দুর্গম চরাঞ্চল। ইউনিয়নটির আয়তন প্রায় ৪৭ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ৬৩ হাজার। ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৬ হাজারের অধিক। ইউনিয়নটির তিন দিকই সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় নিরাপত্তার দিক থেকে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দুর্গম চরাঞ্চলে মানুষের চলাচলে বর্ষাকালে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। ইউনিয়নের একাধিক স্থানে নৌপথে যাতায়াত করতে হয়। ফলে কোনো অপরাধ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশি সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এ অবস্থায় নারায়ণপুর ইউনিয়নের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত, অপরাধ প্রতিরোধ, মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন জরুরি বলে ডিও লেটারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে নারায়ণপুর ইউনিয়নের দুর্গমতা, সীমান্তবর্তী অবস্থান ও বিপুল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ইউনিয়নটিতে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ