ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আবার উইম্বলডন সিনারের


আবার উইম্বলডন সিনারের

গত বছরই প্রথমবার উইম্বলডন জিতেছিলেন ইয়ানিক সিনার। মর্যাদার এই গ্র্যান্ড স্লাম ধরে রাখলেন বর্তমান বিশ্বের এই এক নম্বর টেনিস তারকা।

ফাইনালে এই ইতালিয়ান তারকা ৬-৭ (৭-৯), ৭-৬ (৭-২), ৬-৩ ও ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে দেন জার্মানির আলেকজান্ডার জভেরেভকে।

এটি সিনারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্লাম ট্রফি। বিবিসি

আরও পড়ুন: রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
যুক্তরাষ্ট্রকে গালিবাফের হুঁশিয়ারি

‘প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন, না হলে মূল্য দিতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১২ এম


‘প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন, না হলে মূল্য দিতে হবে’

ইরানের শীর্ষ আলোচক এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ‘একমুখী চুক্তির যুগ শেষ। আমরা আগেই বলেছিলাম— প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন, না হলে তার মূল্য দিতে হবে।’ তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে এই হুঁশিয়ারি প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাস্তবতা এখন দরজায় কড়া নাড়ছে।’ এই পোস্টের সঙ্গে গালিবাফ একটি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের ছবিও যুক্ত করে দেন। ওই ছবিতে উল্লেখ করা হয় যে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার কথা বলা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে ওই অংশে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে’ বাক্যটি বিশেষভাবে হাইলাইট করা হয়েছিল। অতিরিক্ত হিসেবে আরও জানা যাচ্ছে, ওমান, কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে একযোগে ইরানের হামলা চালানো হয়েছে। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং সেখানে জাহাজ চলাচল ব্যবস্থাপনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মতবিরোধের কারণেই সর্বশেষ সংঘাত এবং পালটাপালটির হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, ইরানে রাতভর হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সপ্তাহে টানা তিনবারের মতো হামলা চালানোর বিষয়টি স্বীকৃত। যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার পাল্টা জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একযোগে হামলা চালিয়েছে তেহরান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খরা ও খাদ্যসংকটে উগান্ডায় অনাহারে প্রাণ গেল ১৬ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ এম


খরা ও খাদ্যসংকটে উগান্ডায় অনাহারে প্রাণ গেল ১৬ জনের

দীর্ঘস্থায়ী খরার প্রভাবে ফসল নষ্ট হয়ে পূর্ব উগান্ডার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কারামোজা অঞ্চলে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খরার কারণে হাজার হাজার পরিবার খাদ্যসংকটে পড়েছে, ফলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

উগান্ডার প্রধানমন্ত্রী রবিনাহ নাব্বানজা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য কার্যালয় সোমবার মন্ত্রিসভার অনুমোদন চাইবে। যদি অনুমোদন মিলে, তবে আরও খাদ্যশস্য কেনা হবে এবং দুর্গত এলাকায় তা দ্রুত বিতরণ করা হবে।

স্থানীয় কৃষকদের বিবেচনায়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ খুবই সামান্য, যা সাধারণত বপন মৌসুমের শুরুতে ঘটে। বৃষ্টির অভাবে ফলনশীল শস্য যেমন ভুট্টা, জোয়ার ও সয়াবিনের বিস্তীর্ণ ক্ষেতগুলো শুকিয়ে গেছে। ফলে ভালো ফলনের যে আশা ছিল, তা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। কৃষিজ উৎপাদন কমে যাওয়ায় খাদ্য সংকটের পরিমাণ আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কারামোজা অঞ্চলে বারবার দেখা দেওয়া খাদ্যসংকটের পেছনে জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন উজাড়, অতিরিক্ত পশুচারণ এবং ফসলের রোগবালাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই কারণে স্থানীয় জনগণ প্রতিবছরই দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টির ঝুঁকিতে পড়ছে।

সরকার ইতোমধ্যে জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা আবহাওয়ার আরও নির্ভুল পূর্বাভাস ব্যবস্থা, সেচব্যবস্থায় বিনিয়োগ এবং খরা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও চাষ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, উগান্ডার আধা-শুষ্ক উত্তর-পূর্বাঞ্চল অতীতে একাধিকবার ভয়াবহ খাদ্যসংকটের সম্মুখীন হয়েছিল। ২০২২ সালে উত্তর-পূর্ব উগান্ডায় অনাহার ও অনাহারজনিত রোগে ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি ওকেলো ওরিয়েম অনাহারে মৃত ব্যক্তিদের ‘বোকা’ বলে মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তিনি তখন দাবি করেছিলেন, উগান্ডার উর্বর জমি ও অনুকূল আবহাওয়ার সুবাদে মানুষের নিজেদের খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব। তার ওই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর অভিযানে ১০২ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর অভিযানে ১০২ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত

বেলুচিস্তানে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর চলমান ‘অপারেশন শাবান’-এ নতুন করে আরও ১৬ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এ নিয়ে এই অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২ জনে।

নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জিয়ারাত জেলার মাঙ্গি ড্যাম পুলিশ স্টেশনে হামলার পর এই অভিযান শুরু হয়। যেখানে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কর্পস (এফসি) এবং বেলুচিস্তান পুলিশ যৌথভাবে নিয়োজিত রয়েছে।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সমন্বিত বিমান ও স্থল অভিযানের মধ্যে এসব সশস্ত্র ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। সর্বশেষ অভিযানে নিহত হওয়ায় ‘অপারেশন শাবানে’ নিহতের সংখ্যা ৬৪ এ পৌঁছেছে। আর বেলুচিস্তানের বিভিন্ন অভিযানে মোট নিহতের সংখ্যা ১০২।

এদিকে, চলমান অভিযানের মধ্যেই সাম্প্রতিক তিনটি হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ নাগরিকসহ ৪২ জন নিহত হয়েছে।

নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, শেষ সশস্ত্র ব্যক্তিকে নির্মূল না করা পর্যন্ত বেলুচিস্তানে অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

এদিকে, এন-২৫ মহাসড়কে পৃথক একটি অভিযানে আরও দুটি সশস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা করার দাবি করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, হ্যান্ড গ্রেনেড, মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন জব্দ করারও তথ্য জানানো হয়েছে।

এছাড়া, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী দাবি করেছেন, জিয়ারাতে হামলাকারীরা ভারতের সমর্থনপুষ্ট ছিল। তিনি বলেন, প্রথম সংঘর্ষে পুলিশ ১৫ জন হামলাকারীকে হত্যা করলেও ৯ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। 

তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে হামলাকারীরা কিছু পুলিশ সদস্যকে জিম্মি করেছিল।

পাকিস্তানের দাবি, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বৃ্দ্ধি পেয়েছে।

এর জবাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ নামে সীমান্তপারের অভিযান চালিয়েছে। পাকিস্তানের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানে আফগান তালেবান ও তাদের মিত্রদের বহু সদস্য নিহত ও আহত হয়েছেন।

তাছাড়া, ২০২৫ সালের অক্টোবরে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনায় পাকিস্তানের দাবি মতে, ২০০-র বেশি তালেবান যোদ্ধা ও তাদের মিত্র নিহত হয়েছেন এবং পাকিস্তানের ২৩ জন সেনাসদস্যও নিহত হন।

পাকিস্তানের দাবি, দুই দেশের মধ্যে একাধিক দফা আলোচনা হলেও আফগান তালেবান সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় কোনও সমঝোতা এখনো হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনে আঘাত হানল শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’, নিরাপদ আশ্রয়ে ২০ লাখ মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ এম


চীনে আঘাত হানল শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’, নিরাপদ আশ্রয়ে ২০ লাখ মানুষ

শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’ চীনের উপকূলে আঘাত হেনেছে। এটি দেশের উপকূলে আঘাত হানা দ্বিতীয় টাইফুন, যা এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঘটে। তবে টাইফুনটি আঘাত হানার আগেই প্রায় ২০ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত টাইফুনটি শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় শুরুতে চীনের উপকূলীয় শহর তাইজৌতে আঘাত হানে। পরে মধ্যরাতের দিকে এটি ওয়েনঝৌ শহরে দ্বিতীয়বারের মতো স্থলভাগে প্রবেশ করে।

জাপানের কিছু দূরবর্তী দ্বীপে তাণ্ডব চালানোর পর টাইফুনটি তাইওয়ানের উত্তরাংশ ঘেঁষে অতিক্রম করে, ফলে সেখানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। টাইফুনের প্রভাবে ফিলিপাইনে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত ১৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বর্তমানে টাইফুন বাভির শক্তি কিছুটা কমে প্রবল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ে রূপান্তরিত হলেও, এর মধ্যে থাকা বিপুল পরিমাণ জলীয়বাষ্পের কারণে এখনও ভারী বৃষ্টি ও বন্যার ঝুঁকি রয়ে গেছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকবে।

रোববার সকালে টাইফুনটির কেন্দ্র ঝেজিয়াং প্রদেশের হাংজৌ শহরে পৌঁছায়। পূর্বাভাস বলছে, সোমবার এটি আনহুই প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে এবং মঙ্গলবার শানডং উপদ্বীপ হয়ে উত্তর পীত সাগরের দিকে অগ্রসর হবে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঝেজিয়াং প্রদেশ থেকে ১৭ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। পাশের প্রদেশ থেকে হাজার হাজার মানুষও সরিয়ে নেওয়া হয়।

ঝুঁকির কারণে ঝেজিয়াংয়ে স্কুল, অফিস ও প্রতিটি ধরনের বহিরঙ্গন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি ৪০০টির বেশি ফ্লাইট এবং ডজনখানেক ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে।

২০ লাখের বেশি মানুষের শহর ওয়েনঝৌ টাইফুনের গতিপথের নিকটে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে কয়েক লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।

ওয়েনঝৌর বাসিন্দা লি লিয়াংশিং বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ‘আমরা ছাদের টালি আর গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ার শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই আমরা খুব ভয় পেয়েছিলাম।’

এদিকে, রাজধানী বেইজিং থেকেও প্রায় এক লাখ মানুষকে ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

টাইফুন বাভি প্রথমে ‘সুপার টাইফুন’ হিসেবে জন্ম নেয়। গত সোমবার এটি গুয়াম ও উত্তর মারিয়ানা দ্বীপশান্তে ঘণ্টায় ২৯০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে। পরে প্রশান্ত মহাসাগর অতিক্রমের সময় এর গতি কমে ১৪৪ কিলোমিটার হয় এবং এটি জাপানের সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত করতে সক্ষম হয়। সেখানে কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

তাইওয়ানে সরাসরি আঘাত না হানলেও ভারী বৃষ্টির কারণে হাজার হাজার মানুষকে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে হয় এবং ভূমিধসের সম্ভাবনা দেখা দেয়। তবে এখন পর্যন্ত জাপান ও তাইওয়ান—দুই দেশে কোন মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%