ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

“বিভিন্ন খাতের ভাতা নতুন করে নির্ধারণ, জারি হলো পরিপত্র”


“বিভিন্ন খাতের ভাতা নতুন করে নির্ধারণ, জারি হলো পরিপত্র”

সরকার বিভিন্ন খাতের সম্মানির হার পুনর্নির্ধারণ করেছে এবং এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি শাখা-২ থেকে গতকাল মঙ্গলবার জারি করা পরিপত্রে উল্লেখিত তথ্য জানানো হয়েছে। পরিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম।

এতে বলা হয়েছে যে, সরকারের পরিচালন বাজেটের আওতায় অনলাইনে (জুম প্ল্যাটফর্ম) আয়োজিত সেমিনার বা কর্মশালার জন্য সম্মানির নতুন হার নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, জারির তারিখ থেকেই এ পরিপত্র কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী উপলক্ষে আজ সারা দেশে বন্ধ স্বর্ণ বেচাকেনা

নতুন নির্দেশনার. অনুযায়ী, সেমিনার বা কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপকের সম্মানি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।

সেমিনার বা কর্মশালার সঞ্চালক পাবেন ৪ হাজার টাকা। একই হার অর্থাৎ জনপ্রতি ৪ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ তিন আলোচককে সম্মানি দেওয়া হবে।

এ ছাড়া র‌্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীদের জন্য সম্মানির হার জনপ্রতি আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই খাতে সর্বোচ্চ দুজনকে সম্মানি দেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন

অন্যদিকে, সেমিনার বা কর্মশালার জন্য অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে সম্মানি প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইনে আয়োজিত সেমিনার ও কর্মশালার খাতভিত্তিক সম্মানির হার সংক্রান্ত অর্থ বিভাগের ২০২১ সালের ২৫ আগস্ট জারি করা ২২৯ নম্বর স্মারকটি বাতিল করা হয়েছে।

নতুন পরিপত্র অনুযায়ী ভবিষ্যতে সকল অনলাইন সেমিনার ও কর্মশালার সম্মানি দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনলাইনভিত্তিক সরকারি সভা, সেমিনার ও কর্মশালার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় সম্মানির হার পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ৪৭.৪২% পরিবার ঋণের চাপের মধ্যে

অনলাইনভিত্তিক জ্ঞান বিনিময়, প্রশিক্ষণ ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার থাকছে না”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


“স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার থাকছে না”

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ প্রদান করছে না নির্বাচন কমিশন (ইসি) ডাকযোগে। এ সিদ্ধান্ত খসড়া বিধিমালা ও আচরণবিধিতে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এদিকে, এসব নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্দলীয় ভিত্তিতে আয়োজনের বিধানও বহাল রাখা হয়েছে।

ইসির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, প্রবাসী ভোটারদের কাছে ব্যালট পাঠানো, তা সংগ্রহ করা ও যাচাই করা, এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গণনা প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল হবে। টিবিএসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কমিশন স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনের জন্য আচরণবিধির খসড়া তৈরি করেছে। গত ১০ জুন এসব খসড়া ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে, এবং ৩০ জুনের মধ্যে জনসাধারণের মতামত চাওয়া হয়েছে।

রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশ থেকে ভোট দিতে পারেন। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিদ্যমান আইনে এ ধরনের কোনো বিধান নেই।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের জন্য ডাকযোগে ভোটের সুযোগ না রাখা যথাযথ হবে না। তারা বাংলাদেশের নাগরিক ও ভোটার। তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে সমাধান বের করা উচিত। কিন্তু এসব চ্যালেঞ্জের কারণে প্রবাসীদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা উচিত হবে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ডাকযোগে ভোট দেওয়ার বিষয়ে আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলেও বিষয়টি নীতিগত।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন বিধিমালা বা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ব্যবস্থা চালু করতে পারে। সরকার চাইলে আইনও সংশোধন করতে পারে। শেষ পর্যন্ত এটি একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত।’

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসউদ বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার জন্য নতুন কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ইসির এ সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসীরা। তারা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদেরকে বাইরে রাখা বৈষম্যমূলক।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“যুক্তরাজ্যের ইয়ট লক্ষ্য করে রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজের সতর্কতামূলক গুলি”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


“যুক্তরাজ্যের ইয়ট লক্ষ্য করে রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজের সতর্কতামূলক গুলি”

ঢাকা, ১৭ জুন, ২০২৬ : ইংলিশ চ্যানেলে যুক্তরাজ্যের নিবন্ধিত একটি ইয়টের গতিপথ রোধ করার উদ্দেশ্যে এবং সতর্ক করার জন্য মঙ্গলবার রাশিয়ার একটি যুদ্ধজাহাজ সতর্কতামূলক গুলি ছুড়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ব্রিটিশ ইয়টটি এমন একটি বিপজ্জনক গতিপথের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল, যা সরাসরি তাদের যুদ্ধজাহাজের সাথে সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তবে যুক্তরাজ্য বলছে, গুলি করা হয়েছে জাহাজকে লক্ষ্য করে।

এটি খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের একটি প্রতিরক্ষা সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, আইল অফ ওয়াইটের প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে, ব্রিটিশ জলসীমার ঠিক বাইরে, রুশ ফ্রিগেট ‘অ্যাডমিরাল গ্রিগোরোভিচ’ এবং যুক্তরাজ্যের নিবন্ধিত একটি ইয়টের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে।

রোববার ইংলিশ চ্যানেলের একই এলাকায় যুক্তরাজ্যের কমান্ডোরা রাশিয়ার একটি সন্দেহভাজন জাহাজে অভিযান ও তাতে আরোহণ করার পর, লন্ডন ও মস্কোর মধ্যে সমুদ্রে সর্বশেষ এই উত্তেজনার সৃষ্টি হলো।

ঘটনার দিন ফ্রান্সে জি-৭ নেতারা বৈঠক করছিলেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার ওপর চাপ আরও বাড়ানোর বিষয়ে তারা একমত হন।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ‘চ্যানেলে একটি ব্রিটিশ জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করার পর গ্রিগোরোভিচ সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। এগুলো জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়নি, বরং সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়ানোর উদ্দেশ্যে করা হয়।’

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ঘটনাটি ‘একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ এবং এটি আগের অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

যুক্তরাজ্যের সামরিক সূত্রগুলো ধারণা করছে, ঘটনার সময় রুশ ফ্রিগেটটি নিজস্ব শক্তিতে চালিত না হয়ে ইঞ্জিন বন্ধ অবস্থায় সাগরে ভেসে যাচ্ছিল, যা নৌযানটিকে তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ফেলেছিল।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার ইয়টটির দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সংকেতবাতি (ফ্ল্যার) ছোড়া হয়েছিল এবং শব্দ সংকেতও দেওয়া হয়েছিল।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইয়টটির দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য প্রথমে সংকেতবাতি (ফ্ল্যার) এবং শব্দ সংকেত ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু এতেও ইয়টটি কাছে আসতে থাকে।

সব পদক্ষেপ সত্ত্বেও নৌযানটি তার ওই ফ্রিগেটের দিকে বিপজ্জনকভাবে এগিয়ে আসা অব্যাহত রেখেছিল বলেই মস্কো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এরপর ফ্রিগেটের কমান্ডার ছোট অস্ত্র ব্যবহার করে ওই জাহাজের দিকে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“সাইবার স্ক্যাম থেকে উদ্ধার হয়ে দেশে ফিরলেন ৭৮ বাংলাদেশি”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৫ পি.এম


“সাইবার স্ক্যাম থেকে উদ্ধার হয়ে দেশে ফিরলেন ৭৮ বাংলাদেশি”

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া আরও ৭৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। এ নিয়ে গত চার দিনে সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে ২২১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।

আজ বুধবার (১৭ জুন) রাতে থাই এয়ারওয়েজের (টিজি-৩৩৯) একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন।

গতকাল রাতে ফেরত আসা সকলকে, আগের তিন দিনের মতো, বিমানবন্দরে সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির সঙ্গে মিলিত হয়ে জরুরি সহায়তা ও বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য অর্থ সহায়তা করেছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফরমের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানিয়েছেন, সাইবার স্ক্যাম নিয়ে সবার সচেতনতা জরুরি। এটি মানবপাচারের ভয়াবহ এক ধরন।

ভালো চাকরির কথা বলে বিদেশে নিয়ে সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে লোকজনগুলোকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে বাধ্য করা হতো। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত সাইবার স্ক্যাম কার্যক্রমে অংশ নিতে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হতো। নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলে তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো।

তিনি জানিয়েছেন, কম্বোডিয়ার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের ফলে অসংখ্য স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিন দিনে মোট ২২১ জন বাংলাদেশির ফেরত আসা প্রমাণ করে যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি এভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ফেরত আসা বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি মামলা করেছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পুরো ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে ১৫ হাজার ৯২১ জন কর্মী চাকরি নিয়ে কম্বোডিয়া গিয়েছেন। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন, হাজার হাজার কর্মী চাকরি না পেয়ে সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

কিন্তু বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সবাইকে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়েছিল।

ফেরত আসা ভুক্তভোগীদের একজন বলেছেন, তাকে দালাল বলেছিলেন কম্বোডিয়াতে সরাসরি কোম্পানিতে চাকরি হবে। সাড়ে পাচ লাখ টাকা নিয়ে জনশক্তি ব্যুরোর ছাড়পত্র দিয়ে তাকে কম্বোডিয়া পাঠানো হয়। কিন্তু কম্বোডিয়া বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাকে এক মাসের ভিজিট ভিসায় প্রবেশের অনুমতি দেন। এরপর আর ভিসা দিতে পারেনি দালালরা। তিনি জানান, সেখানে কোনো কোম্পানিই খুঁজে পাননি। সেখানে থাকা রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা টাকার বিনিময়ে তাকে স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেন।

আরেক ভুক্তভোগী জানান, তাদের শারীরিক নির্যাতন করে স্ক্যাম সেন্টারে কাজ করতে বাধ্য করা হতো। কাজ করতে না চাইলে তাদের টর্চার সেলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনসহ বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হতো।

কম্বোডিয়ার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সম্প্রতি চালানো স্ক্যাম সেন্টার বিরোধী অভিযানের ফলে চাইনিজরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেখান থেকে তারা মুক্তি পান।

এর আগে গত ১২ জুন কম্বোডিয়া থেকে ৩৭ জন, ১৩ জুন ৫৪ জন আর ১৭ জুন ৭৮ ভুক্তভোগী শূন্য হাতে দেশে ফেরত আসেন। এর আগে এ বছরের ২২ জানুয়ারি মায়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে আটজন এবং ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফেরেন। তাদেরও ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে থাইল্যান্ডের সীমান্ত এলাকা মায়েসট হয়ে জোরপূর্বক মায়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বিদেশের মাটিতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয় এবং ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।

ব্র্যাক জানিয়েছে, কম্পিউটার, কলসেন্টার অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দিয়ে নিয়োগের লক্ষ্যে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে (ভুয়া ওয়েবসাইট, ইমেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ইত্যাদি) প্রচার চলে। এরপর তাদের সুকৌশলভাবে স্ক্যাম সেন্টারের ভেতরে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক জিম্মি করে স্ক্যামের কাজে নিয়োজিত করা হয়। কাজেই থাইল্যান্ড, মায়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সকল মানুষের সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“বৃষ্টির মধ্যে মৌলভীবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


“বৃষ্টির মধ্যে মৌলভীবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী”

 

টানা বৃষ্টির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে এসে পৌঁছেছেন। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর, এই সফরটিই মৌলভীবাজারের জন্য প্রথম।

সফরকে কেন্দ্র করে, জেলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় দেখা গেছে।

এদিকে, বৃষ্টির বিরূপ পরিস্থিতি সত্ত্বেও শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় জনতাটা বিস্তৃত হয়েছে। শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে, জেলার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে দলের নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন।

বৃষ্টির অব্যাহত থাকার পরও, ছাতা, রেইনকোট ও পলিথিন মাথায় দিয়ে মাঠে অবস্থান নিয়েছেন অনেকে। মাঠে জায়গার অভাব হওয়ায় আশপাশের সড়ক ও খোলা স্থানেও মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য অপেক্ষমাণ জনতার মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো শ্রীমঙ্গল শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নেতাকর্মীরা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং মৌলভীবাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দিকনির্দেশনা ও ঘোষণার প্রত্যাশা করেছেন।

জনসভাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছেন। বৃষ্টির মধ্যেও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি জনসভাটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

সুতরাং, স্থানীয়দের মতে, প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও শ্রীমঙ্গলে এ ধরনের জনসমাগম ঘটানা বিরল, যা প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও উদ্দীপনার প্রতিফলন।

সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এবং দুপুর আড়াইটায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

এদিকে, দুপুর ১২টার দিকে, শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পূর্বে প্রবল বাতাসে তৈরি করা একটি প্যান্ডেল উপকারভোগীদের বসার জন্য ভেঙে পড়ে। সত্ত্বেও, এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং মূল মঞ্চেরও কোন ক্ষতি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%