ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নাটোরের লালপুরে অনলাইন জুয়া ও হ্যাকিংয়ের অভিযোগে দুই তরুণ আটক


নাটোরের লালপুরে অনলাইন জুয়া ও হ্যাকিংয়ের অভিযোগে দুই তরুণ আটক

নাটোরের লালপুর এলাকায় অনলাইন জুয়া ও হ্যাকিংয়ের অভিযোগে পুলিশ দুই তরুণকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত ১২টা ৫০ মিনিটে উপজেলার মোহরকয়া পূর্বপাড়ার একটি নির্মাণাধীন পরিত্যক্ত হাঁসের খামার থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন মোহরকয়া পূর্বপাড়ার মৃত ইয়ার আলীর ছেলে মো. সবুজ হোসেন (২০) এবং অন্যজন হলেন একই এলাকার মৃত সাজেদুল ইসলামের ছেলে মো. আলিফ হোসেন (১৮)।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দ্বন্দ্ব, সংবাদ সম্মেলন

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লালপুর থানার পুলিশের একটি দক্ষ দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মোহরকয়া পূর্বপাড়ার বাসিন্দা সেন্টু প্রামাণিকের (৪৫) নির্মাণাধীন পরিত্যক্ত হাঁসের খামারে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় খামারের ভেতর থেকে সবুজ ও আলিফকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে তিনটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

পুলিশের অভিযোগ, আটককৃত দুইজন অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ব্যবহার করে জুয়া খেলা ও বেটিং পরিচালনা করার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন আইডি হ্যাকিং এবং অনলাইন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তবে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন এবং জুয়া প্রতিরোধ আইনে লালপুর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অনলাইন জুয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি হ্যাকিং ও প্রতারণার মতো সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। এসব অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন: জাতীয় যুব দিবসে শ্রেষ্ঠ আত্মকর্মীর সম্মাননা পেলেন জান্নাতুল নাঈমা!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চৌদ্দগ্রামে এমপি প্রার্থী কেএম ফরিদ আমিন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


চৌদ্দগ্রামে এমপি প্রার্থী কেএম ফরিদ আমিন আটক

গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত (জিওপি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম আসনের এমপি প্রার্থী কেএম ফরিদ আমিনকে আটক করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। তিনি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুবঅধিকার পরিষদের আহবায়ক। ফরিদ আমিন মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) ভোররাতে ফরিদ আমিনকে তার গ্রামের বাড়ি মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই থেকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে ব্যাংকের টাকা চুরির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হিসেবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন।

ওসি জানিয়েছেন, ফরিদ আমিন টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার একটি ব্যাংকের টাকা চুরির মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তিনি ওই সময় ব্যাংকের ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার ভোররাতে তাকে আটক করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরুরি সতর্কতা: কুতুবদিয়া ও কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জে ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর বিমান বাহিনীর গোলাবর্ষণ প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


জরুরি সতর্কতা: কুতুবদিয়া ও কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জে ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর বিমান বাহিনীর গোলাবর্ষণ প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উদ্যোগে কুতুবদিয়া ও কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জে আগামী ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নিয়মিত বিমান গোলাবর্ষণ (বোম্বিং) ও ফায়ারিং প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উল্লেখিত সময়সীমায় প্রতিদিন নিদিষ্ট সময়ে ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান দ্বারা গোলাবর্ষণ ও ফায়ারিং অনুশীলন চলবে।
তাই যেকোনো ধরনের বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবং জনসাধারণের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত উক্ত ফায়ারিং রেঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকায় সাধারণ জনগণ, জেলে এবং নৌযান চালকদের যাতায়াত বা অবস্থান কঠোরভাবে পরিহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে উক্ত সময়ে উক্ত এলাকাগুলো থেকে দূরে থাকার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে মোদিকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করলেন কেজরিওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে মোদিকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করলেন কেজরিওয়াল

দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে পুলিশের কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জার্মানির নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি অভিযোগ করেন যে, বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে মোদি সরকার সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি মোদিকেও পদত্যাগ করতে হতে পারে।

রোববার (১১ অক্টোবর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে কেজরিওয়ালের এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। এর পূর্ববর্তী দিন শনিবার, দিল্লিতে কক্‌রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে পুলিশ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে। দলটি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর যন্তর মন্তরে সমাবেশের আয়োজন করেছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় কেজরিওয়াল অভিযোগ করেন, শনিবারের অভিযানে তরুণী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদেরও হেনস্তা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের আচরণে দমন-পীড়নের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেজরিওয়াল মন্তব্য করেন যে, শুধু জ্ঞানেশ কুমার নয়, মোদিকেও পদত্যাগ করতে হতে পারে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার ও পুলিশের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করার সময় কেজরিওয়ালসহ বিরোধী দলের কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়। আটক নেতাদের মধ্যে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। পরে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের কারণে সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল। পরে কক্‌রোচ জনতা পার্টির নেতাদের ছাড়া আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দেয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দলটির নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালানোর পরিকল্পনা ছিল। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তাঁদেরও মুক্তি দেওয়া হয় বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি এবং বিক্ষোভ দমনে পুলিশের ভূমিকা ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় অনিয়মের প্রতিবাদ দমনে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। অন্যদিকে, বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার ৮০ শতাংশ বাসে হেলপার নেই, সংরক্ষিত আসনে পুরুষদের বসার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


ঢাকার ৮০ শতাংশ বাসে হেলপার নেই, সংরক্ষিত আসনে পুরুষদের বসার অভিযোগ

রাজধানীর লোকাল বাসে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং প্রবীণ যাত্রীদের চলাচল বর্তমানে দুর্ভোগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যদিও বাসে তাদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে, তবে তা মানা হচ্ছে না। প্রায় ৮০ শতাংশ বাসে হেলপার না থাকার কারণে যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে ওঠানামা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে চলন্ত বাস থেকে নামার সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি এবং শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) যৌথ পর্যবেক্ষণে এই চিত্র উঠে এসেছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) উক্ত দুই সংগঠনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত এক মাস ধরে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন রুটের অর্ধশতাধিক বাস পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এ সময় যাত্রী, পরিবহন শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলেন পর্যবেক্ষকরা।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে জানান, ঢাকা শহরের লোকাল বাসগুলো নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে চলাচল করছে। তিনি বলেন, "বাসমালিকদের যাত্রীসেবার চেয়ে মুনাফার দিকেই নজর বেশি।" এসব অনিয়ম বন্ধে অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানান তিনি।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং মুক্তিযোদ্ধাসহ প্রবীণ নাগরিকদের জন্য প্রতিটি বাসে ৯টি আসন সংরক্ষিত রাখার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। কিছু বাসে এ নির্দেশনার কথা লেখা থাকলেও অধিকাংশ বাসে তা উল্লেখ নেই। তবে কোনো বাসেই নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। যাত্রীভর্তি লোকাল বাসে সংরক্ষিত আসনগুলোতে পুরুষ যাত্রীদের বসে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং প্রবীণদের দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে তাদের শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি অস্বস্তি এবং নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়ছে।

লোকাল বাসে হেলপার না থাকাকে যাত্রীদের দুর্ভোগের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে উক্ত দুই সংগঠন। তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রায় ৮০ শতাংশ বাসে হেলপার নেই। এসব বাসে চালক মালিকের কাছ থেকে দিনচুক্তিতে বাস ভাড়া নেন। পরে একজন কন্ডাক্টর নিয়ে বাস চালান। দিন শেষে মালিকের পাওনা পরিশোধ করে বাকি অর্থ চালক ও কন্ডাক্টর ভাগ করে নেন। খরচ কমানোর জন্য হেলপার রাখা হয় না বলে পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, হেলপার না থাকায় কন্ডাক্টরকে একদিকে যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করতে হয়, অন্যদিকে বিভিন্ন স্টপেজে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানো এবং নামানোর কাজও করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্টপেজের বাইরে যত্রতত্র বাস থামিয়ে তাড়াহুড়া করে যাত্রী ওঠানো-নামানো হয়। এতে বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং প্রবীণদের ঝুঁকি নিয়ে বাসে উঠতে এবং নামতে হয়। বাস থেকে নামার সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরো বেশি থাকে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রায় প্রতিদিন ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে চার দফা সুপারিশ করেছে উক্ত দুই সংগঠন। সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—নগর পরিবহনের সব বাসে নারী, শিশু এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ৯টি আসন সংরক্ষণ নিশ্চিত করা; চালক এবং কন্ডাক্টরের পাশাপাশি প্রতিটি বাসে একজন হেলপার নিয়োগ দেওয়া; চালক বা কন্ডাক্টরের কাছে দিনচুক্তিতে বাস ভাড়া দেওয়ার প্রথা বন্ধ করা এবং সিটি করপোরেশন নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া মাঝপথে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো কঠোরভাবে প্রতিহত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%