বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৪৩ এম
রাশিয়ায় মোবাইল ইন্টারনেটের বন্ধের ঘটনা বাড়তে থাকায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক সংস্থাগুলো ল্যান্ডফোন ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে, দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ল্যান্ডফোন কেনার জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই ব্যয় তিন গুণেরও বেশি হয়েছে।
রুশ সংবাদমাধ্যম ভেদোমস্তি এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ল্যান্ডফোন কেনার জন্য খরচ হয়েছে ১১ কোটি ৮০ লাখ রুবল, যা প্রায় ১২ লাখ ৬০ হাজার ইউরোর সমান। এই সময়ে ল্যান্ডফোন কেনার দরপত্রের সংখ্যা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
২০২৫ সালের মে মাস থেকে রাশিয়ায় নিয়মিত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ইউক্রেনের ড্রোন হামলা প্রতিরোধের জন্য এই বিধিনিষেধ প্রয়োজন। তবে বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাদের মতে, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকলেও ড্রোন পূর্বনির্ধারিত পথে উড়তে সক্ষম।
ইন্টারনেট বন্ধের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ভোগান্তি বেড়েছে। ব্যাংকিং সেবাগুলো ব্যাহত হচ্ছে এবং ট্যাক্সি ও খাবার সরবরাহের সেবাও সঠিকভাবে কাজ করছে না। পথ খুঁজে পেতেও সমস্যা হচ্ছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান রোস্তেলেকমের প্রধান মিখাইল ওসেয়েভস্কি একটি পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মতো প্রতিটি বাড়িতে একটি ল্যান্ডফোন থাকা উচিত।" ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে যোগাযোগের জন্য ল্যান্ডফোন ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে রাশিয়ায় প্রতি ১০০ জনে প্রায় ১২ দশমিক ২টি ল্যান্ডফোন বিদ্যমান। তবে দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৯ সালের মধ্যে এই সংখ্যা কমে ৮ দশমিক ২ থেকে ৮ দশমিক ৫-এ নেমে আসতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের এল ক্লাসিকোয় খেলার সম্ভাবনা এখন শেষ হয়ে গেছে। শনিবার রাতে ভিয়ারিয়ালের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখানোর পর তাকে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। সালিবার চুল টেনে ধরার কারণে এবং পরে সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করার জন্য এই শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।
শৃঙ্খলা কমিটি জানিয়েছে, ঘটনার সময় বলের দখল নিয়ে কোনো লড়াই ছিল না। তাই চুল টেনে ধরার জন্য এক ম্যাচ নয়, দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। লাল কার্ড দেখানোর পর ভিনিসিয়ুসের আচরণকে কমিটি ‘আক্রমণাত্মক মনোভাব’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এর জন্য আরও দুই ম্যাচ যোগ হওয়ায় মোট চার ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি। নিষিদ্ধ ম্যাচগুলো হলো সেভিয়া, বার্সেলোনা, রেসিং সান্তানদের এবং ভ্যালেন্সিয়া।
আন্তর্জাতিক বিরতির পর লা লিগার ১৩তম রাউন্ডে সেল্তার বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন ভিনিসিয়ুস। এই ম্যাচটি ২০ থেকে ২৩ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে এক মাসেরও বেশি সময় তিনি লিগের মাঠের বাইরে থাকবেন। বর্তমানে তার মনোযোগ চ্যাম্পিয়নস লিগের দিকে। বড় ম্যাচটি, অর্থাৎ বার্সেলোনার বিপক্ষে লড়াই, তিনি হাতছাড়া করেছেন।
রিয়াল মাদ্রিদ মনে করছে, এই শাস্তি অনুপাতের তুলনায় অনেক বেশি। ক্লাবের মতে, রেফারিং থেকে শুরু করে শৃঙ্খলা কমিটি পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থার অবস্থাই এতে ফুটে উঠেছে।
তবে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনার জন্য ক্লাবটি কয়েক দিন ধরে প্রস্তুত ছিল। রিয়ালের আশা ছিল, শাস্তি তিন ম্যাচের কম হবে। দুই ম্যাচ হলেই তারা খুশি থাকত। চার ম্যাচের শাস্তি তারা ভাবেনি। প্রতিবাদের জন্য তারা বিশেষভাবে নমনীয়তার আশা করেছিল। কিন্তু রেফারির প্রতিবেদন ও ভিডিও ফুটেজ দেখার পর ঘটনাটি নিয়ে তর্কের সুযোগ খুব কম ছিল।
৭০তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস নাথানিয়েল সালিবার চুল টেনে ধরেন। ঘটনাটি ঘটে এমন এক পাল্টা আক্রমণের শুরুতে, যা শেষ হয় গোলে। প্রথমে ঘটনাটি কারও নজরে আসেনি। কিন্তু ভিএআর হস্তক্ষেপ করে সবকিছু বদলে দেয়। রেফারি দিয়াজ দে মেরা এসকুদেরোস কয়েকবার রিপ্লে দেখার পর ব্রাজিলিয়ান তারকাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
এরপর রেফারির প্রতিবেদনই প্রধান প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিবেদনের ভাষা ভিনিসিয়ুসের জন্য ক্ষতিকর ছিল। প্রথমত, প্রতিবেদনে স্পষ্ট লেখা ছিল, চুল টানার সময় ‘বল বিতর্কিত ছিল না’। ফুটবলে বল নিয়ে লড়াইয়ের সময় এবং বলের বাইরের ঘটনার মধ্যে শাস্তির বড় পার্থক্য রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন নিষেধাজ্ঞা বেড়ে দুই ম্যাচ হয়েছে। দ্বিতীয়ত, প্রতিবেদনে ভিনিসিয়ুসের প্রতিবাদকে ‘আক্রমণাত্মক মনোভাব, যাকে সতীর্থদের আটকাতে হয়েছে’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এর জন্যই বাড়তি দুই ম্যাচ যোগ হয়েছে।
সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ভিনিসিয়ুস লা লিগার ম্যাচ ডিরেক্টরকে ধাক্কা দেন। তিনি তাকে ‘নোংরা লিগ’ বলেও গালি দেন। তখন তিনি মাথা পুরোপুরি ঠান্ডা রাখতে পারেননি।
রিয়াল জানত, আপিলে সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তারা কার্যত অলীক আশাই করছিল। ভরসা ছিল, রেফারি প্রতিবেদনে কোনো গালিগালাজ বা এ ধরনের ভাষার কথা লেখেননি, যা শৃঙ্খলা কমিটি বিবেচনা করবে। রেফারি ভিনিসিয়ুসের আচরণ বর্ণনা করেছেন এমন ভাষায়, যাতে ব্যাখ্যার সুযোগ ছিল। শেষ পর্যন্ত কোনো ছাড় মেলেনি।
ভিনিসিয়ুস আজ রাতে রোমে খেলবেন। কিন্তু এরপর আন্তর্জাতিক বিরতির আগে তার একমাত্র প্রতিযোগিতামূলক খেলা হবে চ্যাম্পিয়নস লিগে। সেভিয়া, বার্সেলোনা, রেসিং সান্তানদের এবং ভ্যালেন্সিয়া, চারটি ম্যাচই তার হাতছাড়া হয়েছে। লা লিগায় তার ফেরার কথা ১৩তম রাউন্ডে, সেল্তার বিরুদ্ধে। রিয়ালের জন্য এটি বড় ধাক্কা। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে তিনি এল ক্লাসিকোতেও থাকছেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণে এক সিএনজিচালক আহত হয়েছেন।
বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ঘটে এই ককটেল বিস্ফোরণ। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান যুগান্তরকে জানান, দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যার মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরিত ককটেলটি সিএনজির উপর পড়ে, ফলে চালক আহত হন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। আশপাশের ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ডিসি জানান, দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে।
রাত পৌনে ১১টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে এক সিএনজিচালক আহত হন, তবে তার নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার পর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে, খবর পেয়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তবে ককটেল বিস্ফোরণের পেছনে কে বা কারা রয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এ ঘটনার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। যারা এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছেন, তারা মূলত জাদুঘরের কার্যক্রমকে ভয় পাচ্ছেন। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জাদুঘরের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের মানুষ সহজেই বুঝতে পারছে যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘরে কোনো গোষ্ঠী নাশকতা চালাতে পারে বা হামলা করতে পারে। গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তি এ ধরনের কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আরও ঘৃণিত হবে। তবে আমরা বলতে চাই যে, জাদুঘরের বাইরে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএম এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা পত্রিকার একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ২০২৬ সন্ধ্যায় মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে পত্রিকাটির প্রতিনিধি দল পুলিশ সুপারকে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে চলমান কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় জেলার সার্বিক উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যম সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারে, যা অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়তা করবে। এরপর তিনি দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ২য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান”
সৌজন্য সাক্ষাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. কামরান হোসেন, দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার নির্বাহী সম্পাদক বর্ষন মোহাম্মদের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ প্রতিনিধি সালেহীন তুহিন, সিরাজদিখান প্রতিনিধি সিজান খান, হরগঙ্গা কলেজ প্রতিনিধি আবরার অনিক, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. সাইফ প্রমুখ।
আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে সকলে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন লাইনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশসহ রুবেল হাওলাদার (২৪) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাসপাতালের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করেন।
আটক রুবেল হাওলাদার মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি এলাকার পুরাতন বাজারের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মিজান হাওলাদার।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে চুরির সন্দেহে রুবেলকে আটক করেন আনসার সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে হাসপাতালের অক্সিজেন লাইনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।
পরে হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে উদ্ধার করা মালামালসহ তাকে থানার টহল দলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ