ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৪৬ বছর বয়সে ইতালির ক্লাবে যোগ দিলেন রোনালদিনিয়ো, খেলবেন কি?


৪৬ বছর বয়সে ইতালির ক্লাবে যোগ দিলেন রোনালদিনিয়ো, খেলবেন কি?

২০১৫ সালে ফ্লুমিনেন্সের হয়ে সংক্ষিপ্ত সময় খেলেছেন রোনালদিনিয়ো গাউচো। শুরুতে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের মাঝেই ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপ জেতা এই কিংবদন্তী খবরের শিরোনাম হয়েছেন। নাটকীয়ভাবে ইতালির ক্লাব রাভেনায় যোগ দিয়েছেন ৪৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

এক দশকেরও বেশি আগে ট্রফিময় ক্যারিয়ার শেষ করেছিলেন রোনালদিনিয়ো। নতুন করে সিরি সি'র ক্লাব রাভেনার সঙ্গে তার চুক্তির খবরে ফুটবলবিশ্বে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ৪৬ বছর বয়সী রোনালদিনিয়ো রাভেনায় একটি চমকপ্রদ চুক্তিতে সম্মত হয়েছেন। সিরি সি’র এই উচ্চাভিলাষী ক্লাবটি গত মৌসুমে সিরি বিতে উন্নীত হতে পারেনি। ক্লাব মালিক ইগ্নাসিও সিপ্রিয়ানি ট্রান্সফার মার্কেটে বড় একটি বার্তা দিতে চেয়েছেন।

রোনালদিনিয়োর আগমন আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী সপ্তাহে মায়ামিতে একটি ইভেন্টের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র পেল নারী ক্লাব বিশ্বকাপের আয়োজনের দায়িত্ব

রোনালদিনিয়ো বলেন, 'নতুন রঙ, একই হাসি। আমি আবারও বল নিয়ে নাচতে এবং ইগ্নাসিও ও পুরো সিপ্রিয়ানি পরিবারের সঙ্গে নতুন গল্প লিখতে মুখিয়ে আছি। ফুটবল সবসময়ই আমার জন্য আনন্দের উৎস ছিল, এবং আমি সেই একই আনন্দ রাভেনায় ফিরিয়ে আনতে চাই।'

সিপ্রিয়ানি জানিয়েছেন, রোনালদিনিয়ো তার শৈশবের আইডল ছিলেন এবং তার ফুটবলের প্রভাব মাঠের বাইরেও রয়েছে।

তিনি বলেন, 'আমি জীবনের ২৪ বছর যুক্তরাষ্ট্রে কাটিয়েছি, কিন্তু এখনও রাভেনাকেই আমার ঘর মনে করি। রোনালদিনিয়োকে দলে নেওয়া ক্লাবের জন্য অসাধারণ এক অর্জন। তিনি ছিলেন আমার আইডল এবং তার প্রভাব ফুটবলের অনেক ওপরে।'

তবে ক্লাবের অনারারি ভাইস-প্রেসিডেন্ট আরিয়েদো ব্রাইদা এই উচ্ছ্বাসে কিছুটা পানি ঢেলে দিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন, এই বয়সে রোনালদিনিয়ো আর খেলার মাঠে ফিরবেন না।

আরও পড়ুন: বার্সেলোনা আমার হৃদয়ের ক্লাব, স্মৃতিচারণ করলেন মেসি

তিনি বলেন, 'রোনালদিনিয়ো আমাদের সঙ্গে একটি মার্কেটিং ইভেন্টে অংশ নেবেন, তবে তিনি সিরি সিতে খেলবেন না। আমি চাইতাম যদি তিনি এখনও খেলতে পারতেন, তিনি ছিলেন সত্যিকারের ফেনোমেনন। মিলানের সময় তার সঙ্গে আমার দারুণ সম্পর্ক ছিল, কিন্তু তিনি আমাদের হয়ে খেলবেন না।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২৬ জুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২৬ জুন

আগামী ২২ থেকে ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীন সফর করবেন। সফরকালে ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এই তথ্য দেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২২ জুন বিকালে রওনা দিয়ে সন্ধ্যায় ডালিয়ানে (চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরের নগরী) পৌঁছাবেন। পরদিন ২৩ জুন ডব্লিউইএফ-এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। এছাড়াও সামার দাভোসে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রীর। বৈঠকের সময়সূচি এখনও আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরের প্রথম দিনে বিকালে ডব্লিউইএফ সম্মেলনে ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক অধিবেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তৃতা দেবেন। সন্ধ্যায় চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আয়োজনে স্বাগত নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির কথা রয়েছে।

২৪ জুন সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামার দাভোসের ১৩তম বার্ষিক সভার মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান attend করবেন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হলো ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। ওইদিন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর দুপুরে প্রধানমন্ত্রী ট্রেনযোগে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওউথাই স্টেট গেস্ট হাউসে থাকবেন।

২৫ জুন সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীন সরকারের মিনিস্টার অব ইন্টারন্যাশনাল ডিপার্টমেন্ট অব সিপিসি সেন্ট্রাল কমিটির কর্মকর্তাদের, বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিআইডিসিএ’র চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ নামে একটি বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী চীনের ব্যবসায়ীদের সামনে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ও সম্ভাবনা তুলে ধরবেন এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান করবেন।

বিকালে চীন সরকারের গ্রেট হলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সম্পর্ক আরও উৎকর্ষিত করা যায়, সে বিষয়ে বিশদ আলোচনা হবে।

বৈঠকের পর, উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারকের স্বাক্ষর হবে। তারপর প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে চীনের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় উপস্থিত থাকবেন।

২৬ জুন চেয়ারম্যান অব দ্য স্ট্যান্ডিং কমিটি অব ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (স্পিকার সমমর্যাদার পদ) প্রধান ঝাও লেজি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তারপর প্রধানমন্ত্রীর শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এই বৈঠকের ফাঁকে ২৬ জুন পেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তিয়েনআনমেন স্কয়ারে সেখানকার বীর যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, ২৬ জুন বিকালে প্রধানমন্ত্রী বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন এবং সন্ধ্যায় ঢাকা অবতরণ করবেন।

বেইজিং সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা বর্তমানে ২৮ জন জানিয়ে সচিব বলেন, সফরসঙ্গীর সংখ্যা যুক্তিসংগত রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

আসাদ আলম সিয়াম উল্লেখ করেন, এই সফর ‘কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক কো-অপারেটিভ পার্টনারশিপ’কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ প্রসঙ্গে সচিব জানান, বিভিন্ন প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। একটি সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল বাংলাদেশে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর চীনের বিভিন্ন প্রাইভেট সেক্টরের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে। বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুধকুমারের গ্রাস থেকে রক্ষার আকুতি চরবাসীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


দুধকুমারের গ্রাস থেকে রক্ষার আকুতি চরবাসীর

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা এলাকায় দুধকুমার নদের ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে দুধকুমার নদের তীরে তীব্র ভাঙনকবলিত এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। উক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় নদীভাঙনের শিকার প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আশরাফুল হক রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আখের, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ইউসুফ, সহ-সভাপতি ইয়াসিন আলী এবং কচাকাটা থানা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস চঞ্চল প্রমুখ।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু তার বক্তব্যে বলেন, শুধু দুধকুমার নদী নয়, কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর প্রায় ৩৬টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙন চলছে। তিনি জানান, গত ১০ বছরে জেলায় লক্ষাধিক মানুষ তাদের বসতভিটা হারিয়ে ঠিকানা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকারি কোনো দপ্তরে এ বাস্তুচ্যুত মানুষের সঠিক হিসাব নেই। এমনকি নতুন করে যারা নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন, তাদেরও কেউ খোঁজ রাখছে না।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের উদাহরণ টেনে অধ্যাপক বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সাথে সাথে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ তো দূরের কথা, ন্যূনতম সরকারি সহায়তা বা খোঁজখবরও পান না।

একইসাথে, চরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও স্থায়ী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শফিকুল ইসলাম বেবু দাবি জানান। তিনি বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ ৩৬ বছর আন্দোলন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নত হয়েছে। এখন দেশটির চরাঞ্চলের কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য ‘চর বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে পাইকডাঙ্গা এলাকায় দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে স্থায়ী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


চট্টগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় ৭৫ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল আনোয়ারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার সময় ফটিকছড়ি পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের উত্তর রাঙ্গামাটিয়া এলাকার নিজ বাসভবন থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত জহুরুল আনোয়ার মৃত ফজল করিম ও মৃত রিয়াজু খাতুন (যার পরিচিতি ওয়াজা খাতু) দম্পতির সন্তান ছিলেন।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, শুক্রবার (১৯ জুন) রাত আনুমানিক ১০টা থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে জহুরুল আনোয়ার তার বসতঘরের সিঁড়ি রুমের রেলিংয়ের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা সকালে সিঁড়ির রেলিংয়ে তার নিথর দেহ ঝুলতে দেখে ফটিকছড়ি থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ বিষয়ে ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছেন। নিহতের পরিবার সদস্যদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছেন, তিনি জায়গাজমির বিষয় নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ ছিলেন।

নিহতের ছেলে খালেদ জানান, কিছুদিন আগে তার বাবা এক আত্মীয়ের কাছে কিছু জায়গা বিক্রি করেছিলেন, এই জায়গাসংক্রান্ত জটিলতাগুলোর কারণে চরম মানসিক দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। তার অন্যকোনো সমস্যা বা পারিবারিক কলহ ছিল না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ঢাকায় বসবাসরত যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের বার্ষিক পুনর্মিলনী ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূর করা এবং একটি স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আরও বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালে জীবন বাজি রেখে, পরিবার-পরিজনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবারবর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিও শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান।

শৈশবের একটি স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, যখন কেজি ওয়ান বা কেজি টুতে পড়ি, তখন মনে এমন ধারণা জন্মেছিল যে, একসময় সবাইকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে হবে। স্কুলের বন্ধুদেরও বলতাম, ১৮ বছর বয়স হলেই সবাই একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে যাবো। তখন হয়তো বুঝতাম না যে মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শিশুমনে গভীরভাবে জায়গা করে নিয়েছিল।

ইশরাক বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হওয়ার পরিচয় সব সময় সাহস ও প্রেরণা দিয়েছে। জীবনের নানা প্রতিকূল সময়ে, বিশেষ করে ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের সময় এই পরিচয় থেকেই শক্তি পেয়েছি। আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেয়ার কারণে আমাকে কারাগারে যেতে হয়েছে, বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু এসব বাধা-বিপত্তি আমাকে অবস্থান থেকে সরাতে পারেনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হয়েছে। সেই আন্দোলনে ছাত্রসমাজ যে সাহস ও ত্যাগের পরিচয় দিয়েছে, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা যখন রাজপথে আন্দোলন করছিলেন, তখন তাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, নির্যাতন করা হয়েছিল। একই সময়ে দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচারের অভিযোগও ছিল। এক্ষেত্রে ছাত্রসমাজ উপলব্ধি করেছিল যে বৈষম্য ও নিপীড়নের অবসান ঘটাতে হলে স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান প্রয়োজন। সেই লক্ষ্য নিয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছিল এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ওই দিনের মধ্য দিয়ে নতুন এক বাস্তবতার সূচনা হয়েছে। তবে শুধু সরকার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়; যে অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল, সেগুলোও দূর করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী সরকার বিদায় নিলেও তাদের রেখে যাওয়া অপকর্ম, দুর্নীতি ও বৈষম্যের সংস্কৃতি পুরোপুরি নির্মূল করতে হবে। কোনোভাবেই যাতে সেই শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সুবিধার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিকিৎসা তাদের অন্যতম বড় সমস্যা। এই বিষয়ে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তিনি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান।

মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে সব সময় থাকার অঙ্গীকার জানিয়ে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট যেন আরও শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে কাজ করে যাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%