ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
রাজধানীর মিরপুরে বিশেষ অভিযানে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর মিরপুরে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৮ জন


রাজধানীর মিরপুরে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৮ জন

ঢাকা, ২৭ জুন, ২০২৬ : রাজধানীর মিরপুর মডেল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধের কারণে ২৮ জনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ শনিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. সিয়ামুর রহমান মাহিম (১৮), মো. আব্দুল্লাহ (২০), মো. তামিম (১৯), মো. রবিউল হাসান (১৯), মো. বিপ্লব হোসেন (১৯), মো. হান্নান (৪৮), মো. শাহাবুল ইসলাম (৪৪), মো. সোহেল রানা (২৫), মো. শাহিন (৩২), মো. নাজমুল হক (৩০), মো. মাসুদ (৩২), মো. অপু (৩০), মো. কাওছার (৩০), মো. নাসির উদ্দিন (২৮), তানজিন আলম (৩০), মো. মারুফ (১৯), মো. আমিরুল ইসলাম (২৫), মো. মাহমুদুল হাসান মামুন (২০), আমির হামজা (২১), মো. মিজানুর রহমান বাবু (২৭), ইব্রাহীম (৩৬), মো. হানিফ হাওলাদার (৩৫), ইরফান উদ্দিন আবির (১৮), মাসুম (২৯), মো. আমিন (৩২), জিদান (১৮), আলাউদ্দিন (১৮) ও মো. হাসান খান (২৩)।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরকীয়ার জেরে স্বামী-স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগ ইতালিতে, পুলিশের সন্দেহভাজনের খোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


পরকীয়ার জেরে স্বামী-স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগ ইতালিতে, পুলিশের সন্দেহভাজনের খোঁজ

ইতালির রাজধানী রোমে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে হত্যার ঘটনার পেছনে পরকীয়ার কারণে বিরোধের অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার ফলস্বরূপ, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করে ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার ছবি প্রকাশ করেছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলের অরেলিও এলাকার ভিয়া মন্টিগ্লিও সড়কের একটি পার্কসংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী আরজু (৩৮) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরিশা। এই ঘটনায় একমাত্র বেঁচে যাওয়া ছেলে অয়ন (১৮) গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন একই ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং আবদুল আহাদের ছেলে বলে জানা গেছে। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, আরজুর সঙ্গে শাহাদাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল দেশের ভেতর থেকেই। পারিবারিক অশান্তির কারণবশত, কয়েক বছর আগে কামাল উদ্দিন তার স্ত্রী ও সন্তানদের ইতালিতে নিয়ে যান। অন্যদিকে, শাহাদাত প্রায় চার বছর আগে তার পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে চলে যান। পারিবারিক বিচ্ছেদের পর তিনি ইতালিতে চলে আসেন।

সূত্রগুলো জানায়, শুক্রবার রাতে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার জন্য কামাল উদ্দিন, তার স্ত্রী আরজু এবং সন্তানদের নিয়ে বৈঠক করেন শাহাদাতের সঙ্গে। সেখানে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে শাহাদাত ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। এতে কামাল উদ্দিন, আরজু ও তাদের কন্যা আরিশা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত অয়ন পালিয়ে গিয়ে প্রাণে বাঁচেন বলে জানা যায়।

ঘটনার পর অভিযুক্ত শাহাদাত তার ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি লেখেন, "একজন মানুষ শুধু নিজে একা মরে না, নিজেও মরে অন্যকেও মরার মতো করে রেখে যায়। তাই মরার সময় প্রিয়জনদেরও সঙ্গে নিয়ে মরা উচিত। তাতে কারও জন্য কাউকে কষ্ট পেতে হয় না।"

শুক্রবার (২৬ জুন) ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাহাদাতের ছবি প্রকাশ করে তাকে ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করে। একই সঙ্গে বিস্তারিত তথ্য থাকলে রোম পুলিশের মোবাইল ইউনিটকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়।

শাহাদাতের বড় ভাই, সৌদি প্রবাসী ইসমাইল হোসেন হারুন বলেন, "চার বছর আগে শাহাদাত তার সব সম্পত্তি বিক্রি করে পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে চলে যায়। এরপর পরিবারের সঙ্গে তার তেমন যোগাযোগ ছিল না। আমি দুই মাস আগে দেশে এসেছি, এই সময়ের মধ্যেও তার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি।"

নিহত কামাল উদ্দিনের বাবা সিরাজুল ইসলাম দাবি করেছেন, প্রায় এক বছর আগে তার ছেলে দেশে এলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া একটি উড়ো চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তিনি বলেন, এটা সে সময় মৌখিকভাবে কোম্পানীগঞ্জ থানাকে জানানো হয়েছিল। তার মতে, এ হত্যাকাণ্ডে কামালের পরিচিত ও একই গ্রামের প্রবাসী শাহাদাত জড়িত।

ইতালীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে পার্ক এলাকা থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাদের হত্যা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন জানান, বিষয়টি তিনি ফেসবুকে দেখেছেন এবং এতে তার তেমন কিছু জানা নেই।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকীম বলেন, "তৎকালীন সময়ে ভুক্তভোগী পরিবার মৌখিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছিল। এরপর পুলিশ নিয়মিত টহলের মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছিল।"

এই ঘটনার পর ইতালি ও নোয়াখালীতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ইতালীয় পুলিশ সন্দেহভাজন শাহাদাত হোসেনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের আহ্বান গয়েশ্বরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের আহ্বান গয়েশ্বরের

সরকারি দলের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আজ সাধারণ আলোচনায় কথা বলেন।

তিনি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের প্রতি জোরালো সমর্থন জানিয়ে বলেন, এ বাজেটে সরকারের উন্নয়ন দর্শনের প্রতিফলন ঘটেছে। তবে, তিনি উল্লেখ করেন, বাজেটের সাফল্য দুর্নীতি দমন এবং কার্যকর বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করবে।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে গয়েশ্বর বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত উন্নয়ন ভাবনা সামনে রেখেই এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে বলেছিলেন, আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান। সেই পরিকল্পনাকে সামনে রেখে এ বাজেট তৈরি করা হয়েছে।

বাজেটের আকার নিয়ে কিছু সমালোচনার জবাবে গয়েশ্বর বলেন, দেশের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বড় আকারের বাজেট অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে বলেন বাজেট অনেক বড়। কিন্তু সংসদ সদস্যরা যদি সড়ক, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও অন্যান্য অবকাঠামোর জন্য যে দাবি করেছেন, সব একসঙ্গে যোগ করা হয়, তাহলে বাজেট অন্তত ৩০ লাখ কোটি টাকা হওয়া উচিত ছিল।’

তিনি বাজেট ঘাটতির বিষয়টিকেও স্বাভাবিক উল্লেখ করে বলেন, পারিবারিক বাজেট আয়ের ভিত্তিতে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়, কিন্তু রাষ্ট্রের বাজেটে উন্নয়নের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয় নির্ধারণ করে পরে সেই অনুযায়ী রাজস্ব আহরণের ব্যবস্থা করা হয়।

গয়েশ্বর বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় বাধা দুর্নীতি। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘শুধু দুর্নীতি করব না বললেই হবে না। আমাদের দরকার শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থা। দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করতে পারলে বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।’

তিনি অভিযোগ করেন, রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থায় দুর্নীতির কারণে সরকার ন্যায্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রশংসা করে গয়েশ্বর বলেন, পরিবারভিত্তিক সহায়তা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে বরাদ্দ অর্থ সরাসরি সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছালে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

গয়েশ্বর বলেন, ‘এই অর্থ যখন নারী ও নিম্নআয়ের মানুষের হাতে যাবে, তখন তা বাজারে ঘুরবে। অর্থ যত বেশি মানুষের হাতে ঘুরবে, অর্থনীতি তত বেশি শক্তিশালী হবে।’

এ সময় তিনি কিছু বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) উচ্চ সুদের সমালোচনা করে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতাদের ৩৩ থেকে ৪২ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিতে হয়, যা ব্যাংক খাতের সুদের তুলনায় অনেক বেশি।

স্বল্পমূল্যের বিড়ির ওপর কর পুনর্বিবেচনারও আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, কৃষিশ্রমিক ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষেরাই এসব বিড়ির প্রধান ভোক্তা।

রাজধানীর ওপর চাপ কমাতে পরিকল্পিত নগরায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে গয়েশ্বর বলেন, ঢাকার বাইরে পরিকল্পিতভাবে ঢাকা জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর গড়ে তোলা উচিত।

এ লক্ষ্যে জেলা সদর, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান কোথায় স্থাপন করা হবে, তা নির্ধারণে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি।

মাদক পাচার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গয়েশ্বর বলেন, মাদক নির্মূলে আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়; আইন কার্যকরে সাহস, সততা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ‘শুধু আইন দিয়ে মাদক বন্ধ করা যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন সাহস, সততা এবং আইন প্রয়োগের রাজনৈতিক সদিচ্ছা।’

বক্তব্যের শেষদিকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের লক্ষ্য সফলভাবে অর্জন করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবায় ডিএমপির পাক্ষিক ক্যাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ পি.এম


পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবায় ডিএমপির পাক্ষিক ক্যাম্প

ঢাকা, ২৭ জুন, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উদ্যোগে রাজধানীর চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ‘পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্প’ আয়োজন করা হয়েছে, যা পরিবহন শ্রমিকদের শারীরিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত হচ্ছে।

এই বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আজ শনিবার ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানের দিকনির্দেশনা এবং সরাসরি তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর চারটি গুরুত্বপূর্ন স্থানে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সহযোগিতায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যাল ট্রাফিক পুলিশ বক্স, মহাখালী টার্মিনাল ট্রাফিক পুলিশ বক্স, মতিউর রহমান পার্ক এবং ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় স্বাস্থ্য ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে পরিবহন শ্রমিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ পরিবহন চালক ও হেলপার উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ফুসফুসজনিত জটিলতা এবং মাংসপেশির বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এসব রোগ নিয়ন্ত্রণ কিংবা নিরাময় সম্ভব হলেও কর্মব্যস্ততা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন না। ডিএমপির এই উদ্যোগটি মূলত পরিবহন শ্রমিকদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি মানবিক প্রচেষ্টা।

উল্লেখ্য, ‘পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্প’ কার্যক্রম চালু হওয়ার পর থেকে ইতোমধ্যে সহস্রাধিক পরিবহন শ্রমিক এ সেবা গ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামি ব্যাংকিং নয়, সমস্যা লুটেরাদের মধ্যে: পার্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


ইসলামি ব্যাংকিং নয়, সমস্যা লুটেরাদের মধ্যে: পার্থ

সরকারকে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারণের জন্য আহ্বান জানিয়ে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, সমস্যা ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় নয়, বরং যারা ব্যাংক লুট করেছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ বক্তব্য দেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ইসলামি ব্যাংকিং এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ ইসলামি অর্থায়নকে উৎসাহ দিচ্ছে। বাংলাদেশেও এই খাতটি এগিয়ে নিতে হবে। যদিও প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে একদিনে ইসলামি ব্যাংকিংয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তবে সরকারকে এই ব্যবস্থার সম্প্রসারণে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা নিতে হবে।

ইসলামি ব্যাংকিং যদি সম্প্রসারিত হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসবে এবং আল্লাহর রহমত বইবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পার্থ দাবি করেন, বর্তমান সরকারের চার মাসে বড় ধরনের কোনো ব্যাংক লুট বা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক দুর্নীতির ঘটনা ঘটেনি। সুতরাং, সরকারকে একটি কল্যাণরাষ্ট্র গড়ে তোলার সুযোগ দেওয়া উচিত।

এ সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার জন্য যাকাতগ্রহীতাদের একটি জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির প্রস্তাব দেন আন্দালিব রহমান পার্থ।

তিনি বলেন, দেশে প্রতিবছর কত যাকাত বিতরণ হয়, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। যদি প্রতিটি সংসদীয় আসনে যাকাত পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করা হয়, তাহলে দেশ-বিদেশের মানুষ সহজেই তাঁদের যাকাত দিতে সক্ষম হবেন। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও মোবাইল অ্যাপ চালু করার প্রয়োজন রয়েছে।

পার্থ যোগ করেন, অনেকেই যাকাত দিতে চান, কিন্তু কোথায় দেবেন তা জানেন না। তাই সহজ প্রাপ্যতা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি যাকাত বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে একটি বিশেষায়িত টেলিভিশন চ্যানেল চালুরও প্রস্তাব দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%