ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
সাদিক কায়েমের প্রশ্ন

নিজ দায়িত্ব ফেলে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উপরই কেন এই অযাচিত হস্তক্ষেপ


নিজ দায়িত্ব ফেলে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উপরই কেন এই অযাচিত হস্তক্ষেপ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম প্রশ্ন তুলেছেন, 'নিজ দাপ্তরিক দায়িত্ব ফেলে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উপরই কেন এই অযাচিত হস্তক্ষেপ?'

মঙ্গলবার রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভারসাম্যপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক মডেল। বিশ্ব ইসলামী স্কলার ও অর্থনীতিবিদদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই ব্যবস্থাকে ইসলামী বলা যাবে কী যাবেনা সেই গুরুদায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কিন্তু, নিজ দাপ্তরিক দায়িত্ব ফেলে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উপরই কেন এই অযাচিত হস্তক্ষেপ? কারণ স্পষ্ট।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

নিত্যদিনের খুন-ধর্ষণ, জ্বালানী ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, ছিনতাই-চাঁদাবাজি প্রভৃতি বিএনপিসৃষ্ট মহামারীর সমাধান বাদ দিয়ে ব্যাংক দখল ও অর্থনীতিতে ধ্বস নামানোর ছকে চাল দিতেই হয়তো স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন সরকারদলীয় প্রকৌশলীবৃন্দ!’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ পি.এম


চাঁদপুরে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

চাঁদপুরে পৃথক বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) শহরের পাশে মেঘনা নদীর চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় এবং সদর উপজেলার ছোটসুন্দর ডাকাতিয়া নদীতে দুটি পৃথক বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে।

মৃতদের মধ্যে মো. সোহাগ (৩৫) এবং সেলিম মিয়া (৪০) রয়েছেন। এদের মধ্যে ট্রলারের মাঝি সোহাগ চাঁদপুর শহরের পাশে মেঘনা নদীর চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় এবং বাল্কহেডের সুকানি সেলিম মিয়া সদর উপজেলার ছোটসুন্দর ডাকাতিয়া নদীতে মারা যান।

চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল hospital-এ কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে ঝড়ো বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় ট্রলারের মাঝি সোহাগ মেঘনা নদীতে ছিলেন। আর বালু ভর্তি বাল্কহেডের মাঝি সেলিম মিয়া ঠিক একই সময় তার নদীতে অবস্থান করছিলেন। বজ্রপাতের শিকার হয়ে পরবর্তীতে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ জানিয়েছেন, বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় আলাদাভাবে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল বাণিজ্য মেলা ঘিরে আইনি জটিলতা: চেম্বার সভাপতি চাপে, মাঠ রক্ষায় অনড় মানবাধিকার কর্মীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ পি.এম


বরিশাল বাণিজ্য মেলা ঘিরে আইনি জটিলতা: চেম্বার সভাপতি চাপে, মাঠ রক্ষায় অনড় মানবাধিকার কর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল: ৯ জুন ২০২৬: সরকারের বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ, মানবাধিকারকর্মীদের মাঠ রক্ষার দাবি এবং মেলা আয়োজকদের আইনি তৎপরতা-সব মিলিয়ে বরিশাল বাণিজ্য মেলা এখন নগরজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বরিশালের ঐতিহ্যবাহী পরেশ সাগর মাঠ যা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ এবং জিলা স্কুলের মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয় রক্ষায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার পর চরম নাটকীয়তার মোড় নিয়েছে বরিশাল বাণিজ্য মেলা। মেলা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও আয়োজকদের নানা কৌশল এবং আইনি দৌড়ঝাঁপ এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।

আজ সুপ্রিম কোর্টের আদালত প্রাঙ্গণে বরিশাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবাদুল হক চানকে আইনি সুরক্ষার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে দেখা গেছে। অথচ এর আগে বরিশাল প্রেসক্লাবে বসে সাংবাদিকদের সামনে তিনি জোর গলায় দাবি করেছিলেন-হাইকোর্টে মেলার বিরুদ্ধে কোনো মামলাই হয়নি। তাঁর সেই বক্তব্য যে কেবলই ‘ফাঁকা বুলি’ ছিল, তা এখন স্পষ্ট।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেলার বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার পর থেকেই আয়োজক কমিটি বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করে। হাইকোর্ট বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করা হয়। প্রথমে বন্ধের দিনে স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান সরোয়ারকে দিয়ে মেলা উদ্বোধন করার চেষ্টা চালানো হলেও তা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে দিয়ে বরিশাল বাণিজ্য মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করায় চেম্বার অব কমার্স।

ঈদের ছুটির পর হাইকোর্ট বিভাগ খোলা হলে মামলাটির আইনি কার্যক্রমে নতুন গতি আসে। আদালতের নির্দেশনার পর চেম্বারের সভাপতি এবাদুল হক চান হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আপিল আবেদন করেন।

আইন বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের মতে, এই আপিল আবেদনের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছেন যে বিতর্কিত মেলার মাঠটি পরেশ সাগর মাঠ হিসেবে পরিচিত এবং এটি কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও জেলা স্কুলের মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে, বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় মাঠটির মালিকানা, পরিচয় ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মানবাধিকার সংগঠন ‘বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটি’-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রনি সিকদার। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সত্য কখনো চাপা থাকে না। এতদিন বরিশালের মিডিয়া অঙ্গনকে বিভ্রান্ত করে এবং সত্য আড়াল করে যেসব বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, আদালতের চলমান আইনি প্রক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সেগুলো এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আমরা আশা করি, চেম্বার আদালত বিষয়টি আইন ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বিবেচনা করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “ঐতিহ্যবাহী এই স্কুল মাঠে মেলা আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া উচিত।”

এদিকে, শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে মেলাটি অন্য কোনো উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তর করা হবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে চেম্বার আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন বরিশালের অনেক সচেতন নাগরিক।

সরকারের পরিপত্র ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি:

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে জারিকৃত স্মারক নং: ২৭.০০.০০০০.০০০.০৫২.৯৯.০০২.২৬.৩৬৯, তারিখ ০১ জুন ২০২৬ (১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ)-এর পরিপত্রে দেশের সকল শপিংমল, মার্কেট, দোকানপাট, মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সকল বিলবোর্ডের আলোও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, এর আগে স্মারক নং: ২৭.০০.০০০০.০০০.০৭১.৩১.০০৫.২৪.২০০ (০৫ এপ্রিল ২০২০) এর মাধ্যমে একই ধরনের নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছিল। পরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্মারক নং: ২৭.০০.০০০০.০০০.০৫২.৯৯.০০২.২৬.৩২৯ (১২ মে ২০২৬) অনুযায়ী সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে সেই সিদ্ধান্তের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় সন্ধ্যা ৭টার সময়সীমা কার্যকর করা হয়েছে।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সরকারি এই নির্দেশনার পরও মেলার বিভিন্ন কার্যক্রম সন্ধ্যার পর পর্যন্ত চলতে দেখা গেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানা যায়নি।

‘এক মাঠে মেলা, খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত পাঁচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী’:

গত ১৫ মে জাতীয় দৈনিক সমকাল, দৈনিক স্বাধীন সংবাদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, একটি মাঠকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বাণিজ্য মেলার কারণে অন্তত পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের মাঠ দীর্ঘ সময় ধরে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় খেলাধুলা, শারীরিক শিক্ষা এবং শিক্ষা-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছে। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

হাইকোর্টের নির্দেশনা:

বিষয়টি নিয়ে দায়ের হওয়া রিট পিটিশন নং-৬২৫৯/২০২৬ এর শুনানি শেষে গত ১৮ মে ২০২৬ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোঃ আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে কোনো ধরনের বাণিজ্য মেলা আয়োজন না করার নির্দেশ দেন।

আদালত মেলা পরিপত্র-২০২৪ এর ধারা ৫(চ) উল্লেখ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে এ ধরনের আয়োজনকে বিধিবহির্ভূত বলে পর্যবেক্ষণ দেন।

মেলা, মাঠ ও আইনি লড়াই:
হাইকোর্টের নির্দেশনার পর বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মেলা আয়োজকদের পক্ষ থেকে আদালতের নির্দেশনার বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার চেয়ে আপিল আবেদন করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভূমিকা এবং মেলা আয়োজনের বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিষয়টি বর্তমানে আদালতের বিবেচনাধীন থাকায় বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবাদুল হক চানের পূর্ববর্তী বক্তব্য ও বর্তমান আইনি অবস্থান নিয়েও নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সচেতন মহলের মতে, আদালতের চূড়ান্ত রায়ের মাধ্যমেই এ বিতর্কের গ্রহণযোগ্য ও স্থায়ী নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।

মাঠ রক্ষার দাবিতে সক্রিয় বিভিন্ন সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, পরেশ সাগর মাঠ শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও জনস্বার্থের জন্য সংরক্ষিত থাকা উচিত। অন্যদিকে মেলা আয়োজক পক্ষের অবস্থান হলো, বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।

মানবাধিকারকর্মীদের অবস্থান:
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রনি সিকদার এক বিবৃতিতে বলেন, শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ, শিক্ষা পরিবেশ এবং আদালতের নির্দেশনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিষয়টির একটি স্থায়ী সমাধান হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে।

ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতির প্রসঙ্গ:
স্থানীয়দের একাংশের মতে, পরেশ সাগর মাঠ বরিশালের ধর্মীয় ও সামাজিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মরহুম মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর তাফসির মাহফিলের স্মৃতির কারণে মাঠটি বহু মানুষের আবেগের সঙ্গে জড়িত। এ কারণে সেখানে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও কিছু সাংস্কৃতিক আয়োজন নিয়ে আপত্তি উঠেছে।

জনমনে যে প্রশ্ন:
সরকারি পরিপত্র, আদালতের নির্দেশনা, শিক্ষার্থীদের মাঠ ব্যবহারের অধিকার, বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি এবং জনস্বার্থ-সবকিছু মিলিয়ে বরিশাল বাণিজ্য মেলা এখন একটি বৃহত্তর নাগরিক আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

সচেতন নাগরিকদের মতে, বিষয়টির সমাধান হওয়া প্রয়োজন আইন, আদালতের নির্দেশনা, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ এবং জনস্বার্থের সমন্বয়ের মাধ্যমে। বর্তমানে আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে বরিশালের নাগরিক সমাজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি এমপি রানুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


ফেনীতে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি এমপি রানুর

ফেনীতে সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তিনি আমরণ অনশনে যেতে বাধ্য হতে পারেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলের দিকে জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এই হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।

তিনি বলেন, ফেনী ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। জেলার মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশা একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত করা।

রানু এমপি আরো বলেন, "আমরা ফেনী থেকে চারজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি।" একইসঙ্গে একজন যোগ্য মন্ত্রীরও উপস্থিতি রয়েছে। ফেনীর গণমানুষ ও আমাদের চারজন এমপির একটি দাবি-ফেনীতে একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি মন্তব্য করেন, অতীতে ফেনীতে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সেটি টিকতে পারেনি।

রেহেনা আক্তার রানু বলেন, "আওয়ামী লীগ কোনো কিছু গড়ে তুলতে জানে না, তারা শুধু ধ্বংস করতে জানে।" অপরদিকে, বিএনপি উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠান গঠনে বিশ্বাস করে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি ফেনী সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ফেনীতে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে তারা সংসদের ভেতরে ও বাইরে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

রানু বলেন, "ফেনীতে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা সংসদে এই বিষয়ে কথা বলেই যাব।" প্রয়োজন হলে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ফেনীর চারজন এমপি একসঙ্গে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবেন।

বক্তব্যের শেষে তিনি বিষয়টিকে জরুরি উল্লেখ করে, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা করল মার্কিন আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা করল মার্কিন আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা এইচ-১বি ভিসার জন্য বার্ষিক ১ লাখ ডলার ফি অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করে বাতিল করেছেন ফেডারেল আদালত।

আদালতের দেওয়া রায়ে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এই ধরনের ফি আরোপের সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই।

ম্যাসাচুসেটসের বোস্টনে অবস্থিত মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক লিও সোরোকিন ৪২ পৃষ্ঠার রায়ে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। গত বছর সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি ভিসার আবেদন ফি ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার নির্ধারণ করলে ২০ জন ডেমোক্র্যাট অ্যাটর্নি জেনারেল এর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

রায়ে বিচারক সোরোকিন বলেছেন, এই ফি মূলত একটি কর (ট্যাক্স) হিসেবে বিবেচিত হয়, কোনো নিয়ন্ত্রক ফি হিসেবে নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী কর আরোপের একচ্ছত্র ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে, প্রেসিডেন্টের নয়। ফলে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে।

রায়ের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে বিচারক ২০২৬ সালের সুপ্রিম কোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নজিরও উল্লেখ করেছেন, যেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল।

ট্রাম্প প্রশাসন এই ফি আরোপের ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের (আইএনএ) ওপর নির্ভর করলেও আদালত মনে করেছে, ওই আইনে কর আরোপের কোনো ক্ষমতা প্রদান করা হয়নি।

গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্সিয়াল প্রোক্লেমেশনের মাধ্যমে ট্রাম্প এই ফি চালু করেন। সে সময় তিনি দাবি করেছিলেন, এইচ-১বি কর্মসূচির কারণে ব্যাপক হারে বিদেশি কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে মার্কিন কর্মীদের চাকরির সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিকও যুক্তি দিয়েছিলেন, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি কর্মী নিয়োগের পরিবর্তে আমেরিকানদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজে লাগানো উচিত।

তবে আদালতের এই রায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, সিলিকন ভ্যালির অনেক প্রতিষ্ঠান দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগে এইচ-১বি কর্মসূচির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধেই অ্যামাজনের ১০ হাজারের বেশি এইচ-১বি ভিসা অনুমোদিত হয়েছিল। একই সময়ে মাইক্রোসফট ও মেটার প্রত্যেকটির পাঁচ হাজারেরও বেশি ভিসা অনুমোদন পায়।

১৯৯০ সালে চালু হওয়া এইচ-১বি কর্মসূচির আওতায় মার্কিন নিয়োগকর্তারা বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের সর্বোচ্চ ছয় বছর পর্যন্ত কাজের সুযোগ দিতে পারেন। প্রতি বছর ৬৫ হাজার সাধারণ এইচ-১বি ভিসা এবং উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ হাজার ভিসা ইস্যু করা হয়। কর্মসূচির আওতায় থাকা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ চাকরিই কম্পিউটার ও প্রযুক্তি খাতসংশ্লিষ্ট।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%