ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দক্ষিণ কেপি থেকে আগামীকাল পিটিআইয়ের পদযাত্রা শুরু


দক্ষিণ কেপি থেকে আগামীকাল পিটিআইয়ের পদযাত্রা শুরু

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলো থেকে রোববার পদযাত্রা শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটির খাইবার পাখতুনখোয়া শাখার তথ্যসচিব শওকত ইউসুফজাই জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে ইউসুফজাই বলেন, ৪ অক্টোবরের পদযাত্রা যেকোনো মূল্যে অনুষ্ঠিত হবে। মালাকান্দ ডিভিশন থেকে আসা মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন পিটিআইয়ের প্রাদেশিক সভাপতি ও জাতীয় পরিষদের সদস্য জুনাইদ আকবর খান। দক্ষিণাঞ্চল, পেশোয়ার, মালাকান্দ ও হাজারার মিছিলগুলো সোয়াবিতে একত্রিত হবে বলে জানান তিনি।

ইউসুফজাই বলেন, পদযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং সম্পদের ঘাটতি কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধা হবে না। পদযাত্রার চূড়ান্ত গন্তব্য ইসলামাবাদ বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

এদিকে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে চলমান আলোচনার সাফল্য সরকারের মনোভাবের ওপর নির্ভর করবে বলে মন্তব্য করেন ইউসুফজাই। তিনি বলেন, পিটিআই কারাবন্দি দলীয় প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ, তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তর এবং তাঁর মামলাগুলোর দ্রুত শুনানির দাবি জানিয়ে আসছে।

শুক্রবার সরকার ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনায় উভয় পক্ষ নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে। ইউসুফজাই বলেন, এখন পর্যন্ত আলোচনার অগ্রগতি উৎসাহব্যঞ্জক। পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর আলী খানকে পরিণত ও সমঝোতাপ্রবণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আলোচনার মাধ্যমে সামনে এগোনোর পথ বের হবে।

খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নরের শাসন বা জরুরি অবস্থা জারি সমস্যার সমাধান করবে না বলেও মন্তব্য করেন ইউসুফজাই। তাঁর দাবি, পরিস্থিতির উন্নতি করতে হলে সরকারকে অবিলম্বে ইমরান খানের সঙ্গে পিটিআই নেতাদের সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে। তথ্যসূত্র: দ্য ডন

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ৩ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ৩ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ।

ডিএমপি শনিবার (৩ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. রাসেল মাহবুব ওরফে মাছুম (৪২), সোহেল মির্জা (৪১) এবং মো. সজিব (৩৬)।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে উত্তরা পূর্ব থানার একটি টহলদল উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি বাড়ির দশতলার ফ্ল্যাটে যায়।

সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি ফ্ল্যাটের মালিক কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদীকে নিজেদের ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিলেন।

এক পর্যায়ে তারা মামলা নিষ্পত্তির কথা বলে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ভয়ে তিনি তাদের ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা দেন। পরে তাদের কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক মনে হলে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান তিনি।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের একজনের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের একটি পরিচয়পত্র উদ্ধার করে। পরিচয়পত্রটি দেখে সন্দেহ হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের ভুয়া একটি পরিচয়পত্র, একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল, ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, একটি ওয়াকিটকি ও এক জোড়া হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসি বনাম রোনালদো: বুয়েনস আয়ার্সে উৎসব, লিসবনে ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


মেসি বনাম রোনালদো: বুয়েনস আয়ার্সে উৎসব, লিসবনে ক্ষোভ

দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের সম্মিলিত চেতনায় আবদ্ধ থাকার পর, লিওনেল মেসি এবং ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের একসঙ্গে শেষ হওয়া প্রায় অবশ্যম্ভাবী ছিল। তবে, এই দুই ফুটবল কিংবদন্তির বিদায়ের মুহূর্তে বাজছে ভিন্ন সুর। একদিকে, একটি জাতি এবং বিশ্বব্যাপী ফুটবল অনুরাগীদের কাঁদিয়ে বিদায় নিচ্ছেন মেসি, অন্যদিকে রোনালদোর বিদায় ঘিরে রয়েছে ক্ষোভ, হতাশা এবং অনিশ্চয়তা।

মঙ্গলবার, আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি তার শেষ ম্যাচ খেলবেন—বুয়েনস আয়ার্সে বেনিনের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচে। প্রতিপক্ষের পরিচয় এখানে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটি মূলত একটি ফুটবল ম্যাচের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ—এক কিংবদন্তিকে বিদায় জানানোর উৎসব, যাকে অনেকেই সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে মনে করেন।

ইউরোপের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। নরওয়ের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় নেশনস লিগের ম্যাচে বেঞ্চে বসানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে পর্তুগালের শিবির ছেড়ে গেছেন রোনালদো এবং কোচ জর্জ জেসুসের ব্যাখ্যায়ও অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেননি, তবে সেটি খুব কাছেই মনে হচ্ছে।

রোনালদো ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, “জাতীয় দলের সংবাদ সম্মেলনের পর এবং পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনার পর আমি জাতীয় দলের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সময়মতো আমি সব পর্তুগিজ মানুষকে সত্য বলব যে কোন কারণ আমাকে জাতীয় দল ছাড়তে বাধ্য করেছে, যাকে আমি সবসময় নিবেদিতভাবে ভালোবেসেছি।”

এটি পড়তে অনেকটা পুরনো ফেসবুক স্ট্যাটাসের মতো মনে হচ্ছে—আধা-গোপন, খানিকটা ক্ষুব্ধ এবং মনোযোগ আকর্ষণকারী অভিযোগ। যেন তিনি বোঝাতে চাইছেন “… কিছু মানুষ আসলে এতটা বিশ্বস্ত নয় যতটা আমি ভেবেছিলাম।”

একজন খেলোয়াড় হিসেবে, যিনি সবসময় বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি আর আগের মতো নেই, তার উপস্থিতি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দলের ভারসাম্য নষ্ট করেছে, তবুও তীব্র সমালোচনার মাঝেও আগের কোচ রবার্তো মার্তিনেজের অধীনে তিনি প্রায় সব ম্যাচেই শুরুর একাদশে ছিলেন।

জেসুসকে নিয়োগ দেওয়ার পর বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মনে করেছিলেন, তিনি সৌদি প্রো লিগে আল নাসরে রোনালদোকে কোচিং করেছেন, তাই হয়তো ছাড় দেবেন। অন্যদিকে, তিনি কঠোর প্রকৃতির, মর্যাদায় কম প্রভাবিত, তাই হয়তো তিনিই রোনালদোকে বাস্তবতার মুখোমুখি করবেন। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়টিই ঘটেছে।

জেসুস নরওয়ে ম্যাচের পর বলেন, “আমরা প্রথম সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলাম, আমি তাকে দিয়ে শুরু করি বা বেঞ্চে রাখি, সেটা কোচের সিদ্ধান্ত। খেলা আমাকে বলে কী করতে হবে। আমরা ভেবেছিলাম হয়তো শেষ দিকে তাকে দরকার হবে, কিন্তু খেলা অন্য গল্প বলল এবং আমি তাকে নামালাম না।”

আগের কোচদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে তুলনা করলে একটি বিষয় স্পষ্ট—আগে রোনালদোকে যুক্তি ছাড়াই মাঠে রাখা হতো।

সম্ভবত পরে কোনো সমঝোতা হবে, সবাই বলবে এটি যোগাযোগের ভুল ছিল এবং রোনালদো বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন। কিন্তু তবুও স্পষ্ট, শেষটা খুব কাছেই এবং ক্ষোভ সঙ্গে নিয়ে।

দুইজনই হয়তো আবার তুলনা পছন্দ করবেন না, কিন্তু লক্ষণীয় যে তাদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার একই সময়ে শেষ হচ্ছে। পার্থক্য হলো, রোনালদোর ক্ষোভে বিষয়টি তার নিজের দিকে ঘুরে গেছে, আর মেসির ক্ষেত্রে সত্যিই সবকিছু তার জন্যই।

দুজনই ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে—মেসি ৩৯, রোনালদো ৪১—দুজনই এখনও খেলছেন কারণ তারা কিছুটা সক্ষম। দুজনই নিজ নিজ লিগে শিরোপা জিতেছেন এবং গোল করছেন। তবে জাতীয় দলের ক্ষেত্রে তাদের পথ আলাদা।

তবে শেষ দুই বিশ্বকাপের দিকে তাকালে দেখা যায়। মেসি দুটো ফাইনালে পৌঁছেছেন, একটি জিতেছেন। এবং দুই অভিযানেই তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রোনালদো ফাইনালের ধারেকাছেও যেতে পারেননি, আগেই বিদায় নিয়েছেন এবং প্রশ্ন উঠেছে তার আদৌ দলে থাকা উচিত কি না।

দুজনকেই ছাড় দেওয়া হয়েছে, তবে মেসির ক্ষেত্রে সেটি কার্যকর হয়েছে—দুটি কোপা আমেরিকা ও একটি বিশ্বকাপ। কারণ স্কালোনি দলকে এমনভাবে সাজিয়েছিলেন যাতে মেসির শক্তি কাজে লাগে। মার্তিনেজ বা সান্তোস তা পারেননি রোনালদোর ক্ষেত্রে। জেসুস স্পষ্ট করেছেন, চেষ্টা করাও মূল্যহীন।

ফর্ম বিবেচনায়, রোনালদোর কয়েক বছর আগেই অবসর নেওয়া উচিত ছিল। তবে কেউ সুযোগ দিলে তিনি খেলতে চেয়েছেন। এর ফলে দেখা গেছে, একসময়কার মহাতারকা মাঠে হাঁটছেন, কিন্তু আগের মতো আর কিছু করতে পারছেন না।

তবে রোনালদোকে এখানে পুরোপুরি দায়ী করাও হয়তো ঠিক নয়। মেসির সাফল্যে ভাগ্যেরও ভূমিকা ছিল—স্কালোনিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল মূলত অর্থাভাবের কারণে। যদি পর্তুগালে একইভাবে কোনো সাধারণ সাবেক খেলোয়াড় দায়িত্ব নিয়ে রোনালদোর চারপাশে দল গড়ে তুলতেন, হয়তো আজ তার বিদায়ী ম্যাচে সব নজর থাকত।

কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, একজন খেলোয়াড় এক ম্যাচে বেঞ্চে বসানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে জাতীয় দল ছেড়ে যাচ্ছেন। ঠিক যেভাবে সহানুভূতি দ্রুতই হারিয়ে যায়।

এটা কল্পনা করা কঠিন যে পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার রোনালদোর এটাই শেষ। তিনি বিদায়ী ম্যাচ চাইবেন—এবং তার পারফরম্যান্স অনুযায়ী সেটি প্রাপ্যও। কিন্তু আচরণ ভিন্ন হলে হয়তো তিনি সেটি পেতেন, এই ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা ছাড়া।

রেকর্ড আটবারের বর্ষসেরা মেসির ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন। তিনি বিদায় নিচ্ছেন ঠিক রাজার বেশেই। ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে এখনও তিনি যে জাদু দেখিয়ে চলেছেন তাতে ভক্তদের মাঝে একটা গোপন চাওয়া থেকেই যাচ্ছে, আরও কিছুদিন কি চালিয়ে যেতে পারতেন না মেসি।

আর এখানেই যেন ফুটে উঠেছে সময়ের দুই সেরা ফুটবলারের মধ্যে পার্থক্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বয়ফ্রেন্ড দিবস আজ, প্রিয় মানুষকে দিন ছোট্ট চমক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


বয়ফ্রেন্ড দিবস আজ, প্রিয় মানুষকে দিন ছোট্ট চমক

প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রিয় মানুষটিকে ভালোবাসা ও গুরুত্ব জানানোর জন্য বিভিন্ন বিশেষ দিন পালন করা হয়। এর মধ্যে একটি বিশেষ দিন হলো বয়ফ্রেন্ড দিবস। প্রতি বছর ৩ অক্টোবর এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। এই দিনটি মূলত প্রেমিককে (বয়ফ্রেন্ড) তার গুরুত্ব, ভালোবাসা ও মূল্য বোঝানোর একটি বিশেষ উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই দিনটিতে বয়ফ্রেন্ড বা প্রেমিকের সঙ্গে সময় কাটানো, তার পছন্দের কাজ করা অথবা ছোট কোনো উপহার দিয়ে তাকে বিশেষ অনুভূতি প্রদান করা যেতে পারে। সম্পর্ক নতুন হোক বা দীর্ঘদিনের—এই দিনটি দুজনের মধ্যে ভালোবাসা ও বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার সুযোগ প্রদান করে।

কেন শুরু হলো বয়ফ্রেন্ড দিবস?

গার্লফ্রেন্ড দিবস ১ আগস্ট পালনের জনপ্রিয়তা বাড়ার পর প্রেমিকদের জন্যও একটি বিশেষ দিন থাকা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। যদিও গার্লফ্রেন্ড দিবসের শুরুতে মূলত নারী বন্ধুদের বন্ধুত্ব উদযাপনের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছিল, সময়ের সঙ্গে এটি প্রেমের সম্পর্ক উদযাপনের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে, বয়ফ্রেন্ড দিবস শুরু থেকেই মূলত প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে পালিত হচ্ছে। তবে এই দিনে পুরুষ বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের গুরুত্ব প্রকাশ করা যেতে পারে।

কীভাবে উদযাপন করবেন দিনটি?

প্রেমিককে খুশি করতে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। তার পছন্দের কোনো স্থানে ঘুরতে যাওয়া, একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়া অথবা সিনেমা দেখা হতে পারে দিনের পরিকল্পনা। তার পছন্দের শখ অনুযায়ী মাছ ধরা, খেলাধুলা দেখা কিংবা অন্য কোনো কাজে সঙ্গী হওয়া আনন্দের উপায় হতে পারে।

প্রেমিকের পছন্দের খাবার তৈরি করে দিতে পারেন। আবার দুজনের প্রথম দেখা বা প্রথম ঘোরার স্থানে ফিরে গিয়ে পুরোনো স্মৃতি মনে করাও বিশেষ আয়োজন হতে পারে।

ছোট চমকেই হতে পারে বড় আনন্দ

প্রেমিককে চমকে দিতে ছোট কোনো উপহার দিতে পারেন। চাইলে নানা সূত্রের মাধ্যমে তাকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে গিয়ে সেখানে পছন্দের কিছু দিয়ে চমকে দেওয়া যায়।

ঘরেই আয়োজন করতে চাইলে তার পছন্দের সিনেমা, খাবার ও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে একসঙ্গে সময় কাটানো যেতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে বোঝানো যে তিনি আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথম দেখা বা প্রথম দিনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনুন।

বয়ফ্রেন্ড দিবস উদযাপনের আরেকটি সুন্দর উপায় হতে পারে প্রথম দেখা বা প্রথম ঘোরার স্মৃতি ফিরিয়ে আনা। যেদিন প্রথম দেখা হয়েছিল, সম্ভব হলে সেই স্থানে আবার যাওয়া কিংবা সেদিনের কোনো বিশেষ মুহূর্ত মনে করা সম্পর্কের পুরোনো স্মৃতি নতুন করে ফিরিয়ে আনতে পারে।

শুধু প্রেমিক নয়, বন্ধুত্বও হোক উদযাপিত।

এই দিনটি শুধুমাত্র প্রেমের সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার সুযোগ হিসেবেও দিনটি পালন করা যেতে পারে।

দীর্ঘদিন কথা না হওয়া কোনো বন্ধুকে ফোন করে খোঁজ নেওয়া, বার্তা পাঠানো কিংবা একসঙ্গে সময় কাটানো—এসব ছোট উদ্যোগও বন্ধুত্বকে আরও গভীর করতে পারে। পুরুষদের মধ্যেও বন্ধুত্ব ও পরস্পরের প্রতি যত্ন প্রকাশের সুযোগ থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

বয়ফ্রেন্ড দিবসের শুরু কীভাবে?

বয়ফ্রেন্ড দিবসের সঠিক সূচনা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য খুব বেশি পাওয়া যায় না। দিবসটির নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠাতা বা শুরুর ইতিহাসও স্পষ্ট নয়। তবে এর মূল উদ্দেশ্য হিসেবে প্রেমিকের প্রতি ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও সম্পর্কের আনন্দ উদযাপন করাকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তাহলে ৩ অক্টোবর বড় কোনো আয়োজনের চেয়ে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো, তার কথা শোনা এবং জীবনে তার গুরুত্ব বোঝানোই হতে পারে বয়ফ্রেন্ড দিবস পালনের একটি সুন্দর উপায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামায়াতেও একটা আসছে: রফিকুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামায়াতেও একটা আসছে: রফিকুল ইসলাম

জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান কার্যক্রম এবং পশ্চিমা সমর্থন অর্জনের প্রচেষ্টার তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী, যিনি ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) তার ফেসবুক পোস্টে তিনি জামায়াতকে আহ্বান জানান, যেন তারা পশ্চিমাদের সন্তুষ্টির পথ পরিহার করে আল্লামা সাঈদীর রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত দলটির মর্যাদা রক্ষা করে।

রফিকুল ইসলাম মাদানী উল্লেখ করেন, "মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামাতেও একটা আসছে।" তিনি বলেন, "পার্থক্য- আওয়ামী লীগেরটা খোলামেলা, সে বাউল শিল্পী, তার কাজও সরাসরি, সে ওপেন ফাইট্টা যায় ছিঁইড়া যায় বলত!"

তিনি আরও বলেন, "এটা হিজাব পরে ইসলামের নামে ধোঁকা দিয়ে সবকিছু ফাটাইলতাছে, ছিঁড়ালতাছে, ইসলামের ক্ষতি করতাছে!"

মাদানী লেখেন, "ঐ মমতাজও সংসদে সবজান্তা মাতব্বরের মতো সিয়াসিত্তার হাদিস কউত, এটাও সবজান্তা হাদিস বলে! ভাবসাবও সেইম!"

তিনি মনে করেন, জামাত পশ্চিমাদের থেকে ক্ষমতা পাওয়ার আশায় ইসলামপন্থীদের চ্যালেঞ্জ করছে, বলছেন, "আমরা ইসলামের নামে যা তা করব, পারলে কী করবা কর?"

মাদানী আরও লেখেন, "এরা ভাবতেছে, আওয়ামী লীগের চ্যাপ্টার ক্লোজ, বিএনপি এখন পাওয়ারে আছে, আর বাঙালি টানা ২ টার্মে কাউকে ভোট দিয়ে পাস করাবে না। অতএব, আগামী টার্মে আমরা কনফার্ম সমস্যা ভোটের মাঠে নাই!"

তিনি পশ্চিমাদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, "সমস্যা পশ্চিম। তারা যদি মনে করে আমরা ইসলামপন্থী, তাহলে আমাদের আসতে দিবে না। যেটা উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের কথায় বুঝা যায় এবারই হইছে!"

রফিকুল ইসলাম মাদানী বলেন, "অতএব, পশ্চিমের কাছে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে আওয়ামী লীগ-বিএনপির চেয়েও আমরা আল্ট্রা ফ্রো-মেক্স স্টাইলে আরও আপডেট পুরোপুরি সেকুলার আমরাও! পূর্বে যা কেউ করে নাই, সেগুলোও আমরা করব।"

তিনি উল্লেখ করেন, "এগুলো করে পশ্চিমকে বুঝাচ্ছে এই দেখুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা প্রথম হাফ প্যান্ট পরে বাস্কেটবল আয়োজন করছি মেয়েদের! সারাদেশে এত এত সমালোচনা, তারপরও আমরা আমাদের মহিলা এমপিকে দিয়ে খেলার পুরস্কার দিয়েছি। এটাই আমাদের কাছে ইসলাম!"

রফিকুল লেখেন, "জামাত-শিবিরকে বলি, ভাইরে আমার কষ্টের জীবনে আপনারা সহযোগিতা করছেন, খোঁজখবর নিছেন। তাই আপনাদের প্রতি একটা ইমোশন-সিমপ্যাথি কাজ করে। আপনাদের দলীয় অবস্থান নিয়ে অন্যদের মতো আমি বিরোধিতা করি না, সমালোচনার জন্য সমালোচনাও করি না।"

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, "কিন্তু আপনারা যদি এভাবে পশ্চিমাদের খুশি করার জন্য ওপেন আমাদের চ্যালেঞ্জ করেন, তাহলে শুধুমাত্র ইস্যুভিত্তিক বিরোধিতা করব না!"

তিনি লেখেন, "আমাকে মেরে ফেলা না হলে, আমি একা বিরোধিতায় লাগলে লোড নিতে পারবেন না, পাগল হয়ে যাবেন!"

তিনি শেষ করেন, "প্লিজ, আল্লাহর ওয়াস্তে, আল্লামা সাঈদী রহ.এর শাহাদাতে রঞ্জিত দলটাকে আর নিচে নামায়েন না! আপাতত এতটুকু চাওয়া!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%