ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শহর-গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী


শহর-গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহে বৈষম্য দূর করতে সরকার কাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কেন্দ্রীভূত অবকাঠামো এবং সঞ্চালন ব্যবস্থার যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তার কারণেই কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা দেখা দিয়েছে, তবে এই সমস্যা ধাপে ধাপে দূর করা হবে।

তিনি আরও বলেছেন, অতীতের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু একটি বৈষম্য থাকলেও সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে তা ধাপে ধাপে দূর করতে কাজ করছে।

আজ রাজধানীর নবাব আব্দুল গণি রোডে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে চলমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী এসএএফএনের অনারারি সিনিয়র ফেলো নিযুক্ত

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এস এম জিয়া-উল-আজিমসহ বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সঞ্চালন নেটওয়ার্কের শক্তিশালীকরণ এবং গ্রাহকসেবা উন্নয়নের হাত ধরে শহর এবং গ্রামের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার কার্যক্রম চলছে।

তিনি আরো জানান, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিনির্ভরতা হ্রাস করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব আরোপ করছে। তাই নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার চাইলে এসব চুক্তি রাতারাতি বাতিল করতে পারে না। কারণ এই চুক্তিগুলো আইনগতভাবে বলবৎ রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে যেখানে সম্ভব, চুক্তির শর্ত পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে কোন অঞ্চলেই একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: ঢাকা মহানগরীতে ডিএমপির অভিযানে ৪৭৭ জন গ্রেফতার, ৩৪ মামলা দায়ের

সংবাদ সম্মেলনে জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল সম্পর্কিত বিদ্যুৎ বিভাগের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।

তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সম্প্রতি জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে জনমনে কিছু প্রশ্ন এবং উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে সকল বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং অধিকাংশ অভিযোগ ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। যদি কোথাও দায়িত্ব অবহেলা বা গ্রাহক হয়রানির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ার কারণে একই পরিমাণ বিদ্যুত ব্যবহার করলেও জুন মাসে গ্রাহকদের মোট ব্যয় বেড়ে গেছে। এর ফলে, প্রিপেইড গ্রাহকদের আগের তুলনায় অধিক ঘন ঘন রিচার্জ করতে হচ্ছে, যা কিছু গ্রাহকের কাছে সাময়িকভাবে অস্বাভাবিক অর্থ কর্তন বলে মনে হতে পারে।

সচিব আরও বলেন, যেসব গ্রাহক দাবি করছেন যে, একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও আগের তুলনায় বেশি বিল এসেছে, তাদের মনে রাখতে হবে যে, মিটারগুলো আগের মতোই একই প্রযুক্তিগত এবং গাণিতিক পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ ব্যবহার পরিমাপ করছে। তাই নতুন ট্যারিফ কার্যকর করার সঙ্গে সঙ্গে মিটারে হঠাৎ কোনো কারিগরি ত্রুটি হওয়ার সুযোগ নেই। বিল বৃদ্ধির মূল কারণ হলো নতুন ট্যারিফের প্রভাব।

আরও পড়ুন: এক মাস পর অপ্রতিম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল

তিনি আরো জানান, প্রিপেইড গ্রাহকদের মধ্যে অনেকেই মাসের শেষে ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ট্যারিফ স্তরে পৌঁছে যাচ্ছেন। ফলে তাদের ওই হারে বিল পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মিরানা মাহরুখ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তুলনামূলকভাবে কম বৃষ্টিপাত, ঈদুল আজহা, তীব্র গরম, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কারণে সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একইসঙ্গে বাসাবাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্যান, রেফ্রিজারেটরসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে বৃদ্ধি ঘটেছে। গ্রামাঞ্চলেও ফ্রিজ, টেলিভিশন, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার এবং ইলেকট্রিক কেটলির ব্যবহার বেড়েছে, যার ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না দিয়ে সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি ধরে রেখেছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নের জন্য কাজ চলছে।

যাদের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সন্দেহ বা অভিযোগ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়ে সচিব বলেন, প্রয়োজন হলে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনঃযাচাই এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবের কারাগারে ৭ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি বন্দি: শামা ওবায়েদ

তিনি আরও জানান, আগে বিল পরিশোধে বিলম্ব হলে মাসিক ২ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে বিলম্ব মাশুল আরোপ করা হলেও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী এখন মোট বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ বিলম্ব মাশুল আরোপ করা হয়।

সচিব বলেন, জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ খাতকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ও আর্থিকভাবে সক্ষম করে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় প্লাবিত চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার নিম্নাঞ্চল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


বন্যায় প্লাবিত চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার নিম্নাঞ্চল

 

lকম্পানি দেওয়া অপরিকল্পিত মাটির বাঁধের কারণে ফাঁসিয়াখালী ও চিরিঙ্গা ইউনিয়নের অন্তত ৫টি গ্রামের লোকালয় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।

লাগাতার ভারি বর্ষণ ও পার্বত্য অববাহিকার মাতামুহুরী নদীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে দুই উপজেলার অন্তত ১৬টি ইউনিয়নের অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকায় বসবাসকারী অন্তত ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিল।

কয়েক ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে বেশ কিছু গ্রামীণ সড়ক। এদিকে চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী থেকে মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজের জন্য নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স কম্পানির দেওয়া অপরিকল্পিত মাটির বাঁধের কারণে ফাঁসিয়াখালী ও চিরিঙ্গা ইউনিয়নের অন্তত ৫টি গ্রামের লোকালয় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। এখানকার নারী-পুরুষেরা নিজেদের সহায়-সম্পদ রক্ষায় ম্যাক্সের দেওয়া অপরিকল্পিত মাটির বাঁধ অপসারণ করতেও দেখা যায়।

পার্বত্য অববাহিকার মাতামুহুরী নদীতে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি বৃদ্ধি পেলেও আজ সোমবার বিকেল পর্যন্ত বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। তবে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় ভয়াবহ বন্যার শঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন দুই উপজেলার মানুষ। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পাহাড়বেষ্টিত গ্রামীণ এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে নিরাপদে সরে যাওয়ার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।

দুই উপজেলার সিংহভাগ ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা দাবি করেছেন, অতি ভারি বর্ষণের কারণে ইউনিয়নগুলোর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এবং মাতামুহুরী নদীতে উজানের ঢলের পানি প্রবাহিত হওয়ায় যেকোনো সময় ভয়াবহ বন্যার পদধ্বনি দেখা দিয়েছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীদ দেলোয়ার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারী বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পাহাড়ে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। উজানের পানি যাতে দ্রুত ভাটির দিকে নেমে যেতে পারে সেজন্য উপকূলীয় ইউনিয়নগুলোর পানি নিষ্কাশনের স্লুইস গেটগুলোর কপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন নিয়ে সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ যুদ্ধবিরোধী জোটের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন নিয়ে সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ যুদ্ধবিরোধী জোটের

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘটনায় সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সোমবার (৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জোটের নেতারা উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদ ভবন হচ্ছে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের একটি প্রতীক। সেখানকার বিদেশি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতীয় অনুভূতির প্রতি অসম্মানজনক।

বিবৃতির মধ্যে বলা হয়, গত ৪ জুলাই সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে সংসদের ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ বক্তব্য দেন। নেতারা এ ঘটনাকে সমালোচনাযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা বাংলাদেশর জনগণের স্মৃতিতে বরাবরই নেতিবাচকভাবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সেই কারণে সংসদ ভবনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় এ ধরনের আয়োজন প্রশ্নবিদ্ধ।

জোটের নেতারা অভিযোগ তুলে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশে সামরিক এবং অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করছে। একই সঙ্গে তারা ফিলিস্তিন, ইরান, কিউবা ও ভেনিজুয়েলার পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করেন।

আরো পড়ুন

গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমেই টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব : মির্জা ফখরুল

তারা দাবি করেন, বাণিজ্যচুক্তি এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে ভূরাজনৈতিক কৌশলের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারের অনুমতিতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ আয়োজন হওয়াটিকে তারা সমালোচনাযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন এবং এ বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশ জাসদসহ বিভিন্ন বামপন্থি ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ মামলায় সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিচার শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ মামলায় সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিচার শুরু

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে মামলার।

আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৯ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার অন্যান্য আসামি হলেনÑ রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁইয়া, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য সুযোগ তৈরি করায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

প্রথমে মামলা থেকে সালাম মুর্শেদীকে বাদ দেওয়া হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৩১ ডিসেম্বর তাকে অভিযুক্ত করে মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছেÑ আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তির তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিন লাইসেন্স ছাড়া জাহাজ রিসাইক্লিং ব্যবসার সুযোগ থাকবে না: শিল্পমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


গ্রিন লাইসেন্স ছাড়া জাহাজ রিসাইক্লিং ব্যবসার সুযোগ থাকবে না: শিল্পমন্ত্রী

শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের সব জাহাজ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডকে পরিবেশবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হতে হবে। গ্রিন লাইসেন্স ছাড়া জাহাজ রিসাইক্লিং ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ থাকবে না। যারা এ খাতে নতুন করে ব্যবসা করতে চান, তাদেরও প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।

সোমবার (৬ জুলাই) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজ রিসাইক্লিং পরিদর্শন ও শিল্প-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৩১টি গ্রিন লাইসেন্সধারী জাহাজ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মতো অন্য সব ইয়ার্ডকেও আন্তর্জাতিক মানের কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করে গ্রিন লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।

তিনি বলেন, একসময় জাহাজ রিসাইক্লিং শিল্পকে পরিবেশবিরোধী, শ্রমিক শোষণনির্ভর এবং অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশের খাত হিসেবে দেখা হতো। তবে বর্তমানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কাজ হচ্ছে গ্রীন ইয়ার্ডগুলোতে এবং উচ্চমানের পরিবেশ ও নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে, যা দেশের জন্য গর্বের বিষয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই বছর আগেও বিশ্বের মোট জাহাজ রিসাইক্লিংয়ের প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ বাংলাদেশে হতো। সাময়িকভাবে সেই অবস্থান থেকে পিছিয়ে গেলেও দ্রুত আবারও শীর্ষ অবস্থানে ফিরে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপকূল কেন্দ্রিক জাহাজভাঙা শিল্পের আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক মান অর্জনের লক্ষ্যে সরকারের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার কথা জানান শিল্পমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে পুনরায় বিশ্বে জাহাজভাঙা শিল্পের শীর্ষ অবস্থানে নিয়ে যেতে সরকার কাজ করছে। এই শিল্পে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। তবে বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী শিল্প পরিচালনার জন্য উদ্যোক্তাদের গ্রিন সার্টিফিকেশন নিতে হবে।

খাত সংশ্লিষ্টদের সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসায়িক, নীতিগত বা প্রশাসনিক যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোনো বিষয় থাকলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা হবে।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে দেশে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৬০০ এমএমসিএফডি গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যমান অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব না হলেও সরকার নতুন প্রকল্প ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে।

এই সময় বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন চৌধুরী, জাহাজ রিসাইক্লিং (শিপ ব্রেকিং) শিল্প মালিক সমিতির সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%