ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডুমসডে গ্লেসিয়ার দ্রুত গলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির শঙ্কা


ডুমসডে গ্লেসিয়ার দ্রুত গলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির শঙ্কা

অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ, যা ‘ডুমসডে গ্লেসিয়ার’ নামে পরিচিত, বিজ্ঞানীদের পূর্ববর্তী অনুমানের তুলনায় দ্রুত গলছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, চলতি শতাব্দীর শেষ নাগাদ এই হিমবাহ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা পূর্বের হিসাবের প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেতে পারে।

নতুন মডেলের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র এই হিমবাহের গলনের ফলে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ দশমিক ২ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন।

পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকায় অবস্থিত থোয়াইটস হিমবাহ বিশ্বের সবচেয়ে প্রশস্ত হিমবাহ হিসেবে পরিচিত। এটি কয়েক দশক ধরে গলছে এবং পেছাচ্ছে। এর গলনের ফলে বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে প্রায় ৪ শতাংশ অবদান রয়েছে। যদি হিমবাহটি সম্পূর্ণরূপে ধসে পড়ে, তবে এর বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা দুই ফুটের বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরও পড়ুন: মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি স্ত্রী সোনিয়া খাতুনকে হত্যা: স্বামী রঞ্জিত গ্রেপ্তার

তবে ঝুঁকি শুধু এই হিমবাহের বরফ গলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। থোয়াইটস অ্যান্টার্কটিকার বিশাল বরফস্তরকে আটকে রাখার ভূমিকা পালন করে। এটি ভেঙে পড়লে এর পেছনে থাকা বরফ দ্রুত সমুদ্রে প্রবাহিত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ১০ ফুট পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি থেকে ফিলিপিন্সের ম্যানিলা পর্যন্ত বহু উপকূলীয় এলাকা হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, আরভাইন এবং নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির গবেষকরা হিমবাহের গলন ও বরফস্তরের পরিবর্তন বোঝার জন্য নতুন একটি মডেল তৈরি করেছেন। এই মডেলে হিমবাহের নিচে সমুদ্রের পানির চলাচল এবং এর ফলে বরফ গলার প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গবেষণাটি সোমবার নেচার কমিউনিকেশন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

হিমবাহের যে অংশ সমুদ্রতল ছেড়ে উঠে ভাসমান বরফস্তরে পরিণত হয়, তাকে গ্রাউন্ডিং লাইন বলা হয়। উপগ্রহের তথ্য থেকে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, এ অঞ্চলের নিচে কখনো কখনো কয়েক মাইলজুড়ে বিস্তৃত একটি এলাকা থাকে। জোয়ার-ভাটার সঙ্গে সমুদ্রের পানি সেখানে ঢোকে ও বেরিয়ে যায়। এতে বরফস্তর ওঠানামা করে এবং তুলনামূলক উষ্ণ পানি হিমবাহের নিচে অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এই প্রক্রিয়ায় বরফ দ্রুত গলে।

নতুন মডেলে এই প্রক্রিয়াটি যুক্ত করার ফলে হিমবাহটির সম্ভাব্য গলন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হিসাব আগের চেয়ে বেশি এসেছে। গবেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৈশ্বিক উষ্ণতা আর না বাড়লেও ২১০০ সাল নাগাদ থোয়াইটস হিমবাহ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ দশমিক ২ ইঞ্চি পর্যন্ত বাড়তে পারে। এটি আগের হিসাবের প্রায় দ্বিগুণ।

আরও পড়ুন: সৌদিতে হামলা চালিয়ে ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রমাণ দিচ্ছে হুথিরা

হিমবাহের নিচের ভূমি সমুদ্রের দিকে ক্রমে ঢালু হয়ে নেমেছে। ফলে বরফ গলে গেলে উষ্ণ পানির সংস্পর্শে আরো বেশি বরফ আসবে, যা গলনের গতি বাড়াতে পারে। সমুদ্রতলের দুটি উঁচু শৈলশিরা বর্তমানে হিমবাহটিকে আটকে রেখেছে। কিন্তু বরফ গলার কারণে এই বাধা দুর্বল হয়ে পড়ছে।

গবেষকদের হিসাবে, চলতি শতাব্দীর শেষ নাগাদ হিমবাহটি মুজিনো রিজ নামের একটি শৈলশিরা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে ঢালু সমুদ্রতল ধরে হিমবাহটি দ্রুত পেছাতে পারে এবং পরবর্তী বড় শৈলশিরায় গিয়ে থামতে পারে।

গবেষণাটির প্রধান লেখক ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, আরভাইনের অধ্যাপক এরিক রিগনো বলেন, নতুন হিসাব অনুযায়ী, আগামী কয়েক দশকে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে বন্যার ঝুঁকি ও মানুষের বিপদের আশঙ্কা আগের ধারণার চেয়ে বেশি।

গবেষণায় যুক্ত ছিলেন না এমন বিজ্ঞানী টেড স্ক্যাম্বোসের মতে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির পূর্বাভাস তৈরিতে এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরো গবেষণা দরকার। বিশেষ করে হিমবাহের নিচের অবস্থা সম্পর্কে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করা জরুরি।

আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ৯ জনকে হত্যা করিয়েছি’ দাবি অনন্ত কুমার সিংয়ের

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের সামুদ্রিক ভূ-পদার্থবিদ রবার্ট লার্টারও বলেছেন, হিমবাহের নিচের গ্রাউন্ডিং অঞ্চলে কীভাবে বিভিন্ন প্রক্রিয়া কাজ করে, তা আরো ভালোভাবে জানতে হবে। তার মতে, গবেষণাপত্রে যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, বাস্তবে থোয়াইটস হিমবাহের নিচের পরিবেশ তার চেয়ে বেশি জটিল।

এ বিষয়ে আরো তথ্য সংগ্রহ করতে বিজ্ঞানীরা ২০২৮ সালে হিমবাহের গ্রাউন্ডিং লাইনে গিয়ে যন্ত্র স্থাপনের পরিকল্পনা করছেন। এসব যন্ত্র দিয়ে হিমবাহের নিচে সমুদ্রের পানি কীভাবে ঢোকে ও বেরিয়ে যায়, তা রেকর্ড করা হবে।

রিগনো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সংবেদনশীল বরফস্তরগুলোর ওপর কী প্রভাব পড়ছে, তা বিজ্ঞানীরা কয়েক দশক ধরেই জানেন। তবে হিমবাহের নিচের পরিস্থিতি সম্পর্কে সাম্প্রতিক নতুন তথ্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পৃথিবীকে উষ্ণ করে এমন দূষণ এখনই কমানো জরুরি। তা সত্ত্বেও অতীতে ঘটে যাওয়া ক্ষতির কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

এএম

আরও পড়ুন: কুয়েতের গৃহকর্মী খাতে ৪০ শতাংশ ভারতীয়, বাংলাদেশি মাত্র ১২ শতাংশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কারাদণ্ডের হুমকি ডাকভোট ইস্যুতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


ট্রাম্পের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কারাদণ্ডের হুমকি ডাকভোট ইস্যুতে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য এবং লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছে দেশের বিচার বিভাগ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দাবি করছে, ২০ হাজারের বেশি ব্যক্তি ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন, যারা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন। বিচার বিভাগ সতর্ক করেছে যে, যদি তাদের ভোট গণনা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কেন্দ্রীয় আইন ভঙ্গের কাজে সহায়তার দায়ে অভিযুক্ত হতে পারেন।

শুক্রবার, লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির সহকারী আইন উপদেষ্টা পিটার বলিঞ্জারকে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের তিন সপ্তাহেরও কম সময় আগে এ ঘটনা ঘটেছে।

কিছু দিন আগে, বিচার বিভাগ ক্যালিফোর্নিয়াকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কথিত ‘অ-মার্কিন’ নাগরিক ভোটারদের একটি তালিকা যাচাই করতে বলেছিল। অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার, ক্যালিফোর্নিয়ার বিরুদ্ধে এসব ভোট গণনা বন্ধের দাবিতে মামলা করে বিচার বিভাগ।

শুক্রবার প্রকাশিত চিঠিতে ভারপ্রাপ্ত মার্কিন উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল ট্রেন্ট ম্যাককটার উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় নির্বাচনে অ-মার্কিন নাগরিকদের ভোট দেওয়া একটি অপরাধ। তিনি বলেন, "জেনেশুনে এ কাজে সহায়তা করাও বেআইনি।"

ভোট জালিয়াতি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ম্যাককটার ক্যালিফোর্নিয়ার সেক্রেটারি অব স্টেট শার্লি ওয়েবার এবং লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির কর্মকর্তাদের পদক্ষেপ নিতে অস্বীকৃতি জানানোর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চিঠিটি শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘তাদের সবাইকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কারাগারে যেতে হবে!!!’

ম্যাককটারের চিঠির অনুলিপি পেয়েছেন শার্লি ওয়েবার এবং লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির নির্বাচনী নিবন্ধন ও রেকর্ড বিভাগের প্রধান ডিন লোগান। কাউন্টির আইন উপদেষ্টার কার্যালয় এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি।

ওয়েবারের কার্যালয় এ বিষয়ে আগে দেওয়া একটি বিবৃতি দেখার পরামর্শ দিয়েছে। ওই বিবৃতিতে ওয়েবার বলেন, বিচার বিভাগের অঙ্গরাজ্যগুলোর সুরক্ষিত ভোটার-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। এতে নির্বাচনের প্রতি মানুষের আস্থাও কমছে।

এর আগে মঙ্গলবার ওয়েবার ও লোগানকে পাঠানো চিঠিতে ম্যাককটার জানান, কেন্দ্রীয় সরকার যাদের সম্ভাব্য অ-মার্কিন নাগরিক বলে মনে করছে, তাদের একটি তালিকা লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে। তালিকাটি পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত একটি পেনড্রাইভে সরবরাহ করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে এসব ব্যক্তির কাছে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ব্যালট পাঠানো হয়েছিল।

লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির আইন উপদেষ্টা ডওয়েন আর. হ্যারিসন বৃহস্পতিবার বলেন, বিচার বিভাগের অনুরোধ রাখা কাউন্টির পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসন কীভাবে তালিকাটি তৈরি করেছে, তা ব্যাখ্যা করেনি। তবে শুক্রবারের চিঠিতে ম্যাককটার দাবি করেন, তালিকাটি তৈরি করতে বিচার বিভাগ অভিবাসন-সংক্রান্ত নথি ও অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে যাচাই করেছে।

জুলাই মাসে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তার প্রশাসন ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত ২ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি অ-মার্কিন নাগরিকের বিষয়ে প্রমাণ পেয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেননি, তাদের মধ্যে কতজন সত্যিই ভোট দিয়েছেন।

এর আগে বিভিন্ন ঘটনায় দেখা গেছে, নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ব্যবস্থায় ভুলের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়া কিছু ব্যক্তিকেও অ-মার্কিন নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অ-মার্কিন নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ অ-মার্কিন নাগরিক হয়েও অবৈধভাবে ভোট দেওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ বাড়িয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দেখা একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল অনুযায়ী, ভোটার তালিকা পর্যালোচনার কাজ দ্রুত শেষ করতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর ওপর চাপ দিয়েছে হোয়াইট হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর অন্তত ৪৭টি অঙ্গরাজ্যের ভোটার তালিকা সংগ্রহ করেছে। এসব তালিকা দ্রুত পর্যালোচনা করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারবিরোধী অপতৎপরতার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেত্রী প্রমা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


সরকারবিরোধী অপতৎপরতার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেত্রী প্রমা গ্রেপ্তার

পুলিশ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বাংলাদেশ (ইউএফটিবি) শাখার সাধারণ সম্পাদক অনিমা জামান প্রমাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর নিউ ইঞ্জিনিয়ারপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রমার বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী অপতৎপরতা এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম গোপনে পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলায় প্রমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল প্রমা তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হন। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি আড়ালে চলে যান। যদিও জনসম্মুখে তিনি আসেননি, তবে গোপনে সরকারবিরোধী অপতৎপরতাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির নাম পরিবর্তন করে বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বাংলাদেশ (ইউএফটিবি) রাখা হয়েছে। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাটি লিভার থেকে ক্যানসার: নীরবে বিপদ বাড়ায় শরীরের লক্ষণগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ এম


ফ্যাটি লিভার থেকে ক্যানসার: নীরবে বিপদ বাড়ায় শরীরের লক্ষণগুলো

লিভার বা যকৃত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা করে। এটি খাবার হজমে, পুষ্টি উপাদান সঞ্চয়ে, বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণে ভূমিকা রাখে। কিন্তু লিভারের সমস্যা দেখা দিলে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায় না, ফলে রোগ শনাক্ত হতে দেরি হতে পারে।

ফ্যাটি লিভার, হেপাটাইটিস এবং লিভার সিরোসিসের মতো রোগের সঙ্গে লিভার ক্যানসারের ঝুঁকির সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘকাল ধরে লিভারের সমস্যা থাকলে শরীরের কিছু পরিবর্তন সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অকারণে ওজন কমে যাওয়া, ক্ষুধামন্দা, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি কিংবা পেটের ডান দিকে ব্যথার মতো উপসর্গকে অবহেলা করা উচিত নয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লিভার ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ শারীরিক সমস্যার মতো মনে হয়। ফলে অনেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেন না। অথচ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্যাটি লিভার থেকে কি ক্যানসার হতে পারে?
লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়। বর্তমানে অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও বিপাকজনিত সমস্যার কারণে এ রোগের প্রবণতা বাড়ছে।

ফ্যাটি লিভারের সব রোগীর ক্যানসার হয় না। তবে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে লিভারে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, ক্ষত সৃষ্টি এবং পরবর্তী সময়ে সিরোসিস হতে পারে। এসব জটিলতা লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে বিপাকজনিত ফ্যাটি লিভারের গুরুতর রূপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

এ ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি ও সি সংক্রমণ এবং লিভার সিরোসিস লিভার ক্যানসারের গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ। তাই লিভারের সমস্যা শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

শরীরের যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না

১. খাদ্যাভ্যাস বা শরীরচর্চায় পরিবর্তন না এনেও ওজন কমতে থাকলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। অনেকেই কাজের চাপ, মানসিক উদ্বেগ কিংবা হজমের সমস্যাকে এর কারণ মনে করেন। কিন্তু কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. আগের তুলনায় খাওয়ার আগ্রহ কমে যাওয়া কিংবা অল্প খাবার খেয়েই পেট ভরে গেছে বলে মনে হওয়া লিভারের গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এর সঙ্গে ওজন কমে যাওয়া বা দুর্বলতা দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়।

৩. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামের পরও ক্লান্তি না কাটলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। লিভারের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দুর্বলতা ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

তবে ক্লান্তি অনেক সাধারণ রোগের কারণেও হতে পারে। তাই শুধু এ লক্ষণ দেখে ক্যানসার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৪. লিভার ক্যানসার হলে পেটের ওপরের ডান দিকে, পাঁজরের নিচে ব্যথা বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। কখনো পেটের ওই অংশে ভারী ভাব কিংবা ফোলাভাবও অনুভূত হয়।

রোগের অগ্রগতির সঙ্গে পেটে তরল জমে পেট ফুলে যেতে পারে। এ ছাড়া লিভার বড় হয়ে যাওয়ার কারণে পেটের ওপরের অংশে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। এসব উপসর্গের অন্য কারণও রয়েছে। তাই সমস্যা স্থায়ী হলে পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

৫. চোখের সাদা অংশ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া জন্ডিসের লক্ষণ। এর সঙ্গে প্রস্রাবের রং গাঢ় হওয়া, মল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া কিংবা ত্বকে চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

লিভার ক্যানসার ছাড়াও হেপাটাইটিস, পিত্তনালির সমস্যা ও অন্যান্য রোগের কারণে জন্ডিস হতে পারে। তাই এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৬. লিভারের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেলে শরীরে তরল জমে পা বা গোড়ালি ফুলে যেতে পারে। পাশাপাশি রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হলে সহজে কালশিটে পড়া বা রক্তপাতের প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের উপসর্গ লিভারের বিভিন্ন জটিল রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৭. লিভারের গুরুতর রোগে বিভ্রান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কিংবা আচরণে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে আগে থেকেই লিভারের রোগ রয়েছে, এমন ব্যক্তির মধ্যে হঠাৎ মানসিক অবস্থার পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

লিভার ক্যানসার শনাক্ত করবেন যেভাবে

লিভার ক্যানসার শনাক্ত করতে চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ, পূর্ববর্তী রোগের ইতিহাস এবং অন্যান্য ঝুঁকির বিষয়গুলো বিবেচনা করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েক ধরনের পরীক্ষা করা হতে পারে। যেমন—

রক্ত পরীক্ষা: লিভারের কার্যক্ষমতা যাচাই এবং আলফা-ফিটোপ্রোটিনের (এএফপি) মাত্রা পরীক্ষা।

আলট্রাসনোগ্রাম: লিভারের গঠন ও অস্বাভাবিক পরিবর্তন শনাক্ত করা।

সিটি স্ক্যান বা এমআরআই: লিভারে কোনো অস্বাভাবিক গঠন থাকলে তা আরও বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করা।

তবে কোনো একটি রক্ত পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই লিভার ক্যানসার নিশ্চিত করা যায় না। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্ধারণ করেন। দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি কিংবা লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে থাকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী চিকিৎসক নির্দিষ্ট সময় পরপর আলট্রাসনোগ্রাম ও অন্যান্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন।

ফ্যাটি লিভার ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে করণীয়
ফ্যাটি লিভার থাকলেই ক্যানসার হবে, এমন নয়। তবে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা।
নিয়মিত হাঁটা ও শরীরচর্চা করা।
সুষম খাবার খাওয়া এবং অতিরিক্ত চিনি ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার সীমিত রাখা।
ডায়াবেটিস ও রক্তে চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা।
অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা।
হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধে টিকা নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হেপাটাইটিস পরীক্ষা করানো। আগে থেকে লিভারের রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত পরীক্ষা করানো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুর বনাঞ্চলে বৃক্ষনিধনে উজাড় চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ এম


মধুপুর বনাঞ্চলে বৃক্ষনিধনে উজাড় চলছে

পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ লাখ বৃক্ষরোপণের ঘোষণা দিলেও টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে এই নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। বনাঞ্চলটি বৃক্ষনিধনের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে মধুপুর বনাঞ্চল বর্তমানে উজাড় হওয়ার পথে রয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের মধুপুরের প্রাকৃতিক শাল-গজারির বন অক্সিজেনের উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বর্তমানে এই মধুপুর বনাঞ্চলে চলছে বৃক্ষনিধনের মহোৎসব। কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে বনের গাছ কেটে উজাড় করার অভিযোগ উঠেছে। দোখলা রেঞ্জের সদর বিট, চুনিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ফেকামারি, জামবাইদ এলাকার প্রায় পাঁচ বিঘা বনভূমিতে পুরোনো শাল ও গজারি শত শত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের দাবি, দিনের পর দিন প্রকাশ্যে গাছ কেটে বনভূমি উজাড় করা হচ্ছে এবং পরে এসব জমি দখল করে বিভিন্ন ধরনের ফসলের চাষাবাদ করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে এসব গাছ কাটা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অপরদিকে, অরণখোলা বিটে বনের জমি দখল করে স্থায়ী পাকা ইমারত নির্মাণের অভিযোগও উঠেছে।

পরিবেশবিদদের মতে, প্রাকৃতিক শালবন শুধুমাত্র গাছের সমষ্টি নয়; এটি বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল, মাটির গুণাগুণ রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুরোনো শাল-গজারি গাছ কেটে ফেলা হলে বনের স্বাভাবিক পুনর্জন্ম ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বনভূমি দখল করে কৃষিকাজ সম্প্রসারণ করা হলে প্রাকৃতিক বনের পরিমাণ আরো কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশকর্মী রাতুল মুন্সি জানান, "বন বিভাগের লোক বন কাটার পেছনে যুক্ত এটা পুরোনো গল্প।" তিনি বলেন, "বনের জীববৈচিত্র্য কেন দরকার সেই বিষয়গুলো নিয়ে যদি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা না যায়, তাহলে বন বাঁচানো সম্ভব হবে না।" তিনি আরও বলেন, "যারা সামাজিক বনের সুফলভোগী, তারাই বন কাটছে, যেটা বন বিভাগ জানে।" তিনি সতর্ক করে বলেন, "বন যেভাবে কাটা হচ্ছে, তাতে কাঠ জব্দ করে মামলা দিয়ে বন রক্ষা সম্ভব নয়।" এ বিষয়ে মানুষ সচেতন না হলে বন রক্ষা করা সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দোখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আমিনুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জামবাইদ এলাকার বন সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। তিনি বিট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, ওই এলাকার বন কাটার বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে বর্তমানে গাছ কাটা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলে জানান।

সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এসবি তানবির আহমদ ইমন জানান, "আমাকে তথ্য দেন, বিষয়টি আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।"

টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নাজমুল আলম বলেন, "ইতোমধ্যে রেঞ্জ কর্মকর্তাকে ওখান থেকে সরানো হয়েছে। ছবিসহ তথ্য পাঠান, সঠিক তদন্ত করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%