ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দক্ষ শিক্ষক ছাড়া শিক্ষার্থীরা আলোকিত হতে পারে না: রিজভী


দক্ষ শিক্ষক ছাড়া শিক্ষার্থীরা আলোকিত হতে পারে না: রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, দক্ষ শিক্ষক ছাড়া শিক্ষার্থীরা আলোকিত হতে পারে না।

ঘুষের বিনিময়ে স্কুল শিক্ষক নিয়োগের কঠোর সমালোচনা করে তিনি শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বার্ষিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ মন্তব্য করেন।

রিজভী আরও বলেন, শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাব থাকায় টেকসই শিক্ষার নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া, শিক্ষকদের মধ্যে ডেডিকেশন হারিয়ে যাওয়ার ফলে শিক্ষাব্যবস্থা নিম্নগামী হচ্ছে। সমাজে আদর্শ শিক্ষকের অভাব ও শিক্ষার অভাবের কারণে অধঃপতন ও মাদকের প্রসার ঘটছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তিনি এ সময় সরকারের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হিসেবে শিক্ষার উৎকর্ষতা সাধনের কথা উল্লেখ করে বলেন, অসাধু ঠিকাদাররা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্কুল ফিডিংয়ে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করছে। যারা স্কুল ফিডিংয়ে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করছে, তারা মানবতার শত্রু।

মাঠপর্যায়ে আমলাদের কারণে শিক্ষাখাতের ভালো উদ্যোগগুলো বিনষ্ট হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি এবং বলেন, সরকারের ভালো উদ্যোগগুলো মাঠ পর্যায়ে আমলাদের দায়িত্বহীণতার জন্য বিনষ্ট হচ্ছে। মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পদক দিয়ে পুরস্কৃত করারও গুরুত্ব তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রিজের নিচে বালু উত্তোলনে বাড়ছে ভেলি ব্রিজ ধসের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


ব্রিজের নিচে বালু উত্তোলনে বাড়ছে ভেলি ব্রিজ ধসের শঙ্কা

পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক সড়কে অবস্থিত কাউখালী-রাজাপুর সীমান্তের সংযোগস্থল সন্ধ্যা নদীর শাখার ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ ভেলি ব্রিজের নিচে অবৈধভাবে বালুর ব্যবসা চলায় এটি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ব্রিজটি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজের নিচে গর্ত করে বালু মজুত, লোড-আনলোড ও ব্যবসা চালানো হচ্ছেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ১৯৯০-এর দশকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর শতাধিক মিটার দীর্ঘ এই ভেলি ব্রিজটি নির্মাণ করে। ব্রিজটি কাউখালী উপজেলার সঙ্গে পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরিশাল, খুলনা, ঢাকা, বেনাপোল, স্বরূপকাঠি ও বানারীপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, পিকআপ, মালবাহী ভারী যানবাহনসহ অসংখ্য যান চলাচল করে। দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে ব্রিজটি বর্তমানে নড়বড়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ব্রিজের নিচের অংশে অবৈধভাবে বালুর ডিপো গড়ে তুলে ডেজারের মাধ্যমে ট্রাকে বালু লোড-আনলোড করা হচ্ছে। ব্রিজের ওপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলে তীব্র কম্পন সৃষ্টি হয়, যা ব্রিজের স্থায়িত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি বলেও এলাকাবাসীরা মনে করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, "ব্রিজের নিচে এভাবে গর্ত করে বালু সরিয়ে নেওয়ায় ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।" অভিযোগ রয়েছে, এলাকার প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ী এনায়েত হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ইট ও বালুর ব্যবসা পরিচালনা করছেন। সরকারি জায়গা দখল করে এই ব্যবসা চললেও সড়ক ও জনপথ বিভাগ কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমাণ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যার ফলে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আদায়ে বঞ্চিত হয়। এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, "সরকারি সম্পদ রক্ষায় ব্রিজের নিচে অবৈধভাবে বালুর ব্যবসা বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।" অভিযোগের বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী মাসুদ খান এনায়েত বলেন, "আমি সরকারের কাছ থেকে লিজ নেওয়া জায়গায় ব্যবসা করছি।" তবে ব্রিজের নিচের জায়গা সড়ক ও জনপথ বিভাগের কিনা জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন, "ব্রিজের নিচে ও দুই পাশের জায়গা সড়ক বিভাগের। আমি এখানে ব্যবসা করি, বিষয়টি পিরোজপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই জানেন। তারা প্রায়ই এখানে আসেন।" কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, "বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, "বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিতে কেসিসির জরুরি সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


খুলনায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিতে কেসিসির জরুরি সভা

খুলনা মহানগরীতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিতকরণ এবং অপসরণের উদ্দেশ্যে আজ শনিবার সকালে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয় নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেসিসি’র প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ সভায় কেসিসি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই জলাবদ্ধতার কারণে যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে, সেই জন্য কেসিসি’র পক্ষ থেকে নগরবাসীর কাছে দু:খ প্রকাশ করা হয়।

অতীতে বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবারের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে, খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা শহরের অন্যান্য এলাকার মতো। তাই নগরীর ৬টি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ভবিষ্যতে করণীয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই জরুরি সভাটি আহবান করা হয়।

সভায় কেসিসি’র প্রশাসক জানিয়েছেন, বৃষ্টি হলেই নগরীর কিছু এলাকার নিমজ্জিত হওয়ার বিষয়টি কেসিসি’র জন্য বিব্রতকর। এ কারণে, নতুন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। শুক্রবার জলাবদ্ধ ৬টি এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, অন্যান্য এলাকার পানি দ্রুত নেমে যায়, কিন্তু মুজগুন্নী এলাকার পানির নিষ্কাশন হচ্ছে না। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেই লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে তিনি বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন।

সভায় কেসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ করিম-এর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়, পাশাপাশি মুজগুন্নী, লবনচরা ও রয়্যাল মোড়কে কেন্দ্র করে ৩টি উপকমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়াও ওয়ার্ড পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত করে মূল কমিটির কাছে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয়া হয়। প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে পূর্ত বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় যথাসময়ে স্লুইচগেট বন্ধ ও খোলা রাখা, ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত করে অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বক্স কালভার্টগুলো জেট মেশিনের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নকরণসহ এক্সেভেটর ও ট্রাকসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়।

সভায় জানানো হয়েছে, ‘জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হলে নগরীর মোট ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের ২৫% সম্পন্ন হবে। ভবিষ্যতের পরিকল্পনার মধ্যে তিনটি পাম্প হাউজ নির্মাণ, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধ করার জন্য বৈদ্যুতিক স্লুইচ গেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সভায় প্রশাসক চলমান ড্রেনেজ প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিরূপণ এবং প্রকল্প সমাপ্ত হওয়ার পর কি সুবিধা পাওয়া যাবে যে বিষয়ে আলোচনা করেন এবং ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে নতুন প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ দেন। এছাড়াও, তিনি ড্রেন ও খালের ওপর থেকে অবৈধ দখলদারদের সরে যাওয়া এবং ড্রেনে বর্জ্য না ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, বাজেট কাম একাউন্টস অফিসার মো. মনিরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ করিম, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মো. অহিদুজ্জামান খান এবং অন্যান্য ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রেলসেতু সচল করে চমক দেখাল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রেলসেতু সচল করে চমক দেখাল ইরান

আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইরান নিজেদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত ‘আক কালা’ (Aq Qala) রেলসেতুটি পুনরায় সচল করেছে। গোলেস্তান প্রদেশের এই সেতুটিতে হামলার পর রেকর্ড সময়ে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা হলো। গোলেস্তান প্রদেশের গভর্নর আলী আসগর তাহমাসেবি একে ইরানের পরিবহন অবকাঠামোকে অচল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে একটি ‘বাস্তবসম্মত জবাব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে গোলেস্তান প্রদেশের আক কালা কাউন্টিতে অবস্থিত আক-তাপেহ খান রেলসেতুটিকে লক্ষ্য করে মার্কিন ও ইসরায়েলি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এই হামলায় রেললাইনের অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আঘাত হানার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রাদেশিক গভর্নরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেইসঙ্গে নিরাপত্তা পরিদর্শন, ধ্বংসাবশেষ অপসারণ এবং ক্ষতি মূল্যায়নের জন্য জরুরি প্রকৌশল ও পাবলিক সার্ভিস দলগুলোকে মোতা‌যেন করা হয়। কারিগরি ও নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সেতুটি ট্রেন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, যদিও পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ এখনও চলমান রয়েছে। গভর্নর আলী আসগর তাহমাসেবি এক বিবৃতিতে দৃঢ়তার সাথে বলেন, "কোনো ধরনের হুমকির মুখে গোলেস্তান প্রদেশ পিছু হটবে না।" এই দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতু সচল করা মূলত নিজেদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে ইরানের অবিচল সংকল্পেরই প্রমাণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। কেন এই রেলসেতুটি এত গুরুত্বপূর্ণ? আক কালা রেলসেতুটি মূলত ‘চীন-তুর্কমেনিস্তান-ইরান’ আন্তর্জাতিক রেল করিডোরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। এই আন্তর্জাতিক রুটটি চীন, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও ইরানের ইনচেহ বোরুন সীমান্ত হয়ে সংযুক্ত হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে নানা বিঘ্ন ঘটার পর এই করিডোরটির কৌশলগত গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের পণ্য পরিবহনে এই রুটটি এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই লাইফলাইনকে বাধাগ্রস্ত করতেই এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার এক মহোৎসব। নদনদী, খালবিল ও ডোবা জলাশয়ে পানি বাড়ার সাথে সাথে শতশত চায়না জালে ছেয়ে গেছে।

চায়না জালকে একটি ফিক্সড ইঞ্জিন বলা হয়। এই জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ে। বিশেষ করে দেশীয় প্রজাতির মাছগুলো বেশি আটকা পড়ে এই চায়না জালে। এটি জলজ উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য হুমকি। চায়না জাল খাল-বিল, জলাশয়, ডোবা ও নদীতে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালবিলে সারিবাঁধা প্রতিটি চায়না জালের মধ্যে রেণু পোনা থেকে শুরু করে ছোট বড় সব ধরনের মাছই আটকা পড়ছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত বছর সামান্য কিছু দেশীয় মাছ বাজারে দেখা যেতো কিন্তু এবছর বর্ষা শুরুর সাথে সাথে সব মাছ চায়না জাল দিয়ে ধরা হচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, এভাবে ছোট বড় সব ধরনের মাছ ধরা হলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বিশিষ্টজনেদের মতে, শুধু খাল-বিলের চায়না জাল ধংস করালেই হবেনা, বরং আগে বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে, তাহলেই এর ব্যবহার অনেকাংশেই কমে যাবে।

এবছর উপজেলার হাওদা বিলে অভিযান পরিচালনা করা হলেও আর কোথাও বিশেষ কোনো অভিযান পরিলক্ষিত হয়নি। স্থানীয় লোকজন জানাচ্ছেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এখনো পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি, যার ফলে উপজেলার চারিদিকে চায়না জালে সয়লাব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কাকরাইদ হয়ে ধলঘাটে বংশাই নদীতে মিশে যাওয়া গুজাখালে শতশত চায়না জাল রয়েছে। একেক জনের ৪টি থেকে ৮টি পর্যন্ত চায়না জাল রয়েছে। এছাড়াও থলথাট হতে টিকরী পর্যন্ত বংশাই নদীর দুপারে প্রায় কয়েকশো জাল রয়েছে। বিশেষ করে গঙ্গাহরী গ্রামের তুলাচাপড়া বিল, আকাশী ভান্ডারগাতী রোডের মাঝখানের জলাশয়, কুড়ালিয়া গ্রামের গাবা চড়া, কুড়ালিয়া আটাপাড়া গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে এবং পৌর শহরের পুন্ডুরা কুমুরিয়া বিলে প্রচুর চায়না জাল রয়েছে। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই চায়না জাল ধংস করতে না পারলে ভবিষ্যতে সব ধরনের দেশীয় মাছের বিলুপ্তি ঘটবে। এব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সকল জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%