ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিন যানবাহনের সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের


তিন যানবাহনের সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

নাটোরে একটি অ্যাম্বুলেন্স, একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান এবং একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ভটভটির ত্রিমুখী সংঘর্ষে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরো দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) ভোরে, লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী-বানেশ্বর আঞ্চলিক মহাসড়কের নবীনগর এলাকায় একটি দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শ্রমিকের নাম ইয়ারুল ইসলাম (৩০)। তিনি উপজেলাধীন বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের উধনপাড়া গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে। আহতদের মধ্যে বাবু (৪০) এবং সাজদার (৫০) রয়েছেন। তারা সকলেই কৃষিশ্রমিক হিসেবে ধান রোপণের কাজে অবস্থান করছিলেন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যাটারিচালিত একটি ভ্যানে করে ইয়ারুল ইসলামসহ কয়েকজন শ্রমিক পাশ্ববর্তী ঈশ্বরদী উপজেলার জয়নগর গ্রামে ধান লাগানোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু, পথিমধ্যে নবীনগর এলাকায়, ঈশ্বরদীগামী একটি দ্রুতগতির অ্যাম্বুলেন্স সেই ভ্যানটিকে পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়।

রাস্তায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ভটভটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে যায় ভ্যানের। এই সংঘর্ষের পরপরই ঘটনাস্থলে ইয়ারুল ইসলামের মৃত্যু ঘটে।

দুর্ঘটনার পরে স্থানীয়রা আহত বাবু ও সাজদারকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে, লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহত বাবু হোসেন ও সাজদার রহমানকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে যবিপ্রবিতে গণভোজ, অংশ নেবেন ৩ হাজার ১৩০ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩০ এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে যবিপ্রবিতে গণভোজ, অংশ নেবেন ৩ হাজার ১৩০ শিক্ষার্থী

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) চারটি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের জন্য গণভোজের আয়োজন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ, দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ছাত্র হল ও দুটি ছাত্রী হলে এ গণভোজ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোট ৩ হাজার ১৩০ জন শিক্ষার্থী গণভোজে অংশ নিতে টোকেন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলে ১ হাজার, শহীদ মসিয়ুর রহমান হলে ৯০০, তাপসী রাবেয়া হলে ৫৩০ এবং বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে ৭০০ জন শিক্ষার্থী টোকেন নিয়েছেন।

প্রতিজন শিক্ষার্থীর জন্য গণভোজের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। এর মধ্যে শিক্ষার্থীরা ৭০ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৯০ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট হল কর্তৃপক্ষ ৪০ টাকা করে বহন করছে।

গণভোজের খাবারের তালিকায় মুন্সী মেহেরুল্লাহ হল ও শহীদ মসিয়ুর রহমান হলে রাখা হয়েছে পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুগ ডাল, দই, কোমল পানীয় ও সালাদ। অন্যদিকে তাপসী রাবেয়া হল ও বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে পরিবেশন করা হবে কাচ্চি, মোরগ পোলাও, দই ও কোমল পানীয়।

বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার বলেন, "জুলাই আমাদের কাছে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রতীক। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই গণভোজের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। আমি ও আমার সহপাঠীরা টোকেন সংগ্রহ করেছি। আশা করছি, খাবারের মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সন্তোষজনক হবে।"

মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুর রউফ সরকার বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আমাদের হলে আবাসিক ও অনাবাসিক মিলিয়ে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী টোকেন সংগ্রহ করেছে। আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সুন্দরভাবে গণভোজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।"

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের চর্চাকে আরও শক্তিশালী করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে অগ্নিনির্বাপন ও ভূমিকম্প বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে অগ্নিনির্বাপন ও ভূমিকম্প বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

‘‘দুর্ঘটনা দুর্যোগ, সবার পাশে, সবার আগে" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইল এর তত্ত্বাবধানে, ধনবাড়ী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণের উপস্থিতিতে, অগ্নিনির্বাপন ও ভূমিকম্প বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ০৩ আগষ্ট সোমবার ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহমুদা খাতুন এর সঞ্চালনায়, কর্মশালার উদ্বোধন করেন ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরজাহান আক্তার সাথী। এসময়, ধনবাড়ী উপজেলা মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান সোহান সহ অন্যান্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

এই কর্মশালাটি ধনবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এর আয়োজনে এবং ধনবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ এম


জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সমস্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’, যা শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বলেন, এই জাদুঘর পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার কাজ করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অনুষ্ঠিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আমাদের সামনে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচনের কাজ করবে। এটি আমাদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং সাহসের ইতিহাসকে জাতীয় স্মৃতিতে ধারণ করার একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ।

তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, আজকের এই দিনটি দেশের জন্য একটি যুগান্তকারী মাইলফলক এবং সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের আমলে গুম-খুনকে স্বাভাবিক করে ফেলার ঘটনা ঘটেছিল। শেষ পর্যায়ে, তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র গণতান্ত্রিক শাসন মেনে নিতে পারে নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণকাজের উদ্বোধন সেপ্টেম্বরে : গৃহায়ন প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণকাজের উদ্বোধন সেপ্টেম্বরে : গৃহায়ন প্রতিমন্ত্রী

আগামী সেপ্টেম্বর মাসে শহীদ পরিবার ও গুরুতর আহত যোদ্ধাদের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানা গেছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ বিষয় উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, 'আমরা আশা করছি আগস্টের শেষ সপ্তাহ কিংবা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা উদ্বোধন করবেন বলে আমরা আশা করছি।'

নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ তিন বছরের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলেও তিনি জানান। 'প্রকল্পের আওতায় ১৪টি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এসব ভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হবে।'

ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আবাসন নিশ্চিত করা শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য একটি বড় সহায়তা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগী পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ আরও নিরাপদ থাকবে। এই প্রকল্পটি শুধু একটি আবাসন প্রকল্প নয়, এটি জাতির পক্ষ থেকে জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা আত্মত্যাগ করেছেন কিংবা গুরুতর আহত হয়েছেন, তাদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের এবং তাদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই এই আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।'

তিনি উল্লেখ করেন, 'এটি তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে কোনো প্রতিদান নয়। তাদের অবদানের মূল্য কখনো পরিশোধ করা সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতার একটি প্রতীকী প্রকাশ হিসেবে আমরা তাদের জন্য স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করছি।'

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নিয়মিত ভাতা প্রদান, চিকিৎসা সহায়তা এবং অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আমরা রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবেও তাদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমার নিজ জেলা পিরোজপুরে যারা নিহত বা আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করছি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, এই আন্দোলনকে শুধু জুলাই মাসের একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিক পরিণতি।

তিনি আরও বলেন, 'জুলাই বিপ্লব একদিনে হয়নি। এটি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল। অতীতের বিভিন্ন আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণে ৫ আগস্ট সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি সৃষ্টি হয়।'

প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের সময় ধারাবাহিকভাবে নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের আন্দোলন এবং পরবর্তীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনঅসন্তোষ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। সেই প্রেক্ষাপটে ছাত্র-জনতার আন্দোলন সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন লাভ করে।

তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে নানা ধরনের নির্যাতন, গুম, আয়নাঘর, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ভোটাধিকার হরণের অভিযোগে ক্ষুব্ধ ছিল। সেই ক্ষোভই শেষ পর্যন্ত একটি গণআন্দোলনের রূপ নেয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এর চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে।

সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণের কারণেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন আহম্মদ সোহেল মনজুর। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রসমাজের পাশাপাশি দেশের সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ ছিল আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক এবং সংসদে আলোচনার মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ ও প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে সরকার। এটিকে আমরা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করি।

তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহল থেকে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা থাকলেও সরকার জুলাই সনদের মূল চেতনা বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের সরকারি স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার গেজেটভুক্ত নিহত ও গুরুতর আহতদের তালিকা অনুযায়ী তাদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, গেজেটভুক্ত নিহত ও আহতদের জন্য ভাতা, চিকিৎসা সহায়তা এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আবাসন প্রকল্পও সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নের সুফল যাতে আত্মত্যাগী পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছে যায়, এ বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি জাতির যে ঋণ, তা কখনো শোধ করার নয়। তবে তাদের পরিবার যেন নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, সে জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%