০৪:৩৭ পি.এম
কুষ্টিয়ার লালন বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন এক মিনি স্টেডিয়ামে রূপ নিয়েছে! রাত তখন ৯টা, ঝিরঝির বৃষ্টি ঝরছে।
আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার ম্যাচ শুরু হতে তখনো বাকি প্রায় ১ ঘণ্টা। কিন্তু তাতে ফুটবলপ্রেমীদের উৎসাহে কোনো ভাটা নেই। বৃষ্টি উপেক্ষা করে একে একে দর্শকেরা ভিড় জমাতে থাকেন কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোডে অবস্থিত লালন বিজ্ঞান ও কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলইডি টিভির বড় পর্দার সামনে।
কুষ্টিয়া শহরে এলইডি স্থায়ী বড় পর্দায় স্থাপন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সময় যত গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে দর্শকের উপস্থিতি। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে, হাতে পতাকা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো প্রাঙ্গণ। ম্যাচ শুরুর আগে সেখানে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
রেফারির বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় উচ্ছ্বাসের নতুন অধ্যায়। প্রতিটি পাস, নিখুঁত ড্রিবলিং, আক্রমণ আর গোলের মুহূর্তে করতালি, উল্লাসধ্বনি ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
খেলা দেখতে আসা দর্শক সোহান বলেন, ‘প্রিয় দলের খেলা বড় পর্দায় উপভোগ করার আনন্দই আলাদা। আমরা ১০ জন বন্ধু একসঙ্গে খেলা দেখতে এসেছি। এমন আয়োজন সত্যিই দারুণ।’ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুষ্টিয়ায় বড় পর্দায় বিশ্বকাপ খেলা দেখার এমন উন্মুক্ত আয়োজন আগে খুব একটা দেখা যায়নি।
ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শকের ভিড়। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এসে উৎসবমুখর পরিবেশে খেলা উপভোগ করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কুষ্টিয়াবাসী। তাদের প্রত্যাশা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও শিক্ষাবান্ধব এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এতে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, পুরো শহরের মানুষ একটি সুন্দর ও ইতিবাচক সামাজিক পরিবেশের অংশ হতে পারবে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন