সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০১ এম
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে লাগা আগুনের ফলে একটি ভাড়া বাসার ১৩টি বসতঘর ও দুটি দোকান পুড়ে গেছে। ভাড়া বাসার মালিক দাবি করেছেন যে, এ ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কালুরঘাট শেখ বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের মতে, জামাল সওদাগরের ভাড়াবাসায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
ভাড়া বাসার মালিক জামাল সওদাগর জানিয়েছেন, আগুনে তার ভাড়া বাসার ১৩টি বসতঘর, একটি মুদির দোকান ও একটি বেকারি পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতার কারণে ভাড়াটিয়ারা ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করার সুযোগ পাননি। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভাড়াটিয়াদের মধ্যে রয়েছেন চকরিয়ার গার্মেন্টসকর্মী নাছিমা, গাড়িচালক শাকিল, ভোলার গাড়িচালক নেজাম, গার্মেন্টসকর্মী রাজিব, পটিয়ার রাজমিস্ত্রি হেলাল, হাজারীরচরের জান্নাত ও উখিয়ার গাড়িচালক মুন্না।
গার্মেন্টসকর্মী নাছিমা বেগম বলেন, “গার্মেন্টস থেকে পাওয়া বেতনের ১০ হাজার টাকা ঘরে রেখেছিলাম। আগুনে টাকাগুলো পুড়ে গেছে। ভয়াবহ আগুনে সেই টাকা উদ্ধার করার সুযোগও পাইনি।”
প্রত্যক্ষদর্শী সোহেল জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই চাকরিতে থাকায় আগুন লাগার সময় ঘরে ছিলেন না। ফলে বসতঘর থেকে কোনো মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সেখানে পাঁচটি পরিবার বসবাস করত, বাকিরা ব্যাচেলর হিসেবে থাকতেন।
বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ অলক চাকমা বলেন, পূর্ব কালুরঘাট এলাকায় আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান দেশের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্ত্রী আজ টাঙ্গাইলের বাসাইলে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই আহ্বান জানান, যা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে ছিল।
মন্ত্রী আরও বলেন, "আমরা সংসদে বিরোধী দলকে বারবার আহ্বান জানিয়েছি, বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা নয়, আর জ্বালাও-পোড়াও নয়। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, বিরোধী দলকে বলবো, আপনারা গঠনমূলক রাজনীতি করুন, আপনাদের সহযোগিতা করবো।"
তিনি বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে বলেন, "আপনাদের যত কথা আছে- জাতীয় সংসদে বলুন। সব আলোচনা, ভুলত্রুটি ও সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হোক জাতীয় সংসদ। তবেই সংসদীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।"
মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দিনরাত কাজ করেছেন এবং তার সহকর্মী হিসেবে আমরাও কাজ করে যাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে বাসাইল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরনবী আবু হায়াত খান নবু, সাবেক সভাপতি এনামুল করিম অটল, পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পিন্টু প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মীকে পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার ব্যাংক একাউন্ট থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা, মানিব্যাগ, গলায় থাকা সোনার চেইন ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার। বরিশালে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ওই নেতার নাম এস এম হাসান রাজু, যিনি ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক সভাপতি।
গত ২২ মে সকালে বরিশাল বিএম কলেজের সামনে অবস্থিত একটি এটিএম বুথ থেকে ওই ছাত্রলীগ কর্মীর এটিএম কার্ড ব্যবহার করে ৩ ধাপে মোট ৫০ হাজার টাকা তুলে নেওয়ার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আবু বকর নামের নিষিদ্ধ ওই ছাত্রলীগ কর্মীসহ ডাচবাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে প্রবেশ করছেন হাসান রাজু ও তার এক সহযোগী। পরে ৩ ধাপে মোট ৫০ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয় ওই ছাত্রলীগ কর্মীর ব্যাংক একাউন্ট থেকে।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রলীগ কর্মীর অভিযোগ, এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার আগে তার মানিব্যাগ, মোবাইল ও গলায় থাকা একটি ৫ আনা সোনার চেইন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন হাসান রাজু ও তার সহযোগীরা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাসান রাজুর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, "তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানোর জন্যই এমন অভিযোগ তোলা হয়েছে।"
এ ঘটনার পর গ্রেপ্তার ভয়ে পুলিশের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ জানায়নি ভুক্তভোগী ওই ছাত্রলীগ কর্মী। তিনি বলেন, "জীবনের হুমকি রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে ফেরার পথে পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে গেছে রাজা ওরফে পিচ্চি রাজা ওরফে বাদশা (৩০) নামে এক হাজতি।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানার নাওজোড় হাইওয়ে থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পলাতক পিচ্চি রাজা ঢাকার মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পের এ ব্লকের আ. মোতালেবের ছেলে। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে কারা সূত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে হাজিরার জন্য কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতে নেওয়া হয় রাজাকে। হাজিরা শেষে কাশিমপুর কারাগারে অন্য হাজতিদের সঙ্গে তাকে নিয়ে ফেরার সময় পুলিশ। পথে নাওজোড় হাইওয়ে থানার সামনে পৌঁছালে পিচ্চি রাজা বাথরুমে যাওয়ার কথা জানান। পুলিশ সদস্যরা তাকে বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার সময় কৌশলে তিনি পালিয়ে যান।
ঘটনার পর তাকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট অভিযান শুরু করেছে।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর জেলার জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পলাতক হাজতিকে পুনরায় গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন টিম জোরালো অভিযান চালাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে একজন চিকিৎসকের, যার নাম আঁচল রায় (৩০)।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়।
আঁচল রায় নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ৪২তম বিবিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা ছিলেন এবং মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রারের (নিউরোলজি) দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আঁচল রায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। তার বয়স ছিল ৩০ বছর।
আঁচল রায়ের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
এক শোকবার্তায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডা. আঁচল রায়ের অকাল মৃত্যুতে স্বাস্থ্য পরিবার একজন নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসককে হারাল। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত।’
মন্ত্রী প্রয়াত আঁচল রায়ের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ