১১:১৭ পি.এম
ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো বিচ্ছিন্নতাবাদী ও বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে কড়া সামরিক অভিযান শুরু করেছে দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
আইআরজিসির দাবির ভিত্তিতে, মার্কিন সরকার সমর্থিত এই গোষ্ঠীগুলো যাতে নতুন করে দেশজুড়ে কোনো বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্যই তারা অগ্রিম আঘাত হেনে তাদের অপতৎপরতা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করছে।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছেন, গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারির প্রাণঘাতী বিক্ষোভের মতো আবারও ইরানে নতুন করে সহিংসতা উসকে দেওয়ার একটি ‘শত্রুভাবাপন্ন পরিকল্পনা’ সম্পর্কে তেহরান সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাসিত সংগঠন মোজাহেদীন-ই-খালকসহ বিভিন্ন সরকারবিরোধী গোষ্ঠীকে পুনর্গঠিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সরকারকে বিতর্কিত করতেই আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্য কি না, প্রশ্ন রিজভীর
মোহেব্বি জোর দিয়ে বলেন যে, তারা দেশের সীমান্তে প্রবেশ করার আগেই উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তাদের চক্রান্ত অঙ্কুরেই উপড়ে ফেলা হচ্ছে।
জেনারেল মোহেব্বি আরও জানান, কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতের কারণে সেখানে সামরিক নজর নিবদ্ধ থাকলেও, ইরান অন্য কোনো নিরাপত্তা হুমকির ক্ষেত্রে অন্ধ বা অসচেতন হয়ে পড়েনি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইআরজিসি সর্বদা সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানে গত শীতকালীন আন্দোলন (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) চলাকালে কুর্দি মধ্যস্থতাকারীদের সাহায্যে বিক্ষোভরত ইরানিদের কাছে গোপনে অস্ত্র পাঠানোর চেষ্টা করেছিল ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তীতে এক বক্তব্যে বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকারও করেছিলেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেছেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন