০৭:০২ এম
বর্তমানে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং হামলায় নিহত তাঁর পরিবারের সদস্যদের কফিন ছুঁয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে লাখো ইরানি জমায়েত হয়েছেন।
এটি ইরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা সাধারণ মানুষের কাছে তাদের প্রিয় নেতাকে বিদায় জানানোর শেষ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে এই বিশাল শোকানুষ্ঠান শুধু শোক প্রকাশের মাধ্যম নয়, বরং এটি রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার একটি বড় প্রকাশ। প্রায় চার দশক ধরে ইরান শাসন করে আসা খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর, দেশটির নেতৃত্ব বিশ্বকে দেখাতে চায় যে, খামেনি যে রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন সেটি এখনও অটুট রয়েছে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই ক্ষমতার হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী দিনগুলোতে ইরানের রাস্তায় এই গণজোয়ার বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তেহরানে আরেকটি বিশাল সমাবেশের প্রস্তুতি চলমান, কারণ সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য খামেনির কফিন ঐতিহাসিক ‘ফ্রিডম স্কয়ার’ (আযাদী স্কয়ার)-এ নিয়ে যাওয়া হবে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন
তাহলে এই বিদায়ের চূড়ান্ত সূচি অনুযায়ী ৭ জুলাই: তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে পবিত্র শিয়া নগরী কোমে। ৮ জুলাই: কফিন নিয়ে যাওয়া হবে ইরাকের পবিত্র দুই নগরী কারবালা ও নাজাফে। ৯ জুলাই: সবশেষে মরদেহ ফিরিয়ে আনা হবে ইরানের মাশহাদ শহরে। এটি খামেনির জন্মস্থান এবং শিয়া ইসলামের অষ্টম ইমামের পবিত্র মাজার এখানেই অবস্থিত। এখানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন