ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ডেটা লঙ্ঘন হলেই জানাতে হবে, নতুন নিয়মে সায় দুই সংস্থার


ডেটা লঙ্ঘন হলেই জানাতে হবে, নতুন নিয়মে সায় দুই সংস্থার

অপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিক, দুইটি প্রতিষ্ঠান, এআই এজেন্টের মাধ্যমে কোনো ডেটা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে কর্তৃপক্ষকে বাধ্যতামূলকভাবে জানানোর নিয়মে সমর্থন প্রদান করেছে। অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের এক শুনানিতে প্রতিষ্ঠান দুটির প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক যৌথ কমিটির শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন ওপেনএআইয়ের চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার জেসন কউন এবং অ্যানথ্রপিকের অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড বিষয়ক নীতিপ্রধান ডেভিড মাস্টার্স।

রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ও বিধিমালা নিয়ে উদাসীনতা: টিআইবি

শুনানির সময় জেসন কউন মন্তব্য করেন, এআই কোম্পানিগুলোর জন্য ডেটা লঙ্ঘনের ঘটনা জানানো বাধ্যতামূলক হলে তারা সেটিকে সমর্থন করবেন। তার মতে, কর্তৃপক্ষকে কোন ধরনের ঘটনায় জানানো প্রয়োজন, সে বিষয়ে আইনের মাধ্যমে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পোর্টালে একটি এআই এজেন্টের মাধ্যমে অননুমোদিত প্রবেশের ঘটনা নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগটি জানার প্রায় তিন মাস পর ওপেনএআই অস্ট্রেলিয়া সরকারকে বিষয়টি অবহিত করে। দেশটির আরও তিনটি সরকারি ওয়েবসাইটে এ ধরনের অনুপ্রবেশের ঘটনা পর্যালোচনার আওতায় এসেছে।

ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি সম্পর্কে জানার পর প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে বিষয়টি জানানো হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তা নির্ধারণের চেষ্টা করছিল। জেসন কউন স্বীকার করেছেন, কোম্পানির ভেতরে ঘটনাটি সম্পর্কে তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াটি আরও উন্নত করার প্রয়োজন ছিল।

অ্যানথ্রপিকও বাধ্যতামূলক ডেটা লঙ্ঘন রিপোর্টিংয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা জানান, এআই এজেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের হ্যাকিংয়ের ঘটনা নিয়ে তারা তদন্ত করেছে। তবে অ্যানথ্রপিকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া সরকারের কোনো সিস্টেমে তাদের পণ্য লঙ্ঘন করেছে—এমন প্রমাণ তারা তদন্তে পায়নি।

আরও পড়ুন: অ্যামাজনে নতুন ছাঁটাই, প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারালেন

এদিকে অস্ট্রেলিয়ায় এআই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরও কয়েকটি বিষয় আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে এআই ডেটা সেন্টার এবং কপিরাইট সুরক্ষা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অস্ট্রেলিয়ায় বড় ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছে, যেখানে ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিককে সম্ভাব্য প্রধান গ্রাহক হিসেবে ধরা হচ্ছে।

এআই মডেল প্রশিক্ষণে কপিরাইটযুক্ত কনটেন্ট ব্যবহারের বিষয়েও বিতর্ক চলছে। অস্ট্রেলিয়ার কিছু কনটেন্ট নির্মাতা ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এমন নিয়মের বিরোধিতা করছে, যাতে স্বত্বাধিকারীরা আলাদাভাবে আপত্তি না জানালে এআই কোম্পানিগুলো তাদের কনটেন্ট ব্যবহার করতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (এবিসি) কনটেন্ট ও লিগ্যাল অপারেশনের প্রধান কেট গিলক্রিস্ট মন্তব্য করেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কপিরাইট মালিকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপাবে।

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের এই শুনানি আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত হবে।

আরও পড়ুন: ওপেনএআই বয়কটের মধ্যেই গণিত নিয়ে মুখ খুললেন গুগল ডিপমাইন্ডের বিজ্ঞানী পুষমিত কোহলি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রলারে চড়ে ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


ট্রলারে চড়ে ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন ও সার্বিক উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে তিনি লেকে গিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উন্নয়নকাজের জন্য প্রায় ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ধানমন্ডি লেকের সংস্কার, পুনঃখনন, সৌন্দর্যবর্ধন ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় লেকের জলাশয় পুনঃখননের পাশাপাশি পরিবেশ উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে।

উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে লেক এলাকায় নতুন করে একটি নজরুল মঞ্চ নির্মাণ করা হবে। সেখানে একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি স্থাপনের উদ্যোগও রয়েছে। এর মাধ্যমে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য নতুন পরিসর তৈরির পাশাপাশি ধানমন্ডি লেককে আরও জনবান্ধব করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধানমন্ডি ও গুলশান লেকের সংস্কার ও উন্নয়নকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ওই বৈঠকে ধানমন্ডি লেক পুনর্নির্মাণ, নজরুল সরোবর নির্মাণ এবং ঢাকার পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকায়নে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধানমন্ডি লেককে শুধুমাত্র বিনোদনকেন্দ্র নয়, বরং একটি প্রকৃতিনির্ভর ও শান্তিপূর্ণ জনপরিসর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পূর্বে জানিয়েছিলেন, লেকে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ বা অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরণ হতে দেওয়া হবে না। লেকের পানির মান, পরিবেশ ও স্বাভাবিক সৌন্দর্য রক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এদিকে, ধানমন্ডি এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৫০ কোটি টাকার একটি পৃথক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লেক পুনঃখনন ও উন্নয়নকাজের পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ধানমন্ডি এলাকার পানি নিষ্কাশনব্যবস্থায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন, গেজেট প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন, গেজেট প্রকাশ

ঢাকা, ৬ অক্টোবর ২০২৬ : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। এই অভিনন্দন প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় গৃহীত হয়ে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি অতিরিক্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গেজেটে আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রেখেছিলেন।

এছাড়া, তাঁর মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।

একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ঘটনাকে বিরল ও অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ২৩টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া, তিনি ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এ প্রেক্ষাপটে, ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত ওই অভিনন্দন প্রস্তাব সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যাম্পাসের সহশিক্ষা সংগঠনগুলো গুপ্ত দলের আখড়া: ছাত্রদল সভাপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৬ পি.এম


ক্যাম্পাসের সহশিক্ষা সংগঠনগুলো গুপ্ত দলের আখড়া: ছাত্রদল সভাপতি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহশিক্ষা সংগঠনগুলোতে রাজনৈতিক পদধারীদের অন্তর্ভুক্তিতে নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিয়ে গুপ্ত সংগঠনের মুনাফেক নেতা-কর্মীরা নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় আড়াল করে সাংবাদিক সমিতি, ডিবেটিং সোসাইটি সহ অধিকাংশ সামাজিক -সাংস্কৃতিক - সহশিক্ষামূলক সংগঠনগুলোকে গুপ্ত রাজনীতির আখড়া হিসেবে ব্যবহার করছে।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সোমবার (৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তার ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা বলেন।

রাকিব তার পোস্টে উল্লেখ করেন, এসব সহশিক্ষা সংগঠনগুলোর কমিটি গঠন প্রক্রিয়া, আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা ও লেনদেন পুরোপুরি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়। বিগত সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক সংগঠনগুলোতে যারা শীর্ষ পদে ছিল, পরবর্তীতে তারা কোন দলের পারপাস সার্ভ করে, সেগুলো বিশ্লেষণ করলেই তার বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, "এভাবে সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুপ্ত রাজনীতি'র আতুর ঘর হিসেবে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। অচিরেই গুপ্তদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে।"

তিনি দাবি করেন, সত্যিকারের সাধারণ শিক্ষার্থী অথবা যারা প্রকাশ্য রাজনীতিতে সম্পৃক্ত, উভয়েরই মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী সাংবাদিক সমিতি, ডিবেটিং সোসাইটি সহ ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক সব সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনে অবাধ প্রবেশিধার নিশ্চিত করতে হবে।

এক শ্রেণির অরাজনৈতিক সংগঠনের পদধারী যারা গুপ্ত মোনাফেকদের জাকাতের টাকায় জীবন জীবিকা নির্বাহ করে শিবিরের ঢাল হিসেবে ছাত্রদলকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্ররোচিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য তিনি অনুরোধ করেন। রাকিব বলেন, অরাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে গুপ্ত রাজনীতি মুক্ত করতে হবে। অন্যথায়, ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক অনাকাঙ্খিত প্রেক্ষাপটে যারা শিবিরের বি টিম হিসেবে ছাত্রদলকে মোকাবিলা করতে আসবে, তাদেরকে আজ থেকে কোন ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, গুপ্ত রাজনীতিতে জড়িত হয়েও যারা অরাজনৈতিক সংগঠনগুলো দখল করে শিবিরের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করছে তাদের হাত থেকে এই সংগঠনগুলো উদ্ধার করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণসহ প্রশাসনের নিকট হস্তান্তর এবং কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য সব শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন।

যারা নিরপেক্ষতার আড়ালে ক্যাম্পাসভিত্তিক সংগঠনগুলোতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের আন্ডারগ্রাউন্ড ইউনিট হিসেবে কাজ করে, মব সংস্কৃতি, গালাগালা বা গুপ্ত রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে তাদের কর্মকাণ্ড গোপন থাকবে না। তিনি বলেন, "সময়ই তাদের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করবে এবং সেই অনুযায়ী আইন ও সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।" সেজন্য প্রতিটি ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থী তথা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

রাবিতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা উল্লেখ করে রাকিব বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। গত রোববার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ছাত্রদল সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তবে তিনি প্রশ্ন করেন, "এই ঘটনার নেপথ্যে জড়িত শিবিরের নেতাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে, আমরা সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আপত্তিকর এআই ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী কাপুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


আপত্তিকর এআই ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী কাপুর

বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর, যিনি ‘দেবারা’ সিনেমায় জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে অভিনয় করে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, এবার আলোচনায় এসেছেন একটি আপত্তিকর ভিডিওর কারণে। এই ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়েছে এবং এটি সিনেমাটির ‘চুট্টামাল্লে’ গানের দৃশ্য ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর, দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের বেশ কয়েকজন তারকা ইতোমধ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এবার জাহ্নবী নিজে এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

জাহ্নবী ইনস্টাগ্রামে একটি লিখিত বার্তায় উল্লেখ করেন, "প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারীদের সম্মতি ছাড়া বিকৃত বা আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া যৌন নিপীড়নেরই আরেকটি রূপ।" তিনি আরও বলেন, নারীদের পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা এবং সম্মতি ছাড়া বিকৃত কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া, এসবই যৌন নিপীড়নের একটি রূপ। জাহ্নবী জানান, "আমাদের ইন্ডাস্ট্রির প্রায় প্রতিটি নারীই এরকম কোনো না কোনো অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন। আর সবখানেই নারীরা এমন আচরণের শিকার হচ্ছেন।"

নারীর শরীর, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "একজন নারী কোনো বিষয়ে সম্মতি দিলেও পরবর্তী সময়ে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের অধিকার রয়েছে। তার ‘না’কে যেকোনো পরিস্থিতিতে সম্মান করতে হবে।" জাহ্নবী আরও বলেন, "একজন নারী ছোট পোশাক পরেছেন বলেই তার শরীরের ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশ বা আপত্তিকরভাবে ছবি ধারণের অনুমতি কেউ পেয়ে যান না।"

তিনি উল্লেখ করেন, "একজন নারী কী পরবেন, কোন বিষয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন এবং নিজের শরীর নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন এসব একান্তই তার ব্যক্তিগত অধিকার।" সাম্প্রতিক এআই-নির্মিত ভিডিওর ঘটনাকে বৃহত্তর একটি সমস্যার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জাহ্নবী বলেন, "ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীদের প্রতি হুমকি ও হয়রানি বাড়লেও বাস্তব জীবনেও নারীদের নিরাপত্তা এখনো বড় উদ্বেগের বিষয়।"

পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, "শুধু নারীদের বা মেয়েদের নিরাপদ থাকার পরামর্শ দিলেই হবে না; একই সঙ্গে যে মানসিকতা অন্যের সীমারেখা লঙ্ঘনকে বৈধ মনে করে, সেটিও বদলাতে হবে।"

এ সময় এআই-নির্মিত ওই আপত্তিকর ভিডিওর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য জুনিয়র এনটিআর ও চিরঞ্জীবীকে ধন্যবাদ জানান জাহ্নবী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো তারকাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

বার্তার শেষদিকে নারীর প্রতি সম্মান ও ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রশ্ন তুলে জাহ্নবী বলেন, "একজন নারী শুধু একজন মানুষ হিসেবে সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখেন। তার শরীর যখন তার নিজের, তখন তার ছবি, সীমারেখা ও সিদ্ধান্তও তার নিজের।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%