ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বড়দলে ঘরের দরজা ভেঙে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি


বড়দলে ঘরের দরজা ভেঙে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি

আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দিবাগত রাতে ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বাড়ির মালিক মৃত উজির আলী সরদারের মেয়ে রিজিয়া খাতুন জানান, তিনি সাতক্ষীরায় তার ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন ঘরের দরজা ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে। ঘরের ভিতরে ঢুকে তিনি দেখতে পান তিনটি বাক্সের তালা ভেঙে গিয়েছে এবং বাক্সের মধ্যে থাকা ৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার মূল্যের একজোড়া রুলি, জমি বিক্রয়ের নগদ টাকা, সৌর বিদ্যুতের ব্যাটারি, বিদেশি ংধসংঁহম অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, শাড়ি কাপড় ও অন্যান্য আসবাবপত্র মিলিয়ে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন রিজিয়া খাতুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাম্বল আতঙ্কে উপকূলের মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৮ এম


চাম্বল আতঙ্কে উপকূলের মানুষ

পটুয়াখালী পৌর শহরের বিটাইপ সড়কে প্রবল বাতাস এবং কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মাটি নরম হয়ে একটি বিশাল চাম্বল গাছ শিকড়সহ উপড়ে পড়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটির ওপর। এর ফলে প্রায় তিন হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। একই সময়ে সড়কে গাছটি পড়ে যাওয়ায় যান চলাচলও সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে। গাছটি পার্শ্ববর্তী সরকারি আবাসিক এলাকার একটি বাউন্ডারি ওয়ালের ক্ষতিও করেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে এ ঘটনার ফলে স্থানীয় বাসিন্দা এবং সড়ক ব্যবহারকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। গাছটি বিদ্যুতের খুঁটির ওপর আছড়ে পড়ার কারণে খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ৩৩ কেভি লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং জৈনকাঠী ফিডারের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি বিটাইপ সড়কের ওপর গাছ পড়ে থাকায় উভয় দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছটি কেটে অপসারণ করে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। পরে, ওজোপাডিকোর প্রকৌশলী ও কারিগরি কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত খুঁটি অপসারণ করে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে জৈনকাঠী ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করেন। এর ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়ে যায়।

ওজোপাডিকোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ইব্রাহিম খান জানান, চাম্বল গাছের উপড়ে পড়ার কারণে বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় তিন হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের গাছ অপসারণের পর বিকল্প পদ্ধতিতে জৈনকাঠী ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত খুঁটি ও লাইনের স্থায়ী মেরামতের কাজও চলছে।

পটুয়াখালী সদর ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার দেওয়ান মোহাম্মদ রাজীব বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছটি অপসারণ করে। ফলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে এবং বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা নিরাপদে মেরামতের কাজ করতে সক্ষম হয়েছেন।

এদিকে, এই ঘটনার ফলে আবারও উপকূলীয় অঞ্চলে ঝুঁকিপূর্ণ চাম্বল গাছ নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, কারণ অল্প বাতাস অথবা মাঝারি ধরনের ঝড়েই চাম্বল গাছের বড় ডাল ভেঙে পড়ে অথবা পুরো গাছ উপড়ে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। বিশেষভাবে, টানা বৃষ্টিতে মাটি নরম হয়ে গেলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। যার ফলে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, সড়ক, বসতবাড়ি ও জননিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে।

পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের নির্বাহী পরিচালক জহিরুল ইসলাম বলেছেন, উপকূলে ঝড়, দমকা হাওয়া অথবা ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে চাম্বল গাছ। বছরের পর বছর ধরে আমরা জনবসতির আশপাশে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ চাম্বল গাছ অপসারণ, নতুন করে চারা উৎপাদন ও রোপণ বন্ধে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি করে আসছি। তিনি আরও বলেন, সময়মতো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরণের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা নাইমা আক্তার এবং মাসুদুর রহমান জানান, একটি গাছ উপড়ে পড়ার ফলে একসঙ্গে বিদ্যুৎ, সড়ক যোগাযোগ এবং সরকারি স্থাপনার ক্ষতি হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক বিষয়। তারা শহর ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ চাম্বল গাছ দ্রুত চিহ্নিত করে অপসারণ এবং বিকল্প নিরাপদ প্রজাতির গাছ রোপণের দাবি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৯ এম


প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরিশাল সফরে আসছেন আগামী ১৩ জুলাই। সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই সফরই বরিশাল বিভাগে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর। এই সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার গৌরনদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর গৌরনদী সফর নিয়ে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বাটাজোর এলাকার অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এম জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার সকালে, এ মন্ত্রী বাটাজোর ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় করেন। তিনি এই সফর উপলক্ষে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী সকল সংশ্লিষ্টকে আহবান জানান যে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে হবে। গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে বাটাজোর ইউনিয়নসহ গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমও চলছে। বেশ কিছু কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকী কাজ দ্রুত শেষ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের গৌরনদী আগমনে বরিশাল-১ আসনের বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরন করে নিতে গৌরনদীতে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
অধিগ্রহণে প্রবাসীর স্বপ্নভঙ্গ

ক্ষতিপূরণের কম টাকায় আস্থার সংকটের প্রবাসি বিনিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৯ এম


ক্ষতিপূরণের কম টাকায় আস্থার সংকটের প্রবাসি বিনিয়োগ

“দেশের জন্য কিছু করবো বলে সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে জমিটা কিনেছিলাম। আজ সেই জমির ওপর গড়া স্বপ্নটাই ভেঙে যাচ্ছে চোখের সামনে।” কাঁপা গলায় কথাগুলো বলছিলেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ড. মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন।

ঝিনাইদহ শহরের ব্যাপারীপাড়ার সন্তান ফরহাদ হোসেন। দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় সৎ ও কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। সেই টাকায় ২০১৯ সালে লাউদিয়া মৌজায় একখণ্ড জমিসহ একটি প্রতিষ্ঠিত মার্কেট কেনেন। নাম দেন ‘আল-আজিম মার্কেট’। তার স্বপ্ন ছিল এই মার্কেটটিকে আধুনিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র বানিয়ে এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন।

কিন্তু, সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কবলে পড়েছে তার সাধের মার্কেটটি। অধিগ্রহণ নোটিশ পাওয়ার পর মার্কেটের ১১টি সচল দোকান একে একে বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে চিকিৎসকের চেম্বার ছিল, গাড়ি মেরামতের গ্যারেজ ছিল এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সংসার চালানোর একমাত্র অবলম্বন ছিল। অনিশ্চয়তার মুখে দোকানিরা সবাই চলে গেছেন। বর্তমানে প্রতিটি দোকানের শাটারে তালা ঝুলছে।

ড. ফরহাদ হোসেনের দাবি, “মার্কেটটি সম্প্রসারণের নকশা তৈরি ছিল। অনুমোদনের জন্য আবেদন করবো, ঠিক তখনই অধিগ্রহণের চিঠি এলো। আমার চালু ব্যবসা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সব শেষ হয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো, এই ক্ষতির কোনো ন্যায্য মূল্যায়ন হচ্ছে না।”

তিনি আরো জানান, প্রবাস জীবনের প্রতিটি ডলার তিনি জমিয়েছিলেন দেশে কিছু করার আশায়। “আমরা প্রবাসীরা দেশের স্বার্থে ত্যাগ স্বীকার করতে রাজি। কিন্তু সেই ত্যাগের বিনিময়ে অবিচার পেলে, তাহলে নতুন করে কেউ দেশে বিনিয়োগের সাহস পাবে না। আমার মতো হাজারো ফরহাদের স্বপ্ন মরে যাবে।”

এই মার্কেটটি শুধু ইট-পাথরের স্থাপনা ছিল না, বরং এতে ভাড়াটিয়ার ১১টি পরিবারের রুটি-রুজির জায়গা ছিল। দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই পরিবারগুলোও এখন পথে বসার উপক্রম।

ড. ফরহাদ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন না। তার একটাই চাওয়া হলো আইনের আলোকে ন্যায়বিচার। তিনি বলেন, “উন্নয়ন হোক, কিন্তু সেই উন্নয়ন যেন কোনো প্রবাসীকে কষ্ট দিয়ে না হয়। রাষ্ট্রের কাছে আমার আকুতি, প্রবাসীদের যেন নিজ দেশে পরবাসী মনে না হয়।”

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সাবেক ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা আহম্মেদ সায়াদাত প্রবাসির আবেদন পেয়ে জানিয়েছিলেন, ভূমি অধিগ্রহণ আইন অনুযায়ী তিনি ক্ষতিপূরণ পাবেন। এতে আইনের কোন ব্যাত্যয় ঘটেনি। তাছাড়া গণপুর্তসহ ৬টি বিভাগের সরজমিন দেওয়া রিপোর্ট মোতাবেক প্রবাসী ফরহাদের জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সপ্তাহব্যাপী প্রবল বর্ষণে বাবুগঞ্জে আঞ্চলিক সড়কে ধস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১২ এম


সপ্তাহব্যাপী প্রবল বর্ষণে বাবুগঞ্জে আঞ্চলিক সড়কে ধস

সপ্তাহব্যাপী টানা প্রবল বর্ষণের কারণে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর-মীরগঞ্জ-মুলাদী আঞ্চলিক সড়কের একটি অংশ ধসে পড়েছে। এর ফলে মুলাদী, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ ও কাজিরহাট ফেরিঘাটমুখী গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বাবুগঞ্জ উপজেলার পাঁচ রাস্তা স্টেশন সংলগ্ন খান বাড়ির সামনে সড়কের উল্লেখযোগ্য অংশ পাশের একটি পুকুরে ধসে গেছে। সড়কের কার্পেটিংসহ মাটির বড় একটি অংশ দেবে যাওয়ায় যানবাহনকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে চলমান ভারী বৃষ্টিতে সড়কের নিচের মাটি নরম হয়ে যায়। এর ফলে শুক্রবার গভীর রাতের কোনো এক সময় হঠাৎ করে সড়কের অংশবিশেষ ধসে পড়ে। রহমতপুর-মীরগঞ্জ-মুলাদী সড়কটি বরিশাল জেলার সঙ্গে মুলাদী, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ এবং কাজিরহাট ফেরিঘাট এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ।

আড়িয়াল খাঁ নদীতে ফেরি পারাপারের মাধ্যমে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এবং দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ রুটের অসংখ্য যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে। ফলে সড়কটির ক্ষতি শুধু স্থানীয় যোগাযোগ নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার বলেন, টানা বৃষ্টিতে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় সড়কের একটি অংশ কার্পেটিংসহ পাশের পুকুরে ধসে পড়েছে। তিনি আরও জানান, দ্রুত সংস্কার না করা হলে আরও বড় অংশ ভেঙে পড়তে পারে। এতে সম্পূর্ণ সড়ক ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং যান চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, চলমান বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি ভিত্তিতে সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি স্থায়ী সংস্কার করা না হলে সড়কটির আরও বড় অংশ ধসে পড়তে পারে। বিশেষ করে ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে বরিশাল সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রবল বর্ষণের কারণে সড়কের এ ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কারের জন্য ঠিকাদার নিয়োজিত রয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেরামতের কাজ সম্পন্ন করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%