ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অমুসলিম দেশে মুসলিমদের বসবাস নিয়ে ইসলামের বিধান জানালেন আজহারী


অমুসলিম দেশে মুসলিমদের বসবাস নিয়ে ইসলামের বিধান জানালেন আজহারী

জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে, মুসলমান মানুষকে বিশ্বের নানা স্থানে যেতে হয় এবং সেখানে বসবাস করতে হয়। কখনো কখনো তাদের মাতৃভূমি ছেড়ে মত ও আদর্শের বিপরীত একটি ভূমিকাও আবাসস্থল হিসেবে বেছে নিতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন সৃষ্টি হয়; যদি কোনো মুসলমান এমন দেশকে আবাসস্থল হিসেবে বেছে নেয় বা তার জন্মস্থানই হয় এমন দেশ—যেখানে ইসলামি আদর্শ এবং স্থানীয় সমাজনীতির মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্নতা রয়েছে! তাই, একজন মুসলিম হিসেবে তার করণীয় কী হবে? সে কি পারবে এমন দেশে বসবাস করতে?

সম্প্রতি, ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তায় এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

নিচে তার সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হলো—

আরও পড়ুন: বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাসে লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস উদযাপন

ড. মিজানুর রহমান আজহারী উল্লেখ করেন, কোনো মুসলিম যদি অমুসলিম দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই দাওয়াতের (ইসলামের দিকে আহ্বান) নিয়তে থাকতে হবে। তবে অস্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে যেমন—চিকিৎসা, পড়াশোনা, ভ্রমণ ইত্যাদির ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা বলার দাবী ওঠে। তখন দাওয়াতের নিয়ত থাকা আবশ্যক নয়।

তিনি আরও বলেন, অমুসলিম দেশে বসবাসের ব্যাপারে রাসুল সা. কঠিন ভাষায় সতর্কতা নির্দেশ করে বলেছেন—‘তার ব্যাপারে আমার কোনো দায়-ভার নেই, যে মুশরিকদের সাথে অমুসলিম দেশে বসবাস করে।’ রাসুলের এই স্পষ্ট হুঁশিয়ারি থেকে একজন মুসলিম মুক্তির পথ পাবে, যখন তার নিয়ত থাকবে, অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া।

মিজানুর রহমান আজহারী বলছেন, যথাযথ উপস্থাপনার যোগ্যতা না থাকায় আমরা অমুসলিম দেশগুলোতে ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিতে ব্যর্থ হচ্ছি। বিপরীতভাবে, অমুসলিমরা তাদের ‘বস্তাপঁচা’ মতবাদ, চিন্তা-চেতনা বা আইডিয়লজি বিশ্বমঞ্চে চোখ ধাঁধানো উপস্থাপন করে। এর ফলে, মানুষ সেটাকেই শ্রেষ্ঠ ভাবতে বাধ্য হচ্ছে। সুতরাং আমাদের দাওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।

অমুসলিম দেশে বসবাসরত মুসলিমদের ধর্মীয় দায়িত্ব সম্পর্কে বিশ্বনন্দিত এই তরুণ স্কলার বলেন, যারা অমুসলিম দেশে বসবাস করছি, তাদের প্রত্যেকের জানা থাকা উচিত যে আমরা প্রত্যেকেই ইসলামের প্রতিনিধি। অমুসলিমরা আমাদের দেখে ইসলামের মূল্যায়ন করবে। আর যদি আমরা মিথ্যা বলি, লেনদেনে প্রতারণা করি, তখন তারা আমাদের গালিসূচক ভাববেন না; বরং তারা বলবে মুসলমানরা এমনই। এজন্য আমাদের উচিত সতর্ক থাকা এবং একজন মুসলিম হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা। আর এই ভূমিকা পালন করতে পারবো তখনই, যখন আমরা নিজে ইসলামকে জানবো এবং বুঝবো, ইসলামের চেতনা ও আদর্শ নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে সক্ষম হবো। তাই আসুন, ইসলামের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। না জানলে, আমল করব কীভাবে?

আরও পড়ুন: সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিতদের ক্ষতি করতে পারবে না: খতিব আব্দুল মালেক

ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব আলোচনা করতে গিয়ে ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, আসলে আমাদের সম্মান হলো ইসলামে। হজরত ওমর ফারুক রা. বলতেন, আমরা এমন একটি জাতি যারা আল্লাহ তাআলা ইসলাম দ্বারা সম্মানিত করেছেন। যদি আমরা ইসলাম ছাড়া অন্য কোথাও সম্মান খুঁজে নিয়ে যায়, তাহলে আল্লাহ আমাদের অপদস্ত করবেন। মনে রাখতে হবে ভাইয়েরা, আল্লাহর কাছে মনোনীত ধর্ম হলো একমাত্র ইসলাম। আল্লাহ বলেছেন, ইসলাম ছাড়া যদি কেউ অন্য ধর্ম খুঁজে বের করতে চায়, তাহলে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সুরা আল-ইমরান: ৮৫)

ভিডিওবার্তায় তিনি শরিয়ত মেনে চলার জন্য আল্লাহর তাওফিক কামনা করেন এবং ইসলাম ধর্মালম্বী সর্বসাধারণকে শরিয়ত মেনে চলার ও তাদের সন্তানদের শরিয়ত শিক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থী মনিরের মৃত্যুর সঠিক বিচার ও ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থী মনিরের মৃত্যুর সঠিক বিচার ও ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মোঃ মনিরুজ্জামান মনিরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২৫ জুলাই) মনিরের সহপাঠী ও রংপুর ডিভিশনাল অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ) উদ্যোগে দুপুর ১২টায় একাডেমিক ভবন-৩-এর সামনে সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপদ আবাসনের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সুষ্ঠু বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে।


বিক্ষোভ মিছিল শেষে দোষীদের বিচার, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিকট ছয় দফা প্রধান করে—
১. মেস মালিক ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে মামলা ও ক্ষতিপূরণ:
বিল্ডিং কোড লঙ্ঘন এবং ভাড়াটিয়া শিক্ষার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট মেস মালিক ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিহত শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান মনিরের পরিবারকে উপযুক্ত ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

২. ২৪/৭ ‘ওয়ান কল সার্ভিস’ চালু:
জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টা কার্যকর ‘ওয়ান কল সার্ভিস’ চালু করতে হবে। জরুরি সংবাদ পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ে অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে এবং দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. ২৩ জুলাইয়ের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলাকারী অ্যাম্বুলেন্স চালকদের শাস্তি:
দুর্ঘটনার দিন দায়িত্ব পালনকালে অবহেলা ও বিলম্বের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স চালকদের চিহ্নিত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

৪. ‘খাজা মেসে’ অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন:
মেসটিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল অথবা বিকল্প নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়।

৫. আশপাশের সব মেসের নিরাপত্তা যাচাই:
বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের মেসগুলোর অবকাঠামোগত নিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও বসবাসের উপযোগিতা যাচাই করতে বিশেষ তদন্ত টিম গঠনের দাবি জানানো হয়। অনিরাপদ মেস চিহ্নিত হলে সেখানে শিক্ষার্থীদের বসবাস নিরুৎসাহিত বা নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়।

৬. খাবারের মান উন্নয়ন ও নিয়মিত মনিটরিং:
ক্যাম্পাসের আশপাশের খাবারের দোকান ও হোটেলগুলোর খাবারের মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকি, মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শোনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, হল প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে আজই ‘খাজা মেস’ পরিদর্শনে যাওয়ার কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এরআগে গত ২৩ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় ‘খাজা মেসে’ অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তৃতীয় থেকে নিচে পরে যায় আইসিটি বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ মনিরুজ্জামান মনির। তাৎক্ষণিকভাবে তার সহপাঠীরা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মনিরুজ্জামানের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি কি নিজের জন্য বিপদ ডেকে আনল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


সৌদি কি নিজের জন্য বিপদ ডেকে আনল?

সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে বছরের পর বছর ধরে চলছিল একটি যুদ্ধবিরতি, কিন্তু এখন নতুন করে উত্তেজনার সূচনা হয়েছে। লোহিত সাগরে সৌদি মালিকানাধীন একটি জাহাজে হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের লোহিত সাগর তীরের প্রধান বন্দরনগরী হুদাইদায় বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী।

জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এক্স অ্যাপে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু দখলে নেওয়ার জন্য এই আনুপাতিক সামরিক প্রতিক্রিয়া চালানো হয়েছে এবং অভিযান সমাপ্ত হয়েছে।

ইয়েমেনের নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যাচ্ছে, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল হুদাইদা শহরে অবস্থিত একটি নৌঘাঁটি এবং কামরান দ্বীপের একটি সামরিক ক্যাম্প। তবে হুথিদের নিয়ন্ত্রিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশন জানাচ্ছে, হামলায় হুদাইদায় একজন শ্রমিক এবং কামরান দ্বীপের এক নারী আহত হয়েছেন এবং বিস্ফোরণের শব্দে বন্দর এলাকা কেঁপে উঠেছে।

এর আগে, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা নিজেদের সামুদ্রিক অবরোধের নির্দেশ অমান্য করার কারণে সৌদি জাহাজে হামলার হুমকি দেয় এবং এই সপ্তাহে তারা দুটি সৌদি জাহাজে হামলার দাবিও করে। এর মধ্যে একটি জাহাজে হামলার সত্যতা সৌদি আরব নিশ্চিত করেছে। এই সংঘাতের কারণে ২০২০ সাল থেকে চলে আসা ভঙ্গুর শান্তিচৌকি বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে।

সৌদি জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, হুদাইদা বন্দর লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালানো হয়নি এবং ইয়েমেনের সব বন্দর, যেমন হুদাইদা, রাস ইসা ও সালিফ বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। একইসাথে, সৌদি স্বার্থ রক্ষায় এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জোটটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

এদিকে, সৌদি আরবের ইয়েমেন বিষয়ক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আল-জাবের হুথিদের তীব্র সমালোচনা করে জানিয়েছেন, এই মিলিশিয়া গোষ্ঠী ইয়েমেনকে বৈদেশিক শক্তির হাতের পুতুলে পরিণত করেছে এবং জনগণের দুর্দশা বাড়িয়ে চলেছে। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টির প্রধান রাশাদ আল-আলিমিও একই সুরে মন্তব্য করে বলেন, হুথিরা তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইয়েমেনের স্বার্থ জুয়ায় ঠেলে দিচ্ছে এবং বহিরাগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।

অপরদিকে, হুথি নিয়ন্ত্রিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাকে সংঘাতের নতুন ধাপের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে বিঘ্ন ঘটানো সৌদি আরবের জন্য লোহিত সাগরের গুরুত্ব বর্তমানে বহুগুণ বেড়ে গেছে, যা এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পরবর্তী পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) সংস্থাটির ওয়েবসাইটে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করায় সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে যে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

গতকাল শুক্রবার মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করলে, সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রোববার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাভারে জাতীয় স্মৃতি সৌধে বীর শহীদদের জাতীয় স্মৃতি স্তম্ভের পুস্তক অর্পণ করবেন এবং সাড়ে ১২টা ৩০ মিনিটে শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জিয়ারত করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতিঝিলে মেট্রোর নিচে পাতা ছিল শক্তিশালী বোমা, যা বলছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


মতিঝিলে মেট্রোর নিচে পাতা ছিল শক্তিশালী বোমা, যা বলছে পুলিশ

রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি শক্তিশালী বোমা (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়কারী দল। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুক্তা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার।

পুলিশের ধারণা, উল্টো রথযাত্রাকে লক্ষ্য করে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাটি রাখা হয়েছিল। তবে, আগেভাগেই বোমাটি শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করতে পারায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঘটনাটি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাদী উল্টো রথযাত্রার নিরাপত্তায় হোন্ডা মোবাইল কল সাইনে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রথযাত্রার রুট ছিল ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রম পর্যন্ত। সন্ধ্যা আসার পর ট্রাফিক বিভাগ থেকে ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে মতিঝিলে একটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়ার ব্যাপারে তথ্য জানানো হয়।

একটি ছাতার মধ্যে রাখা ওই বোমায় মিটমিট করে আলো জ্বলার বিষয়টি পুলিশ জানিয়েছে। এরপর খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশ অনুযায়ী এসআই মুক্তা ও তার সহকর্মীরা সকাল ৬টা ২০ মিনিটে মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের জেনারেটর রুমের পাশে ওই এলাকায় উপস্থিত ছাতার বোমাটি ঘিরে রাখেন। সেখানে রথযাত্রার মিছিল উপস্থিত হলে পুলিশ সদস্যরা তাদের স্থানে শর্ট সার্কিট হয়েছে বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

মিছিলটি শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রমের দিকে চলে যায়। শোভাযাত্রা নির্বিঘ্নে চলে যাওয়ার পর ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যেরা এসে সেটি নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

এর পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে বোমার আলামত হিসেবে জিআই পাইপের খণ্ডিত অংশ, ব্যাটারি এবং বেয়ারিংয়ের বল পাওয়ার তথ্যও মামলায় উল্লেখ করেছে পুলিশ।

মামলায় বলা হয়েছে, সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পনার মাধ্যমে বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনগণের জীবন বিপন্ন করার কারণে বোমাটি সেখানে পাতা হয়েছিল।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, উল্টো রথযাত্রাকে টার্গেট করেই ওই বোমাটি রাখা হয়েছিল বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়, এবং তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%