ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

আসছে জিৎ- দেবের নতুন সিনেমা


আসছে জিৎ- দেবের নতুন সিনেমা

দীর্ঘ ২ বছর পর ফের বড়পর্দায় আসছে জিৎ অভিনীত সিনেমা। একই সঙ্গে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির মিছিলে ডাকও রয়েছে দেব অভিনীত সিনেমা। টালিউডের বক্স অফিসে এবার চলবে জিৎ বনাম দেবের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।

তবে প্রেক্ষাগৃহে দুই তারকার দুই সিনেমা মুক্তির সমীকরণের মর্মার্থ ভিন্ন। স্বাধীনতা দিবসে মুখোমুখি লড়াই হচ্ছে না দুই সুপারস্টারের। প্রথমে ঘোষণা করা হয়েছিল, আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পাবে দেব অভিনীত 'বাইক অ্যাম্বুল্যান্স দাদা'। একই দিনে মুক্তির দিন ঘোষণা করে জিৎ-এর নতুন ছবি 'কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত'। ফলে দুই তারকার ছবির সম্ভাব্য বক্স অফিস লড়াই নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল।

২০২৪ সালে 'বুমেরাং'-এর পর দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে বড়পর্দায় ফিরছেন জিৎ। পথিকৃৎ বসুর পরিচালনায় এই সিনেমাতে তিনি অভিনয় করেছেন চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের অন্যতম বীর অনন্ত লাল সিংয়ের চরিত্রে। সিনেমাটি প্রথমে মে মাসে মুক্তির পরিকল্পনা ছিল, তবে পরে সেই পরিকল্পনা বদলে যায়। স্বাধীনতা সংগ্রামের সাহসী যোদ্ধা, আবার অনেকের কাছে ‘ডাকাত’, এই দ্বৈত পরিচয়ের আড়ালে থাকা এক জটিল মানুষের গল্পেই তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমাতে।

আরও পড়ুন: বেরোবিতে ৩য় বার্ষিক তাঁবু বাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান-২০২৬ শুরু

অন্যদিকে, পদ্মশ্রী করিমুল হকের জীবন অবলম্বনে তৈরি হয়েছে দেবের 'বাইক অ্যাম্বুল্যান্স দাদা'। সিনেমার শুটিং ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। দেবের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে রুক্মিণী মৈত্রকে। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বাধীনতা দিবসে আর মুক্তি পাচ্ছে না এই ছবি।

দেব এবং জিৎ, দুই ছবির সহ-প্রযোজনা করেছে নন্দী মুভিজ। সাধারণত একই প্রযোজনা সংস্থার দুটি বড় ছবি একদিনে মুক্তি পায় না। সেই কারণেই দেবের সিনেমার মুক্তির দিন পিছিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে স্বাধীনতা দিবসে বড়পর্দা আপাতত থাকবে জিৎ-এর দখলেই, আর দেব অভিনীত সিনেমার মুক্তির নতুন তারিখ জানার অপেক্ষায় রয়েছেন অনুরাগীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুপুরে প্রকাশ হবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল, জানা যাবে যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ এম


দুপুরে প্রকাশ হবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল, জানা যাবে যেভাবে

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আজ রোববার (১২ জুলাই) প্রকাশ করা হবে। এ উপলক্ষে দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করবেন।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর জানিয়েছে, ফল প্রকাশের পর অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা অনলাইন এবং মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে ফল দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ পোর্টাল।

অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় সারা দেশের মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়েছে প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হবে। এর মধ্যে ‘ট্যালেন্টপুল’ বা মেধাবৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। সরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২৭ হাজার ৫০০ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ৫ হাজার ৫০০টি কোটা নির্ধারিত রয়েছে।

অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তি পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী। যার মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৪১ হাজার ২৫০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৮ হাজার ২৫০টি বৃত্তি পাবে।

বর্তমান বৃত্তির হার অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা পাবে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসিক ২২৫ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা করে পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিল সেনাবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


রাঙামাটিতে বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিল সেনাবাহিনী

রাঙামাটিতে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ও বন্যায় কবলিত পরিবারের জন্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে সেনাবাহিনী। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে সদর সেনা জোনের উদ্যোগে রাঙামাটি শহর এবং কাউখালী উপজেলার তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রের ৮০টি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেন রাঙামাটি সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. একরামুল রাহাত।

সেনা সদর জোন থেকে জানানো হয়েছে যে, রাঙামাটি সদর উপজেলার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র, সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ আশ্রয়কেন্দ্র এবং কাউখালী উপজেলার আর টি এম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘাগড়া আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জোন কমান্ডার। তিনি ভুক্তভোগী মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তিনটি আশ্রয় কেন্দ্রের ৮০টি পরিবারের ২০৪ জন সদস্যের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকছড়ি সেনাক্যাম্প ও ঘাগড়া সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডারগণ, সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ ও ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সেনা সদর জোন থেকে আরও জানা গেছে যে, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পার্বত্য অঞ্চলে চলমান দুর্যোগ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের উদ্ধার, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে কারণে একাদশে জায়গা হয়নি সূর্যবংশীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


যে কারণে একাদশে জায়গা হয়নি সূর্যবংশীর

বৈভব সূর্যবংশীকে যখন স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেও একাদশে সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল না, তখনও তার উপর ছিল সমালোচনা। আবার, যখন তাকে একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হলো, তখনও সেই সমালোচনা অব্যাহত রইল। ব্যাট হাতে আহামরি ভালো না করলেও, তাকে একাদশ থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে চলছে মাতামাতি যা নজর কেড়ে নিয়েছে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ম ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সূর্যবংশীকে বেঞ্চে বসিয়ে সুযোগ দেওয়া হয় স্যাঞ্জু স্যামসনকে। মূলত বাঁহাতি ওপেনার অভিষেক শর্মার সঙ্গে একজন ডানহাতি প্লেয়ার রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার বলেন, 'আমরা এমন একটি সেরা কম্বিনেশন খুঁজছিলাম, যা এই কন্ডিশনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হবে। আমরা চেয়েছিলাম অভিষেকের সঙ্গে একজন ডানহাতি ব্যাটার থাকুক। সেটাই ছিল অন্যতম প্রধান কারণ। দলে বাঁহাতিদের মধ্যে আমি-ই একমাত্র ডানহাতি ছিলাম। তাই এই ম্যাচের জন্য ভিন্ন একটি কম্বিনেশন চেষ্টা করতে চেয়েছিলাম, যেটি আমাদের কাছে বেশি উপযুক্ত মনে হয়েছে।'

এ সময় সূর্যবংশীর ওপর আস্থা প্রকাশ করে আইয়ার আরও বলেন, 'সে (সূর্যবংশী) অসাধারণ একজন ব্যাটার। অতীতে ভারতকে অনেক জিতিয়েছে।'

ভারত, তবে, গোটা সিরিজ জুড়ে সেরা কম্বিনেশন খুঁজে পায়নি। তাই বন্ধী থাকতে হয়েছে হারের বৃত্তে। শ্রেয়াস বলেন, 'প্রথম ম্যাচের পর থেকেই প্রতিটি ম্যাচে কন্ডিশন বদলেছে। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আমাদের সেই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে এবং আরও সচেতন থাকতে হবে।'

'আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে হবে, কোথায় আরও ভালো করা যেত। রান তাড়ায় আমরা একসঙ্গে কয়েকটি উইকেট হারিয়েছি। জুটি গড়ে তোলার বদলে আমরা দ্রুত রান তোলার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়েছি। আমাদের উচিত ছিল নির্দিষ্ট বোলারদের লক্ষ্য করা এবং কিছুটা সময় নিয়ে ইনিংস গড়া।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেঁতুলিয়া থেকে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে জমির উদ্দিন সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


তেঁতুলিয়া থেকে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে জমির উদ্দিন সরকার

রাজনীতিতে প্রবেশ শুরু হয় ১৯৪৫ সালে ছাত্র ফেডারেশনের মাধ্যমে। পরবর্তীতে ছাত্র ইউনিয়ন এবং ন্যাপের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দল গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে ‘জাগদল’ গঠন করেন, তখন তিনি এতে যোগদান করেন। পরে বিএনপি প্রতিষ্ঠা লাভ করলে, তিনি এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হন এবং শুরু থেকেই দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। জমির উদ্দিন সরকার দুই দফায় জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি দুইবার বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তেঁতুলিয়ার নয়াবাড়িতে জন্মগ্রহণ করা প্রবীণ এই রাজনীতিক আজ রবিবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক এবং আইন অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জমির উদ্দিন সরকারের জন্ম ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর, তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে। তার বাবা মৌলভী মুহম্মদ আজিজ বক্স এবং মা বেগম ফখরুন্নেছা।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৬১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান এবং লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফিরে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনে একজন প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ হিসেবে সুনাম অর্জন করেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং স্পিকার হিসেবে ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদে স্পিকার হিসেবে তিনি সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী পদত্যাগ করার পর, সংবিধান অনুযায়ী তিনি ২১ জুন ২০০২ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ পর্যন্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট পাঁচবার (১৯৭৯, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৯ সালে) জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি পঞ্চগড়-১, ঢাকা-৯, বগুড়া-৬ ও দিনাজপুর-১ আসন থেকে জনসাধারণের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আবদুস সাত্তার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন মেয়াদে তিনি গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার এক কন্যা (নিলুফার জমির) এবং দুই পুত্র (নওশাদ জমির এবং নওফল জমির) এর বাবা। তার স্ত্রী নূর আখতার। তার ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমিও বিএনপির রাজনীতির সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%