০৩:৩৭ পি.এম
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল উল্লেখ করেছেন যে, রাষ্ট্রযন্ত্রের সবাই অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করেছেন বলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিশু রামিসা হত্যাকান্ডের সুবিচার নিশ্চিত হয়েছে।
শিশু রামিসা হত্যার আলোচিত রায় ঘোষণার পর আজ তিনি নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমার মনে হয় রামিসার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্রের সবাই অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করেছেন বলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্মম এই হত্যাকান্ডের সুবিচার আমরা পেয়েছি।’
অ্যাটর্নি জেনারেল এ বিষয়ে আরও জানান, বিচারিক আদালতের দেওয়া আজকের রায়ের ডেথ রেফারেন্সটি (রায় সংশ্লিষ্ট নথি) হাইকোর্টে আসার পরে সেটি শুনানির জন্য প্রস্তুত করার একটা বিধান রয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে চেষ্টা করব সেটি শুনানির জন্য ব্যবস্থা করতে। এ ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতির বিশেষ নির্দেশনার প্রয়োজন হতে পারে।
আরও পড়ুন: দুর্গাপূজায় অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আজ সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করে আদালত।
গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খন্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। তার আগে আসামি সোহেল শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে বাসা থেকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সন্ধ্যায় সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।
গত ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। ১ জুন সোহেল ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। চার্জ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে গত ৪ জুন আদালত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
আরও পড়ুন: নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি পুনরায় শুরু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন