বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৯ পি.এম
বগুড়ার আদমদীঘিতে তিন কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হবির মোড় এলাকায় যাত্রীবাহী একটি সিএনজি তল্লাশি করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মংলা বাজার গ্রামের আব্দুল করিমের স্ত্রী পারুল বেগম (৫৬)। অপরজন হলেন একই উপজেলার ঘাসুড়িয়া গ্রামের রহিদুল ইসলামের স্ত্রী রূপালী বেগম (৪০)।
সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে আক্কেলপুরের তিলকপুর এলাকা থেকে বগুড়ার সান্তাহারের উদ্দেশে মাদকের একটি চালান আসার খবর পাওয়া যায়। এ তথ্যের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম-ইসবপুর এলাকায় অবস্থান নেয়। এরপর বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি শুরু করা হয়।
এ সময় নম্বরবিহীন একটি সিএনজি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে যাত্রীবেশে থাকা পারুল বেগম ও রূপালী বেগমের কাছ থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে গাঁজাসহ তাদের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সান্তাহার সার্কেলের পরিদর্শক সামসুল আলম জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক শামীমা আক্তার বাদী হয়ে আদমদীঘি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মোট ৫৫ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। একই সময়ে নতুন ৮১ কিলোমিটার ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট এবং ৫৯ কিলোমিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. জাহান্দার আলী মিয়ার (মাদারীপুর-২) লিখিত প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ তথ্য প্রদান করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
মন্ত্রী আরও জানান, ওই অর্থবছরে সরকার ২৫৯ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করেছে। এছাড়া ১৫৮ কিলোমিটার সড়ক শক্তিশালীকরণ এবং ২৫৮ কিলোমিটার মহাসড়ক পুনঃপৃষ্ঠায়নের কাজও সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এ সময়ে মোট ৪ হাজার ৫৮৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ৫৮টি সেতু, ১ হাজার ১৫২ মিটার দৈর্ঘ্যের ২১৪টি কালভার্ট, ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ফ্লাইওভার, ৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ওভারপাস এবং মোট ২১ দশমিক ৩৫ মিটার দৈর্ঘ্যের দু’টি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানালেন, বর্তমানে মোট ১৫ হাজার ৮৫১ কোটি ৮ লাখ টাকা এডিপি বরাদ্দে ৯৫টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা পাবলিক মাঠসংলগ্ন এলাকায় ব্র্যাক অফিসের উদ্যোগে একটি বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্র্যাক মাইক্রো ফাইন্যান্স (দাবি কর্মসূচি)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পে ৪১০ জন চক্ষু রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ করা হয়।
ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন জামালপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র পাঁচরাস্তা এলাকায় অবস্থিত হযরত শাহজামাল (রহ.) জেনারেল হাসপাতাল লিমিটেডের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডা. নাহিদ ফেরদৌস এবং প্যারামেডিক মো. জুলহাস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ব্র্যাক মাইক্রো ফাইন্যান্সের সিনিয়র আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক সাদেক হোসেন ও এলাকা ব্যবস্থাপক আলীম উদ্দিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক জামালপুর জেলার সমন্বয়কারী (এমএসএলডি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ব্র্যাক বকশীগঞ্জ আঞ্চলিক অফিসের ড্রিম ডিভাইড প্রধান কুমার দে, আঞ্চলিক সমন্বয়কারী এমএসএলডি মো. রফিকুল ইসলাম, সারমারা শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) ছালেম আওয়াল, ব্রিম এক্সপি মো. রবিউল ইসলাম, হযরত শাহজামাল (রহ.) জেনারেল হাসপাতাল লিমিটেডের মার্কেটিং ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম রতনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয়রা জানান, এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ এলাকার অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী ভূমিকা পালন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- সরকারকে দেশের জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাস ও পবিত্র কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন প্রণয়ন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে হক্কানী আলেম-ওলামাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আইন ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
৯ সেপ্টেম্বর বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি চলমান হিবা আইন নিয়ে আলিম সমাজের মতামত গ্রহণ করে আইনটি পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের দাবি জানান।
তিনি বলেন, ইসলামি শরীয়ত-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে হক্কানী আলেম-ওলামা ও ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে তা অধিক গ্রহণযোগ্য ও জনকল্যাণকর হবে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি চলমান হিবা আইনটি সংশোধন করে কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সঙ্গে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের এ অবস্থানের কথা জানান তিনি।
ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাও তিনি।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। মানুষ যার কাছে প্রাপ্তির আশা করে, তার কাছেই প্রত্যাশা করে। আমাদের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে কিশোর গ্যাং। তারা কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে দিন দিন বিচরণ করছে। মাদক যদি এখনই রোধ করতে না পারি, একসময় এর বিস্তার দিন দিন বাড়তেই থাকবে। এখনই যদি এটাকে টেনে ধরতে না পারি, তাহলে একসময় এই সমাজ ভেঙে যাবে। এই পরিবেশ থাকবে না, অসুস্থ মানুষের বসবাসে পরিণত হবে। আমাদের প্রথম টার্গেট— কীভাবে মাদক নির্মূল করা যায়।’
মাদক নির্মূলে প্রতিটি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে টিম গঠন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।
একই সঙ্গে মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘তালিকা তৈরি করেন। সেই তালিকা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
যানজট নিরসনে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অনিয়ন্ত্রিত হয়ে গেলে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না। এখনই কীভাবে নিয়ন্ত্রণের আওতায় এবং লাইসেন্সের আওতায় আনা যায়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গতি আনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সকলে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা এবং উন্নয়নের কাজগুলো করা সম্ভব। উন্নয়নমূলক কাজ ধীরগতির হলে আমাকে অবহিত করবেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।’
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতি মাসে জেলাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের আপডেট নেবেন। এজন্য সবাইকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় বক্তারা অবাধে মাদক বিক্রি, কিশোর গ্যাং, ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাই রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা, অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং যানজট নিরসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশের আরো জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান সংসদ সদস্যরা।
ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী ও ফেরদৌসী আহমেদ, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক দক্ষিণ) মো. তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুর রাফিউল আলমসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ