ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধীদল সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধীদল সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, বিরোধীদল সাংবিধানিক সংশোধনীতে সহযোগিতা করছে না।

তিনি সোমবার সকালে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

সাংবিধানিক সংশোধনী আনার ইচ্ছা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি সাংবিধানিক সংশোধনী আনতে চাই; যে সংশোধনীকে অনেকে সংস্কার বলতে পারেন।’

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সম্পত্তি দখল করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি উল্লেখ করেন, ‘তারা সংস্কার বলে যদি তুষ্ট থাকেন, আমাদের আপত্তি নেই কিন্তু তারা এই সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধী দল হিসেবে সহযোগিতা এখনো পর্যন্ত করছে না।’

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, ‘আমরা শুনেছি গতকাল, বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন তারা সরকারকে সহযোগিতা করবেন না। ১৮ কোটি জনগণকে সহযোগিতা করবেন। ১৮ কোটি জনগণকে সহযোগিতা করুন, এটাই আমরা চাই।’

তিনি বলেন, ‘বিরোধীদল হিসেবে গঠনমূলক সমালোচনা এবং সরকারের ভুল-ত্রুটি ধরে দেবেন, এটাই আমরা চাই। কিন্তু রাস্তার বক্তব্য এবং সাংবিধানিক সংস্কারে আপনাদের যে অবদান, দুটোর মধ্যে মিল থাকতে হবে।’

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যর্থ হলো আরো এক চেষ্টা, মিলল না নিখোঁজ পাইলট অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টের হদিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


ব্যর্থ হলো আরো এক চেষ্টা, মিলল না নিখোঁজ পাইলট অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টের হদিস

প্রায় ৯০ বছর আগে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে বিমান চালানোর সময় কিংবদন্তি বিমানচালক অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্ট রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। সিএনএন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি প্রত্যন্ত দ্বীপে নতুন একটি অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, সেখান থেকেও ইয়ারহার্টের বিখ্যাত ‘লকহিড ১০ই ইলেক্ট্রা’ বিমানের ধ্বংসাবশেষের কোনো অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনভিত্তিক ‘আর্কিওলজিক্যাল লিগ্যাসি ইনস্টিটিউট’ এবং ইনডিয়ানার ‘পারডিউ বিশ্ববিদ্যালয়’-এর গবেষক ও প্রযুক্তিবিদদের ১৭ সদস্যের একটি যৌথ দল গত ১২ অক্টোবর নিকুমারোরো নামক নির্জন দ্বীপটিতে পৌঁছায়। এর আগে ২০২০ সালে স্যাটেলাইট ছবিতে নিকুমারোরো দ্বীপের একটি লেগুনে বিমান-আকৃতির একটি ঝাপসা বস্তু দেখা যায়, যার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘তারাইয়া অবজেক্ট’। গবেষকরা ধারণা করেছিলেন, এটি হয়তো ইয়ারহার্টের নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ। তবে উচ্চপ্রযুক্তির ম্যাগনেটোমিটার ব্যবহার করে পুরো এলাকা অনুসন্ধানের পর তারা নিশ্চিত হন যে সেটি কোনো বিমানের অবশেষ নয়—বরং উপকূলে জমা হওয়া বড় বড় গাছের গুঁড়ির সমষ্টি ছিল।

অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্ট ১৯৩৭ সালের ২ জুলাই প্রথম নারী হিসেবে বিমানে বিশ্ব প্রদক্ষিণের ঐতিহাসিক উদ্দেশ্যে রওনা হন তার সহ-চালক ফ্রেড নুনানের সঙ্গে। নিউ গিনির লায়ে থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের ক্ষুদ্রতম ভূখণ্ড হাওল্যান্ড দ্বীপের উদ্দেশ্যে উড্ডয়নের পর তারা হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান।

প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার যাত্রাপথে তাদের বিমানের জ্বালানি ফুরিয়ে যায় এবং গন্তব্যের কাছাকাছি মহাসাগরেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তবে অন্য এক দলের গবেষকদের ধারণা ছিল, বিমানটি হাওল্যান্ড দ্বীপের প্রায় ৪০০ মাইল দক্ষিণে নিকুমারোরো দ্বীপে জরুরি অবতরণ করেছিল এবং সেখানেই আটকে পড়ে ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় তাদের মৃত্যু হয়।

নিকুমারোরো দ্বীপে এ পর্যন্ত ১৫ বার অনুসন্ধান চালানো হলেও প্রতিবারই গবেষকদের খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। এমনকি ২০১৯ সালে বিখ্যাত সমুদ্রবিজ্ঞানী বব ব্যালার্ড এবং ২০২৪ সালে অনুসন্ধানকারী সংস্থা ‘ডিপ সি ভিশন’-এর সোনার ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করেও কোনো ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়নি।

প্রশান্ত মহাসাগরের দুর্গম এই অ্যাটলটিতে সাম্প্রতিক মিশনটি ব্যর্থ হলেও গবেষকদের দাবি, এই তত্ত্ব যাচাই করাই তাদের মূল লক্ষ্য ছিল। অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টের রহস্যময় অন্তর্ধানের সত্য উন্মোচনে ভবিষ্যতে গভীর সমুদ্রে আরো নতুন প্রযুক্তি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বিজ্ঞানীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাটুরিয়ার কৃষকরা আগাম ফুলকপিসহ শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


সাটুরিয়ার কৃষকরা আগাম ফুলকপিসহ শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। জমির বিভিন্ন স্থানে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও অন্যান্য সবজির চারা রোপণ করা হচ্ছে, আবার কোথাও গাছের পরিচর্যা চলছে। কিছু জমিতে কৃষকরা আগাম উৎপাদিত সবজি বাজারে বিক্রি করছেন। গত মৌসুমে আগাম সবজি চাষ করে তারা ভালো লাভ পেয়েছিলেন, তাই এবারের মৌসুমেও তারা আশাবাদী। শীতের শুরুতেই সবজি বিক্রি করে অধিক মুনাফার প্রত্যাশা করছেন কৃষকরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন সবজি চাষের কর্মযজ্ঞ চলছে। ফুকুরহাটি, জান্না, তিল্লী, দরগ্রাম ও চর তিল্লীসহ বিভিন্ন স্থানে ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, শিম, করলা, পটল, লাউ, মুলা, টমেটো, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, গাজর ও নানা ধরনের শাকের আবাদ হচ্ছে। কৃষকরা এসব সবজি চাষ করে একদিকে পরিবারের চাহিদা পূরণ করছেন, অন্যদিকে উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৯৫০ হেক্টর জমিতে নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ইতোমধ্যে ৯৯১ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজির আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকদের আগ্রহ ও অনুকূল বাজার পরিস্থিতির কারণে আবাদি জমির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছর উপজেলায় আগাম শীতকালীন সবজির ব্যাপক আবাদ হয়েছিল। মৌসুমের শুরুতে ভালো দাম পাওয়ায় অনেক কৃষক লাভবান হন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবারে শীতের পুরোপুরি আগমনের আগেই আগাম জাতের সবজি চাষে ঝুঁকছেন তারা। ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, বেগুন, মুলা, পালংশাক ও ধনেপাতা সহ বিভিন্ন সবজির আবাদ করছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে সবজির চাষাবাদ চলছে। কোথাও কৃষকরা জমি প্রস্তুত করে চারা রোপণ করছেন, কোথাও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আবার কোনো জমিতে উৎপাদিত সবজি তুলে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। অনেক ক্ষেত্রে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা সরাসরি কৃষকের ক্ষেত থেকে সবজি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে কৃষকদের পরিবহন খরচ ও বাজারে পণ্য নিয়ে যাওয়ার ঝামেলা কমছে।

কৃষকদের ভাষ্য, শীতকালীন সবজির চাহিদা সারা মৌসুমেই থাকে। তবে মৌসুমের শুরুতে সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় আগাম সবজির দাম ভালো পাওয়া যায়। এ কারণে আগাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় অনেক সবজি অল্প সময়ে বিক্রির উপযোগী হয়। ফলে দ্রুত পুঁজি ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি লাভের সুযোগও তৈরি হয়।

উপজেলার ফুকুরহাটি এলাকার কৃষক নায়েব আলী (৫৫) জানান, তিনি ৬০ শতাংশ জমিতে ফুলকপির আবাদ করেছেন। আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করে তিনি ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন।

নায়েব আলী বলেন, ‘সবজি চাষ করে আমাদের সংসারে সচ্ছলতা এসেছে। এখন আর সবজি বিক্রির জন্য হাটবাজারে যেতে হয় না। পাইকাররা ক্ষেত থেকেই সবজি কিনে নিয়ে যান। এতে সময় ও খরচ দুটোই কম লাগে। ভালো দাম পেলে কৃষকের লাভও বেশি হয়।’

তিনি আরও জানান, ফুকুরহাটি ইউনিয়নে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির আবাদ হয়। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এসব সবজি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

উপজেলার দরগ্রাম এলাকার রৌহা গ্রামের কৃষক নয়া মিয়া (৫৫) জানান, চলতি মৌসুমে তিনি ১৫ শতাংশ জমিতে বেগুনের আবাদ করেছেন। এ পর্যন্ত দুই দফায় প্রায় ছয় মণ বেগুন তুলে আড়তে বিক্রি করেছেন। প্রতি মণ বেগুনের দাম পেয়েছেন ১ হাজার ৭৫০ টাকা। জমিতে আরও তিন থেকে চার দফা বেগুন তোলার সম্ভাবনা রয়েছে।

নয়া মিয়া বলেন, ‘অন্য ফসলের তুলনায় সবজি চাষে লাভ বেশি হওয়ায় আমি সবজি আবাদ করছি। এখন ঢাকার পাইকাররা জমি থেকেই সবজি কিনে নিয়ে যান। ফলে সবজি বাজারে নেওয়া ও বিক্রি করার বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয় না। এতে আমাদের সময় ও খরচ দুটোই বাঁচে।’

চর তিল্লী গ্রামের কৃষক আতাউর হোসেন (৪০) জানান, তিনি ৩০ শতাংশ জমিতে করলার আবাদ করেছেন। তার মতে, তুলনামূলক কম জমি ও পুঁজি দিয়েও সবজি চাষ শুরু করা যায়। অল্প সময়ের মধ্যে অনেক সবজি বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। এতে নিয়মিত আয় করার সুযোগ তৈরি হয়।

আতাউর হোসেন বলেন, ‘সবজি চাষে খুব বেশি জমির প্রয়োজন হয় না। তুলনামূলকভাবে মূলধনও কম লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই সবজি বিক্রি করা যায়। পাশাপাশি পরিবারের চাহিদাও মেটানো সম্ভব। চলতি মৌসুমে সবজির দামও ভালো। সব মিলিয়ে আমরা সবজি চাষকে লাভজনক মনে করছি।’

স্থানীয় কৃষকদের মতে, ক্ষেত থেকে সরাসরি পাইকারদের কাছে সবজি বিক্রির সুযোগ তাদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এতে বাজারে পণ্য পরিবহনের খরচ, সময় ও শ্রম কম লাগছে। তবে উৎপাদন খরচ, আবহাওয়া এবং বাজারদরের ওঠানামা তাদের লাভের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. তানিয়া তাবাসসুম বলেন, ‘সাটুরিয়া সবজি চাষের জন্য একটি পরিচিত উপজেলা। এখানে ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুনসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে চাষ হচ্ছে। আগাম জাতের সবজি উৎপাদনের ফলে একদিকে দেশের সবজির চাহিদা পূরণে অবদান রাখা সম্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষকরাও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, সবজির উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি কৃষি বিভাগ প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। আগাম জাতের সবজি চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষকের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদো মেসিকে টপকে ব্যালন ডি’অরের বিশেষ ভোটে এগিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


রোনালদো মেসিকে টপকে ব্যালন ডি’অরের বিশেষ ভোটে এগিয়ে

ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসের সেরা বিজয়ী নির্বাচন করার জন্য আয়োজিত একটি বিশেষ অনলাইন ভোটে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো লিওনেল মেসির চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ভোটে অংশগ্রহণকারী সমর্থকদের মধ্যে পর্তুগিজ তারকার ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমটি সবচেয়ে বেশি সাড়া পেয়েছে।

ব্যালন ডি’অরের একটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মে চলতি অক্টোবরের শুরুতে এই ভোটাভুটি শুরু হয়েছে, যা প্যারিসের স্থানীয় সময় ২৭ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত চলমান থাকবে। ইতিহাসের ১০ জন কিংবদন্তি বিজয়ীর একাধিক ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমের মধ্যে থেকে সমর্থকেরা পছন্দের একটি মৌসুম বেছে নিতে পারছেন। তালিকায় মেসি ও রোনালদোর পাশাপাশি রয়েছেন রোনালদো নাজারিও, মার্কো ফান বাস্তেন, মিশেল প্লাতিনি, কার্ল-হাইন্ৎস রুমেনিগে, কেভিন কিগান, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইয়োহান ক্রুইফ ও আলফ্রেডো দি স্তেফানো।

এই ভোটের অন্যতম আকর্ষণ হলো, প্রতিবার ভোট দিতে খরচ হচ্ছে এক ইউরো। এর বিনিময়ে ভোটাররা চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট জেতার লটারিতে অংশ নিতে সক্ষম হচ্ছেন। পাশাপাশি ট্রফির একটি বিশেষ ছবিও ডাউনলোড করার সুযোগ রয়েছে। একজন সমর্থক চাইলে একাধিকবার ভোট দিতে পারবেন, এমনকি একই মৌসুমের পক্ষেও বারবার ভোট দেওয়া যাবে। ভোটের বর্তমান শতাংশও দেখা যাচ্ছে প্ল্যাটফর্মটিতে।

প্রকাশিত ভোটের হিসাব অনুযায়ী, রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুমটি প্রায় ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে সেবার প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ক্যারিয়ারে মোট পাঁচবার এই পুরস্কার নিজের করে নেন পর্তুগিজ তারকা।

অন্যদিকে, মেসির ২০১২ সালের ঐতিহাসিক মৌসুমটি পেয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট। ওই ক্যালেন্ডার বছরে ৬৯ ম্যাচে ৯১ গোল করে নতুন রেকর্ড গড়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। একই সঙ্গে টানা চতুর্থবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করেন তিনি। তবে মেসির আটটি ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমের মধ্যে ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ায় তার কোনো একটি মৌসুম অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মেসির ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমটি পেয়েছে প্রায় ৯ শতাংশ ভোট। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পর এই পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। ওই সময়ে পিএসজির হয়ে ৪১ ম্যাচে ২১ গোল করার পাশাপাশি ২০টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন এই তারকা। ক্লাবের হয়ে লিগ ওয়ান ও ফরাসি সুপার কাপও জিতেছিলেন তিনি।

ভোটের তালিকায় রোনালদোর ২০০৭ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম পেয়েছে প্রায় ৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, ২০১৬ সালের মৌসুমের পক্ষে ভোট পড়েছে প্রায় ২ শতাংশ। বাকি মৌসুমগুলোর কোনোটি এক শতাংশের বেশি ভোট পায়নি, আবার কয়েকটির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভোটের হারও দেখা যায়নি।

এদিকে, ক্যারিয়ারে ১,০০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার লক্ষ্যেও এগিয়ে যাচ্ছেন মেসি ও রোনালদো। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মেসি ১,১৮০ ম্যাচে ৯৩৬ গোল করেছেন। অন্যদিকে, রোনালদোর গোলসংখ্যা ১,৩৪০ ম্যাচে ৯৮১।

ভোটের ফলাফল অনুযায়ী, আপাতত রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুমটি সমর্থকদের পছন্দে এগিয়ে থাকলেও মেসির বিভিন্ন ব্যালন ডি’অরজয়ী বছরগুলোতেও ভোট পড়ছে। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভোট চলায় শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে জরাজীর্ণ ভবনে চিকিৎসা চলছে, আতঙ্কিত নার্স ও রোগীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


লক্ষ্মীপুরে জরাজীর্ণ ভবনে চিকিৎসা চলছে, আতঙ্কিত নার্স ও রোগীরা

লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর সরকারি হাসপাতালের জরাজীর্ণ ভবনে চিকিৎসা সেবা ঝুঁকির মধ্যে চলছে। সোমবার দুপুরে হাসপাতালের ১ নম্বর কক্ষে রোগী দেখার সময় আকস্মিকভাবে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে, যার ফলে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. রাইসাসহ চারজন রোগী অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।

এর আগে, গত ১ অক্টোবর একই হাসপাতালের রেস্টরুমে সিলিং ফ্যানসহ পলেস্তারা খসে পড়ে, যার ফলে গুরুতর আহত হন ডা. ফৌজিয়া মোস্তফা। একের পর এক ঘটে যাওয়া এসব দুর্ঘটনার কারণে হাসপাতালটিতে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জরাজীর্ণ পুরাতন ভবনের নিচতলায় ১২১ নম্বর কক্ষে পুনরায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পলেস্তারা খসে পড়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ অংশের নিচে থাকা রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

গত বছর প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে হাসপাতালের পুরাতন ভবন ও চিকিৎসকদের আবাসিক ভবনটি সংস্কার করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, নিম্নমানের কাজের কারণে সংস্কারের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বিভিন্ন কক্ষের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়তে শুরু করেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সুস্থ হতে এসে এখন জীবন ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত হাসপাতালের ভবনটি নিরাপদ ও সঠিকভাবে পুনঃসংস্কারের জোর দাবি জানান, যাতে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাঈমা নুসরাত জাবীন বলেন, হাসপাতালের পুরাতন ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অবকাঠামোগত এই ঝুঁকির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি সতর্ক করেন যে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%