ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৪ দিনে শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে উঠল ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা


৪ দিনে শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে উঠল ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারে স্থাপিত নতুন দানবাক্সের অর্থ গণনা করেছে জেলা প্রশাসন, যা প্রায় ৭০০ বছরের প্রচলিত রেওয়াজ ভেঙে। অপরদিকে, মাত্র চার দিনে দানবাক্সগুলোতে জমা হয়েছে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকার সঙ্গে ৭ আনা ওজনের স্বর্ণালঙ্কার এবং ১০ সৌদি রিয়াল।

সোমবার (২২ জুন) সকালে বিদায়ী জেলা প্রশাসক ও মাজারের প্রশাসক মো. সরওয়ার আলমের নির্দেশে মাজার প্রাঙ্গণে স্থাপিত দানবাক্সগুলো খোলা হয়। প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা করেন।

গণনা শেষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া সব অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী সরকারি নিয়ম অনুসারে সংরক্ষণ করা হবে। পরে এগুলো সোনালি ব্যাংকে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামে খোলা সরকারি হিসাবে জমা রাখা হবে।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে সেলুনে ঢুকে নরসুন্দরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্ত্রী অভিযুক্ত

দীর্ঘদিন ধরে মাজারে ভক্তদের দান ঐতিহ্যগতভাবে খাদেমদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে আসছিল। তবে আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৮ জুন জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শতবর্ষী দানের ডেক সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ভক্ত, খাদেম এবং বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এদিকে নতুন দানব্যবস্থা চালুর কয়েক দিনের মধ্যেই জেলা প্রশাসক মো. সরওয়ার আলমের প্রত্যাহারের আদেশ জারি হয়। বদলির আদেশ মাথায় নিয়েই নিজের শেষ কর্মদিবসে দানবাক্সের অর্থ গণনার উদ্যোগ নেন তিনি। বিষয়টি সিলেটজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ওয়াকফ অডিটর মো. সজল মিয়া বলেন, মাজারে পাওয়া অর্থ, সোনা ও বৈদেশিক মুদ্রা যথাযথভাবে হিসাবভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে এগুলো সংরক্ষণ ও ব্যাংকে জমার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অধিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই জেলা প্রশাসন এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: বাংলা একাডেমিতে বৌদ্ধ ঐতিহ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাজারের টাকার হিসাব চেয়ে ইতিহাস গড়লেন ডিসি সারওয়ার: দেশজুড়ে তোলপাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৪ এম


মাজারের টাকার হিসাব চেয়ে ইতিহাস গড়লেন ডিসি সারওয়ার: দেশজুড়ে তোলপাড়

সরকারি নির্দেশনা মেনে হয়তো তাকে বিদায় নিতে হবে, এটাই আমলাতান্ত্রিক বাস্তবতা। কিন্তু বিদায় নেওয়ার আগে তিনি যা করে গেলেন, তা দেশের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন অধ্যায়। তিনি আর কেউ নন—আলোচিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ সারওয়ার আলম। শত শত বছরের অচলায়তন ভেঙে মাজারের আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়ে এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।
সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দীর্ঘ ৭০০ বছরের ইতিহাসে এর আগে কেউ কখনো এভাবে প্রকাশ্য আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়ার সাহস করেনি, এমনকি সাধারণ মানুষও কখনো ভাবেনি যে এই হিসাব চাওয়া সম্ভব। ডিসি সারওয়ার আলমের এই একটি সাহসী পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের চোখ খুলে দিয়েছে।

আড়ালে থাকা 'খাদেমগোষ্ঠী' এখন প্রকাশ্যে
এতদিন মাজারের বিপুল পরিমাণ টাকা কোথায় যায়, কারা ভোগ করে—তা সাধারণ মানুষের কাছে মোটেও পরিষ্কার ছিল না। ভক্ত-আশেকানরা ভক্তিভরে যে বিপুল অংকের মান্নতের টাকা দান করতেন, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাথাব্যথাও ছিল কম।
কিন্তু ডিসি সারওয়ার আলমের নেওয়া পদক্ষেপের পর থলের বিড়াল বেরিয়ে এসেছে। কারা মাজারের টাকা ভোগ করছেন, তা এখন স্পষ্ট। হিসাব চাওয়ার পর মাজারের খাদেমগোষ্ঠীর নেতারা প্রকাশ্যে এসে গণমাধ্যমে যেভাবে বক্তব্য ও নিজেদের অধিকারের দাবি তুলে ধরেছেন, তাতে মানুষ তাদের আসল চেহারা চিনতে পেরেছে।

এই ধাক্কা দেশের মানুষের মধ্যে এক বিশাল সচেতনতা তৈরি করেছে। এখন থেকে মানুষ অন্তত বুঝে-শুনে এবং হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেই মাজারে দান করতে শিখবে।

গণমাধ্যমের সোচ্চার ভূমিকা ও ভবিষ্যতের জবাবদিহিতা
এই পুরো প্রক্রিয়াটিতে দেশের মূলধারার গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো অত্যন্ত সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে। সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হয়েছে অভূতপূর্ব জাগরণ। সচেতন মহলের মতে, দিন আর বেশি দূরে নয়, যখন দেশের প্রতিটি মাজারের হিসাব-নিকাশে শতভাগ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাধ্য হবে কর্তৃপক্ষ।


দেশজুড়ে 'ডোমিনো ইফেক্ট'
সবচেয়ে মজার এবং ইতিবাচক বিষয় হলো, ডিসি সারওয়ার আলমের এই একটি সাহসী পদক্ষেপের আঁচড় লেগেছে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা শত শত মাজারে। কেবল সিলেটেই নয়, এখন দেশের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা বিভিন্ন মাজারের বিপুল অংকের টাকা ও সম্পদের হিসাব চাওয়ার দাবি তুলতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ।
প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার এই 'ধাক্কা' দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী বিপ্লবের সূচনা করলো বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ফিরলেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি, মৃত্যু ৫৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


দেশে ফিরলেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি, মৃত্যু ৫৪

পবিত্র হজ পালন শেষে, মোট ১৬৪টি ফ্লাইটের মাধ্যমে সর্বমোট ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। আর এখন পর্যন্ত মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের হজ বুলেটিনের তথ্য সূত্রে এই তথ্যগুলো জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশে ফিরে আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসেছেন ৪,৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এসেছেন ৫৯,৪৬৪ জন হাজি।

হাজিদের ফিরিয়ে আনতে, এখন পর্যন্ত সর্বমোট ১৬৪টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৪টি ফ্লাইটে ২৮,৬৩৩ জন হাজি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৫৮টি ফ্লাইটে ২২,৩০০ জন হাজি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইটে ৮,৬৭২ জন হাজি পরিবহন করেছে। এছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে আরও ৪,১৭৮ জন হাজি সৌদি আরব ত্যাগ করেছেন।

হজযাত্রীদের সুবিধার্থে সৌদি আরবে সার্বক্ষণিক আইটি এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। সৌদি আরবের বাংলাদেশ চিকিৎসা কেন্দ্র হতে এ পর্যন্ত ৬৬,৭৪৫ টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র এবং আইটি হেল্পডেস্ক থেকে ২৮,২৯৮ টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, চলতি বছর হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত ৫৪ জনের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন মহিলা। এর মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় ১ জন হাজি মৃত্যুবরণ করেছেন। মিনা, আরাফা বা মুজদালিফায় কোনো হাজির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। নিয়মানুযায়ী তাদের সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে।

গত ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের হজের ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল শুরু হয়ে ২১ মে শেষ হয়েছিল। পবিত্র হজ পালন শেষে এখন দেশে ফেরার পালা। ৩০ মে থেকে ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে, যা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ এম


জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে: রিজভী

পতিত শক্তি আবারও দেশের অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র করছে, এ মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সব ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেব।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি মিছিল শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা বলেন।

এ মিছিলটি আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হয়।

রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে এই মিছিলে দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিংগেল মোড় ঘুরে পুনরায় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

পরে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বাংলাদেশে আর পতিত ফ্যাসিবাদ ফিরতে দেয়া হবে না। তিনি পর্যবেক্ষণ করেন, পাচার করা টাকা দিয়ে পতিত শক্তি আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেওয়া হবে।

‘দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ, তাই দেশকে আর দিল্লির গোলাম বানানো যাবে না’, এ কথা যোগ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় জামায়াতের ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় জামায়াতের ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল

ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জামায়াতে ইসলামী ধানমন্ডি জোনের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অংশগ্রহণ করেন ধানমন্ডি থানা জামায়াতের আমির মুস্তাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, ধানমন্ডি থানা শাখার কর্ম পরিষদের সদস্য আনিসুজ্জামান, কলাবাগান থানা জামায়াতের আমির জাহিনুর রহমান এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বিক্ষোভ মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সিগন্যাল থেকে শুরু করে ধানমন্ডি ২৭ মোড় গিয়ে আবার একই এলাকায় এসে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%