০৭:০১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা শুরু হয়েছে ‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’—এই প্রতিপাদ্যে। বৃহস্পতিবার সকালে ফেনী সদর উপজেলা কৃষি অফিস মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক মনিরা হক উদ্বোধন করেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ফেনী এই মেলার আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আতিক উল্যাহ।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মাসুদ হোসেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অর্জুন চন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন কৃষক মো. সাইফুল ইসলাম। আবহাওয়ার বিপণনকারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহমিদা আক্তার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম খোকন, পৌর সচিব মো. সামসুদ্দিন, সাংবাদিক, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন দেশীয় ও অপ্রচলিত ফল সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত করা, দেশীয় ফল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা, দেশি ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করা এবং বেশি বেশি দেশীয় ফলগাছ রোপণে উৎসাহিত করতেই এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, তিন দিনব্যাপী এ ফল মেলায় দেশের প্রচলিত ও অপ্রচলিত ৩০ থেকে ৩৫টি প্রজাতির ফল প্রদর্শন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি একটি হুঁশিয়ারি দিয়ে উল্লেখ করেন, উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের অপচয়, অনিয়ম বা ‘বালিশকাণ্ডের’ মতো ঘটনা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের উন্নয়নসংক্রান্ত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।’
সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ইস্কাটনে অবস্থিত নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভবনটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা সংরক্ষণের উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভবনটির জন্য একটি নান্দনিক, কার্যকর, ব্যয়-সাশ্রয়ী ও যুগোপযোগী নকশা প্রণয়নের জন্য নির্দেশনা দেন। এই লক্ষ্য অর্জনে স্থাপত্য অধিদপ্তর ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আহমেদ আযম খান আরও বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান কার্যক্রমের আরও গতিশীলতা আনা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টঙ্গী বাজার থেকে বের হয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন মো. ইমন (২৪) নামক শারীরিক প্রতিবন্ধী এক যুবক।
বুধবার (১৭ জুন) তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যান। সংবাদ পাওয়ার পর উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ, তাকে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকালে পৌনে চারটায় তার মৃত্যু ঘটে।
সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের চাচা নাজিম উদ্দীন জানান, ইমন একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনি ভোলা জেলার তমিজউদ্দিন উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শহিদ উদ্দিনের ছেলে।
নাজিম উদ্দীন বলেন, ইমন আমার সাথে টঙ্গী বাজার এলাকায় বাসায় থাকতো। আমার একটি দোকান আছে বাজারে। সে দুপুরে আমার জন্য বাসা থেকে খাবার নিয়ে আসছিল। মাঝে মাঝে আমার সাথে দোকানে বসতো। এছাড়া সে মসজিদে নামাজ পড়তে বের হতো।
তিনি আরো বলেন, গত বুধবার দুপুর একটার দিকে দোকান থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রাতে টঙ্গী পূর্ব থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। পরে মানুষের মাধ্যমে সংবাদ পাই। উত্তরা পূর্ব থানায় যোগাযোগ করে জানতে পারি সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখানে গিয়ে তাকে পাই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকালে তিনি মারা যান। তিনি দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্পূর্ণ ফিট হয়ে আর্জেন্টিনা হয়ে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে লিয়ান্দ্রো পারেদেস। সম্প্রতি তিনি হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ার পর কিছুটা শঙ্কা তৈরি হলেও, তিনি দল থেকে মেডিকেল ছাড়পত্র পেয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন।
মাঠে নামার জন্য তিনি তৈরি আছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বড় জয়ের পর কোচ স্কালোনি খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়েছিলেন। এর পর গেল বুধবার বিশ্রাম শেষে আর্জেন্টিনা দলের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসের কম্পাস মিনারেলস ন্যাশনাল পারফরম্যান্স সেন্টারে অনুশীলনে ফিরেছেন।
ওয়ার্ম-আপ অনুশীলনে তিনি দলের সঙ্গে আলাদাভাবে অনুশীলন করেছেন। আগামী সোমবার ডালাসে গ্রুপ পর্বের ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে নিজেদের প্রমাণ করার জন্যেও প্রস্তুত বলেই জানা গেছে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে তিনি অনুশীলন চালিয়ে যেতে দেখা যায়।
তবে সব কিছু নির্ভর করছে ম্যাচের আগে মেডিক্যাল টেস্টে পুরোপুরি ফিটের ছাড়পত্রের ওপর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ