ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলাপাড়ায় অবৈধ ট্রলিং, বটম ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধের দাবিতে মৎস্যজীবী ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন


কলাপাড়ায় অবৈধ ট্রলিং, বটম ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধের দাবিতে  মৎস্যজীবী ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা, দাবি হচ্ছে অবৈধ ট্রলিং, বটম ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ করতে।

শনিবার ১৮ জুলাই দুপুরের দিকে আশাখালী মৎস্য বন্দরে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে অংশ নেন পাঁচ শতাধিক জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী। মৎস্যজীবীরা হুঁশিয়ারি দেন যে, অবৈধ ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তারা ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আশাখালী মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মাঈনুদ্দীন দালাল, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম রেজা, বিএনপি নেতা ও মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাদা হাওলাদার, মৎস্য ব্যবসায়ী মো. মর্তুজা আহমেদ, জেলে সোহাগ গাজী এবং মো. সাইদুলসহ স্থানীয় মৎস্যজীবীরা।

আরও পড়ুন: ‘সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন, তা নিশ্চিত করব’ এমপি খোকন তালুকদার

বক্তারা উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে অসাধু চক্র বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং করছে। এছাড়া, বটম ট্রলিং, বেহুন্দি জালসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করায় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো জেলে পরিবার জীবিকা সংকটে পড়েছে।

তাদের দাবি হচ্ছে, অবৈধ ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং জেলেদের জীবন-জীবিকা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, ‘ট্রলিং ব্যবসায়ীরা আদালতকে ভুল বুঝিয়ে একটি আদেশ এনেছেন। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করব।’

আরও পড়ুন: মিরপুরের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম মিঠু নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সমপ্রতি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাস বা চেতনার কারণে অনেককে হয়রানি করা হয়েছে। অনেক মানুষ সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে করা মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তব্যে তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘অনেক রাজনৈতিক কর্মী মিথ্যা মামলাকে আলিঙ্গন করে যখন সংগ্রাম করেছেন, তাদের নাজেহাল হতে হয়েছে। তারা যেন আইনি সুবিধা না পায়, সেই জন্য বিধি ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছিল। আমরা আইনজীবী সমাজ সব সময় ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমাদের মনে হয় দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

বিচার বিভাগ ও আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে অনেকেই আইনজীবী সমিতি ও আইনি কাঠামোকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছে। আমরা যেন এসব বিষয় বাংলাদেশে পুনরাবৃত্তি না করি। আমরা আইনগত শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলাম। সেই আমরা যেন আইনি প্রথা নিজেরা ভঙ্গ না করি। আইনগত শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বার ও বেঞ্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বার এবং বেঞ্চ যখন শোল্ডার টু শোল্ডার কাজ করবে, তখনই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। আপনার, আমার ও আমাদের যেসব মৌলিক অধিকার আছে, সেগুলো আমরা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব।’

জুলাই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘২৪’র মহান গণঅভ্যুত্থান, রক্তক্ষয়ী যে গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি। যে প্রত্যাশা নিয়ে আমার ভাই, আপনার ভাই রক্ত দিয়েছেন, অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, আমরা যেন সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারি সেজন্য সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. মাহফুজুর রহমান লাহুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুব মোরশেদ লালন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রল-অপবাদ দিয়ে দায়িত্ব থেকে সরানো যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


ট্রল-অপবাদ দিয়ে দায়িত্ব থেকে সরানো যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, "আমাকে নিয়ে যারা ট্রল করেছে, তারা কেউ পরীক্ষার্থী নয়। সিটি কলেজ, আইডিয়াল কলেজ কিংবা ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোনো শিক্ষার্থীকে আন্দোলন করতে দেখা যায়নি। এভাবে আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে আমরা এই জাতিকে সুশিক্ষিত করার দায়িত্ব পেয়েছি। যে যত ট্রলই করুক, যে যত অপবাদই দিক না কেন, আমাদের সঠিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। শিক্ষা নিয়ে উসকানিমূলক ও উচ্ছৃঙ্খল বক্তব্য দিয়ে যারা সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চায়, দেশের তরুণ প্রজন্মই তাদের ব্যর্থ করে দেবে।"

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে শহরের বরুণকান্দি এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচন করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছি। আজ তাঁরই জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করছি। তাহলে কীভাবে ভাবেন, আমাকে অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে? নিশ্চয়ই তা হবে না। আপনারা নিজ নিজ দায়িত্বে অটল থাকুন। লেখাপড়া আমাদের করতেই হবে এবং শিক্ষার মানও উন্নত করতেই হবে।"

সম্প্রতি কুমিল্লায় এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে মানবিক বিবেচনায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।" একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর বিষয়ে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার সমালোচনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "পরীক্ষা ছাড়া মেধার মূল্যায়ন ও সনদ প্রদান সম্ভব নয়।"

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা যেন বাংলাদেশে পড়তে আসে, সেই লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। সরকার সেই লক্ষ্যেই উচ্চশিক্ষাকে নতুন কাঠামোয় এগিয়ে নিতে কাজ করছে।"

তিনি আরও বলেন, "অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং অতীতের নানা অনিয়মের প্রভাব থাকা সত্ত্বেও সরকার শিক্ষাখাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট ৮৭ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় আয়ের (জিডিপি) ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।"

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রাকে উচ্চশিক্ষার নতুন সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী যোগ করেন, "প্রাথমিকভাবে ৮০ শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়া হবে।" একই সঙ্গে স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ‘স্কুল অব এগ্রিকালচার’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

সেশনজট কমাতে ২০২৭ সাল থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং মার্চে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল প্রমুখ।

এ সময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে

যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে চুক্তিতে সই করার কিছু সপ্তাহ পর ফের সংঘাতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই নতুন উত্তেজনায় ইরানে মার্কিন হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে।

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৬ জুলাই থেকে দেশটিতে চালানো মার্কিন হামলায় কমপক্ষে ৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ। মূলত, ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে গুলি চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে এই হামলা শুরু করে। মার্কিন বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু ছিল মূলত ইরানের দক্ষিণ উপকূলে, তবে দেশের অন্যান্য অংশেও তারা আঘাত হেনেছে।

হামলার কড়া জবাব দিয়ে তেহরানও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডারের মুখপাত্র হামিদ রেজা মোকাদ্দামফার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সমুদ্রপথ ও অর্থনৈতিকভাবে তেহরানের ওপর মার্কিন সামরিক চাপের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই চাপ বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে ছড়িয়ে পড়বে। এর প্রভাব শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের দেশগুলোতেও অনুভূত হবে।

ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমকে মোকাদ্দামফার আরও জানিয়েছেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমীকরণে ‘হরমুজ প্রণালি’ এবং ‘বাব আল-মান্দেব’ দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পথ। এই পথগুলোর রয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তার ভারসাম্যের ওপর প্রভাব ফেলার সক্ষমতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এটি সেই দেশ, যে দেশ বারবার প্রতিরোধ করেছে, প্রতিরোধ করতে জানে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


এটি সেই দেশ, যে দেশ বারবার প্রতিরোধ করেছে, প্রতিরোধ করতে জানে: রিজভী

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্টের পতন হলে পরে তাকে ফেরত আনা যায় না। যে রক্তের আলপনা সে এঁকেছে, সেই রক্তের আলপনা মাড়িয়ে আবার সে এ দেশে রাজনীতি করবে—এটা কী করে সম্ভব? এটি সেই দেশ, যে দেশ বারবার প্রতিরোধ করেছে, প্রতিরোধ করতে জানে। শেখ হাসিনা যদি এ দেশে ফেরত এসে রাজনীতি করতে চান, তাহলে ইয়াহিয়া খানের যে উত্তরসূরি আছে, টিক্কা খানের যে উত্তরসূরি আছে, তাদেরও আনতে হবে।’

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়ে ‘১৭ জুলাই যাত্রাবাড়ী প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন রিজভী। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যাত্রাবাড়ী প্রতিরোধ দিবস বাস্তবায়ন কমিটি।

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধের কথা তুলে ধরে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, কোনো ফ্যাসিস্ট শাসকের পতনের পর তাকে আর ক্ষমতা বা রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনা যায় না। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে রাজনীতি করতে চাইলে তা জনগণ মেনে নেবে না।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, শিশু, কিশোর ও তরুণ হত্যার দায় কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নয়। ইতিহাসে হিটলার কিংবা মুসোলিনির মতো শাসকদের পতনের পর তাদের রাজনৈতিক ধারাও আর ফিরে আসতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ রক্তপাত ও দমন-পীড়নের রাজনীতি মেনে নেয় না।

ক্ষমতায় থাকাকালে শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিরোধী মত দমনে ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করেন রুহুল কবির রিজভী। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, মানুষের কাছে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হচ্ছে প্রতারণা ও জনগণকে বিভ্রান্ত করা।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এখন কেউ কেউ দেখি টক শোতে একটু একটু করে গলার আওয়াজ করছে, এই শেখ হাসিনার আমলে এই হয়েছে, সেই হয়েছে এত উন্নতি হয়েছে। কেন একটা বড় দল তাকে কেন ইয়ে (নিষিদ্ধ) দেওয়া হবে, রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না, শেখ হাসিনার চলে আসতে হবে, শেখ হাসিনা যদি এতই পাওয়ারফুল হন, তে পালালেন কেন?’

এ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘মইন ইউ আহমেদ, ফখরুদ্দীন আহমদ সাহেব কত চেষ্টা করেছে, থ্রেট করেছে, হুমকি দিয়েছে, নিজে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন তবুও শেখ হাসিনার কাছে আত্মসমর্পণ করেননি, ওনার অন্যায় আবদারের কাছে মাথা নত করেননি বেগম জিয়া। আপনি তো সেই দৃষ্টান্ত রাখেননি।’

বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীরও সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, ধর্মের নামে রাজনীতি করা দলটির আদর্শিক অবস্থান নিয়ে তার প্রশ্ন রয়েছে। ইসলামের ইতিহাসে সত্য, ন্যায় ও আত্মত্যাগের যে শিক্ষা রয়েছে, জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার প্রতিফলন দেখা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘গোটা দেশের জনগণ স্বাধীনতার পক্ষে, আপনারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান করলেন ’৭১ সালে। ’৮৬ সালে আপনারা হাসিনার সঙ্গে গিয়ে এরশাদের অধীনে নির্বাচন করলেন। অথচ অঙ্গীকার ছিল এরশাদবিরোধী আন্দোলনের। ৫ আগস্টের পরে বলে দিলেন, আমরা আওয়ামী লীগের সব মাফ করে দেব। আবার বললেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলব।’

রাজনৈতিকভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামী বারবার নিজেরাই সংকটে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন রুহুল কবির রিজভী। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে দলটির অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘আপনারা (জামায়াত) সম্পর্ক গড়ে তুলুন, আপত্তি নেই। কিন্তু বলুন, আপনারা কি আমাদের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন? আমাদের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন? আমাদের গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় বিশ্বাস করেন?’

জুলাই সনদের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে অঙ্গীকার করেছেন, তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হবেই।’

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রশাসক আবদুস সালাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%