প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে চুক্তিতে সই করার কিছু সপ্তাহ পর ফের সংঘাতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই নতুন উত্তেজনায় ইরানে মার্কিন হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৬ জুলাই থেকে দেশটিতে চালানো মার্কিন হামলায় কমপক্ষে ৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ। মূলত, ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে গুলি চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে এই হামলা শুরু করে। মার্কিন বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু ছিল মূলত ইরানের দক্ষিণ উপকূলে, তবে দেশের অন্যান্য অংশেও তারা আঘাত হেনেছে।
হামলার কড়া জবাব দিয়ে তেহরানও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডারের মুখপাত্র হামিদ রেজা মোকাদ্দামফার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সমুদ্রপথ ও অর্থনৈতিকভাবে তেহরানের ওপর মার্কিন সামরিক চাপের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই চাপ বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে ছড়িয়ে পড়বে। এর প্রভাব শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের দেশগুলোতেও অনুভূত হবে।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমকে মোকাদ্দামফার আরও জানিয়েছেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমীকরণে ‘হরমুজ প্রণালি’ এবং ‘বাব আল-মান্দেব’ দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পথ। এই পথগুলোর রয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তার ভারসাম্যের ওপর প্রভাব ফেলার সক্ষমতা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন