ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মার্কিন নাগরিক স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুর পর গ্রিন কার্ড পাওয়ার ৬ শর্ত


মার্কিন নাগরিক স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুর পর গ্রিন কার্ড পাওয়ার ৬ শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে জীবিত স্বামী বা স্ত্রী নিজস্ব আবেদনের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সাধারণত ফর্ম আই-৩৬০ ব্যবহার করে আবেদন করতে হয়। 

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা—ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীর বৈবাহিক সম্পর্ক, মৃত স্বামীর বা স্ত্রীর নাগরিকত্ব এবং পুনর্বিবাহের বিষয়সহ কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হয়। 

প্রথম শর্ত হলো—মৃত স্বামী বা স্ত্রীকে মৃত্যুর সময় মার্কিন নাগরিক হতে হবে। ইউএসসিআইএসের নথি অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী নাগরিক, বিদেশে জন্ম নেওয়া মার্কিন নাগরিকের সন্তান হিসেবে নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তি অথবা স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে নাগরিক হওয়া ব্যক্তি—যেকোনো একটি অবস্থানে থাকতে পারেন। এ বিষয়টি প্রমাণ করতে জন্মসনদ, নাগরিকত্বের সনদ বা বৈধ মার্কিন পাসপোর্টের মতো নথি দিতে হতে পারে। 

আরও পড়ুন: নবনির্বাচিত সেনেটর এল-সায়েদ মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত চান

দ্বিতীয় শর্ত—আইনগতভাবে বিবাহিত স্বামী বা স্ত্রী হতে হবে। আবেদনকারীর সঙ্গে মৃত মার্কিন নাগরিকের বৈধ বিবাহের প্রমাণ দিতে হবে। এর জন্য বিবাহের সনদ প্রয়োজন হয়। আগে অন্য কোনো বিবাহ হয়ে থাকলে, সেই বিবাহ আইনগতভাবে শেষ হয়েছে—এমন প্রমাণও প্রয়োজন হতে পারে। 

তৃতীয় শর্ত—মৃত্যুর সময় স্বামী-স্ত্রী আইনগতভাবে আলাদা থাকা যাবে না। ইউএসসিআইএসের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মৃত মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে মৃত্যুর সময় আবেদনকারী আইনগতভাবে আলাদা থাকলে এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় আবেদন করার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। ফর্ম আই-৩৬০-এ এ বিষয়ে সরাসরি তথ্য চাওয়া হয়। 

চতুর্থ শর্ত—আবেদনকারীকে পুনরায় বিয়ে করা যাবে না। স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুর পর আবেদনকারী যদি অন্য কাউকে বিয়ে করে থাকেন, তাহলে মৃত মার্কিন নাগরিকের ভিত্তিতে এই বিশেষ অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা নষ্ট হতে পারে। ইউএসসিআইএস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আবেদন করার সময় পুনর্বিবাহ না করা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। 

পঞ্চম শর্ত—স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুর পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। ইউএসসিআইএসের বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণভাবে মৃত মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর দুই বছরের মধ্যে ফর্ম আই-৩৬০ জমা দিতে হয়। অর্থাৎ মৃত্যুর পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে আবেদন করলে এই বিশেষ ব্যবস্থার সুযোগ নাও থাকতে পারে। 

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রম আন্দোলনের নামে হামলায় শ্রমিক মো. সেলিম গুরুতর আহত

ষষ্ঠ শর্ত—বিয়েটি প্রকৃত বৈবাহিক সম্পর্ক হতে হবে এবং আবেদনকারীকে অভিবাসনের জন্য গ্রহণযোগ্য হতে হবে। ইউএসসিআইএসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিয়েটি শুধু অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল—এমন হলে আবেদন গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। একই সঙ্গে আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের অন্যান্য প্রযোজ্য যোগ্যতাও পূরণ করতে হবে। 

কীভাবে আবেদন করবেন

মৃত মার্কিন নাগরিক স্বামী বা স্ত্রীর পক্ষ থেকে আগে ফর্ম আই-১৩০ জমা দেওয়া হয়ে থাকলে এবং সেটি অনুমোদিত বা বিচারাধীন থাকলে, অনেক ক্ষেত্রে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী-স্ত্রীর ফর্ম আই-৩৬০ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। নতুন করে আই-৩৬০ জমা দেওয়ার প্রয়োজন সব ক্ষেত্রে হয় না। 

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত যোগ্য আবেদনকারীরা পরিস্থিতি অনুযায়ী ফর্ম আই-৪৮৫ ব্যবহার করে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা বা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, এ ধরনের বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী-স্ত্রীর জন্য অভিবাসন ভিসা সাধারণত সরাসরি পাওয়া যায় যখন আই-৩৬০ অনুমোদিত হয়। 

আরও পড়ুন: ককরোচ পার্টির নতুন বিক্ষোভের ডাক ৭ নভেম্বর কোচিতে

তবে শুধু এই ছয়টি শর্ত পূরণ করলেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হয় না। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত অভিবাসন ইতিহাস, অপরাধমূলক রেকর্ড, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ইতিহাস এবং অন্যান্য আইনগত বিষয়ও বিবেচনায় আসতে পারে। তাই বাস্তব কোনো আবেদন করার আগে, ইউএসসিআইএসের সবশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী যোগ্যতা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনতে খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত: তথ্য উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনতে খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত: তথ্য উপদেষ্টা

বাংলাদেশ সরকার চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফট কিনতে খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, জে-১০সিই এবং অ্যাটাক হেলিকপ্টার সম্পর্কিত কমিটি ‘নেগোসিয়েশন বৈঠকের’ মাধ্যমে খসড়া চুক্তিপত্র তৈরি করেছে।

এটি অনুমোদনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের চলমান কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

চীনের তৈরি জে-১০সিই ফাইটারের সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে কমব্যাট সিচুয়েশনে একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ চলাকালীন ভারতের রাফাল বিমানটি ভূপাতিত হয়েছিল, যা চীনের জে-১০ দ্বারা ঘটেছিল।

এই তথ্য এখন প্রতিষ্ঠিত।

তিনি বলেন, রাফালকে ৪.৫ জেনারেশনের অত্যাধুনিক ফাইটারগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং চীনের তৈরি মাল্টি-রোল ফাইটারটি কমব্যাট সিচুয়েশনে খুব ভালো পারফর্ম করেছে। বাংলাদেশ এই বিষয়টিতে মনোযোগ দিয়েছে এবং আশা করা যায় যে, আমরা এই পথে সফলভাবে অগ্রসর হচ্ছি।

জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা প্রয়োজন, সিমিলার কোয়ালিটির রাফাল বা ইউরো ফাইটার টাইফুন, ইউরোপীয় ভেরিয়েন্টের তুলনায় চীনের ফাইটারগুলোর দাম অনেক কম।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের ছেলেকে হত্যার হুমকির ভিডিও প্রচার, তদন্তে মার্কিন গোয়েন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


ট্রাম্পের ছেলেকে হত্যার হুমকির ভিডিও প্রচার, তদন্তে মার্কিন গোয়েন্দারা

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কনিষ্ঠ ছেলে ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়া একটি ভিডিও প্রচারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস।

সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র নেট হেরিং জানিয়েছেন, সংস্থাটি ভিডিওটির বিষয়ে অবগত এবং তাদের সুরক্ষাধীন ব্যক্তিদের প্রতি যেকোনও সম্ভাব্য হুমকিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে।

প্রায় তিন মিনিটের ওই ভিডিওর শুরুতে ইংরেজিতে লেখা ছিল—“ব্যারন ট্রাম্পকে কোথায় হত্যা করা হবে?” এতে নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারসহ ব্যারন যেখানে নিয়মিত যাতায়াত করেন বলে জানা যায়, এমন কয়েকটি স্থানের গ্রাফিক দেখানো হয়। ভিডিওর শেষ দিকে এক কোটি ডলারের পুরস্কারের কথাও উল্লেখ করা হয়।

সপ্তাহান্তে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি ভিডিওটি প্রচার করে। মার্কিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সূত্রের দাবি, এটি ট্রাম্প ও তার পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে ইরান থেকে প্রচারিত ধারাবাহিক হুমকিমূলক ভিডিওর অংশ।

এর আগে ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়া হলেও ব্যারনকে প্রকাশ্যে লক্ষ্য করে এমন হুমকি এই প্রথম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি ইরানে ট্রাম্পকে হত্যার জন্য পুরস্কার ঘোষণার পোস্টারও দেখা গেছে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি, অনুষ্ঠিত হবে তিন বিভাগীয় শহরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


কুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি, অনুষ্ঠিত হবে তিন বিভাগীয় শহরে

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৮ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১১৮তম বিশেষ সভায় স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গেছে, এবারের প্রথম বর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী—এই তিন বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে নেওয়া হবে এবং এ লক্ষ্যে ভর্তি পরীক্ষা কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সহজতর করার জন্য এবং যাতায়াত ও আবাসনসংক্রান্ত ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে তিনটি বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এর ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যোগ্য শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ অঞ্চল থেকে তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি তিনটি বিভাগীয় শহরের যেকোনো একটিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

ভর্তি পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পরীক্ষার সময়সূচি, আসনবিন্যাস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

কুয়েট কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ আরো সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যাতায়াত ও আবাসনসংক্রান্ত ভোগান্তি কমার পাশাপাশি ভর্তি কার্যক্রম আরো সুশৃঙ্খল ও শিক্ষার্থীবান্ধব হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পতাকার অবমাননাকর ব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


জাতীয় পতাকার অবমাননাকর ব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

জাতীয় পতাকার আইন বহির্ভূত ও অবমাননাকর ব্যবহার বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। 

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল এ আদেশ দেন।

আইনজীবী শরীফ সরকারের করা এই রিট আবেদনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী শুনানি করেন।

রুলে জাতীয় পতাকা পেছনে রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে বসা এবং এভাবে পতাকা ব্যবহার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত অন্তবর্তীকালীন আদেশে জাতীয় পতাকার ব্যবহার বিধিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। 

কমিটিতে একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন সরকারি প্রতিনিধি রাখার কথা বলা হয়েছে। কমিটিকে ৬০ দিনের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত অফিস বা দপ্তরে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের আইনগত বৈধতা, পতাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং পতাকার নির্ধারিত দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও অন্যান্য স্পেসিফিকেশন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, এসব বিষয় যাচাই করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

পরে ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসকক্ষে চেয়ারের পেছনে, টেবিলের পাশে কিংবা সোফার পাশে জাতীয় পতাকা রেখে বসতে দেখা যাচ্ছে। অথচ জাতীয় পতাকা ব্যবহারের ‘বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২’-এ সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সরকারি ভবন, বিশেষ কিছু ব্যক্তির বাসস্থান এবং তাদের গাড়ি ও জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিধান রয়েছে। ১৯৭২ সালের পতাকা বিধিমালায় নির্দিষ্ট ১৫ শ্রেণির ব্যক্তিকে বাসস্থানে এবং ৮ শ্রেণির ব্যক্তিকে গাড়ি বা জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনগতভাবে পতাকা ব্যবহারের সুবিধাপ্রাপ্ত নন, এমন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও ব্যক্তিগত অফিসকক্ষে চেয়ারের পেছনে বা পাশে পতাকা রেখে বসছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ ধরনের ছবি আদালতের নজরে আনা হয়েছে। এ ধরনের ব্যবহার জাতীয় পতাকার প্রতি অবমাননাকর এবং বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী। এসব বিষয় তুলে ধরে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%