১০:৩১ পি.এম
বর্তমানে বিশ্বকাপের উত্তাল মঞ্চে স্নায়ুচাপের চরম মুহূর্ত এসে দাঁড়িয়েছে।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে স্পেন এবং সৌদি আরব যেন এক অগ্নিপরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
টুর্নামেন্টের শুরুতেই নবাগত কেপ ভারডে’র বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে স্প্যানিশ শিবিরে এক অন্ধকার নেমে এসেছে। ফেভারিট তকমা নিয়ে এসেও আক্রমণভাগের ধারহীনতায় যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে, তার থেকে মুক্তি খুঁজছেন কোচ। অন্যদিকে, উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে সৌদি আরব এখন আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে উড়ছে।
আরও পড়ুন: কেইনকে ছাড়াই বায়ার্নের ৬-১ গোলবন্যা
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পেনের বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামালকে নিয়ে। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা এই কিশোর সেনসেশন তার পায়ের ফিরে আসার জন্য মরিয়া হয়ে আছে। কিন্তু ইয়ামাল নিজেই জানিয়েছেন যে, পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো শারীরিক অবস্থায় এখনও নেই তিনি। মাঠে নামতে মুখিয়ে থাকলেও তাড়াহুড়ো করে ঝুঁকি নিতে নারাজ।
এই গোল্ডেন জেনারেশনের প্রতিনিধিরা যখন জয়ের খোঁজে ব্যাকুল, তখন তাদের সামনে এক পাহাড়সম বাধা হয়ে উপস্থিত সৌদির রক্ষণভাগ।
পরিসংখ্যান বলছে, স্পেনের জয়ের সম্ভাবনা ৮৬.৭ শতাংশ। তবে মাঠের খেলায় অঘটনের ইতিহাস সৌদি আরবের জানা আছে, যা ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রমাণ করেছে তারা। জিওর্গিওস দোনিসের অধীনে সৌদি দল এখন এক সুসংহত শক্তিতে পরিণত হয়েছে। সব মিলিয়ে, গ্রুপ এইচের সমীকরণ এমন এক জটিল মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে যেখানে প্রতিটি গোলই হয়ে উঠতে পারে মহা মূল্যবান। আটলান্টার সবুজ গালিচায় রবিবার যখন বাঁশি বাজবে, তখন কি স্পেন তার পুরোনো দাপট ফিরে পাবে, নাকি মরুভূমির যোদ্ধারা আরও একটি রূপকথার জন্ম দেবে, সেটাই এখন ফুটবল বিশ্বের বড় জিজ্ঞাসা।
সূত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন: সফল হতে ক্যারিয়ারের শুরুতে শরীরচর্চা ও শৃঙ্খলা মেনে চলেছেন স্মৃতি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন