ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ভূমিহীন তাছলিমার নিয়োগপত্র বাতিল, এমপির হস্তক্ষেপে পুনরায় চাকরি পেলেন


ভূমিহীন তাছলিমার নিয়োগপত্র বাতিল, এমপির হস্তক্ষেপে পুনরায় চাকরি পেলেন

কুমিল্লার লালমাইয়ে ভূমিহীন হওয়ার কারণে তাছলিমা আক্তার নামের এক তরুণীর শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করা হয়। জমির খতিয়ান না থাকার কারণে মন্ত্রণালয় তার নিয়োগ আটকে দেয়।

এই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বিষয়টি জানার পর এগিয়ে আসেন। এমপির হস্তক্ষেপের ফলে অবশেষে জটিলতা দূর হয় এবং হতদরিদ্র পরিবারে হাসির সঞ্চার ঘটে।

তথ্য অনুসন্ধান করে জানা যায়, লালমাই উপজেলার ভূলইন দক্ষিণ ইউনিয়নের পরতী গ্রামের অটোরিকশাচালক অহিদুর রহমানের কন্যা তাছলিমা আক্তার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি পান। তার বাবার নামে জমির খাজনা-খতিয়ান না থাকার কারণে মন্ত্রণালয় তার নিয়োগপত্র আটকে দেয়। ফলে চাকরি প্রত্যাশী তাছলিমা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন।

আরও পড়ুন: তাহসিন হত্যায় ৮ জন গুলি ছুড়ে, ৩ জন অস্ত্র সরবরাহ করেছে

তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। ছয় কন্যা সন্তানের বাবা অহিদুর রহমান অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালান। মেয়ের চাকরির জন্য সব শর্ত পূরণ হলেও ভূমিহীনতার কারণে জমির খাজনা-খতিয়ান না থাকার ফলে নিয়োগ বাতিল হওয়ায় পরিবারটি বিপাকে পড়ে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর নজরে আসে। তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেন। একপর্যায়ে তাছলিমা আক্তার ও তার পরিবারের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।

লালমাই উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ উদ্দিন ও কাজী জাফর আহমেদ রাজন বলেন, "তাছলিমা আমাদের গ্রামের মেয়ে। ভূমিহীন হওয়ায় তার চাকরি বাতিলের বিষয়টি জানতে পেরে আমরা এমপি মনিরুল হক চৌধুরীকে বিষয়টি অবহিত করি। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে চাকরির ব্যবস্থা করে দেন।"

তাছলিমা আক্তার বলেন, "শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পাশ করলেও বাবার নামে জমির খাজনা-খতিয়ান না থাকায় আমার নিয়োগপত্র আটকে যায়। জেলা পর্যায় থেকে সব ঠিকঠাক থাকলেও মন্ত্রণালয় নিয়োগপত্রটি বাতিল করে দেয়।"

আরও পড়ুন: গভীর রাতে বরিশালে ইউএনওর অভিযানে আটক ৪ জন

তিনি আরও বলেন, "দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়ায় চাকরিটা আমার খুব দরকার ছিল। বাবা অনেক কষ্ট করে আমাকে কলেজ পর্যন্ত পড়িয়েছেন। কিন্তু ভূমিহীন হওয়ায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে সব শর্ত পূরণ করেও নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এখন মনিরুল হক চৌধুরীর সহযোগিতায় নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ।"

অহিদুর রহমান বলেন, "আর্থিক সংকটের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তাছলিমার শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ছিল দীর্ঘদিনের। নিয়োগপত্র পাওয়ার মধ্য দিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণের পথ খুলে গেছে। তিনি মেয়ের চাকরির সুযোগ নিশ্চিত হওয়ায় এমপি মনিরুল হক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হত্যার দাবি করল ভারত, গণমাধ্যমের সামনে জীবিত হাজির সেই পাক সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


হত্যার দাবি করল ভারত, গণমাধ্যমের সামনে জীবিত হাজির সেই পাক সেনা

ভারতের কাশ্মীরে সংঘর্ষে নিহত হিসেবে উল্লেখ করা পাকিস্তানের সাবেক সেনাসদস্য হাবিলদার মুহাম্মদ আসিফকে জীবিত অবস্থায় গণমাধ্যমের সামনে হাজির করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে তাকে উপস্থিত করেন।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আইএসপিআর ডিজি দাবি করেন যে, ভারত একটি ‘ফলস-ফ্ল্যাগ অপারেশন’-এর মাধ্যমে এমন একটি ঘটনা তৈরি করেছে। ভারতীয় পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, জম্মু ও কাশ্মীরের (আইআইওজেকে) একটি সংঘর্ষে সাবেক পাকিস্তানি সেনাসদস্য মুহাম্মদ আসিফ নিহত হয়েছেন।

তিনি জানান, ঘটনাটি শুরু হয় ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে। ওই রাতে ভারতীয় কর্পস সামাজিক মাধ্যমে জানায়, কোরাগ, ইউসমার্গ এলাকায় একটি যৌথ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং সেখানে একজন ‘সন্ত্রাসী’কে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এর প্রায় সাত ঘণ্টা পর ভারতীয় সেনাবাহিনী আরেকটি আপডেট দিয়ে দাবি করে, পালমাইদান এলাকায় যুদ্ধের সরঞ্জামসহ লস্কর-ই-তইবার সদস্য হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর কিছুক্ষণ পর ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মোহাম্মদ আসিফ ১৯৮০ সালের ৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০০ সালে পিএ-৩১০৬৯৪৭ সার্ভিস নম্বরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং হাবিলদার পদ থেকে অবসর নেন। ২০০৫ সালে তিনি স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপে (এসএসজি) যুক্ত হন এবং ৪ কমান্ডো ইয়ালগার ব্যাটালিয়নে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৬ সাল থেকে বেলুচিস্তানে তার পোস্টিং ছিল এবং বেলুচ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১০টি অভিযানে অংশ নেন। তাকে ১৩টি হত্যার কৃতিত্বও দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের ভিভিআইপি নিরাপত্তা দলে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলেও জানানো হয়।

আইএসপিআর ডিজি বলেন, ‘আপনারা হয়তো উরি, পেহেলগাম ও পুলওয়ামার কথা মনে করছেন- একটি খুবই মজার গল্প তৈরি করা হচ্ছে, আর এখন সেই গল্প পূর্ণতা পেয়েছে।’ এরপর তিনি জীবিত মুহাম্মদ আসিফকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করেন। তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে ভারতের ওই বর্ণনা পুরোপুরি খণ্ডন হয়েছে এবং আইআইওজেকে-তে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত করার মতো আরেকটি সাজানো ঘটনার বিষয় সামনে এসেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআর মহাপরিচালকের পাশে দাঁড়িয়ে মুহাম্মদ আসিফ বলেন, তিনি অ্যাটক জেলার তেহসিল পিন্ডিঘেবের বাসিন্দা। তিনি জানান, ‘গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বন্ধুরা আমাকে ফোন করে জানায়, ভারতীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে যে, ভারতীয় সেনাবাহিনী কাশ্মীরে এক সংঘর্ষে আমাকে হত্যা করেছে। তারা জানতে চেয়েছিল আমি কোথায় আছি। আমি বলেছিলাম, আমি জীবিত ও সুস্থ আছি এবং আলহামদুলিল্লাহ বাড়িতে বসে আছি।’

আসিফ বলেন, ‘এর পরপরই তিনি অচেনা ভারতীয় নম্বর থেকে একাধিক ফোন পেতে শুরু করেন। ফোনকারীরা তার ব্যক্তিগত তথ্য জানতে এবং খবরে উল্লেখ করা ব্যক্তির সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত কিনা, তা জানতে চাইছিলেন।’

তিনি জানান, ‘আমি বারবার ওই নম্বরগুলো ব্লক করি। এর কিছুক্ষণ পর আমি টেলিভিশনে খবর দেখতে পাই, যেখানে আমার ছবি ও ব্যক্তিগত সামরিক রেকর্ড দেখানো হচ্ছিল এবং দাবি করা হচ্ছিল যে কাশ্মীরে আমাকে শহিদ করা হয়েছে। আমি পুরোপুরি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমি বাড়িতে বসে আছি, অথচ তারা দাবি করছে আমাকে কাশ্মীরে হত্যা করা হয়েছে।’

আসিফ জানান, তিনি সঙ্গে সঙ্গে তার সাবেক ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান যে তিনি নিরাপদে বাড়িতে আছেন, যাতে তার বিষয়ে কোনো ভুল ধারণা বা অভিযোগ তৈরি না হয়।

তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে নম্বরগুলো ব্লক করতে বলেন এবং জানান, সত্য তুলে ধরার জন্য আইএসপিআর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।’

এরপর আইএসপিআর তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জীবিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং তাকে প্রকাশ্যে বিষয়টি জানাতে বলা হয় বলে জানান আসিফ। তিনি ২০০০ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরে যোগ দেন। ২০০৫ সালে তিনি এসএসজিতে যোগ দেন।

আসিফ বলেন, ‘আমি ১৮ বছর সম্মান ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি এবং ২০২৩ সালে অবসর নিয়েছি। অবসরের পর তিন বছর একটি বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি। গত কয়েক মাস ধরে পুরোপুরি অবসর নিয়ে বাড়িতে নিজের ছোট ব্যবসা পরিচালনা করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি ও আমার দেশের বিরুদ্ধে ভারত যে অভিযোগ করেছে- সীমান্তপারের সন্ত্রাসে জড়িত থাকার যে দাবি করা হয়েছে- তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, সাজানো এবং ভিত্তিহীন। ভারতীয় গণমাধ্যমের ছড়ানো এই মিথ্যার আমি তীব্র নিন্দা জানাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি জীবিত এবং আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার পরিচয় নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমার কাছে সরকারি সিএনআইসি ও সামরিক পরিচয়পত্র রয়েছে।’

আইএসপিআর ডিজি আরও দাবি করেন, পাকিস্তানে সন্ত্রাস চালানোর জন্য ভারত বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থন করে। ভারতের কথিত ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ নাটকের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে এবং ভারত বিশ্বের সন্ত্রাস ছড়ানো সবচেয়ে বড় দেশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) ভারতের সমর্থন ও অর্থায়নের বিষয়টি সুপরিচিত বলেও দাবি করেন তিনি। আইএসপিআর ডিজি আরও বলেন, ভারত ক্রমে তথাকথিত ‘যুদ্ধের থিয়েটার’-এর দিকে বেশি মনোযোগী হয়ে উঠছে। উরি, পাঠানকোট ও রাজৌরির ঘটনাগুলোও বারবার সংঘর্ষভিত্তিক বর্ণনায় উপস্থাপন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: জিও নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও মারধরের মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও মারধরের মামলা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও মারধরের অভিযোগে জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ শুক্রবার, বিমানবন্দর থানায় বন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব মামলাটি করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি কাজে বাধা, মারধর এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতি বার (১ অক্টোবর) মদিনা থেকে আগত একটি ফ্লাইটের (BG-338) লাগেজ পেতে বিলম্বের কারণে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং মারধরের হুমকি দেন। তিনি বিমানমন্ত্রীকে নিয়েও অশালীন মন্তব্য করেন।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আখতারুজ্জামানের সঙ্গীরা সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণ শুরু করলে নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেজর আখতারুজ্জামান তাকেও গালাগাল ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এছাড়া তিনি সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলে দেন এবং বিমান বাংলাদেশ প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন।

২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ গোল খেয়ে হারের পর সাদ-সোহেলের নাইট ক্লাবের ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


৯ গোল খেয়ে হারের পর সাদ-সোহেলের নাইট ক্লাবের ভিডিও ভাইরাল

আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা দ্বিতীয় ম্যাচের পরই শেষ হয়ে যায়। ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের পরাজয়ের ফলে হতাশার ষোলকলা পূর্ণ হয়েছে। এর ঠিক পরেই ভাইরাল হয়েছে সিনিয়র খেলোয়াড় সাদ উদ্দিন ও জুনিয়র সোহেল রানার নাইট ক্লাবের একটি ভিডিও।

ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার এক নারী আলানার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে সাদ ও সোহেল রানার সঙ্গে তিনজন নারীকে দেখা যায়। পরবর্তীতে একটি ভিডিওতে গানের তালে নাচতে দেখা যায় সাফের খেলোয়াড়দের।

এত বড় হারের পর এমন ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হওয়ার কারণে ভক্তদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই বার্তা যাচ্ছে যে, দুজনেই নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন। তবে সাদ ও সোহেল উভয়েই বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রদান করেছেন। তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্প শুরুর আগে তারা নেপালে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই আলানার সঙ্গে পরিচয় ঘটে।

একটি সংবাদ মাধ্যমকে তারা বলেন, ‘মোহামেডানে সাইন করার পর আমরা ফ্রি ছিলাম। জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হওয়ার আগে নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলাম। তখন একটি (লোডা) ক্লাবে তার সঙ্গে দেখা ও পরিচয় হয়েছিল। এটি জাকার্তা বা ইন্দোনেশিয়ায় নয়।’

যদিও ইন্দোনেশিয়ার নারী আলানা এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে জানিয়েছিলেন, ‘বাংলাদেশে ফুটবলারদের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে তাদের এইচ ক্লাবে। বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল তারা। এটা খুবই ফানি হতো যদি খেলা দেখতাম এবং নিজের জাতীয় দলের বদলে বাংলাদেশের পক্ষে গলা ফাটাতাম।’

এরপর অবশ্য আলানা সেই পোস্টটি ডিলিট করে দিয়েছেন। একাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে সেই ভিডিও প্রকাশিত হলে তিনি সেসব ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ করেন। তা না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন।

বাংলাদেশ এবারের আসিয়ান কাপের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো ফিফা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিল। তবে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, বরং দলটি টুর্নামেন্টটি শেষ করেছে একরাশ হতাশা নিয়ে। এমন পরিস্থিতিতে দুই ফুটবলারের ভিডিও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন সম্প্রচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


নকলায় কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন সম্প্রচার

দেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলায় একযুগে কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ ও কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে ৭৭ উপজেলার সাথে একযুগে শেরপুরের নকলায় কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

তথ্য মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি ও সরাসরি দেশের ৫৬ জেলার ৭৭টি উপজেলার লক্ষাধিক কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ ও নগদ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। নকলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উদ্বোধন কার্যক্রমের সরাসরি সম্প্রচার প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।

নকলায় সম্প্রচার প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক তৌফিক আহমদ খান, শেরপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ ফরিদা ইয়াসমিন, শেরপুর খামার বাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন ও পুলিশ সুপার এ.কে.এম জহিরুল ইসলাম।

এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার ড. মো. সালাউদ্দিন কায়সার, শেরপুর খামার বাড়ির অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মো. আলমগীর কবির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক খোরশেদুর রহমানসহ উপজেলা বিএনপি ও কৃষক দলের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্তাবধানে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নকলা সম্প্রচার অনুষ্ঠানে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, কৃষি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ জানান, প্রথম ধাপে উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের চর ভাবনা ব্লকের ২ হাজার ৬২ জন কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে স্তর অনুযায়ী ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক কার্ডধারী ১ হাজার ৮১০ জনকে কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%