ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও মারধরের মামলা


জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও মারধরের মামলা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও মারধরের অভিযোগে জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ শুক্রবার, বিমানবন্দর থানায় বন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব মামলাটি করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি কাজে বাধা, মারধর এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতি বার (১ অক্টোবর) মদিনা থেকে আগত একটি ফ্লাইটের (BG-338) লাগেজ পেতে বিলম্বের কারণে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং মারধরের হুমকি দেন। তিনি বিমানমন্ত্রীকে নিয়েও অশালীন মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: পাইকগাছায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পে ৬ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আখতারুজ্জামানের সঙ্গীরা সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণ শুরু করলে নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেজর আখতারুজ্জামান তাকেও গালাগাল ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এছাড়া তিনি সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলে দেন এবং বিমান বাংলাদেশ প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন।

২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ গোল খেয়ে হারের পর সাদ-সোহেলের নাইট ক্লাবের ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


৯ গোল খেয়ে হারের পর সাদ-সোহেলের নাইট ক্লাবের ভিডিও ভাইরাল

আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা দ্বিতীয় ম্যাচের পরই শেষ হয়ে যায়। ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের পরাজয়ের ফলে হতাশার ষোলকলা পূর্ণ হয়েছে। এর ঠিক পরেই ভাইরাল হয়েছে সিনিয়র খেলোয়াড় সাদ উদ্দিন ও জুনিয়র সোহেল রানার নাইট ক্লাবের একটি ভিডিও।

ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার এক নারী আলানার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে সাদ ও সোহেল রানার সঙ্গে তিনজন নারীকে দেখা যায়। পরবর্তীতে একটি ভিডিওতে গানের তালে নাচতে দেখা যায় সাফের খেলোয়াড়দের।

এত বড় হারের পর এমন ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হওয়ার কারণে ভক্তদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই বার্তা যাচ্ছে যে, দুজনেই নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন। তবে সাদ ও সোহেল উভয়েই বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রদান করেছেন। তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্প শুরুর আগে তারা নেপালে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই আলানার সঙ্গে পরিচয় ঘটে।

একটি সংবাদ মাধ্যমকে তারা বলেন, ‘মোহামেডানে সাইন করার পর আমরা ফ্রি ছিলাম। জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হওয়ার আগে নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলাম। তখন একটি (লোডা) ক্লাবে তার সঙ্গে দেখা ও পরিচয় হয়েছিল। এটি জাকার্তা বা ইন্দোনেশিয়ায় নয়।’

যদিও ইন্দোনেশিয়ার নারী আলানা এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে জানিয়েছিলেন, ‘বাংলাদেশে ফুটবলারদের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে তাদের এইচ ক্লাবে। বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল তারা। এটা খুবই ফানি হতো যদি খেলা দেখতাম এবং নিজের জাতীয় দলের বদলে বাংলাদেশের পক্ষে গলা ফাটাতাম।’

এরপর অবশ্য আলানা সেই পোস্টটি ডিলিট করে দিয়েছেন। একাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে সেই ভিডিও প্রকাশিত হলে তিনি সেসব ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ করেন। তা না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন।

বাংলাদেশ এবারের আসিয়ান কাপের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো ফিফা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিল। তবে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, বরং দলটি টুর্নামেন্টটি শেষ করেছে একরাশ হতাশা নিয়ে। এমন পরিস্থিতিতে দুই ফুটবলারের ভিডিও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন সম্প্রচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


নকলায় কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন সম্প্রচার

দেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলায় একযুগে কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ ও কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে ৭৭ উপজেলার সাথে একযুগে শেরপুরের নকলায় কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

তথ্য মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি ও সরাসরি দেশের ৫৬ জেলার ৭৭টি উপজেলার লক্ষাধিক কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ ও নগদ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। নকলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উদ্বোধন কার্যক্রমের সরাসরি সম্প্রচার প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।

নকলায় সম্প্রচার প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক তৌফিক আহমদ খান, শেরপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ ফরিদা ইয়াসমিন, শেরপুর খামার বাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন ও পুলিশ সুপার এ.কে.এম জহিরুল ইসলাম।

এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার ড. মো. সালাউদ্দিন কায়সার, শেরপুর খামার বাড়ির অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মো. আলমগীর কবির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক খোরশেদুর রহমানসহ উপজেলা বিএনপি ও কৃষক দলের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্তাবধানে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নকলা সম্প্রচার অনুষ্ঠানে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, কৃষি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ জানান, প্রথম ধাপে উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের চর ভাবনা ব্লকের ২ হাজার ৬২ জন কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে স্তর অনুযায়ী ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক কার্ডধারী ১ হাজার ৮১০ জনকে কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সাংবাদিক তুমি খারাপ’-তবুও মানুষের শেষ আশ্রয় কেন সংবাদমাধ্যম?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাছুদুর রহমান আসলাম

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


‘সাংবাদিক তুমি খারাপ’-তবুও মানুষের শেষ আশ্রয় কেন সংবাদমাধ্যম?

‘সাংবাদিক তুমি খারাপ’, ‘সাংবাদিক তুমি মিথ্যা লেখ’, ‘তুমি হলুদ সাংবাদিক’—সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকদের এমন নানা অভিযোগ শুনতে হয়। কখনো আবার বলা হয়, সাংবাদিক চাঁদা চেয়েছিল, চাঁদা দিইনি বলেই আমার বিরুদ্ধে সংবাদ করেছে।’ কিন্তু এ ধরনের অভিযোগ সত্য কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন। কারণ কোনো সংবাদ কারও পক্ষে বা বিপক্ষে গেলেই সাংবাদিকের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না; দেখতে হবে সংবাদে তথ্য ও প্রমাণ আছে কি না।

সাংবাদিকতার নৈতিক ভিত্তি হলো তথ্য যাচাই, সত্যতা, জনস্বার্থ ও জবাবদিহি। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর তা যাচাই করেন, প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করেন এবং সম্ভব হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেন। অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে প্রকাশ না করাও সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ নীতি।

একজন নারী ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে থানায় গিয়ে মামলা করতে পারছেন না—কারণ অভিযুক্ত একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। এমন পরিস্থিতিতে অসহায় ওই নারী শেষ আশ্রয় হিসেবে সাংবাদিকদের কাছেই ছুটে আসেন। তখন সাংবাদিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে বিষয়টি জনগণের সামনে তুলে ধরেন। সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের নজরে এসে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলে একজন ভুক্তভোগী ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান।

একইভাবে, কোনো ব্যক্তি নির্মাণকাজ করতে গিয়ে চাঁদাবাজির শিকার হয়ে থানায় অভিযোগ করার পরও প্রতিকার না পেলে এবং পরে হুমকি বা অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ উঠলে, সংবাদমাধ্যম বিষয়টি জনসম্মুখে তুলে ধরতে পারে। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখার সুযোগ পায়।

এ কারণেই অনেক মানুষ আইনি বা প্রশাসনিক প্রতিকার না পেয়ে সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হন। তাদের প্রত্যাশা থাকে, তাদের কথা অন্তত মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে।

তবে সাংবাদিকতার পথও সহজ নয়। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা অনেক সময় হামলা, মামলা, হুমকি ও নানা ধরনের চাপের মুখোমুখি হন। রাষ্ট্রের কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলেও তাদের বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকরা এসব ঝুঁকির শিকার হয়েছেন।

সাংবাদিকতার কারণে পারিবারিক জীবনেও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। সংবাদ সংগ্রহে ছুটতে গিয়ে পরিবারকে সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই অনেক সময় বলা হয়, সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের কেউ নয়, নিজের ঘরের মানুষও হতে পারে।** স্ত্রী-সন্তান অভিযোগ করতে পারেন, পরিবারের চেয়ে সংবাদকেই বেশি সময় দেওয়া হচ্ছে। অথচ সাংবাদিক তখন অন্য মানুষের সমস্যা ও অধিকার তুলে ধরার কাজে ব্যস্ত।

সাংবাদিকের ব্যক্তিগত শত্রু থাকার কথা নয়। কোনো সংবাদ কারও পক্ষে গেলে তথ্যের কারণে যাবে, আবার বিপক্ষে গেলে ঘটনার বাস্তবতার কারণে যাবে। সাংবাদিকের অবস্থান হওয়া উচিত ব্যক্তি বা পক্ষের পক্ষে নয়—**তথ্য, সত্য ও জনস্বার্থের পক্ষে।

সাংবাদিকও ভুলের ঊর্ধ্বে নন। ভুল সংবাদ হলে সংশোধন করতে হবে, অন্যায় হলে সমালোচনা গ্রহণ করতে হবে। একইভাবে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদা চাওয়া, টাকা না দেওয়ায় সংবাদ করা কিংবা মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠলে সেগুলোরও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

দিনশেষে সাংবাদিককে আবারও নতুন সংবাদের পেছনে ছুটতে হয়। নানা চাপ, হুমকি কিংবা প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের কথা তুলে ধরাই তার দায়িত্ব।

সব সাংবাদিক খারাপ নন, আবার সাংবাদিকতার নামে কোনো অনিয়মও গ্রহণযোগ্য নয়। প্রকৃত সাংবাদিকতার শক্তি হলো" পাঁচ টাকার কলম —তথ্য, প্রমাণ, পেশাগত সততা এবং মানুষের জানার অধিকাএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোরারগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী (চট্টগ্রাম)

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


জোরারগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা এলাকার বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাতদলের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে রামদা, ছোরা ও মাস্ক উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের ঘোড়ামারা সাকিনের নয়াটিলা মাজারের নিকটবর্তী জঙ্গল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— চট্টগ্রাম ভূজপুর থানার রহমতপুর এলাকার মোঃ আনোয়ার হোসেন (২৩), ফেনী সদর থানার রাজ নগর এলাকার বেলায়েত হোসেন (৩০) এবং জোরারগঞ্জ থানার ঘোড়ামারা এলাকার মোঃ আলাউদ্দিন ওরফে মামুন (৩৬)।
পুলিশ জানায়, বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের নয়াটিলা টু কয়লা বাজার এলাকায় ডাকাতের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর দিক-নির্দেশনায় এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশেষ টহল জোরদার করা হয়।
এরই অংশ হিসেবে এসআই মোঃ আকরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে রাস্তার পাশে জঙ্গলে ১৪-১৫ জনের একদল সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাতকে ডাকাতির প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি ১০-১২ জন অন্ধকারে পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজত থেকে একটি সাড়ে ২৪ ইঞ্চির লোহার তৈরি রামদা, বিভিন্ন আকারের চারটি লোহার লম্বা ছোরা ও ৭টি কালো রঙের মাস্ক উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছে, তারা মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনে ডাকাতি করার উদ্দেশে সেখানে সমবেত হয়েছিল।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে মোঃ আলাউদ্দিন ওরফে মামুনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানা ও সিএমপির বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র ও মাদক আইনে অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য আসামিদের বিরুদ্ধেও নানা অপরাধের তথ্য রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পালিয়ে যাওয়া বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%