শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২১ পি.এম
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টটেনহ্যাম হটস্পারের বিরুদ্ধে অ্যাস্টন ভিলার হার অবশেষে গোল খরা কাটানোর ম্যাচে ঘটলো। চলতি মৌসুমের প্রথম ৪ ম্যাচে কোনো গোল করতে না পারা স্পার্সরা শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পেল। তবে, নিজেদের ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলার কাছে তারা ৩-২ গোলে পরাজিত হলো। এর ফলে ক্লাবটি পুরো ৩ পয়েন্ট হারালো।
ম্যাচের শুরুতেই দুই দলের স্ট্রাইকাররা পাল্টা আক্রমণে ডিফেন্ডারদের ব্যস্ত রাখে। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে (৪৫+৪ মিনিটে) জোহান মানজাম্বির গোলে অ্যাস্টন ভিলা লিড নেয়। এরপর, দ্বিতীয়ার্ধের ৬৬ মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসন এবং ৭৮ মিনিটে বুয়েন্দিয়া গোল করলে টটেনহ্যাম ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। খবর ইএসপিএন।
অবশেষে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে কনর গ্যালাগার গোল করে টটেনহ্যামের দীর্ঘ গোল খরা দূর করেন। এরপর, ম্যাচের শেষ মুহূর্তে (৯০+৮ মিনিটে) জান পল ভ্যান হেক আরেকটি গোল করলেও এটি কেবল ব্যবধান কমিয়েছে (৩-২)।
কোচ রবার্তো ডি জার্বির অধীনে এই হারের পর টটেনহ্যাম ৫ ম্যাচ শেষে মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১৮ নম্বরে (রেলিগেশন জোন) অবস্থান করছে। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে ভিলা এই মৌসুমে তাদের প্রথম জয় অর্জন করলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্সের গণনা চতুর্থবারের মতো সম্পন্ন হয়েছে। ৩৪ দিন পর দানবাক্সটি খুলে পাওয়া গেছে প্রায় ৮৯ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি পাওয়া গেছে স্বর্ণ এবং ১৫টি দেশের মুদ্রাও। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক (সিসিক) আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী বাক্সে পাওয়া দানের হিসাব ঘোষণা করেন।
এর আগে সকাল ১০টা থেকে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর দরগাহে বসানো ৩টি দানবাক্স ও ৩টি ডেগ থেকে টাকা সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দানবাক্স ও ডেগের সিলগালা খুলে টাকা সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রায় অর্ধশত স্বেচ্ছাসেবী মিলে দিনভর সেগুলো গণনা করেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে সিসিকের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম প্রাপ্ত দানের হিসাব ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, এবার দান হিসেবে মিলেছে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা। এছাড়া ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি স্বর্ণ, ব্রিটিশ ৫ পাউন্ড, ভারতীয় রূপি ৩ হাজার ৯৫৪, থাইল্যান্ডের ৫ বাথ, সৌদি আরবের ৯৯.২৫ রিয়াল, মালয়েশিয়ার ২৯ রিঙ্গিত, ৮ মার্কিন ডলার, ওমানের ৯০৩ রিয়াল, আরব আমিরাতের ৫৭.২৫ দেহরাম, ইরাকের ১ দিনার, কাতারের ২১.৫০ রিয়াল, ৩০.১০ ইউরো, বাহরাইনের দশমিক ২৫ দিনার, পাপুয়া নিউগিনির ৫০ টিনা, চীনের ১৫ ইউয়ান ও ইন্দোনেশিয়ার ৫ হাজার রূপিয়াহ পাওয়া গেছে। এছাড়া দান হিসেবে ৬টি গরু ও ১১টি ছাগলও পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে লঙ্গরখানায় খাবারের জন্য জবাই করা হয়েছে ৫টি গরু ও ৬টি ছাগল। ৪টি ছাগল বিক্রি করে লঙ্গরখানার স্টাফদের মজুরি প্রদান করা হয়েছে এবং একটি করে গরু ও ছাগল গরিব দুই মেয়ের বিয়েতে দান করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৫ আগস্ট ৩৪ দিন পর তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়েছিল। ওই সময় পাওয়া গিয়েছিল ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের শাল্লায় পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন অভিযান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শাল্লা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিয়াসচন্দ্র দাসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে শাল্লা সদর ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের কাঁচাবাজার, মধ্যবাজার, থানা রোড, কলেজ রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি মশা নিধনের মেশিনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ওষুধ ছিটানো হয়।
এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডেঙ্গু রোগের বিস্তার, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
অভিযানে শাল্লা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভজিৎ রায়, শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল, বাজার কমিটির সভাপতি ব্রজেশ রঞ্জন চৌধুরী, বাজারের ব্যবসায়ী, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে তরুণ চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের (৩১) মৃত্যুর ১১ দিন পর তার বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কে অবস্থিত ‘ভটের ফার্মেসি’র দ্বিতীয় তলার বাসা থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী ওই ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় বসবাস করতেন। ‘ভটের ফার্মেসি’ তাদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। তাঁদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে তাঁদের পরিবার ‘ভটের বাড়ি’ (ব্রাহ্মণ বাড়ি) নামে পরিচিত। প্রায় দুই বছর আগে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর স্ত্রী মারা যান।
শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
মৌলভীবাজার মডেল থানার উপপরিদর্শক মনোজ কুমার সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার রাতেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর একমাত্র ছেলে চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মৃত্যু ঘটে। ছেলের মৃত্যুর পর তিনি বিমর্ষ ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ছেলেকে হারানোর শোক থেকে পূর্ণেন্দ্র আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন।
জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে প্রান্তের বিয়ে হয়েছিল। তিনি এবং তার স্ত্রী দুজনেই চিকিৎসক। নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই তার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে তখন নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিল, তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ