০৪:২৭ পি.এম
গত এক বছরে ইরান প্রতিরক্ষা অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন দ্বিগুণ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও সেখানে উৎপাদন কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিকের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানান, দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদের দ্রুত ও টেকসই উৎপাদন ইরানকে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা প্রদান করেছে।
আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে পরজীবী ও রাহুলকে ব্যর্থ পণ্য আখ্যা দিলেন নরেন্দ্র মোদি
তালাই-নিক উল্লেখ করেছেন যে, গত কয়েক বছরে গড়ে প্রতিষ্ঠিত কৌশলগত মজুদ এবং ইরানে তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহারের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। একইসঙ্গে নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, জায়নবাদী শাসনের চাপিয়ে দেওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের সময় দেশটির কয়েকটি প্রতিরক্ষা-শিল্প স্থাপনায় সীমিত হামলা হলেও জুলাই ২০২৫ থেকে জুলাই ২০২৬ সময়ে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের বার্ষিক উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
তালাই-নিক আরও জানান, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দাবির বিপরীতে ইরানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন অব্যাহত ছিল। বরং যুদ্ধকালীন প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত ও অগ্রাধিকারমূলক সামগ্রীর উৎপাদন তিনগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে।
তিনি সামরিক তথ্য ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত গোপনীয়তা রক্ষার উপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। তালাই-নিকের ভাষ্য, সম্ভবত দুর্বলতা প্রকাশ এবং শত্রুপক্ষকে অতর্কিত হামলার সুযোগ দেওয়া এড়াতে এসব তথ্য গোপন রাখা জরুরি।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের গোয়াদরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৩ সন্ত্রাসী
এ কারণে গত দুই বছর ধরে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প দিবসে সামরিক প্রদর্শনী আয়োজন থেকে বিরত রয়েছে দেশটি। পাশাপাশি নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উন্মোচনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন